জাতীয় নেত্রীর ভূমিকায় ট্রায়াল, প্রথম বারে কতটা সফল মমতা?

অলৌকিক কিছু ঘটনা না ঘটলে বিরোধী প্রার্থীর জয়ের সম্ভাবনা যে ক্ষীণ, তৃণমূল নেত্রী যে তা জানেন না, এমন হতেই পারে না। তাহলে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক, হারা ম্যাচ খেলতে কেন এতখানি সক্রিয় হয়ে উঠলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?

Kanad Dasgupta
৫ মিনিট
জাতীয় নেত্রীর ভূমিকায় ট্রায়াল, প্রথম বারে কতটা সফল মমতা?

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী শিবির সহমতের ভিত্তিতে প্রার্থী দাঁড় করাতে সফল হলেও ওই নির্বাচনের ফল কী হতে পারে, তা মোটামুটি সকলেরই জানা। ভোটে জিততে যে সামান্য ভোটমূল্যের ঘাটতি বিজেপির রয়েছে, তা সম্ভবত 'ম্যানেজ' করে ফেলেছে এনডিএ তথা বিজেপি। ওড়িশার শাসক দল বিজেডি এবং অন্ধ্রপ্রদেশের শাসক দল ওয়াইএসআর কংগ্রেস এ-ব্যাপারে বিজেপির 'বন্ধু' হতে চলেছে বলেই জানা যাচ্ছে। ফলে এবারও যে বিজেপি-মনোনীত প্রার্থীই রাইসিনা পাহাড়ে চড়বেন, তা মোটামুটি নিশ্চিত।

অলৌকিক কিছু ঘটনা না ঘটলে বিরোধী প্রার্থীর জয়ের সম্ভাবনা যে ক্ষীণ, তৃণমূল নেত্রী যে তা জানেন না, এমন হতেই পারে না। তাহলে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক, হারা ম্যাচ খেলতে কেন এতখানি সক্রিয় হয়ে উঠলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? কেন নিজে উদ্যোগ নিয়ে ১৭টি দলকে এক টেবিলে বসিয়ে প্রার্থী চূড়ান্ত করতে চাইছেন তৃণমূলনেত্রী? আসলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী বাছাই বা ওই ভোটে জয়ের চেষ্টার থেকেও অনেক বড় কাজ বুধবার দিল্লিতে সেরে ফেলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের অপশাসনের বিরুদ্ধে এতদিন বিচ্ছিন্নভাবে রাজ্যভিত্তিক আওয়াজ উঠত বিরোধীদের। সেই আওয়াজ ধর্তব্যের মধ্যেই আনত না কেন্দ্র বা বিজেপি। সেইসব কথাই এবার দেশের প্রধান বিরোধী দলগুলির নেতানেত্রীদের উপস্থিতিতে এক সূত্রে গেঁথে দিলেন তৃণমূলনেত্রী। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে এই প্রথম পদ্ধতিগতভাবেই সরব হল বিরোধী শিবির। এবং তা সম্ভব হয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনেকটাই ঝুঁকি নেওয়ার কারণে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
হোয়াটসঅ্যাপে হম্বিতম্বি বিধানসভায় দিশেহারা, কেন নেতৃত্বহীন বঙ্গ বিজেপি?

হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে কোনও পরিষদীয় দল চলতে পারে না। এই দিকটাও বিজেপি-র রাজ্য নেতৃত্বকে ভেবে দেখতে হবে৷

আর ঠিক এখানেই ভয় পাচ্ছে বিজেপি। ক্ষমতায় বসার পর থেকে নরেন্দ্র মোদিকে কখনওই বিরোধীদের সর্বাত্মক আক্রমণের মুখে পড়তে হয়নি। রাজ্যে রাজ্যে বিরোধিতা হয়েছে বটে, তবে কখনওই তার ছাপ গোটা দেশে পড়েনি। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে সামনে রেখে বিরোধী পক্ষের এই একজোট হওয়া যে ভোট মিটে গেলেই অন্তর্হিত হবে, এমন কোনও লক্ষণও খুঁজে পায়নি পদ্ম-শিবির।

