বাবুল, অর্জুন, এরপর? আদর্শহীন দলবদলের খেলায় আর কত চমক?

বাবুল-অর্জুনের পর কে?

 

তৃণমূল এবং বিজেপি, দুই শিবিরই এখন এই চর্চায় মশগুল৷ বঙ্গ বিজেপির হাল এখন খুবই খারাপ। এই মুহূর্তে সামগ্রিকভাবে দলের হাল ধরার যোগ্যতাসম্পন্ন একজন নেতাও নেই। দিলীপ ঘোষকে রাজ্যে ফিরিয়ে আনা হলে, তাঁকে সরানোর সিদ্ধান্ত যে শীর্ষ নেতৃত্বের ডাহা ভুল ছিল, তা প্রমাণিত হবে৷ ফলে, সে পথে দিল্লি না-ও হাঁটতে পারে। ফলে, এই মুহূর্তে রাজ্য বিজেপি কার্যত মাথাহীন কণিষ্ক। তথাকথিত নেতা হিসেবে এখনও যারা রয়েছেন, তাঁরা আদৌ চিন্তিত নন গোটা রাজ্য নিয়ে। নিজেদের জেলা বা কেন্দ্র রক্ষা করতেই কালঘাম ছুটছে। সোশ্যাল মিডিয়া আর টিভি-কাগজ আছে বলেই তাঁদের অস্তিত্ব রয়েছে। যাঁরা আজকের দিনেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গেরুয়া পতাকা বহন করে চলেছেন, তাঁদের অবস্থা ছুঁচো গেলার মতো। এলাকায় কোনও কর্মী-সমর্থকের মৃত্যু না হলে রাজ্য নেতাদের দেখা এঁরা পান না। অথচ গ্রাসরুটে বিরোধী দলের টার্গেট তাঁরাই।

 

আরও করুণ অবস্থা পদ্ম শিবিরের নির্বাচিত জন-প্রতিনিধিদের। তাঁদের কথা না শুনছে কেন্দ্র, না রাজ্য। নিজেদের কেন্দ্রের মানুষদের ন্যূনতম দাবিও তাঁরা পূরণ করতে পারছেন না। নিজেদের চাকরি-ব্যবসাও প্রায় লাটে উঠেছে নানা চাপে। হতাশার পাহাড় সঙ্গে নিয়ে দিনযাপন করছেন এইসব সাংসদ, বিধায়করা। দলের অন্দরে কোনও নেতা নেই, যাঁদের সঙ্গে পরামর্শ করতে পারেন। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাদের সময় কোথায় এঁদের সঙ্গে কথা বলার?

 

আরও পড়ুন: গদ্দার কে, যারা ভোট দিয়েছিল, তারাই বিচার করুক

 

বিধানসভা ভোট না হয় দেরি আছে, কিন্তু লোকসভা ভোট তো আর বিশেষ দেরি নেই‌। তাই কার্যত ছটফট করছেন বিজেপির একাধিক নেতা। রাজ্য বিজেপিকে প্রায় লাটে তুলে দিতে ঠিক এই সুযোগটাই নিয়েছে তৃণমূল। নেতারা শত ভাগে বিভক্ত হলেও, আজও প্রায় সব জেলাতেই বিজেপির কর্মী, সমর্থক বা ভোটার রয়েছে, এটা অস্বীকার করার উপায় নেই। নিচুতলার এই মানুষজনই শাসক বা নেতা তৈরি করে। ওপরতলার নেতারা এলাকায় ফ্ল্যাগ লাগাতে আসেন না, তৈরি মঞ্চে ভাষণ দিয়ে গাড়িতে উঠে চলে যান‌। নিচুতলার গেরুয়া কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে চরম হতাশা তৈরি হলে, রাজ্যে বিজেপির অস্তিত্বই সংকটে পড়বে। একের পর এক নেতা দল ছাড়লে নিচুতলার কর্মী-সমর্থকদের মনোবল বলে কিছু থাকবে না। আর সেই কাজকেই অগ্রাধিকার দিয়েছে তৃণমূল। এই প্রক্রিয়াও রাজনীতির অঙ্গ‌। সেই কারণেই বাবুল সুপ্রিয়-র পর অর্জুন সিং তৃণমূলে যোগ দিতে পেরেছেন। শোনা যাচ্ছে, পাইপলাইনে রয়েছেন উত্তর ২৪ পরগণা, হুগলি এবং বাঁকুড়ার তিন সাংসদ‌। আগামী মাসকয়েক অনেক চমক অপেক্ষা করছে বঙ্গ-রাজনীতিতে।

