গদ্দার কে, যারা ভোট দিয়েছিল, তারাই বিচার করুক

মুকুল রায়কে তৃণমূলে ফেরানোর সময় তৃণমূল নেত্রী বলেছিলেন, গদ্দারদের ফেরাবেন না। মুকুল রায়কে ক্লিনচিট দিয়ে তিনি বলেছিলেন, ভোটের সময়ে তিনি প্রত্যক্ষ বিরোধিতা করে গদ্দারি করেননি। একথা কি অর্জুন সিংয়ের ক্ষেত্রে খাটে!

Arka Deb
৪ মিনিট
গদ্দার কে, যারা ভোট দিয়েছিল, তারাই বিচার করুক

ভুল বোঝাবুঝিতে ঘর ছেড়েছিলাম। ঘরের ছেলে ঘরে ফিরলাম।

কে, কখন, কেন বলেছেন একথা, কাউকে বলে দিতে হবে না। এটুকু দেখে যে কোনও নাট্যমোদী লোকই বুঝতে পারবেন, এটি কোনও তৃণমূল-ছুটের তৃণমূলে ফেরার পরবর্তী কৈফিয়ত। যে কেউ হতে পারেন, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, সবস্যাচী দত্ত, বাবুল সুপ্রিয়... দীর্ঘ তালিকায় নতুন সংযোজন অর্জুন সিং। দিনটা স্রেফ আলাদা। কেউ আগে, কেউ কেউ পরে আসছেন, ঠিক যেমনটা তৃণমূল নেত্রী বলেছিলেন। কোথায় আসছেন? ক্ষমতাকেন্দ্রের কাছে। কোথায় গিয়েছিলেন তাঁরা? সম্ভাব্য ক্ষমতাকেন্দ্রের সন্নিকটে। এই যাওয়া-আসা, স্রোতে ভাসা পালায় জনতার ভূমিকাটা ঠিক কেমন? কপর্দকশূন্য, দাঁতনখহীন বৃদ্ধের যেমন হয়, খানিকটা তেমন। বিশ্বাসের সপক্ষে সর্বশক্তি প্রয়োগ করেছিল সে। পরিসংখ্যানই বলে দেয়, বিজেপিকে রুখতে কট্টর তৃণমূলের পাশাপাশি আম আদমিও তৃণমূলকে বিশ্বাস করেছিল। ভাবেনি, এই পক্ষনির্মাণ আসলে ভোটকেন্দ্রিক মায়াবিভ্রম। ভোট মিটতেই দুধ কা দুধ পানি কা পানি হয়ে যাবে। যার বিরুদ্ধে ভোট এবং যাকে ভোট- সেই শত্রুমিত্র গলাগলি করবে, জনতার হাতে থাকবে পেনসিল।

বিশ্বাসঘাতকতার কিছু নমুনা তুলে ধরা যাক। বিজেপি কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই এই রাজ্যে ছোট ছোট সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার ঘটনা ঘটেছে। তেলেনিপাড়া, ধুলাগড়ের মতোই একই মডেলে হিংসা হয়েছে ভাটপাড়ায়। ডিজিটাল দুনিয়ায় মুখ মুছে ফেলা সহজ নয়। তথ্য থাকে। যে কেউ চাইলে সার্চ করে দেখে নিতে পারেন, ২০১৯ থেকে আজ পর্যন্ত ঠিক কতবার এই অর্জুন সিংকে 'দাঙ্গাবাজ' বলেছে তৃণমূল। এমনকী, এবছরেও জানুয়ারি মাসে যখন ভাটপাড়ায় অশান্তি চলছে, তৃণমূল শিবিরের বড় বড় নেতারা অর্জুনের দিকেই আঙুল তুলেছেন, তাঁকেই দাঙ্গাবাজ বলে চিহ্নিত করেছেন। যিনি দাঙ্গাবাজ, বিশেষত সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পথে কাঁটা, তাঁকে রাজসমারোহে কেন বরণ করে নেওয়া! তাহলে কি সম্প্রীতির বার্তা, সংখ্যালঘুর প্রতি সহানুভূতির দৃষ্টি কেবলই মানুষকে বোকা বানানো রাজনৈতিক বোলবোলা! এই অর্জুনই তো ভোটের আগে শুভেন্দু অধিকারীর তালে তাল মিলিয়ে মমতাকে নানা রকম কদর্য ভাষায় আক্রমণ করেছেন। ভবানীপুরে মমতাকে হারানোর জন্য চেষ্টার কসুর করেননি।

২৩ এপ্রিল, ২০২১, ভোট চলাকালীন সময়েই বেলগাছিয়ায় সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় একটি সভা করেন অর্জুন সিং। ঘটনাস্থলে উপস্থিত সংবাদমাধ্যমের একাংশ জানে সেদিন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার পর্যাপ্ত উসকানি ছিল। স্থানীয় মানুষই সেই ছক বাঞ্চাল করে দেয়। যে কেন্দ্রীয় বাহিনী শীতলকুচিতে গুলি চালিয়েছিল, তারাই উত্তপ্ত বেলগাছিয়ায় চার রাউন্ড গুলি চালায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে। তৃণমূল চাইছে, সেসব ভুলিয়ে দিতে। কেন ভুলবে সাধারণ মানুষ, তাঁরা তো ভোট দিয়েছিলেন এই দৌরাত্ম্যের বিরুদ্ধেই!

