সব চোখ ২০২৪-এ, এখন থেকেই জোটের আশায় জল ঢালছে কংগ্রেস?

একদিকে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ, অন্যদিকে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউপিএ হলে লড়াইটা অন্যরকম হতো।

tiasa gupta
৪ মিনিট
সব চোখ ২০২৪-এ, এখন থেকেই জোটের আশায় জল ঢালছে কংগ্রেস?

ইডি, সিবিআই জুজু না সাংগঠনিক দুর্বলতা?

বারবার এই প্রশ্ন পাক খেয়ে মুখ থুবড়ে পড়েছে দিল্লির অলিন্দে। প্রায় সব রাজনৈতিক দল, রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা মাথা নেড়ে একমত হচ্ছেন যে, দিল্লির মসনদ থেকে বিজেপিকে সরাতে প্রয়োজন মজবুত বিরোধী ঐক্য। কিন্তু কাকে সামনে রেখে লড়াই হবে, এর যে এখনও কোনও বাস্তব সমাধান সামনে আসেনি, তা বলাই যায়। সম্প্রতি দলের চিন্তন বৈঠকে হাত মজবুত করতে শক্ত হাতে হাল ধরেছিলেন সোনিয়া গান্ধী। কিন্তু সে গুড়ে যে বালি, তা প্রমাণ হয়ে গেল। কারণ?

কংগ্রেসকে চাঙ্গা করতে সোনিয়া গান্ধী যখন ফের সক্রিয়, ঠিক তখনই একের পর এক ধাক্কায় অস্বস্তিতে কংগ্রেস। গত সপ্তাহে রাজস্থানের উদয়পুরে তিনদিনব্যাপী ‘নব সংকল্প চিন্তন শিবির’ চলাকালীনই দল ছাড়েন পাঞ্জাবের প্রাক্তন প্রদেশ সভাপতি সুনীল জাখর। একইভাবে বুধবার ইস্তফা দিলেন গুজরাতের পতিদার আন্দোলনের নেতা হার্দিক প্যাটেলও। প্রশ্ন উঠছে, হার্দিকের পরবর্তী গন্তব্য কি বিজেপি?

সে যাই-ই হোক, দল ছাড়ার তালিকায় এবার কে, সেটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন। এরপর কি কেরলের নেতা প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কে. ভি. থমাস?

কংগ্রেস হাই কমান্ডের প্রবল সমালোচনা করেই দল ছাড়ার কথা ঘোষণা করেছেন হার্দিক। হার্দিকের ইস্তফা কংগ্রেসকে বিপাকে ফেলেছে, তা ঠিক, তবে কংগ্রেসও বসে না থেকে গুজরাতে অন্যভাবে ঘুঁটি সাজাচ্ছে। কিন্তু দিল্লির কথা যখন উঠল, তখন প্রশ্ন উঠে আসে যে, কংগ্রেসের সাংগঠনিক দুর্বলতার কারণেই কি বিরোধী ঐক্য দানা বাঁধছে না?

এটা কোনও বিশেষ কারণ হলেও একমাত্র কারণ নয়। একথা ঠিক যে, বিরোধীদের একাংশ মমতাকে সামনে রেখে ঐক্যের রূপ দিতে চেয়েছেন। সোনিয়া যে রাহুলের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাববেন, তা বলাই বাহুল্য। আবার শতাব্দীপ্রাচীন দল হলেও, রাহুল, প্রিয়াঙ্কা কারও হাত শক্ত হতে পারেনি, উত্তরপ্রদেশ নির্বাচন তার প্রমাণ। তাই কি আসরে নামতে হল সোনিয়াকে? কংগ্রেসের সাংগঠনিকতা যে তলানিতে, তা বোঝার জন্য বোধহয় বেশি বুদ্ধি খরচের প্রয়োজন হয় না। এই প্রসঙ্গে বলা প্রয়োজন, কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে বিরোধী ঐক্য হল, আর ২০২৪-এর লড়াই হল ত্রিমুখী, তাহলে কিন্তু আখেরে লাভ বিজেপিরই। লাভের গুড় ঘরে তুলতে অনেকদিন ধরেই চাল চালছেন মোদি-শাহ। কীভাবে? ওই সেই সিবিআই এবং ইডি জুজু।

২০২৪-এর আগে বড় প্রশ্ন, আদৌ কি বিজেপি-বিরোধী ঐক্য গড়ে উঠবে? যদি বিজেপি-বিরোধী দলগুলি মহাজোট বাঁধে, তবে সেই জোটের মুখ কে হবেন? অর্থাৎ, কে নেতৃত্ব দেবে বিরোধী ঐক্যকে? যদি ধরে নেওয়া যায়, কংগ্রেসকে রেখেই বিরোধী ঐক্য গড়ে উঠবে, তবে সেই জোটের নেতৃত্বে কে থাকবেন। তার স্পষ্ট ইঙ্গিত উঠে আসে 'মুড অফ নেশন'-এর এক সমীক্ষায়। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর বিকল্প মুখ হয়ে ওঠার লড়াইয়ে পিছনের সারিতে থাকলেও বিরোধী ঐক্যের মুখ হিসেবে মুড অফ নেশন তাঁকে এগিয়ে রেখেছে অনেকটাই। বিরোধী ঐক্যের মুখ হিসেবে কে এগিয়ে রয়েছেন, এই প্রশ্নের উত্তরে সবার ওপরে রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। তিন নম্বরে রাহুল গান্ধী। মমতার ঘাড়ে কার্যত নিশ্বাস ছাড়ছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। শুধুমাত্র কোনও সমীক্ষা নয়, বিভিন্ন রাজনৈতিক নেতারা বলছেন, মমতাকে সামনে রেখে লড়াই হবে। আর তাই মমতাও বারবার ছুটে গেছেন দিল্লি।

