হাই ভোল্টেজ প্রচারও ব্যর্থ! মোদির ম্যাজিকে কেন আস্থা নেই হিমাচল প্রদেশের?

Himachal Pradesh Election Congress: গুজরাতবাসী ভূমিপুত্র মোদির সঙ্গে আবেগের টান অনুভব করলেও, হিমাচলবাসী মোদির সেই ডাকে সাড়া দেননি।

pampii adhikari
৪ মিনিট
হাই ভোল্টেজ প্রচারও ব্যর্থ! মোদির ম্যাজিকে কেন আস্থা নেই হিমাচল প্রদেশের?

রেকর্ড সংখ্যক আসনে জয়ী হয়ে বিজেপি ফের গুজরাতে সরকার গড়ার পথে। জয়ের নেপথ্যে থাকা ‘মোদি ম্যাজিকে’রও উল্লেখ উঠে আসছে বার বার। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রচার সত্ত্বেও হিমাচল প্রদেশে হার নিয়ে আপাতত মাথা ঘামাতে নারাজ বিজেপি। বরং পালা করে ভিন্ন দলের ক্ষমতায় আসার নজিরকেই পরাজয়ের কারণ হিসেবে ব্যাখ্যা করছে তারা। কিন্তু হিমাচলে বিজেপির পরাজয়ের নেপথ্য কারণ শুধুমাত্র পালা করে শাসক বদলের রীতিই নয়। ধর্মীয় মেরুকরণের রাজনীতি, সাংগঠনিক দুর্বলতাই সেখানে পরাজিত করেছে তাদের।

হিমাচলপ্রদেশের মোট জনসংখ্যা ৬৮.৬ লক্ষ। ২০১১ সালের আদমসুমারি অনুযায়ী, রাজ্যের ১২টি জেলার মধ্যে ১১টিই হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ, ৯৭.১৭ শতাংশ। রাজ্যের মোট জনসংখ্যার মধ্যে ১.৫০ লক্ষ মুসলিম, ২.১৮ শতাংশ। হিমাচলে শিখ জনসংখ্যা ৭৯ হাজার ৮৯৬ (১.১৬ শতাংশ), বৌদ্ধ জনসংখ্যা ৭৮ হাজার ৬৫৯ (১.১৫ শতাংশ), খ্রিস্টান জনসংখ্যা ১২ হাজার ৬৫ হাজার (০.১৮ শতাংশ) এবং জৈন জনসংখ্যা ১ হাজার ৮০৫ (০.০৩ শতাংশ)। তবে হিন্দু সংখ্যাগরিষ্ঠ রাজ্য হলেও, দলিত জনসংখ্যার হারে পঞ্জাবের পরই স্থান হিমাচলের। রাজ্যের ৬৮.৬ লক্ষ জনসংখ্যার মধ্যে ১৭ লক্ষ ২৯ হাজার ২৫২, অর্থাৎ ২৫.১৯ শতাংশই দলিত সম্প্রদায়ের।

এ বছর বিধানসভা নির্বাচনের আগে হিমাচলে ধর্মান্তরণকে হাতিয়ার করে প্রচারে নামে বিজেপি। অগাস্ট মাসে হিমাচল প্রদেশ ধর্মীয় স্বাধীনতা (সংশোধনী) বিল ২০২২ পাস হয় সেখানে। কিন্তু হিমাচলে ধর্মান্তরণের যত ঘটনা সামনে এসেছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দলিত সম্প্রদায়ের মানুষ ধর্মান্তরিত হয়েছেন, তাও আবার স্বেচ্ছায়। তাঁদের দাবি, হিমাচলে সামাজিক বৈষম্যের শিকার দলিতরা। মন্দিরে প্রবেশের অনুমতি নেই তাঁদের। বিলাসপুরে মার্কণ্ডেয় মন্দির চত্বরে ‘দলিত প্রবেশ নিষিদ্ধ’ ব্যানারও ঝুলতে দেখা গিয়েছে। এমনকী দলিত শিশুদের স্কুলে মিড ডে মিল দেওয়ার ক্ষেত্রেও বৈষম্য করা হয়। তাই যে ধর্মে তাঁদের সমাজে সসম্মানে বাঁচার অধিকারই নেই, সেই ধর্ম আঁকড়ে পড়ে লাভ কী, প্রশ্ন দলিতদের।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
জয় করে তবু ভয়! বিজেপির ঘোড়া কেনাবেচার কাছে ফের হারবে হিমাচলের কংগ্রেস?

