খেলার টিকিটকে ঘিরে প্রেম! বিচ্ছেদের মুখে শোয়েব-সানিয়া অথচ প্রেম হার মানাত সিনেমাকেও

Shoaib Malik-Sania Mirza Divorce: শোনা যায়, ছোটবেলার বন্ধু সোহরাব মির্জার সঙ্গে বাগদান সম্পন্ন হয়ে গিয়েছিল সানিয়ার। কিন্তু শোয়েবের প্রেমে মাতোয়ারা সানিয়া সেই সম্পর্ক ভেঙে দেন এবং শোয়েবকেই বিয়ে করেন।

Arunava Nag Roy
৪ মিনিট
খেলার টিকিটকে ঘিরে প্রেম! বিচ্ছেদের মুখে শোয়েব-সানিয়া অথচ প্রেম হার মানাত সিনেমাকেও

বর্তমানে বিভিন্ন সংবাদপত্রের হেডলাইন দখল করে রয়েছেন সানিয়া মির্জা ও শোয়েব মালিক। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে গুঞ্জন, সানিয়া মির্জার সঙ্গে তাঁর বিয়ে ভাঙতে বসেছে! আর তার অন্যতম কারণ, তৃতীয় ব্যক্তি। অতঃপর প্রশ্ন উঠছে, কে সেই তৃতীয় ব্যক্তি, যিনি এই জনপ্রিয় জুটির মাঝে অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছেন? আপাতত শোয়েবের সঙ্গে বিতর্কে নাম জড়িয়েছে দু’জনের। এই দু’জনের মধ্যে প্রথম জন হলেন পাকিস্তানি অভিনেত্রী আয়েশা ওমর। ২০২১ সালে একটি ম্যাগাজ়িনের জন্য ফটোশুটে এক সঙ্গে দেখা গিয়েছিল শোয়েব ও আয়েশাকে। দু’জনেই বেশ ঘনিষ্ঠভাবে ফটোশুট করেছিলেন। তারপর থেকেই অভিনেত্রীর সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে পাক ক্রিকেটারের নাম। এছাড়া আরও এক অভিনেত্রীর সঙ্গে নাম জড়িয়েছে শোয়েব মালিকের। তিনি হলেন জনপ্রিয় পাকিস্তানি অভিনেত্রী মাহিরা খান। মাহিরার সঙ্গে ইনস্টাগ্রাম লাইভে একবার কথাবার্তায় বসেছিলেন শোয়েব। সেই আড্ডায় কার্যত সকলের সামনেই অভিনেত্রীর সঙ্গে ‘ফ্লার্ট’ করছিলেন শোয়েব মালিক।

বর্তমানে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম দাবি করছে শোয়েব এবং সানিয়া বর্তমানে একসঙ্গে থাকছেন না। সোশ্যাল মিডিয়াতেও একে অপরকে আনফলো করে দিয়েছেন তাঁরা। সরাসরি কিছু না বললেও সোশ্যাল মিডিয়ায় এই নিয়ে বেশ কয়েকটি তাৎপর্যপূর্ণ পোস্টও করেছেন সানিয়া। ১২ বছরের সুখী দাম্পত্যে বিচ্ছেদের মেঘ ঘন্নাচ্ছে বলেই মত সকলের। তবে ভাবতেও অবাক লাগে, সীমান্ত পেরিয়ে যাঁদের ভালোবাসা সিনেমার গল্পকেও হার মানায়, সেই জুটিই নাকি বিচ্ছেদের পথে হাঁটতে চলেছে। ২০১০ সালে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন পাকিস্তানি ক্রিকেটার শোয়েব মালিক এবং ভারতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ টেনিস খেলোয়াড় সানিয়া মির্জা। এঁদের আলাপও কিন্তু হয়েছিল খেলার কারণেই, বলা ভালো খেলার টিকিটের কারণে।

