ভোটার তালিকায় দু'বার নাম থেকে দলের অর্থের উৎস! বিতর্কের চুম্বক প্রশান্ত কিশোর

Prashant Kishor Controversies: তাঁর দাবি, আয় থেকে প্রশান্ত কিশোর ৯৯ কোটি টাকার বেশি দান করেছেন নিজের দল ‘জন সুরজ’কে।

Tanvia Barua
৪ মিনিট
ভোটার তালিকায় দু'বার নাম থেকে দলের অর্থের উৎস! বিতর্কের চুম্বক প্রশান্ত কিশোর

ভারতের ভোটকৌশলী হিসেবে প্রশান্ত কিশোরের নাম আজ দেশের প্রায় প্রতিটি রাজ্যে পরিচিত। নরেন্দ্র মোদি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, জগন্মোহন রেড্ডি, কেজরিওয়াল থেকে অমরিন্দর সিং— প্রায় সব বড়ো নেতার জয়ের নেপথ্যে ছিলেন পিকে। এবার তিনি নিজেই রাজনীতির ময়দানে। তবে সাফল্যের এই আলোয় যেমন তিনি পরিচিত, তেমনি বিতর্কও তাঁর নিত্যসঙ্গী। কখনও রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন, কখনও নীতীশ কুমারের সঙ্গে তীব্র মতভেদ, আবার কখনও নিজের দলের অর্থায়ন বা নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া নিয়ে জল্পনা— নানান সময়ে প্রশান্ত কিশোরকে চুম্বক করে দানা বেঁধেছে একের পর এক বির্তক।

দু’জায়গার ভোটার তালিকায় নাম

সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনের নোটিসকে কার্যত চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন প্রশান্ত কিশোর। কমিশন জানিয়েছে, তাঁর নাম নাকি পশ্চিমবঙ্গ ও বিহার— দু’জায়গার ভোটার তালিকায় রয়েছে। ১৯৫০ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ১৭ নম্বর ধারা অনুযায়ী এটি বেআইনি। তবে পিকের দাবি, তিনি ২০১৯ সাল থেকে বিহারের কোনার গ্রামের নথিভুক্ত ভোটার। দু’বছর কলকাতায় থাকার কারণে সেখানে পুরনো রেকর্ড রয়েছে। কমিশনকে সরাসরি বলেন, “আমি যদি আইন ভেঙে থাকি, তবে নোটিস না পাঠিয়ে আমাকে গ্রেফতার করুন।” তাঁর কথায়, এসআইআর অভিযান ভোটারদের ভয় দেখাতে পারেনি, বরং বিহারের মানুষ গণতন্ত্রের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন।

‘জন সুরজ’ পার্টির অর্থের উৎস

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বিহারের রাজনীতিতে প্রশান্ত কিশোর! নির্বাচনের সমস্ত সমীকরণ তছনছ করে দেবেন?

Prashant Kishor in Bihar Politics: তিন বছর আগে তিনি জন সুরজ পার্টি গড়ে তুলে বিহার জুড়ে প্রচার শুরু করেছেন। তিনি বারবার বলেন, বিহারের মানুষকে জাতের বেড়া ভেঙে নিজেদের জন্য নতুন দিশা তৈরি করতে হবে।

ভোটকৌশলী থেকে রাজনীতিবিদ— এই পথচলায় তাঁর আর্থিক উৎস নিয়ে প্রশ্ন ছিল অনেকের। সেই প্রশ্নের উত্তর তিনি নিজেই দিয়েছেন। এক সাংবাদিক বৈঠকে প্রশান্ত কিশোর জানান, গত তিন বছরে তিনি মোট ২৪১ কোটি টাকা আয় করেছেন। মূলত রাজনৈতিক পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করেই এই অর্থ এসেছে বলে দাবি তাঁর। প্রশান্ত কিশোর বলেন, “আমরা বিভিন্ন সংস্থা, রাজনীতিক দলের সঙ্গে পরামর্শমূলক কাজ করি। তার জন্য আমরা পারিশ্রমিক পাই। এই কাজ থেকেই আয়।” তিনি আরও জানান, এই আয় পুরোপুরি বৈধ উপায়ে হয়েছে। সরকারের কাছে করও দেওয়া হয়েছে। তাঁর কথায়, “এই তিন বছরে প্রায় ৫১ কোটি টাকা কর হিসেবে সরকারকে দিয়েছি— এর মধ্যে জিএসটি ও আয়কর দুটোই আছে।” তাঁর দাবি, আয় থেকে প্রশান্ত কিশোর ৯৯ কোটি টাকার বেশি দান করেছেন নিজের দল ‘জন সুরজ’কে। পিকের কথায়, “আমরা চাই, আমাদের দল বাইরের কারও টাকায় না চলুক। সমাজের পরিবর্তনের জন্য আমরা নিজেদের উপার্জন থেকেই দলের খরচ চালাব।”

