বিহারের রাজনীতিতে প্রশান্ত কিশোর! নির্বাচনের সমস্ত সমীকরণ তছনছ করে দেবেন?

Prashant Kishor in Bihar Politics: তিন বছর আগে তিনি জন সুরজ পার্টি গড়ে তুলে বিহার জুড়ে প্রচার শুরু করেছেন। তিনি বারবার বলেন, বিহারের মানুষকে জাতের বেড়া ভেঙে নিজেদের জন্য নতুন দিশা তৈরি করতে হবে।

Tanvia Barua
৪ মিনিট
বিহারের রাজনীতিতে প্রশান্ত কিশোর! নির্বাচনের সমস্ত সমীকরণ তছনছ করে দেবেন?

প্রশান্ত কিশোর-কে ভোটকুশলী হিসেবে চেনে ভারতীয় রাজনৈতিক পরিমণ্ডল, তবে এবার তিনি নিজেই ভোটযুদ্ধে নেমেছেন। ৪৮ বছর বয়সি এই নেতা প্রথম ভোট ময়দানে এসেছিলেন গুজরাটে নরেন্দ্র মোদির নির্বাচনী প্রচারের দায়িত্ব নেওয়ার মাধ্যমে। এর পর থেকেই তিনি একাধিক রাজ্যের নির্বাচনে ভোটকুশলী হিসেবে কাজ করেছেন। শুধু বিজেপি নয়, কংগ্রেস, জেডিইউ, তৃণমূল কংগ্রেস এবং তেলেগু দেশম পার্টি (টিডিপি) প্রায় সব প্রধান দলকেই তিনি জয়ের পথ দেখিয়েছেন।

প্রশান্ত কিশোর প্রথমে জেডিইউতে যোগ দিয়েছিলেন, কিন্তু নীতীশ কুমারের সঙ্গে মনোমালিন্যের কারণে তিনি নিজেই নতুন রাজনৈতিক দল জন সুরজ পার্টি গড়ে তোলেন। যদিও সম্প্রতি তিনি জানিয়েছেন, নিজে প্রার্থী হবেন না, শুধু দলের প্রার্থীদের প্রচারে সাহায্য করবেন। এক বছর ধরে বিহারের প্রতিটি জায়গা চষে বেড়াচ্ছেন, প্রচার করছেন দলের।

বিহারের রাজনীতিতে প্রশান্ত কিশোরের আগমন নতুন উত্তেজনা তৈরি করেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, তিনি নতুন ভোটারদের আকৃষ্ট করছেন। এতে বিজেপির মূল সমর্থনে সরাসরি প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা আছে। পিকে কখনও জাতপাতকে গুরুত্ব দেননি। তিনি চাইছেন নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে এবং মানুষকে সচেতন করতে। বারবার তিনি বলেছেন, বিহারের মানুষকে বুঝতে হবে কীভাবে তাদের ব্যবহার করা হচ্ছে। রাজনীতির পুরনো নিয়ম ও জাতভিত্তিক ফাঁদ ভেঙে নিজেদের জন্য নতুন পথ তৈরি করতে হবে। তিন বছরের প্রচারে তিনি যুবসমাজের মধ্যে ইতোমধ্যেই সাড়া ফেলেছেন। পিকে-র দাবি, তাঁর লক্ষ্য শুধু ভোট জেতা নয়, বরং মানুষকে বুঝতে সাহায্য করা এবং রাজনীতিতে নতুন দিশা দেখানো। তাই এবারের ভোট কেবল আসন ভাগের জন্য নয়, বরং রাজনীতিতে নতুন ধারা কেমন কাজ করে তা দেখারও সুযোগ।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
রাহুলের যাত্রায় বিহারে কংগ্রেসের ভোটভাগ্য ফিরবে?