২০০৬ সাল, আন্তর্জাতিক স্তরে নিজেকে সবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন সানিয়া মির্জা। সেই সময় মোহালির এক হোটেলে তাঁর সঙ্গে আলাপ হয় শোয়েব মালিকের। সেবার পাকিস্তান ভারত সফরে এসেছিল, এবং সানিয়া কোনও একটি টুর্নামেন্টের কারণে মোহালিতেই ছিলেন। ঘটনাচক্রে পাকিস্তান টিম এবং সানিয়া একই হোটেলে থাকায়, ব্রেকফাস্ট লাউঞ্জে তাঁর সঙ্গে আলাপ হয় শোয়েবের। এর কয়েকদিন আগে অবশ্য মোহালিরই এক জিমে দু’জনের মধ্যে কয়েক মিনিটের সাক্ষাৎ হয়। তবে এবার হোটেলের লাউঞ্জে শোয়েবকে দেখে ম্যাচের টিকিটের দাবি জানিয়ে বসেন সানিয়া। শোয়েব রাজি হয়ে যান তবে একটি শর্ত দেন। শোয়েব সানিয়াকে জানান, তিনি সানিয়াকে টিকিট দেবেন যদি সানিয়া তাঁকে নিজের ম্যাচের একটি টিকিট দেন। শোয়েব সানিয়াকে ক্রিকেট ম্যাচের টিকিট অ্যারেঞ্জ করে দিলেন এবং সানিয়াও শোয়েবকে নিজের টেনিস ম্যাচের টিকিট অ্যারেঞ্জ করে দিলেন। এই ছিল তাঁদের প্রথম সাক্ষাৎ।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মহিলাদের গর্ভনিরোধকে সহজ করেছিলেন এই বিজ্ঞানী, আড়ালেই রইলেন 'সহেলি'র আবিষ্কর্তা

Saheli Contraceptive Pill: প্রথম দিকে কুকুর, বিড়াল, ইদুর এবং বাঁদরদের দেহে পরীক্ষা করা হয় এই ওষুধ। পরবর্তীকালে বহু মহিলার শরীরেও সেন্টক্রোম্যানের গবেষণা করা হয়। ১৯৯০ সালে ভারত ড্রাগ রেগুলেটরি বোর্ডের মান্যতা পায় এই ওষুধ।

শোয়েব-সানিয়ার দ্বিতীয় সাক্ষাৎ হয় তিন বছর পরে হোবার্টে। ২০০৯ সালে ২৩ বছরের সানিয়া তখন আন্তর্জাতিক স্তরে কামব্যাক করার চেষ্টা করছেন। তাঁর লক্ষ্য হোবার্টে অনুষ্ঠিত অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে ভালো পারফর্ম করা। সানিয়া, তাঁর বাবা এবং প্রশিক্ষকের সঙ্গে মুনস্টোন নামের একটি হোটেলে থাকছিলেন। সেই হোটেলের উল্টোদিকেই ছিল একটি জনপ্রিয় ভারতীয় রেস্তোরাঁ। তাঁরা সেখানেই খেতে যান। সেই সময় পাকিস্তান অস্ট্রেলিয়া সফরে ছিল। পাকিস্তানি ক্রিকেটাররাও সেই ভারতীয় রেস্তোরাঁতেই খাচ্ছিলেন। সানিয়াদের দেখেই উঠে আসেন শোয়েব। সানিয়া এবং তাঁর বাবার সঙ্গে কথা বলেন শোয়েব। এই সময় শোয়েব মালিককে পরের দিন ওই একই রেস্তোরাঁয় খেতে আসার জন্য নেমন্তন্ন করেন সানিয়ার বাবা। যথারীতি শোয়েব পরদিনও আসেন। দু’জনের মধ্যে ফোন নম্বর আদান-প্রদান হয়, কথাবার্তাও শুরু হয়ে যায়, বন্ধুত্বের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তবে প্রেম এখনও দূরে ছিল।

একমাস পর দুবাই ওপেন খেলতে যাচ্ছিলেন সানিয়া। এই সময় পাকিস্তান টিম ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সিরিজ খেলছিল দুবাইতে এবং দলের অধিনায়ক ছিলেন শোয়েব মালিক। এই সময় শোয়েবের আলাপ হয় সানিয়ার মা-র সঙ্গে। সিরিজ এবং দুবাই ওপেন শেষ হতে হতে সানিয়াকে মন দিয়ে বসেন শোয়েব। দু'মাস পর টুর্নামেন্টের শেষে শোয়েব সানিয়াকে প্রপোজ করেন এবং বিয়ের কথা বলেন। সানিয়ার এতে কোনও আপত্তি ছিল না। নিজের আত্মজীবনী ‘Ace Against The Odds’-এ সানিয়া লিখেছেন,

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
রহস্যময় ট‍্যাটু থেকে যৌনতা, কেচ্ছা থেকে বিয়ে! সবসময়ই বর্ণময় বিরাট-জীবন

Virat Kohli: অনেকেই বলেন, মাঠের আগ্রাসী মনোভাব আর ব্যক্তিগত জীবনে মাটির কাছাকাছি থাকা বিরাটের জীবন নিয়ে তৈরি হবে ইতিহাস।

“পাকিস্তান দলের অধিনায়ক হওয়া সত্ত্বেও শোয়েবের মধ্যে কোনও অহংকার বোধ ছিল না। শোয়েবের সাধাসিধে স্বভাব আমায় ওঁর দিকে আকর্ষিত করত। কীভাবে মনের কথা বলব ভাবছিলাম, কিন্তু শোয়েব যখন নিজের থেকেই প্রস্তাব দেয় তখন আর না করার কিছু ছিল না।”