 

কথায় আছে, রাজনীতি নাকি সম্ভাবনার শিল্প। আর যে কোনও শিল্পনির্মাণেই একটা হাতিয়ার প্রয়োজন হয়। হাতিয়ার ঠিকঠাক না হলে অঙ্কুরেই বিনষ্ট হয় যাবতীয় সম্ভাবনা। অর্জুন সিংয়ের ক্ষেত্রে হাতিয়ার ছিল পাটশিল্প। সেই হাতিয়ার ব্যবহার করেই আর একবার ফুল বদল করলেন বারাকপুরের বিজেপি সাংসদ। কোনও সন্দেহ নেই, অর্জুন সিং নিজের এলাকায় বিকল্পহীন এক নেতা। শত চেষ্টা করেও তৃণমূল কংগ্রেস ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে অর্জুন সিংকে হারাতে পারেনি। ২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনে মরিয়া চেষ্টা করেও ভাটপাড়ায় হারানো যায়নি অর্জুন-পুত্র পবন সিংকে। শাসকের চোখে চোখ রেখে শাসককে পর্যুদস্ত করতে দম লাগে, জনসমর্থন লাগে। অর্জুন সিং দফায় দফায় তা প্রমাণ করেছেন। রাজনৈতিক কৌশল বা জনপ্রিয়তার নিরিখে আজও বারাকপুরে অর্জুন বিকল্পহীন। তবে রাজনীতির বাইরের খেলায় অর্জুন সিং ক্রমশই পিছিয়ে পড়ছিলেন। তাই বিকল্প খোঁজা তাঁর কাছে জরুরি হয়ে উঠেছিল। রাজনীতি যেহেতু সম্ভাবনার শিল্প, তাই গত একমাস ধরে এমন সম্ভাবনাই দেখা দিয়েছিল। অবশেষে সেই সম্ভাবনার বাস্তবায়ন ঘটল রবিবার। সংসদের খাতায় এখনও তিনি 'বিজেপি'-ই থাকবেন, কিন্তু রাজনৈতিক আঙিনায় এবার থেকে অর্জুন সিং পরিচিত হবেন তৃণমূল সাংসদ হিসেবে। আসানসোলের প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয় আগেই দলত্যাগ করেছিলেন। এবার বিজেপি ছাড়লেন বারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং। ২০১৯-এর নির্বাচনে বিজেপির জেতা ১৮ সাংসদ কমে আপাতত দাঁড়াল ১৬-তে। জল্পনাও শুরু হয়েছে, তৃণমূল শ্রমিক সংগঠনের সভাপতি করা হতে পারে সাংসদ অর্জুন সিংকে। শোনা যাচ্ছে, আগামী ৩০ মে বারাকপুরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের যে জনসভা রয়েছে, সেখানেই তৃণমূলে যোগ দেবেন অর্জুনের বিধায়ক-পুত্র পবন সিং। আরও কেউ এই তালিকায় থাকলেও থাকতে পারেন।

 

গত বেশ কিছুদিন ধরেই পাটশিল্প নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে অর্জুনের দ্বন্দ্ব চলছিল। সেই মতবিরোধ প্রকাশ্যে নিয়ে আসে সাংসদের কিছু মন্তব্য। রাজনৈতিক মহল তখনই আঁচ করেছিল, বিজেপি ছাড়ার সলতে পাকাচ্ছেন এই সাংসদ। সেই জল্পনাই সত্যি করে তৃণমূলে ফিরে অর্জুন সিং বলেছেন, ‘‘ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে এসেছি। ভুল বোঝাবুঝিতে দল ছেড়ে বিজেপিতে গিয়েছিলাম।’’ এছাড়া আরও অনেক কথাই বলেছেন তিনি।

 