Voter Adhikar Yatra: এই যাত্রায় ভোট জালিয়াতির বিষয়টি প্রকাশ্যে এসেছে, মানুষের ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। এক কংগ্রেস নেতা বলেন, "বছরের পর বছর কংগ্রেস বিহারে নিষ্ক্রিয় ছিল। রাহুল গান্ধীর যাত্রা এটিকে জাগিয়েছে।"

ভোটকুশলী হিসেবে তাঁর পরিচিতি নরেন্দ্র মোদির হাত ধরে। ২০১৪ সালের লোকসভা ভোট ছিল তাঁর হাতেখড়ি। মোদির দিল্লি জয়, ২০১৫ সালে পাঞ্জাবে কংগ্রেস নেতা অমরিন্দর সিংয়ের জয়, ২০১৯ সালে অন্ধ্রপ্রদেশে জগনমোহন রেড্ডি, ২০২০ সালে দিল্লিতে অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং ২০২১ সালে পশ্চিমবঙ্গ ও তামিলনাড়ুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও এম কে স্ট্যালিনের জয়, সব জয়ই তাঁর কৌশলে পাওয়া। ব্যর্থ হয়েছেন মাত্র একবার, ২০১৭ সালে উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা ভোটে।

এবার পিকে শুধু ভোটকুশলী নয়, নিজেই রাজনীতির অংশ হয়ে বিহারের নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে চাইছেন। তিন বছর আগে তিনি জন সুরজ পার্টি গড়ে তুলে বিহার জুড়ে প্রচার শুরু করেছেন। তিনি বারবার বলেন, বিহারের মানুষকে জাতের বেড়া ভেঙে নিজেদের জন্য নতুন দিশা তৈরি করতে হবে। যদি জাতভিত্তিক রাজনীতির ধারাবাহিকতা ভেঙে নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি না আসে, মানুষ একইভাবে অন্যের হাতের পুতুল হয়ে থাকবে বলে দাবি পিকের।

প্রশান্ত কিশোরের প্রচারণায় অংশ নেওয়া জনতার প্রায় ৮০ শতাংশ তরুণ। তাঁরা রাজনীতিতে পরিবর্তন চাইছে কি না, তা আগামী নির্বাচনের ফলাফলে বোঝা যাবে। অন্যদিকে, মিডিয়ারও আকর্ষণ পিকে-র ব্যক্তিত্ব। নির্বাচন নিয়ে তাঁর মতো বিস্তারিত সাক্ষাৎকার আর কেউ দিচ্ছেন না। ভোটের পর তিনি কোনো জোটের দিকে ঢলবেন না, এ কথাও তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কেন নির্বাচনে প্রার্থী হতে চান না প্রশান্ত কিশোর?

Prashant Kishor's Jan Suraj Party: প্রশান্ত কিশোরের মতে, রাজনীতির আলোচনার কেন্দ্রে থাকা উচিত সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা, তাদের জীবনের মান উন্নয়ন এবং সামাজিক সমতা নিশ্চিত করা।

পিকে-র সদিচ্ছা ও সমালোচনার ভাষা এমন যে সাধারণ মানুষও তা শুনছে। মোদি, নীতীশ কুমার, লালু-পুত্র তেজস্বী ও রাহুলের রাজনীতি নিয়ে তিনি খোলাখুলি সমালোচনা করছেন। মোদি প্রসঙ্গে বলেছেন, গুজরাট, মহারাষ্ট্র ও তামিলনাড়ুর মতো রাজ্যগুলোতে মোদি শিল্পকারখানা স্থাপন করছেন, কিন্তু বিহারে তা করছেন না। ফলে, বিহারের যুবকরা অন্য রাজ্যে সস্তা শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে বাধ্য হচ্ছেন। পিকে বলেন, মোদি বিহারে শিল্পকারখানা স্থাপন করছেন না কারণ, বিহারে শিল্পকারখানা হলে গুজরাট, মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ুতে সস্তা শ্রমিক পাওয়া যাবে না। পিকে মনে করিয়ে দিয়েছেন— প্রধানমন্ত্রী গুজরাটে বুলেট ট্রেন চালানোর কথা বলেন, ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক তৈরির কথা বলেন, অথচ বিহারে বলেন আরও বেশি খাদ্য দেওয়া হবে, আরও বন্দে ভারত ট্রেন চালানো হবে। এর ফলে আরও বেশি শ্রমিক অন্য রাজ্যে চলে যাবেন বলে তাঁর দাবি। পিকে জোর দিয়ে বলেন, বিহারের যুবসমাজকে আর সস্তা শ্রমিক হিসেবে কাজ করানো চলবে না।