Himachal Pradesh Election Congress: ইতিমধ্যেই নবনির্বাচিত কংগ্রেসের একাধিক ভাবি বিধায়ক এবং ৩ নির্দল বিধায়ককে নিজেদের দিকে নেওয়ার পথে এগিয়েছে বিজেপি।

হিমাচলে বিজেপির সংগঠনের অবস্থাও তথৈবচ। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা হিমাচলের সাংসদ। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর হিমাচলেরই ভূমিপুত্র। তাঁর বাবা প্রেমকুমার ধুমল দু’দফায় হিমাচলের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। বিজেপির নির্বাচনী প্রচারে সক্রিয় ভূমিকায় দেখা গিয়েছে তাঁকে। এমনকী বাবার সরকারের কাজের প্রশংসা করতে গিয়ে প্রকাশ্য জনসভায় চোখের জলও ফেলেন অনুরাগ। ২০১২-র নির্বাচনে প্রেমকুমারকে পরাজিত করেন কংগ্রেসের বীরভদ্র সিংহ। এবার তাই প্রেমকুমারকে টিকিটই দেয়নি বিজেপি। তাই অনুরাগের কান্নার আসল কারণ বাবার টিকিট না পাওয়া বলে ব্যাখ্যা করেন বিজেপিরই কেউ কেউ। এমনকী অনুরাগ হিমাচলের মুখ্যমন্ত্রী হতেও আগ্রহী ছিলেন বলেও শোনা গিয়েছিল। কিন্তু অনুরাগের জন্মস্থান হামিরপুরের পাঁচটি আসনেই এবার পরাজিত হয়েছে বিজেপি।

নির্বাচনী প্রচারে দলবাজিরও অভিযোগ ওঠে। হিমাচল বিজেপিতে অনুরাগ, নাড্ডা এবং বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী জয়রাম ঠাকুর অনুগামীরা পৃথক প্রচার চালান। তাতে শেষ পেরেক পুঁতে দেন বিজেপিরই বিদ্রোহী বিধায়করা। কমপক্ষে ৯টি আসনে সরাসরি প্রাক্তন বিজেপি এবং অধুনা বিজেপি প্রার্থীর মধ্যে লড়াইয়ের সুফল তোলে কংগ্রেস। তাই নাড্ডা (কমপক্ষে ৫০টি জনসভা), উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (২০টি জনসভা) এবং খোদ প্রধানমন্ত্রী মোদির (৫টি জনসভা) মতো হাই প্রোফাইল নেতাদের প্রচারে নামিয়েও ধরাশায়ী হতে হয়েছে বিজেপিকে। ৬৮ আসনের বিধানসভায় গতবারের প্রাপ্ত ৪৪ আসন থেকে এবার ২৬-এ নেমে গিয়েছে তারা।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
আপই কি নয়া 'কংগ্রেস'? গুজরাত নির্বাচন যে প্রশ্ন তুলে ধরছে বারবার

Arvind Kejriwal AAP: 'দিল্লির লাড্ডু' পৌঁছে দিয়েছেন গুজরাতের কোটি কোটি জনতার মধ্যে। প্রথমবারের লড়াইয়ে রাজ্যজুড়ে প্রায় ১২.৯ শতাংশ ভোট পেয়েছেন আম আদমি দলের প্রার্থীরা।

হিমাচলে সাংগঠনিক দুর্বলতা অজানা ছিল না বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের। তাই প্রচারে গিয়ে মোদিকে বলতে শোনা যায়, ‘‘একটা কথা মনে রাখুন, বিজেপির প্রার্থী কে? কারও মনে রাখতে হবে না। শুধু পদ্ম সাজিয়ে রাখুন মনে। ভোট দেওয়ার সময় পদ্ম দেখে শুধু বুঝে নেবেন, সেটাই বিজেপি, সেটাই মোদি। পদ্মের বোতামে আঙুল রাখার অর্থই সরাসরি মোদির অ্যাকাউন্টে ভোট জমা করা।’’ কিন্তু গুজরাতবাসী ভূমিপুত্র মোদির সঙ্গে আবেগের টান অনুভব করলেও, হিমাচলবাসী মোদির সেই ডাকে সাড়া দেননি। তাই দলের প্রচার কৌশলের হিসেব-নিকেশে ভুল ছিল বলে মনে করছেন হিমাচলের বিজেপি কর্মীরাই।