কেন এত টাকার অনুদান? প্রশান্ত কিশোরের দাবি, রাজনৈতিক দল চালাতে গেলে বিপুল অর্থ লাগে। কিন্তু অন্য দলের মতো শিল্পপতি বা গোপন উৎসের উপর নির্ভর করতে চান না তিনি। তাই নিজের উপার্জনের টাকা থেকেই দলের কাজের জন্য অর্থ দান করেছেন। তিনি বলেন, “মানুষ জানুক, আমরা কোথা থেকে টাকা পাই। রাজনীতিতে স্বচ্ছতা থাকাই সবচেয়ে জরুরি।”

রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন

প্রশান্ত কিশোরের রাজনৈতিক নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন নতুন নয়, বরং তাঁর সমগ্র রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের সঙ্গে যুক্ত অন্যতম বড়ো বিতর্ক এটি। ভোটকৌশলী হিসেবে পেশাগত জীবন শুরু করেছিলেন ২০১১ সালে গুজরাটে, নরেন্দ্র মোদির নির্বাচনী প্রচারের পরিকল্পনা তৈরির মাধ্যমে। ২০১৪ সালে মোদির বিপুল জয়ের পর তাঁকে রাজনীতির 'গেমচেঞ্জার' বলা হয়। কিন্তু এর কিছুদিনের মধ্যেই তিনি বিজেপি ছেড়ে কংগ্রেস, জেডিইউ, তৃণমূল, ওয়াইএসআর কংগ্রেস— এমনকি তেলঙ্গানার টিআরএসের মতো প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলির সঙ্গেও কাজ শুরু করেন। এই বহুমুখী রাজনৈতিক সংযোগই তাঁর নিরপেক্ষতা নিয়ে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। সমালোচকদের মতে, পিকে কখনও এক আদর্শ বা মতাদর্শে স্থির নন, সব রকম মতাদর্শের দলের সঙ্গে কাজ করেছেন। ফলে তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট নয়।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
প্রশান্ত কিশোরের নতুন রাজনৈতিক দলকে বিশ্বাস করে ঠকবেন বিহারবাসীরা?

Prashant Kishor Jan Suraaj Party: প্রশান্ত কিশোরের নতুন বিহারের স্বপ্ন দেখতে গিয়ে মানুষদের স্মৃতি থেকে কী করে মুছে যাবে গণহত্যার স্মৃতি?

তবে প্রশান্ত কিশোর নিজের অবস্থান নিয়ে বরাবরই স্বচ্ছতার দাবি করেন। তাঁর কথায়, “আমি কোনো দলের রাজনৈতিক আদর্শে বিশ্বাসী নই। আমি যাঁর সঙ্গে কাজ করি, তাঁকে সাফল্যের পরামর্শ দিই।” এখন যখন তিনি নিজেই ‘জন সুরজ’ নামের রাজনৈতিক দল তৈরি করেছেন, তখন অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন— একজন ভোটকৌশলী কি সত্যিই নেতা হতে পারেন? ভোটের ময়দানে তিনি কতটা নিরপেক্ষ থাকবেন? এই প্রশ্নের উত্তর সময়ই দেবে, তবে আপাতত তাঁর এই নতুন ভূমিকা রাজনৈতিক অঙ্গনে যথেষ্ট কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে।

নীতীশ কুমারের সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া (২০২০)