কেন এভাবে বিজেপি-ত্যাগ, তার কারণও ব্যাখ্যা করেছেন অর্জুন। বলেছেন, "রাজ্যে দীর্ঘদিন ধরেই পাটশিল্পের সমস্যা চলছে। এই শিল্প কেন্দ্রের অবহেলার শিকার। আমি কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে এই সমস্যার কথা বোঝানোর অনেক চেষ্টা করেছি। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গত নভেম্বর মাসে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে পাটশিল্পের দিকে নজর দেওয়ার অনুরোধ করেছিলেন। আমিও লড়াই শুরু করি কেন্দ্রের বস্ত্র মন্ত্রকের বিরুদ্ধে। লড়াই করে এখনও পর্যন্ত মাত্র ২৫ শতাংশ আদায় করতে পেরেছি। কিন্তু ৭৫ শতাংশ বাকি আছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে আমরা যদি এখন থেকেই লড়তে না পারি, তা হলে বাংলার আরও ক্ষতি হবে।’’ রাজ্য বিজেপিকে কটাক্ষ করতেও ছাড়েননি অর্জুন। বলেছেন, ‘‘ঠান্ডা ঘরে বসে আর ফেসবুকে রাজনীতি করে বিজেপি। এভাবে রাজনীতি হয় না।’’ যদিও এর জবাব দিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ। দিলীপবাবু বলেছেন, ‘‘অর্জুনবাবু তো তৃণমূল ছাড়ার পর শতাধিক কেস খেয়েছেন৷ উনিও কি তাহলে ঠান্ডা ঘরে বসে থেকেই এত কেস খেলেন? আসলে অর্জুন সিং চাপে পড়েই তৃণমূলে গিয়েছেন। ওঁর একাধিক ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনিক চাপ আর সহ্য করতে পারছিলেন না। তাই পাটশিল্পের অজুহাত দিয়ে সারেন্ডার করেছেন।’’ সিবিআই, ইডি প্রসঙ্গেও এদিন সরব ছিলেন অর্জুন। তৃণমূলের সুরেই তিনি বলেছেন, "আমি মনে করি, সিবিআই,ইডি-কে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হয়। কেন্দ্রের শাসক দলই বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে এই ধরনের কাজ করে। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর এ-ব্যাপারে ভয় পাওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই।’’ ২০২১-এর সেপ্টেম্বর মাসে বাবুল সুপ্রিয় সাংসদ পদে ইস্তফা দিয়েই যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূলে। সেই পথে হাঁটেননি অর্জুন। ইস্তফা প্রসঙ্গে নাম না করে তৃণমূলের টিকিটে জয়ী দুই সাংসদ শিশির অধিকারী এবং তাঁর পুত্র দিব্যেন্দুর প্রসঙ্গ টেনে অর্জুন বলেন, "ওঁরা দু'জন যেদিন ইস্তফা দেবেন, তার এক ঘণ্টার মধ্যে আমিও সাংসদ পদ ছাড়ব।" তবে রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য, শিশির বা দিব্যেন্দু আজ পর্যন্ত সরাসরি বিজেপিতে যোগ দেননি। ফলে অর্জুনের সঙ্গে একই বেঞ্চে তাঁদের বসানো যায় না।

 

কিন্তু নিজেই ঘোষণা করে অর্জুন তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। তাই আজ বা কাল অর্জুনকে সাংসদ পদ ছাড়তেই হবে। লোকসভার এই সংক্রান্ত বিধি খুবই কঠোর। বিধানসভার মতো এত ঢিলেঢালা নয়। ফলে এদিন থেকেই কার্যত সাংসদ-শূন্য হয়েছে বারাকপুর লোকসভা কেন্দ্র। নির্বাচন কমিশনের বিধি বলছে, বারাকপুর কেন্দ্রে আগামী নভেম্বরের মধ্যে উপনির্বাচন করাতেই হবে কমিশনকে।

 