হিমাচলের বিজেপি কর্মীদের মতে, নির্বাচনে তাঁদের সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয়েছে স্থানীয় সমস্যাগুলিকে না বোঝায়। ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে হিমাচলে জিতেত উদ্যত হয়েছিল দলীয় নেতৃত্ব। উল্টোদিকে, ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেলকে সঙ্গে নিয়ে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী দরজায় দরজায় পৌঁছনোর উপরই বেশি জোর দিয়েছিলেন। পুরনো পেনশন প্রকল্প বন্ধ হয়ে যাওয়া নিয়ে, সেনার ‘অগ্নিবীর’ প্রকল্প নিয়ে, বেকারত্ব নিয়ে মানুষের অভাব-অভিযোগকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা। নির্বাচনী ইস্তেহারেও তাই ক্ষমতায় ফিরলে পুরনো পেনশন প্রকল্প ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দেয় কংগ্রেস। হিমাচলের ভোটারদের ৫ শতাংশই সরকারি কর্মী। তাই তাঁদের সমর্থন পেতে সমস্যা হয়নি কংগ্রেসের। হিমাচলে আদানি অ্যাগ্রোফ্রেশের বিরুদ্ধে আপেল চাষিদের কাছ থেকে কম টাকায় আপেল কেনার অভিযোগও রয়েছে ভূরি ভূরি। তার উপর আপেলের কার্টনের উপর জিএসটি বসিয়েছে কেন্দ্র। অথচ আপেল চাষিদের সুরাহায় এগিয়ে আসেনি রাজ্য এবং কেন্দ্রের বিজেপি সরকার। তাই তাঁদের ভোটও কংগ্রেসের পক্ষে গিয়েছে বলে মত হিমাচল বিজেপির কর্মীদের।

এ যাবৎ হিমাচলে পালা করে ক্ষমতায় থেকেছে কংগ্রেস এবং বিজেপি। এবার সেখানে নির্বাচনী দৌড়ে নাম লেখায় অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টিও। মহিলাদের মাসিক ভাতা থেকে কর্মসংস্থান, কম প্রতিশ্রুতি দেয়নি আপ। কিন্তু একটি আসনও হিমাচলে জিততে পারেনি আপ। পাঁচ বছর অন্তর সরকার বদলের রীতি হিমাচল থেকে বিলুপ্ত হবে, তাদের সরকারই ফের ক্ষমতায় আসবে বলে নির্বাচনী প্রচারে বার বার আস্ফালন করতে দেখা গিয়েছিল বিজেপি নেতাদের। কিন্তু পরাজয় বা তার দায় স্বীকার করে বিবৃতি দিতে দেখা যায়নি তাঁদের কাউকে। বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মাথা পেতে মানুষের রায় মেনে নেওয়ার কথা জানিয়েছেন। মোদি ধন্যবাদ জানিয়েছেন হিমাচলবাসীকে। আগামী দিনে মানুষের সমস্যাগুলি তুলে ধরার কথা জানিয়েছেন। গুজরাতের জয়ে হিমাচলে বিজেপির পরাজয় কার্যতই ধামাচাপা পড়ে গিয়েছে।

লিখেছেন
pampii adhikari
pampii adhikari
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

ছ’বছর ধরে জেলবন্দি, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার রক্ষক সম্মান পেলেন উমর খালিদ

Umar Khalid Human Rights Award: এ বছর তাঁর সঙ্গে আরও চার জন মানবাধিকারকর্মী এই সম্মান পেয়েছেন। তাঁরা হলেন ইরানের মৃত্যুদণ্ড-বিরোধী আন্দোলনকর্মী আহমদরেজা হায়েরি, অ্যাঙ্গোলার গণতন্ত্রকর্মী লরিন্ডা ম্যানুয়েল গুভেইয়া, ব্রাজিলের ব্ল্যাক ট্রান্স নারী ও অধিকারকর্মী আদ্দা ভিক্টোরিয়া কায়েতানো এবং সার্বিয়ার শান্তি ও নারীবাদী আন্দোলনের কর্মী লিলিয়ানা নেশিচ।

তিন দিনে তিনবার আটক রাহুল, রাজঘাটে বিরোধীদের ধর্না: SIR নিয়ে সংঘাত কোথায় গিয়ে ঠেকল?

