বরফ গলানো না নৈতিক হারস্বীকার? কোন পথে হাঁটছেন অধিকারীরা

Subhendu Adhikari: অভিষেক-বিরোধী শুভেন্দু কি আলাদা করে মমতার সঙ্গে সমঝোতার রাস্তায় যেতে চান!

Ramen Das
৫ মিনিট
বরফ গলানো না নৈতিক হারস্বীকার? কোন পথে হাঁটছেন অধিকারীরা

এখনও এক মাসও হয়নি। কাঁথির শান্তিকুঞ্জর সামনের রাস্তায় শুভেন্দু-সুস্থতার বার্তায় ভিড় জমেছিল সে-দিন। বৃদ্ধ শিশিরের উপস্থিতিতেও অভিষেকের যুব তৃণমূলের কর্মীরা জড়ো হয়েছিলেন সেখানে। হাজার হাজার রাজনৈতিক আরোগ্য কামনার কার্ড পৌঁছেছিল অধিকারী ভবনে।

ক'দিন আগেও শুভেন্দু-গড়ের সভা থেকে 'তুইতোকারি' করেছিলেন অভিষেক। কয়েক দিন আগেই 'বেইমান-চোর শুভেন্দু' স্লোগানে বারবার মুখরিত হয়েছিল নন্দীগ্রামের কুণাল-অখিল সভা।

কিন্তু কী থেকে কী হয়ে গেল! বঙ্গরাজনীতির জ্বরের ওঠা-নামার মধ্যেই ফের সার্থক হলো তৃণমূল-শুভেন্দু এবং অধিকারী-তৃণমূল বিভেদ-বিচ্ছেদ ছাড়িয়ে ফের মিলনের পথ? আবার কি মুকুলের পথেই ঘরে ফেরার দৃষ্টান্ত তৈরি করতে চলেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীরা? না কি মমতাময়ী-রাজনীতির কাছে নৈতিক হার স্বীকার করে নিলেন নন্দীগ্রামের বিধায়কের পরিবার এবং তিনি নিজেও?

আরও কাছাকাছি?

২৫ নভেম্বর। শুক্রবার। রাজ্য বিধানসভার অধিবেশন চলাকালীন, 'সংবিধান দিবস'-এর আলোচনা শুরুর আগেই বহুদিন পরে ফের মুখোমুখি হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সৌজন্য-সাক্ষাতের আলোকে দোঁহে মেলেন আবার। 'কম্পার্টমেন্টাল মুখ্যমন্ত্রী দিদি'-র পা ছুঁয়ে প্রণাম থেকে 'গডসের দলের গদ্দার ভাই'-কে চা-পানের অনুরোধ। শুক্রবারের দুপুর উত্তেজনাময় করেছিল বঙ্গরাজনীতির এই হঠাৎ সাক্ষাৎ-পর্ব। দু'জনেই বলেছিলেন, 'সৌজন্য সাক্ষাৎ'। একাধিক দাবির কথা জানিয়েছি, বলেছিলেন ভাই শুভেন্দু। কিন্তু দিদি!

ঠিক একটু পরেই রাজ্য বিধানসভায় দাঁড়িয়ে শুভেন্দুর 'সংবিধান দিবস'-এর বক্তৃতায় যেন কোনও সমস্যা না হয়, বলে দিয়েছিলেন বিধায়কদের। নন্দীগ্রাম আন্দোলনের সহযোগীকে ভাই বলে সম্বোধন থেকে শুরু করে 'দাদা শিশির'-এর কথা তুলে আনা। মমতার এদিনের প্রকাশ ছিল দেখার মতো।

আর তার পরেই জল্পনা বেড়েছে আরও। সৌজন্য সাক্ষাতের আদলে ঢুকেছে বিতর্ক। হাই প্রোফাইল দুই রাজনৈতিক চরিত্রের এই সংবিধান-মিলন ঘিরে তুফান উঠেছে আলোচনায়। স্বাভাবিকভাবেই ঘরে ফেরার ডাক পড়েছে ফের! এই প্রশ্নেও উত্তাল হয়েছে রাজ্য রাজনীতি। আর সুযোগের সদ্ব্যবহার করে সিপিএম-কংগ্রেস নেতারা বলেছেন, 'সেটিং। দিদি আর ভাইয়ের বিজেমুল গট-আপ!'

কিন্তু যা বলবেন সেটাই কী আর হয়! তৃণমূল বলেছে, সৌজন্য। বিজেপি-ও ঘুমোতে গিয়েছে সৌজন্য-বিছানাতেই।

যদিও এই সাক্ষাতের পরেই যেন কয়েক ঘণ্টার জন্য ঘুরেছে পরিস্থিতি। মিঠুন চক্রবর্তীর যে সভা নিয়ে অভিযোগ করছিল বিজেপি! সেই সভাস্থল পরিদর্শনে গিয়েছেন স্বয়ং তৃণমূল বিধায়ক। অর্থাৎ, নেত্রী মমতার একটি কৌশল আর ভাই শুভেন্দুর সঙ্গে দেখায় বদলে গিয়েছে সবটা!