এবার একটু ভিন্ন প্রসঙ্গ। দেশজুড়ে এমন অনেক রাজনীতিক রয়েছেন, যাঁদের কাছে রাজনীতির অর্থ জনগণের সেবা করার সুযোগ, আবার কারও কাছে রাজনীতি মানে ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি। রাজনীতিতে নেমে কেউ মানুষের জন্য নিজেকেই বিলিয়ে দেন, আবার কারও ‘আঙুল ফুলে কলাগাছ’ হয়ে যায়। কোনও কোনও রাজনীতিক নিজেদের বিতর্কিত পদক্ষেপ ঢেকে ফেলার কৈফিয়ত দিয়ে বলেন, ‘রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছুই নেই।’ তর্কের আসরে এই বাক্যটি মান্যতা পেলেও, এটা কখনওই মেনে নেওয়া যায় না, নীতি-আদর্শ বাদ দিয়ে যখনতখন সম্পূর্ণভাবেই নিজের স্বার্থে রাজনীতিকরা এ-দল ও-দল করবেন আর বলবেন, রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই। রাজনীতির দুনিয়ায় এর থেকে বড় হিপোক্রেসি আর কিছুই নেই। কোনও নীতি-আদর্শের কারণে নয়, সেদিন তৃণমূলের একঝাঁক হেভিওয়েট নেতা বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নিয়েছিলেন ব্যক্তিগতভাবে ক্ষমতাধর থাকতে। আবার সেই স্বপ্ন খান খান হওয়ার পর তাঁরাই দলে দলে 'ঘরে' ফিরছেন। এই ফেরার পিছনেও নীতি-আদর্শের বিন্দুমাত্র ছাপ নেই। গিয়েছিলেন নিজের স্বার্থে, আজ ফিরেও আসছেন নিজের স্বার্থেই। রাজনীতিবিদদের ডিগবাজি দেখতে, আদর্শ বিসর্জন দেওয়া দেখতে আমরা অভ্যস্ত। এই শ্রেণির রাজনীতিকরা সাধারণত সুবিধাবাদ আর স্বার্থপরতায় চালিত হন। সংবাদমাধ্যমের সামনে ছেড়ে আসা দলটির তাত্ত্বিক সমালোচনা করলেও, বাস্তবে দেখা যাবে, ভোটে হেরে যাওয়ার আশঙ্কা, টাকা তোলার পথ সংকুচিত হওয়া অথবা প্রাক্তন দল মন্ত্রিত্ব দেয়নি বলে দলত্যাগকেই বিকল্প হিসেবে বেছে নিয়েছেন। আর ঠিক তখনই সামনে চলে আসে সেই বহুচর্চিত আপ্তবাক্য, "ভালবাসা ও রাজনীতিতে সবই জায়েজ।"

 

কিন্তু রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু থাকবে না কেন? রাজনীতি কি আধিভৌতিক বা আধিদৈবিক কোনও বিষয়? এক দলের চূড়ান্ত সুবিধা ভোগ করার পর, আরও কিছু চেয়েও না পেয়ে আরেক দলের আশ্রয় নেওয়া, সেখানে গিয়েও ফের নীতি-আদর্শের কথা বলা, এই হিপোক্রেসির অবশ্যই একটা শেষ থাকা উচিত। রাজনীতিতে হয়তো শেষ কথা বলে কিছু থাকে না, কিন্ত নীতি-আদর্শের ক্ষেত্রে তো শেষ কথা হিসেবে অবশ্যই কিছু না কিছুকে অবশিষ্ট থাকতে হবে। নীতি-আদর্শহীন দলবদল বা জোট গঠনের পরেও যারা বলেন, রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই, সন্দেহ নেই সেসব একেবারেই ভন্ডামি। নিজেদের অপরাধের মাত্রা লঘু করার জন্য বা নিজের বিবেককে সান্ত্বনা দেওয়ার জন্য এটি নেহাতই এক প্রবোধ-বাক্য। সমস্যা হচ্ছে, সবাই আজ এই প্রতারণাটি বোঝে, ধরেও ফেলে। দল বদলানো রাজনীতিকরাও যে বিষয়টি বোঝেন না, এমন নয়। এই গোত্রের রাজনীতিকরা কি বোঝেন না যে, আমি এতদিন যে দলের কঠোর সমালোচনা করেছি, যে দলের নেতা বা নেত্রীদের সম্পর্কে কুরুচিকর কথা বলেছি, যে দলের অস্তিত্ব নিয়েই আমার সন্দেহ ছিল, যে দলের গঠনতন্ত্রে বা আদর্শে আমার বিশ্বাস নেই, যে দলের প্রতীক নিয়ে আমি ব্যঙ্গ করেছি, সেই দলের পতাকার তলায় নিরাপদ আশ্রয় খুঁজে নিয়ে আজ কীভাবে সে দলের নেতা বনে যাই? দলবদলের সময় আমি তো ভেবে দেখি না যে, নতুন দলে আমি যোগ দিলাম, সেই দল তো আমায় গ্রহণ করার সময় দলের গঠনতন্ত্রে কোনও পরিবর্তন করেনি, আমি নতুন দলে যোগদান করায় ওই দলের নীতি-দর্শন বা অবস্থানের পরিবর্তন হয়নি, যে নীতি-বিচ্যুতিকে কারণ হিসেবে দেখিয়ে আমি আগের দল ছাড়লাম, সেই নীতি কি আমি নতুন দলে লালন করতে পারব? এসব ভাবনাচিন্তার আজ এক পয়সাও মূল্য নেই?

 

আর সেই আবহে দলবদল করা কোনও রাজনীতিককে তখন কিন্তু দল বদল করা একজন ফুটবলার বা ক্রিকেটারের থেকে অধিক কিছু মনে করাই সম্ভব হয় না।

 

More Articles

;