২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচন 'টিম মোদি-শাহ'-র কাছে নানা কারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। '২৪-এর নির্বাচনের সময় মোদির বয়স হবে ৭৪ বছর। বিজেপির সংশোধিত দলীয় অনুশাসন অনুযায়ী বয়সের কারণে মোদির এখনই 'মার্গদর্শক' হওয়ার কথা। কিন্তু বিজেপিতে মোদি-পরবর্তী কোনও মুখ না থাকার কারণে দল তাঁকে বয়সজনিত বাধা থেকে ছাড় দিয়েছে। তবে এটাও ঠিক, আগামী লোকসভা ভোটে বিজেপি জিতুক বা হারুক, এটাই মোদির শেষ নির্বাচন। ২০২৯-এ পরবর্তী লোকসভা নির্বাচনের সময় মোদি ছুঁয়ে ফেলবেন ৮০ বছর। মোদি-মহল জানে, চব্বিশের ভোটের ফল যাই-ই হোক, ঊনত্রিশের ভোটে মোদিকে আর প্রার্থী করা না-ও হতে পারে। ফলে নরেন্দ্র মোদি ধরেই নিয়েছেন ২০২৪-এর ভোটেই তিনি রাজনৈতিক জীবনের শেষ নির্বাচনে লড়বেন। তাই এই ভোটে জিততেই হবে। মোদি জানেন, 'ঘর ঘর মোদি' স্লোগান শুনলেই মানুষ এখন পালিয়ে যাচ্ছেন, মোদি বোঝেন, 'সবকা বিকাশ'-এর প্রকৃত অর্থ যে বাছাই করা কিছু শিল্পপতির বিকশিত হওয়া, দেশবাসী তা ধরে ফেলেছেন এবং নরেন্দ্র মোদি শঙ্কিত, কথার 'জাগলারি'-তে মানুষকে মোহাবিষ্ট করে রাখার চালাকি পাবলিক আর নিচ্ছে না। দেশবাসী ধরে ফেলেছে, থমকে গিয়েছে মোদির রথ, পিন ফুটেছে তাঁর জনপ্রিয়তার বেলুনে। আর এর পাশাপাশি সমান্তরালভাবে দৌড়চ্ছে মোদি-জমানার অভূতপূর্ব এবং নজিরবিহীন কুশাসন। স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে যেসব অঘটন ঘটেনি, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে এক এক করে সবই ঘটিয়ে ফেলেছেন নরেন্দ্র মোদি। ফলে চব্বিশের ভোটে জিতে ফিরে আসা আদৌ সহজ কাজ নয়। ভরসা একটাই, বিরোধী শিবিরের অনৈক্য। মোদির একমাত্র আশা, দেশজুড়ে বিরোধী পক্ষ যত নিজেদের মধ্যে লাঠালাঠি করবে, ততই তিনি এগিয়ে যাবেন তাঁর সাধের সেন্ট্রাল ভিস্তার দিকে।

এইখানেই মোদির বিপদ ডেকে এনেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবারের বৈঠকে তাঁর বক্তব্য একবারের জন্যও শুধুমাত্র রাষ্ট্রপতি ভোটকেন্দ্রিক ছিল না। মমতা বার্তা দিয়েছেন সামগ্রিক বিরোধী জোটের, যে জোট ২০২৪-এর নির্বাচনে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেবে মোদির দিকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেসব কথা বলেছেন, তার প্রভাব সুদূরপ্রসারী হতে বাধ্য। প্রার্থী বাছাইয়ের গোলটেবিলকে বুদ্ধিমত্তার সঙ্গে ব্যবহার করে কেন্দ্রীয় সরকারকে দফায় দফায় কাঠগড়ায় তুলেছেন তৃণমূল নেত্রী। বিচ্ছিন্নভাবে বিভিন্ন রাজ্যে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে যে আওয়াজ উঠেছে, তার একত্রীকরণ করেছেন তিনি‌। কী বলেছেন তৃণমূল নেত্রী?

১) দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোকে দুর্বল করে পরিকল্পিতভাবে অ-বিজেপি রাজ্যগুলির প্রতি মাত্রাছাড়া বঞ্চনা চালিয়ে যাচ্ছে মোদি সরকার‍। বিষয়টি এমন জায়গায় পৌঁছে যাচ্ছে, যেন কেন্দ্র দয়া করে রাজ্যগুলিকে সাহায্য করছে৷ অথচ সংবিধান অনুসারে রাজ্যগুলির পাশে দাঁড়াতে কেন্দ্র বাধ্য। মোদি সরকারের আমলে কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্ক তলানিতে চলে গিয়েছে। আইন বা সংবিধানের তোয়াক্কা করছে না কেন্দ্র। ধারাবাহিকভাবে দেশের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় আঘাত হেনে রাজ্য সরকারের ক্ষমতাকে ছেঁটে ফেলার চেষ্টা চালাচ্ছে মোদি সরকার।