এরপর ১২ এপ্রিল ২০১০ সালে গাঁটছড়া বাঁধেন স্পোর্টসের দুনিয়ার এই পাওয়ার কাপল।

সেই সময় শোয়েব-সানিয়ার বিয়ে নিয়ে বেশ চাপানউতোর হয়েছিল দুই দেশেই। ভারত পাকিস্তান কূটনৈতিক সম্পর্ক কারও অজানা নয়। এই অবস্থায় দুই দেশের স্পোর্টস আইকন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছেন তা নিঃসন্দেহে বিতর্ক ছড়িয়েছিল দুই দেশে। সানিয়া মির্জাকে সেই সময় কটাক্ষ করে প্রশ্ন করা হত, তিনি কোন দেশের হয়ে টেনিস খেলবেন। এমনকী প্রাণনাশের হুমকিও পেয়েছিলেন শোয়েব মালিক এবং সানিয়া মির্জা। এই প্রসঙ্গে শোয়েব মালিক বলেছিলেন, “ভালবাসলে আপনার সঙ্গী কোন দেশের, দুই দেশের সম্পর্ক কেমন, এই সবের চেয়েও বড় বিষয় হল ভালোবাসা।” বিয়ের আট বছর পর, ২০১৮ সালে জন্ম হয় দু’জনের পুত্র ইজহান মির্জা মালিকের।

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের দাবি, তাঁদের দাম্পত্য বর্তমানে ভাঙনের মুখে। এর মাঝেই উঠে আসছে শোয়েব এবং সানিয়ার পূর্ববর্তী সম্পর্কগুলির কথাও। সানিয়াকে বিয়ে করার আগেও একবার বিয়ে করেছিলেন শোয়েব। প্রথম স্ত্রীকে ডিভোর্স দিয়ে সানিয়াকে বিয়ে করেন তিনি। ২০০২ সালে টেলিফোনেই আয়েশা সিদ্দিকী নামক এক মহিলার সঙ্গে নিকাহ করেন শোয়েব। কিন্তু ২০১০ সালে সানিয়াকে বিয়ে করার আগে তাঁকে ডিভোর্স দিয়ে দেন পাকিস্তানি ক্রিকেটার। ঘটনাচক্রে আয়েশাও ছিলেন হায়দরাবাদেরই মেয়ে। আয়েশার পরিবারের তরফের দাবি করা হয়, স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের চাপে এক প্রকার বাধ্য হয়েই ডিভোর্স দিতে রাজি হন তাঁরা। একইসঙ্গে শোনা যায়, ছোটবেলার বন্ধু সোহরাব মির্জার সঙ্গে বাগদান সম্পন্ন হয়ে গিয়েছিল সানিয়ার। কিন্তু শোয়েবের প্রেমে মাতোয়ারা সানিয়া সেই সম্পর্ক ভেঙে দেন এবং শোয়েবকেই বিয়ে করেন। এরপর সুদীর্ঘ ১২ বছর তাঁরা সংসার করলেও বর্তমানে দাম্পত্য দাঁড়িয়ে রয়েছে অনিশ্চয়তার মুখে। এর ভবিষ্যৎ কী হবে তা নিয়েই জল্পনা চলছে সব মহলে।

লিখেছেন
Arunava Nag Roy
Arunava Nag Roy
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

নারী টেস্টে এত অনীহা কেন, লর্ডসের ইতিহাসও বদলাবে না সেই ছবি?

Women’s Test Cricket: লর্ডসে ভারতের নারী ক্রিকেট দলের ঐতিহাসিক জয় নারী টেস্ট ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ বদলানোর সুযোগ এনে দিয়েছে? এত সাফল্য ও জনপ্রিয়তার পরও কেন এই ফরম্যাটে নিয়মিত ম্যাচ নেই?

শিব-পরশুরামের যুদ্ধবিদ্যা কালারিপায়াট্টু থেকেই জন্ম কুংফুর!

Kalaripayattu Indian Martial Art: ভারতীয় পৌরাণিক ঐতিহ্যে কালারিপায়াট্টুকে স্রেফ যুদ্ধের কৌশল হিসেবে দেখা হয়নি, বরং এটিকে মানব শরীরের অভ্যন্তরীণ প্রাণশক্তিকে জাগিয়ে তোলার এক মহান সাধনা বলে মনে করা হয়।

দু'হাজার বছর পুরনো ‘আত্য পাত্যা’: এই খেলাই শিখিয়েছিল যুদ্ধের কৌশল!