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
সেই তো আবার কাছে এলে... মমতা-শুভেন্দু সাক্ষাৎ নেহাত সৌজন্য? বাড়ছে জল্পনা

Subhendu Adhikari-Mamata Banerjee: হঠাৎ মমতা-শুভেন্দু সাক্ষাৎ যে জল্পনা বাড়িয়ে দিল না, একথাও বলা যায় না।

অধিকারীদের মমতা-শরণ

আর এই আবহেই আবারও জল্পনা বাড়িয়েছেন শুভেন্দু অধিকারীর ভাই সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী। তিনি শুক্রবারই বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে বলেন, "এটা সংসদীয় গণতন্ত্রের রীতি। এতে আমার কিছু বলার ধৃষ্টতা নেই। সংসদীয় রাজনীতিতে বিরোধী দলনেতার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখেন প্রধানমন্ত্রী বা মুখ্যমন্ত্রী। আজ যে সৌজন্যের নজির দেখা গিয়েছে, তার জন্য সাধুবাদ জানাচ্ছি।''

তাঁর বাবা অর্থাৎ শিশির অধিকারী নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য প্রসঙ্গে দিব্যেন্দু বলেন, "ব্যথা-যন্ত্রণার কথা তো আমরা ভুলতে পারব না। আমার বাবার ৮৪ বছর বয়স। নেত্রী আজ দাদা বলে সম্বোধন করেছেন। কিন্তু দলের যাঁরা এসব অসম্মান করেছেন, তাঁদের আগামী দিনে নিশ্চয় নেত্রী সাবধান করবেন।''

যদিও দিব্যেন্দু অধিকারী এখনও তৃণমূল সাংসদ। দলের তরফে কোনও সভায় ডাক না পেলেও দিব্যেন্দু এখনও বিজেপি-তে যোগ দেননি সরাসরি। এমনকি শিশির অধিকারীও খাতায় কলমে তৃণমূলের সাংসদ। তিনিও আনুষ্ঠানিকভাবে দল পরিবর্তন করেননি এখনও। অর্থাৎ একই পরিবারের বর্তমানের সর্বাধিক প্রভাবশালী রাজনীতিক, মমতার দলের প্রধান বিরোধী দলে থাকলেও তাঁর পরিবারেই রয়েছে তৃণমূলের একাধিক সাংসদ-নেতা! এই জল্পনাও তীব্র হয় মাঝে মাঝেই।

এদিকে দিব্যেন্দু (Dibyendu Adhikari) এই মন্তব্য করার পরেই শুরু হয়েছে জল্পনা। তাহলে কি একে একে অধিকারীরা আবারও কাছে আসছে তৃণমূলের! শুভেন্দু-ছোঁয়ায় কি ফের বিকশিত হচ্ছে মমতা-গ্রহণের পথ।

চা-য়ে চা-য়ে রাজনীতি

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। মমতার পরে তৃণমূলের বর্তমান 'সেকেন্ডে ইন কম্যান্ডা' তিনি। বেশ কয়েক দিন আগেই তাঁর ছেলে আয়াংশের জন্মদিনের অনুষ্ঠান নিয়ে কটাক্ষ করেছিলেন রাজনৈতিক-শত্রু শুভেন্দু। একাধিক ক্ষেত্রে কয়লাপাচার, গরুপাচার থেকে শুরু করে তাঁর স্ত্রী-র সোনা-কাণ্ড। সব নিয়েই ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসের পর থেকে বেশি আক্রান্ত হয়েছেন অভিষেক। একের পর এক ব্যক্তিগত আক্রমণের তির ছুঁড়েছেন শুভেন্দু। নন্দীগ্রাম থেকে বর্ধমান, কয়লা-ভাইপো থেকে শুরু করে তোলামুল কোম্পানি-র প্রধান! অভিষেককে বিঁধতে একটুও খামতি রাখেননি এই বিজেপি নেতা তথা অভিষেকের প্রাক্তন সতীর্থ।

বলা হয়, এই অভিষেকের প্রভাবেই তৃণমূলে স্থান-সংকট তৈরি হয়েছিল শুভেন্দু অধিকারীর। এবার সেই শুভেন্দু-শত্রুও বন্ধু হলেন অধিকারীদের? বিধানসভা এবং সাক্ষাৎ আবহে আলোচনায় এসেছে দিব্যেন্দু অধিকারীর আর একটি মন্তব্যও। তিনি বলছেন, "অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যদি আমাদের বাড়িতে এসে চা খেয়ে যান, ভালো লাগবে। তাঁকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি!"