Rahul Gandhi SIR protest: গত তিন দিন ধরে রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছে দিল্লি। মঙ্গলবার সংসদ থেকে নির্বাচন কমিশনের সদর দপ্তরের দিকে পদযাত্রা দিয়ে শুরু হয় এই প্রতিরোধ। পুলিশ বাধা দিলে রাহুল গান্ধী ব্যারিকেডে উঠে জাতীয় পতাকা নাড়ান এবং সহকর্মীদের নিয়ে ঢুকে পড়েন সংলগ্ন আকাশবাণী ভবনে।

বেঙ্গালুরুতে জনতার ট্রাইব্যুনাল, এসআইআর-এর বিরুদ্ধে সরব প্রকাশ রাজ-ধ্রুব রাঠী

Bengaluru Protest Against SIR: এসআইআর-এর বিরুদ্ধে বেঙ্গালুরুর ফ্রিডম পার্কে পথে নামলেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করলেন প্রকাশ রাজ, ধ্রুব রাঠী-সহ প্রতিবাদীরা। ‘পিপলস ট্রাইব্যুনাল’-এ নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে কী কী অভিযোগ উঠল?

মোদির ২৫ বছর: গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থেকে ভারতের দীর্ঘতম সরকারপ্রধান

Modi's Quarter Century in Power: ৭ অক্টোবর ২০২৬, গুজরাটের ভূমিকম্পোত্তর পুনর্গঠন থেকে ক্ষমতার শীর্ষে, টানা ২৫ বছর সরকারপ্রধানের পদে রেকর্ড গড়লেন নরেন্দ্র মোদি। গত ১০ জুন, তিনি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নেহরুর ৪,৩৯৮ দিনের রেকর্ড ছাড়িয়ে গিয়েছেন। তাঁর আমলে ভারতের জিডিপি হয়েছে তিনগুণ, বৈদেশিক রফতানি পৌঁছেছে বিলিয়ন ডলারের হিসাবে, কিন্তু শিক্ষিত যুবদের বেকারত্বও হয়েছে আকাশছোঁয়া, তাঁর করা নোটবাতিলে দরিদ্রতমরা হয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত, একাডেমিক ফ্রিডমের প্রশ্নে দেশের নাম ডুবেছে বারবার। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, মোদিযুগের অর্জন, ব্যর্থতা ও গণতান্ত্রিক অবক্ষয়ের হিসাব।

গাজা ধ্বংসের তিন বছর: স্কুল নেই, শিক্ষক নেই, হারিয়ে যাচ্ছে একটি প্রজন্ম

Gaza education crisis: ইউনিসেফের হিসেব অনুযায়ী, গাজার ৪ থেকে ১৭ বছর বয়সি প্রায় ৭ লক্ষ শিশু টানা তিন শিক্ষাবর্ষ ধরে নিয়মিত স্কুলশিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। ২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময়েও গাজার প্রায় ৪ লক্ষ ২০ হাজার শিশু সরাসরি স্কুলে গিয়ে পড়াশোনার সুযোগ থেকে বঞ্চিত ছিল।

এসআইআর: সর্বোচ্চ আদালতের ভূমিকা নিয়েও কথা হোক

SIR controversy: নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে যখন একের পর এক অভিযোগ উঠছে, তখন সুপ্রিম কোর্টের নিষ্ক্রিয়তা নিয়েও কি প্রশ্ন উঠবে না? ফর্ম ৬, ভোটার তালিকা থেকে বাদ এবং ট্রাইবুনালে দীর্ঘসূত্রিতার মতো ঘটনায় সর্বোচ্চ আদালত কি তার সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে?

নেহা বোরার সভার পরেই যাদবপুরে কমিটি ভাঙল! রাজনৈতিক অনুষ্ঠান ঘিরে কেন তুঙ্গে বিতর্ক?

Neha Bora Jadavpur University: আয়োজক ছাত্র সংগঠন আইসার যাদবপুর ইউনিট দাবি করেছে যে তারা যথাযথ নিয়ম মেনে ২০ সেপ্টেম্বরই আবেদনপত্র জমা দিয়েছিল এবং ২৫ সেপ্টেম্বর সংশ্লিষ্ট কমিটি থেকে অনুষ্ঠানটির অনুমোদনও পেয়েছিল। অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার দেবজিৎ দত্ত দাবি করেন, এই ধরনের কোনো ফাইল বা অনুমতির চিঠি তাঁর দপ্তরে পৌঁছয়নি।

এসআইআর ফর্ম ৭ বিতর্ক, ৩০ জন মুসলিম ভোটারের নাম বাদের অভিযোগে এফআইআর

SIR Form 7 Controversy: হায়দরাবাদে এসআইআর-এ ফর্ম ৭ নিয়ে বিতর্ক। ৩০ জন মুসলিম ভোটারের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার আবেদন করার অভিযোগে বিজেপির এক বুথ এজেন্টের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে। নির্বাচন আধিকারিকদের যাচাইয়ে ওই ভোটারদের ঠিকানায় থাকার প্রমাণ মেলে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনায় ভোটার তালিকার স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।