Atya Patya Traditional Indian Game: আনুমানিক ১০০ থেকে ৩০০ খ্রিস্টাব্দের মধ্যে রচিত প্রাচীন তামিল সাঙ্গম সাহিত্য ‘নাটতৃণৈ’-তে এই খেলার প্রথম লিখিত প্রমাণ পাওয়া যায়। অতএব, এই খেলার বয়স প্রায় দুই হাজার বছরেরও বেশি। সেখানে বলা আছে, প্রাচীন চোল রাজবংশের সেনারা যুদ্ধক্ষেত্রে যাওয়ার আগে নিজেদের ক্ষিপ্রতা, দ্রুত দৌড়ানোর ক্ষমতা আর শরীরকে এক নিমেষে বাঁকানোর চপলতা বাড়াতে এই খেলায় মেতে উঠত।

১৬ বছর পর ফের ভারতের পথে ললিত মোদী

Lalit Modi return to India: দীর্ঘ সময় পর দিল্লির আপিল ট্রাইব্যুনাল তাঁর বিরুদ্ধে থাকা আর্থিক অনিয়মের বড় অভিযোগ ও জরিমানা বাতিল করে দেওয়ার পরেই এই আলোচনার সূত্রপাত। সোশ্যাল মিডিয়ায় ললিত মোদী নিজেই স্পষ্ট করেছেন, সমস্ত বড়সড় আইনি জটিলতা কাটার পর ২০২৬ সালের শেষ দিকে অথবা ২০২৭-এর শুরুতেই ফের তিনি ভারতে পা রাখতে চলেছেন।

গোলের আড়ালে ঘৃণার খেলা: ২০২৬ বিশ্বকাপে ট্রাম্প, ফিফা আর ফুটবলের পরাজয়

Trump FIFA World Cup: এই বিশ্বকাপ শুধুই একটি ক্রীড়া প্রতিযোগিতা নয়; মাঠের লড়াই ছাপিয়ে তা হয়ে উঠেছে ভূ-রাজনীতি, বর্ণবিদ্বেষ এবং বাণিজ্যিক আধিপত্যের এক জটিল ময়দান।

একটা রাজপুত্তুর যার মুকুট হারিয়ে গিয়েছে

Lionel Messi Retirement: তিনটে ফাইনালের বোঝা। একে একে ছেড়ে যায় সহযোদ্ধারা। রক্তাক্ত মাসচেরানো চলে যান, কুন আগুয়েরোর অসুখ... তবু লিও পড়ে থাকে, আমরা পড়ে থাকি আর কিছুদিন। বৃত্ত সম্পূর্ণ করতে প্রয়োজন ছিল একজন স্ক্যালোনির, তিনি সেটুকু সেতু নির্মাণের দায়িত্ব নিলেন। আমরা অপেক্ষা করলাম লুসাইলে। আমরা তো কবেই হেরে গিয়েছিলাম, সৌদি আরব শুধু চিনিয়ে দিয়েছিল আশপাশটা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: যেভাবে ১৫ বিলিয়ন ডলারের ব্যবসায় পরিণত হল ফুটবল

FIFA Revenue 2026: 'কুইন্টেট প্রাইভেট ব্যাংক'-এর সাম্প্রতিক একটি বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, শেয়ারবাজারের দীর্ঘমেয়াদি পরিবর্তনের অনুঘটক হওয়ার চেয়ে বিশ্বকাপ আসলে একটি শক্তিশালী স্বল্পমেয়াদি বাণিজ্যিক উদ্দীপক হিসেবেই বেশি কাজ করে। ফিফা, সম্প্রচারকারী সংস্থা, স্পোর্টসওয়্যার ব্র্যান্ড এবং আতিথেয়তা (হসপিটালিটি) ক্ষেত্রগুলি বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার আয় করলেও, কোম্পানির শেয়ারের দামে সেই ইতিবাচক প্রভাব দীর্ঘ সময় ধরে রাখা বেশ কঠিন।

যখন ইউরোপে নারীরা গৃহবন্দি, তখন অসমে মেয়েরা খেলছিলেন ধোপখেল

Dhop Khel Assam: আহোম রাজাদের রাজপ্রাসাদ থেকে বিহুর মেঠো মাঠ—অসমের মাটিতে একসময় গমগম করত ধোপখেলের আওয়াজ। ফুটবল, কাবাডি আর দূরন্ত নিশানার এই অদ্ভুত রোমাঞ্চকর খেলাটি শুধু পুরুষদের বীরত্ব প্রমাণের লড়াই ছিল না; যখন ইউরোপে নারীদের জীবন ছিল চার দেওয়ালে বন্দি, তখন অসমে মেয়েরাও মাঠে নেমে মেতে উঠতেন ধোপখেলে।