হঠাৎ কী হলো! প্রসঙ্গত, আগামী ৩ ডিসেম্বর শান্তিকুঞ্জ থেকে ২০০ মিটার দূরে একটি কলেজের মাঠে সভা করবেন তৃণমূল নেতা, সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিছুদিন আগে এমনই এক সভা থেকে শুভেন্দুকে একের পর আক্রমণে বিদ্ধ করেছিলেন তিনি। সেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভায় এখনও ডাক পাননি তৃণমূল সাংসদ দিব্যেন্দু। কিন্তু সেই নেতাকেই আগেভাগে আমন্ত্রণ জানিয়ে রাখলেন শুভেন্দুর ভাই!

কেন? রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দাদার রাজনৈতিক সৌজন্যের পথে হাঁটার চেষ্টা করেছেন তিনি! সাংসদ নিজেও দেখিয়ে দিতে চেয়েছেন আসলে মারামারি-হানাহানি আর ব্যক্তিগত আক্রমণ নয়, রাজনীতিতে সৌজন্য প্রয়োজন। কিন্তু!

নৈতিক হার অধিকারীদের?

রাজনৈতিক মহলের আর এক অংশ বলছেন, সৌজন্য নয় আসলে যেন ফের নমনীয় হচ্ছে পরিস্থিতি। আর সেখানে দাঁড়িয়েই অধিকারীরা হয়তো বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারের প্রতি খানিকটা ঝুঁকছেন! আর এর সঙ্গেই একাধিক সাক্ষাতের, চা-য়ের আমন্ত্রণের আদলে আসলে উঠে আসছে নৈতিক হারের প্রশ্নও।

কেন? রাজনৈতিক মহলের আর এক অংশের মতে, ২০২০ এর ডিসেম্বরে একাধিক জল্পনার মধ্যে শুভেন্দু অধিকারীর দলবদল ঠেকাতে সর্বাধিক চেষ্টা করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেককে সঙ্গে নিয়ে সৌগত রায়, কুণাল ঘোষেরা বসেছিলেন আলোচনায়। কিন্তু পারেননি! শুভেন্দুকে ছিনিয়ে নিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদী, অমিত শাহরা।

২০২১। রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। একের পর এক জনসভা থেকে রাজনৈতিক কৌশল, দিলীপ-প্রতিভা ছাড়িয়ে বঙ্গ বিজেপি-র রাশ হাতে নেন শুভেন্দু। নন্দীগ্রামে হারিয়ে দেন তাঁর প্রাক্তন নেত্রীকেই। বিজেপি ক্ষমতায় না এলেও শুভেন্দু হয়ে ওঠেন অন্যতম। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েই নাস্তানাবুদ করেন সবুজ শিবিরকে। আদালত, চাকরি, দুর্নীতি আর একাধিক ইস্যুতে চেপে বসেন তিনি। পুরনো বন্ধুর কাজে খানিকটা যেন অস্বস্তিতে পড়ে তৃণমূল।

কিন্তু অনেকেই বলেন, এতে এখনও কাজের কাজ কিছু হয়নি। ডিসেম্বরেই সব হবে! এই হুজুগ তুলেই এগিয়েছে বঙ্গ বিজেপি। আর কেন্দ্রীয় অনুদান আটকে উন্নয়ন বন্ধ করার অভিযোগ এবং লক্ষ্মীর ভান্ডার ধরে রাজনৈতিক কৌশল সফলের পথে এগিয়ে গিয়েছেন মমতারা।

কেউ কেউ এ-ও বলছেন যে, এই দুইয়ের গেরোয় রাজনৈতিকভাবে দুই পক্ষের তরফে দুই পক্ষকে প্রয়োজন হতে পারে। আর সেই প্রয়োজনীয়তায় রাজনৈতিক প্রভাবের বিস্তারের জন্মদাত্রী, নেত্রী মমতার কাছে যে খানিকটা নৈতিক হার ঘটতে পারে শুভেন্দু অধিকারীদের, এ-কথাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না। আর সেখান থেকে ফের একটু নিজেদের হেয় করেও এগিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকারবদ্ধ হতে পারেন অধিকারীরা?

যদিও পাল্টা যুক্তিও রয়েছে। অভিষেক-বিরোধী শুভেন্দু কি আলাদা করে মমতার সঙ্গে সমঝোতার রাস্তায় যেতে চান! না কি সৌজন্যের আবহেই বিজেপি-র জন্য কিছু করতে চাইছেন তিনি। তাহলে আবার অভিষেককে চা খাওয়ার নিমন্ত্রণ কেন!

একাধিক প্রশ্ন, জল্পনা-কল্পনা আর শীতের মরশুমে সৌজন্য-উষ্ণতার ছোঁয়ায় উঠে আসছে নৈতিক হার-জিতের প্রসঙ্গও। কিন্তু সবটাই ধোঁয়াশায় আচ্ছন্ন হয়ে যেন হাতড়ে বেড়াচ্ছে উত্তর। যা প্রকাশ করবে সময়!

লিখেছেন
Ramen Das
Ramen Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।