মুকুল রায়কে তৃণমূলে ফেরানোর সময় তৃণমূল নেত্রী বলেছিলেন, গদ্দারদের ফেরাবেন না। মুকুল রায়কে ক্লিনচিট দিয়ে তিনি বলেছিলেন, ভোটের সময়ে তিনি প্রত্যক্ষ বিরোধিতা করে গদ্দারি করেননি। একথা কি অর্জুন সিংয়ের ক্ষেত্রে খাটে! মাত্র দু'-মাস আগে আসানসোলে দাঁড়িয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অর্জুন সিংয়ের মন্তব্য ছিল, মমতা পশ্চিমবঙ্গকে পাকিস্তানে পরিণত করার ষড়যন্ত্র করছেন। মুসলিম সমাজের প্রতি সমদৃষ্টির কথা বলে তৃণমূল। আর সেই সমদৃষ্টিকে কটাক্ষ করতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে 'খালা', 'ফুপু', 'বেগম' ইত্যাদি সম্বোধন করেন বিজেপির দলনেতা। সেই সুরে সুর মিলিয়েই এই পাকিস্তান উবাচ। এটা গদ্দারি নয়? মাত্র দু'মাসের মধ্যে এহেন ব্যক্তিকে নিজের ছাতায় নিয়ে আসা গদ্দারি বা কথার খেলাপ নয়? যে মানুষ ভোট দেয়, সেই মানুষকে স্মৃতিহীন মাংসপিণ্ড ভাবাটা গদ্দারি নয়? একজন রাজনীতি-সচেতন মানুষ কেন ভুলে যাবে, এই অর্জুন সিং এনআরসি-র পক্ষে গলা ফাটিয়েছে! এই এনআরসি-র বিরোধিতা করতেই তো বাঙালি সমাজের একাংশ অর্জুনদের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছিল। গদ্দারটা তাহলে কে?

২০১৮ সালের অক্টোবর মাসে ভাটপাড়া-নৈহাটি সমবায় ব্যাংকের থেকে ২০ কোটি টাকার একটি অবৈধ লেনদেনের অভিযোগ ওঠে। সেখানে ভাটপাড়া পুরসভার ঠিকাদার, তৎকালীন ব্যাঙ্ক সিইও এবং অর্জুন সিংয়ের নাম জড়ায়। এরপর থেকে সিআই়ডি একাধিকবার হানা দিয়েছে অর্জুন সিংয়ের ডেরায়। ঠিক যেমন করে আজকাল সিবিআই হানাদারি চালায়, সেই মডেলেই। অর্জুন তৃণমূলে ফেরার পর কি সিআইডি চাপ কমাবে? যদি কমায়, তাহলে সিবিআই-এর চাপ নিয়ে কোন যুক্তিতে মুখ খুলবেন তৃণমূলের নেতারা?

তৃণমূল সম্পর্কে চালু টিপ্পনী, একটাই পোস্ট, বাকি সব ল‍্যাম্পপোস্ট। অর্জুনকে ফিরিয়ে তৃণমূল নেত্রী এই কথাটির সারবত্তা প্রমাণ করলেন। কারণ ভোট মেটার পর থেকেই আবার যখন উল্টো স্রোত, দলের বহু নেতাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অনুরোধ করেছিলেন, যাঁরা দলের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন, তাঁদের না ফেরাতে। তারপরেও কেন মমতা এঁদের ফেরান! উত্তরটা দু'-রকমভাবে দেওয়া যায়, একটা তাৎক্ষণিক, একটা দীর্ঘমেয়াদি। তাৎক্ষণিকতায় ভাবলে কাল যারা আস্ফালন করেছিল, তাদের দলে নিয়ে এসে মমতা নৈতিক জয়ের শ্লাঘা অনুভব করেন, রাজীব, সব্যসাচীরা তাঁর বড় উদাহরণ। অন্যভাবে যদি ভাবি, সামনে পঞ্চায়েত। ভোটের আগে থেকেই যে অশান্তির আগুনে পুড়ছে বাংলা, তার কেন্দ্রবিন্দু বহু সময়েই অর্জুনের বারাকপুর-ভাটপাড়া সংলগ্ন এলাকাগুলি। অর্জুন দলে এলে অশান্তির আশু সম্ভাবনা নিকেশ হবে। অন্যদিকে প্রমাণ হবে, আসল বাহুবলী কে। মমতার মতো অ্যাম্বিশাস রাজনৈতিক নেতারা স্রেফ জিতেই খুশি হন না। বিরোধীশূন্য অবস্থায় সুদেমূলে বাড়তে চান। তৃণমূলের এখন যা শক্তি, তাতে পঞ্চায়েতে বিনা বাধায় বড় মার্জিনে জিততে পারে তৃণমূল। কিন্তু বিরোধীশূন্যভাবে জিততে, হিন্দি বেল্টে দখলদারি বজায় রাখতে অর্জুনরা অপরিহার্য, জানেন মমতা। ভ্যাটিকানে পোপ থাকতে ঈশ্বরের মাহাত্ম্য-প্রচারকরা খ্রিস্টনামগানের জন্য অন্য কোনও পরমাত্মার আশ্রয়ে যাবেনই বা কেন! অর্জুনকে ডেকে নেওয়া কি শুভেন্দুকেও সমর্পণের বার্তা দেওয়া?

এখন থেকেই একটু একটু করে ২০২৪ নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে তৃণমূল। সেখানেও চাই ৪২-এ ৪২। কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে কৃতজ্ঞ অর্জুন তাঁর বলয়ে নিশ্চয়ই গাণ্ডীব তুলে নেবেন। সাধারণ মানুষ কী করবে সেদিন! বীভৎস 'খেলা'-র মধ্যে পরিত্রাণহীন দাঁড়িয়ে অবিরত কাঁদবে ব্যবহৃত হওয়ার দুঃখে? না কি 'গদ্দার' শব্দটি নাড়াচাড়া করতে করতে অপেক্ষা করবে গ্রামপতনের শব্দের?

লিখেছেন
Arka Deb
Arka Deb
7 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।