জেডিইউ নেতা নীতীশ কুমারের রাজনীতি প্রসঙ্গে বলেন, নীতীশের রাজনীতি শেষ, এবার ২০টি আসনও জেডিইউ জিততে পারবে না। কংগ্রেসের উদ্দেশ্যে বলেন, তাদের নিজস্ব কিছু নেই, তারা লালু প্রসাদের অনুসারী। তেজস্বী লালু বাবার ‘জঙ্গলরাজে’ আবদ্ধ। পিকের কথায়, তেজস্বী ও রাহুল দুজনই শুধু পুরনো রাজনৈতিক প্রথার মধ্যে আটকে পড়েছেন।

উল্লেখ্য, শাসক দল এনডিএ রাজ্যবাসীর জন্য এককালীন ১০ হাজার টাকা, শিক্ষিত বেকারদের জন্য ২ হাজার টাকা মাসিক ভাতা এবং প্রতিটি পরিবারের জন্য সরকারি চাকরির প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। অন্যদিকে পি কের প্রতিশ্রুতি মূলত মানুষের ‘পলায়ন’ কমানো। অর্থাৎ ভিনরাজ্যে কাজ করতে যাওয়া পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা কমানো। ২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী, বিহারের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৭.২% (প্রায় ৭৪.৫৪ লাখ) মানুষ অন্য রাজ্যে বসবাস করেন, যাদের মধ্যে ২২.৬৫ লাখ বা ৩০% মানুষ কর্মসংস্থানের কারণে অন্য রাজ্যে গিয়েছেন। তবে এত দিন পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা আরও বেড়েছে বলে ধারণা করা হয়। তাঁদের অন্য রাজ্যে কাজের খোঁজে যাওয়া পি কের কাছে ‘পলায়ন’। তিনি বলছেন, “হয় দেড়শ আসন পাব, নয়তো দশেরও কম। ফল যা-ই হোক, থেমে যাব না।”

পাশাপাশি এ কথাও মনে রাখা দরকার জন সুরজ পার্টির আয় ব্যয়ের হিসেব জনসমক্ষে নেই। যদিও ভোটকুশলী একটি পডকাস্টে এসে বলেছেন, যেহেতু প্রত্যেক বছর সরকারের কোষাগারে কর জমা দেওয়া হয়, তার মানে আসলে জন পরিসরে তার স্বচ্ছ হিসেব রয়েছে।

এবারের বিহার বিধানসভা নির্বাচন শুধু রাজ্য নয়, জাতীয় রাজনীতিকেও প্রভাবিত করবে। ৩৫ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন নীতীশ কুমারের ভবিষ্যত, বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী পদ এবং ইন্ডিয়া জোটের ক্ষমতা— এই সবই নির্ভর করছে এই ভোটের ফলাফলের উপর। প্রশান্ত কিশোর তরুণ ভোটারদের মনোযোগ আকর্ষণ করছেন, নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি প্রচার করছেন এবং পুরনো রাজনৈতিক প্রথাকে চ্যালেঞ্জ করছেন ঠিকই। তবে ভোটের প্রাক্কালে পিকের ক্ষমতা নিয়ে দুটি প্রশ্ন সামনে উঠে আসছে। প্রথম, তিনি কি জনসমর্থনকে ভোটে রূপান্তর করতে পারবেন? দ্বিতীয়, তিনি কীভাবে প্রতিষ্ঠিত দলের প্রভাব মোকাবিলা করবেন?