২) কেন্দ্রীয় সরকারের খেয়ালখুশিতে এই প্রথমবার দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জম্মু-কাশ্মীরের বিধায়করা অংশ নিতে পারলেন না। ওই রাজ্যের মানুষদের নির্বাচিত সরকার গঠনের সুযোগ না দিয়ে তাদের ঘাড়ে চাপিয়ে রাখা হয়েছে রাষ্ট্রপতি শাসন। সেখানকার পণ্ডিতদের এক অসহায়, অসহনীয় পরিস্থিতিতে দিন কাটাতে বাধ্য করা হচ্ছে। মোদি সরকারের কাশ্মীর নীতি সমালোচনাযোগ্য‌।

৩) অ-বিজেপি রাজ্যর রাজ্যপালরা নিজেদের সংবিধান-বর্ণিত ভূমিকা অতিক্রম করছেন দিল্লির মদতে। রাজভবনের রাজ্যপালের দপ্তরকে রাজ্যের বিরুদ্ধে চূড়ান্তভাবে অপব্যবহার করা হচ্ছে। আইন বা সাংবিধানিক পথে নয়, বিজেপির রাজ্যনেতাদের পরামর্শে বা নির্দেশে রাজ্যপাল চলছেন। রাজ্য সরকারের কাজের গতি বারবার থমকে দেওয়া হচ্ছে। এসবের পিছনেই রয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের উসকানি।

৪) কেন্দ্রীয় সরকার ছক কষে দেশের বিরোধী নেতানেত্রীদের এবং তাঁদের পরিবারের বিরুদ্ধে মাঠে নামিয়েছে একাধিক কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে৷ বিজেপি যেসব রাজ্যে থাবা বসাতে পারছে না সাংগঠনিক দুর্বলতা, অদক্ষতার জন্য, সেইসব রাজ্যে রাজনৈতিক লক্ষ্যে সক্রিয় করা হচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে। কেন্দ্রবিরোধী রাজনীতির কণ্ঠ স্তব্ধ করতে চাইছে‌। মোদি সরকার চাইছে, ‘বিরোধীমুক্ত ভারত’ গঠন করতে।

৫) কেন্দ্রীয় সরকারের সম্মতিতেই নুপুর শর্মার মতো বিজেপির নেতা-নেত্রীরা মাঠে-ময়দানে, সংবাদপত্রে, টেলিভিশনে, সোশ্যাল মিডিয়ায় ধারাবাহিকভাবে ঘৃণার সংলাপ বা বিদ্বেষমূলক বক্তব্য চালিয়ে যাচ্ছেন৷ শুধুই ভোটরাজনীতির লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় সরকার নীরব৷ আর এর ফলে দেশবাসীর একাংশ চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন৷ শুধুই পশ্চিম এশিয়ার সামনে নয়, আজ গোটা বিশ্বের সামনে ভারতকে মাথা নোয়াতে হচ্ছে। দেশের ভাবমূর্তি ধ্বংস করছে বিজেপি সরকার।

আরও অনেক কথাই বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কোনও কথাই শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গ-কেন্দ্রিক নয়৷ দেশের যথার্থ বিরোধী নেত্রীর দায়িত্ববোধ এবং ভূমিকা যেমন হওয়া প্রয়োজন, তাঁর বার্তা যতখানি প্রাসঙ্গিক হওয়া দরকার, ঠিক সেই দায়িত্বই নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেছেন তৃণমূল নেত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা দেখে মুগ্ধ দেশের শীর্ষ বিরোধী নেতা-নেত্রীরা। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রার্থী বাছাইয়ের গোলটেবিলে বসে কার্যত ২০২৪-এর লোকসভা ভোটের ডংকা বাজিয়ে দিয়েছেন তিনি। আগামী নির্বাচনে ঠিক কোন সুরে বিরোধীরা গর্জে উঠলে বিজেপির অন্দরে থরহরিকম্প শুরু হবে, তারই দিকনির্দেশ করেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী।

আর ঠিক এইখানেই সিঁদুরে মেঘ দেখছে বিজেপি। ত্রাহি ত্রাহি রব ওঠা স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। তাই নিশ্চিতভাবেই ধরে নেওয়া যায়, বাংলায় এবার কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলির দাপাদাপি শতগুণে বৃদ্ধি পাবে, রাজ্যের প্রতি কেন্দ্রীয় বঞ্চনাও সীমাহীন হবে। তবে একজন সফল জাতীয় নেত্রীকে এসব অস্ত্রে ঘায়েল করা আদৌ সম্ভব হবে কি?

লিখেছেন
Kanad Dasgupta
Kanad Dasgupta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।