এখন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘাড়ে সিবিআই ও ইডির খাঁড়া। সম্প্রতি তাঁকে ত্রিপুরায় বলতে শোনা গেছে, "সিবিআই, ইডি ১০ বার তলব করেছে, আমি ভয় পাই না। আমরা সবাই বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করছি। এখানে সবাই কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে এসেছে। ফেসবুক, ট্যুইটারে লড়াই নয়, মাঠে নেমে লড়ে তৃণমূল। গত ৮ বছর ধরে কংগ্রেস বিজেপির কাছে হেরেছে। আর গত ৮ বছর ধরে বিজেপি তৃণমূলের কাছে হেরে চলেছে।‘’

বিরোধী ঐক্যের চেহারা নিয়ে যখন কথা হচ্ছে, তখন উত্তরপ্রদেশের দিকে নজর দেওয়া উচিত। সদ্য সেখানে ভোট হয়েছে। আবার সেই বিরোধী ঐক্য দানা না বাঁধায় ফের ক্ষমতায় আসেন যোগী আদিত্যনাথ। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের বলতে শোনা যায়, মায়াবতী তলে তলে বিজেপিকে সুবিধে করে দেওয়ায় নাকি এখানে বিরোধী ঐক্য গড়ার চেষ্টা ছিল ছিদ্রযুক্ত পাত্রে জল ভরার শামিল।

এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল জাতীয় রাজনীতিতে কোনও সঙ্গী খুঁজে পায় কি না, সেদিকে তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল। কংগ্রেস ও তৃণমূল যদি সমান্তরাল পথে চলতে শুরু করে, তবে জোটসঙ্গীরাও যে দু'-ভাগ হবে, তা বলাই যায়। এখন পর্যন্ত যে ছবি ধরা দিয়েছে, তাতে তৃণমূল একা হয়ে গিয়েছে, কংগ্রেসের সঙ্গে রয়েছে প্রায় ১৬টি দল।

এর মাঝে রবিবার রাহুল গান্ধী উদয়পুরে কংগ্রেসের চিন্তন শিবিরে বলে বসেছেন, আঞ্চলিক দলগুলো পারবে না বিজেপির মোকাবিলা করতে, কারণ তাদের কোনও মতাদর্শ নেই। এহেন মন্তব্যে বেশ ক্ষুব্ধ বিরোধী দলগুলো। এর কী প্রভাব আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বা অন্যান্য ক্ষেত্রে পড়বে, তা সময় বলবে।

কংগ্রেসের সঙ্গে রয়েছে শিবসেনাও। তৃণমূল এখনও জাতীয় রাজনীতিতে সঙ্গী খুঁজে পায়নি। সব বিরোধী দলই প্রায় মনে করছে, কংগ্রেস ছাড়া বিজেপিকে হারানো সম্ভব নয়। কারণ কংগ্রেসের সঙ্গে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ আসনে সরাসরি লড়াই হবে বিজেপির। আর তৃণমূলের সঙ্গে এখন পর্যন্ত ৪২। তা বেড়ে বড়জোড় হতে পারে ৪৪-৪৫।

কিন্তু এখনও প্রায় ২৫০ আসন রয়েছে। যেখানে অন্যান্য রাজনৈতিক দল একটা ফ্যাক্টর। সেইসব রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যেমন রয়েছে কংগ্রেস-বান্ধব দল, তেমনই রয়েছে বিজেপি-বান্ধব দলও। বামেরা যেমন রয়েছে, তেমনই রয়েছে সপা, বসপা, আরজেডি, টিআরএস, টিডিপি, ওয়াইএসআর কংগ্রেস, বিজেডি, ডিএমকে, এআইএডিএমকে, আপ, শিবসেনার মতো বহু দল। তাই তৃণমূল বিরোধী ঐক্যে শামিল না হওয়ায় তৃতীয় শক্তির উত্থান হয় কি না সেটাও দেখার।

একদিকে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ, অন্যদিকে কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন ইউপিএ হলে লড়াইটা অন্যরকম হতো। কিন্তু তৃণমূলের জাতীয় রাজনীতিতে প্রধান প্রতিপক্ষ হয়ে ওঠার বাসনা, আরও একটি সম্ভাবনাকে জাগিয়ে তুলেছে। সেক্ষেত্রে ২০২৪-এর লড়াই ত্রিমুখী হয়ে উঠতে পারে। সেক্ষেত্রে বিজেপি-বিরোধী দলগুলোর বিভক্ত হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। তাতে কিন্তু আখেরে লাভ হবে বিজেপির। এর দায় শেষ পর্যন্ত কাকে বহন করতে হবে? এই নিয়ে ময়নাতদন্ত যখন হবে, তখন প্রথমেই আসবে এই প্রসঙ্গ যে, শতাব্দীপ্রাচীন দল হয়েও সাংগঠনিক শক্তি তলানিতে ঠেকেছে কংগ্রেসের। তাই হয়তো হার্দিকের সঙ্গে বিচ্ছেদ অনিবার্য হয়ে ওঠে। একই সঙ্গে বলতে হয়, ক্ষমতা ধরে রাখতে বিজেপির মরণকামড়ের নাম সিবিআই ও ইডি।

লিখেছেন
tiasa gupta
tiasa gupta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।