লিখেছেন
Tanvia Barua
Tanvia Barua
7 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

আবের কাওয়াস: প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান মুসলিম মহিলা নিউ ইয়র্কের সিনেটে

Aber Kawas: নিউ ইয়র্কের ১২ নম্বর সিনেট ডিস্ট্রিক্ট থেকে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়লেন আবের কাওয়াস। নিউ ইয়র্ক স্টেট আইনসভায় তিনি প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান এবং প্রথম হিজাব পরিহিত মুসলিম মহিলা প্রতিনিধি।

প্রতিবেশীর ধর্ম দেখব না! গির্জায় হামলায় যা বলছে বাসন্তী

Basanti church: গির্জার সদস্য প্রদীপ মণ্ডল ইনস্ক্রিপ্টকে জানিয়েছেন, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ চার্চ অফ নর্থ ইন্ডিয়ার (CNI) বিশপ সুব্রত চক্রবর্তী পার্শ্ববর্তী এলাকার কয়েকটি গির্জার যাজকদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রা করে নারায়ণতলার নবনির্মিত গির্জায় পৌঁছন। তাঁদের স্বাগত জানাতে গির্জার ভিতরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রার্থনা শুরুর ঠিক আগে ৩০-৩৫ জনের একটি দল জোর করে গির্জায় ঢুকে পড়ে বলে দাবি তাঁর।

পাঁচ খুনের 'বদলা'? এবার গুয়াহাটিতে এনকাউন্টার পুলিশের

Guwahati Encounter: গুয়াহাটিতে হোটেলে ঢুকে পাঁচ জনকে খুনের অভিযোগে ধৃত ঘনকান্ত গগৈ পুলিশের গুলিতে নিহত। পুলিশের দাবি, হেফাজত থেকে পালিয়ে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল সে। একই সময়ে মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস ও ভোপালে পৃথক এনকাউন্টারে তিন অভিযুক্ত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কয়েক দিন আগেই বাংলায় গাইঘাটা ও সামশেরগঞ্জে দুই অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছিল।

আমেরিকার প্রথম মুসলিম সেনেটর, ট্রাম্পের ইসলামবিদ্বেষী প্রচারকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন আবদুল এল-সায়েদ

Abdul El-Sayed: নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর দলের একাধিক নেতা এল-সায়েদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ইসলামবিদ্বেষী প্রচার চালিয়েছিলেন। তাঁর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে তাঁকে আমেরিকার নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল।

কেন মিডটার্ম নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

US Midterm Elections 2026: মার্কিন মিডটার্ম নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধাক্কা। কেন ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

মিডটার্ম নির্বাচন: সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেতে চলেছে ট্রাম্পের বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা

US Midterm Elections 2026: ভোটের লড়াইয়ে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে শুরু করেছে বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা।

রামলীলার পর কী? কী করবেন বিরোধীরা?

INDIA bloc Unity Under strain: ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ স্লোগানে ১ নভেম্বর রামলীলা ময়দানে ২১ দল একজোট হলেও মঞ্চ শেষেই ভেতরের টানাপোড়েন স্পষ্ট। বাম নেতাদের বক্তৃতায় প্রাধান্য, ‘ফ্যাসিবাদ’ বিরোধী সুর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘জাতীয় ভূমিকা’র সতর্কবার্তা। প্রিয়াঙ্কা, সুপ্রিয়া সুলে, সঞ্জয় রাউত বক্তৃতার সুযোগ না পাওয়ায় শরিক-অসন্তোষ।

ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিতে বিপাকে ভারতীয়রা, মিডটার্ম নির্বাচনে কতটা প্রভাব পড়বে?

US Midterm Elections 2026: ২০২৬ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ভোটারদের ৬২% ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে। ট্রাম্পের এইচ-১বি ভিসা কড়াকড়ি ও অর্থনৈতিক নীতির জেরে ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানাল কার্নেগির সমীক্ষা।