২০১৮ সালে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার প্রশান্ত কিশোরকে নিজের দল জনতা দল (ইউনাইটেড) বা জেডিইউ-র সহসভাপতি পদে নিয়োগ করেছিলেন। রাজনীতিতে এটি ছিল প্রশান্ত কিশোরের প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রবেশ। কিন্তু দুই বছরের মধ্যেই সেই সম্পর্ক ভেঙে যায়। ২০২০ সালের শুরুতে তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করে জেডিইউ।ভাঙনের মূল কারণ ছিল— নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (CAA) এবং জাতীয় নাগরিকপঞ্জি (NRC) ইস্যু। নীতীশ কুমার এই আইনকে নীরবে সমর্থন করেছিলেন, প্রশান্ত কিশোর তখন প্রকাশ্যে বিরোধিতা করেন। তিনি একাধিক টুইটে বলেন, “নীতীশজির উচিত বিহারের মানুষকে জানানো— তিনি CAA-NRC নিয়ে বিজেপির পাশে আছেন নাকি জনগণের পাশে?” এই মন্তব্যেই ক্ষুব্ধ হন নীতীশ। এরপর সংবাদমাধ্যমে নীতীশ কুমার বলেন, “পিকে অতিরিক্ত উচ্চাকাঙ্ক্ষী। দল ও জোটের সীমা তিনি বোঝেন না।”প্রশান্ত কিশোরের বক্তব্য ছিল, তিনি নীতির সঙ্গে আপস করতে রাজি নন। তাঁর কথায়, “আমি রাজনীতি করি মানুষের পাশে থাকার জন্য, ক্ষমতার জন্য নয়।” নীতীশ কুমারের সঙ্গে বিচ্ছেদের পরই প্রশান্ত কিশোর ‘জন সুরাজ অভিযান’ শুরু করেন, যা পরবর্তীতে তাঁর নতুন রাজনৈতিক দল জন সুরাজ পার্টি-র ভিত্তি তৈরি করে।

ভোটকুশলী জানিয়েছেন, নিজে প্রার্থী হবেন না, বরং দলের প্রার্থীদের প্রচারে থাকবেন। গত তিন বছর ধরে রাজ্যের প্রতিটি জেলায় ঘুরে প্রচার করছেন। তাঁর প্রচারগুলিতে সবচেয়ে বেশি ভিড় থাকে তরুণদের। পিকে-র মূল বক্তব্য, বিহারের মানুষকে জাতপাতের রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। তিনি দাবি করছেন, রাজ্যে শিল্প না থাকায় লক্ষ লক্ষ তরুণ ভিনরাজ্যে সস্তা শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন। তাঁর প্রতিশ্রুতি, “বিহারের যুবকদের আর শ্রমিক হতে হবে না, নিজের রাজ্যেই কাজ পাবে।” অন্যদিকে আবার নীতীশ কুমার, তেজস্বী যাদব ও রাহুল গান্ধী— তিনজনকেই তিনি পুরনো রাজনীতির প্রতিনিধি বলে সমালোচনা করেছেন। তাঁর মতে, নীতীশের রাজনীতি শেষ পর্যায়ে, কংগ্রেসের নিজস্ব অবস্থান নেই, তেজস্বী বাবার ছায়া থেকে বেরোতে পারেননি।

প্রসঙ্গত, এনডিএ ভোটের আগে এককালীন ১০ হাজার টাকা ও বেকার ভাতা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। আবার মহাগঠবন্ধনের ইস্তাহারে বলা হয়েছে, মহিলাদের জন্য প্রতি মাসে ২,৫০০ টাকা অর্থ সাহায্য দেওয়া হবে এবং পরবর্তী পাঁচ বছর ধরে বছরে ৩০,০০০ টাকা করে প্রদান করা হবে। পিকে জোর দিচ্ছে এই অর্থনৈতিক নির্ভরশীলতা থেকে মুক্তির উপর।

প্রশান্ত কিশোরকে ঘিরে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন— তিনি কি সত্যিই নির্বাচনে প্রার্থী হবেন, নাকি তাঁর লক্ষ্য শুধুই রাজনৈতিক প্রভাব তৈরি করা?

লিখেছেন
Tanvia Barua
Tanvia Barua
7 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।