কাশ্মীর থেকে করোনা, ভারতের প্রকৃত ছবি লেন্সে ধরার মাশুল গুনতে হচ্ছে সানা ইরশাদ মাট্টুকে?

Sana Irshad Mattoo: সানা ইরশাদ মাট্টু-র চিত্রসাংবাদিক হিসেবে পুলিৎজার সম্মান নিতে যাওয়ার পথে আটকে দেওয়া হলো তাঁর উড়ান।

pampii adhikari
৪ মিনিট
কাশ্মীর থেকে করোনা, ভারতের প্রকৃত ছবি লেন্সে ধরার মাশুল গুনতে হচ্ছে সানা ইরশাদ মাট্টুকে?

সমাজের অভিধানে সুস্থ, স্বাভাবিক জীবন বলতে যা বোঝায়, তার লেশমাত্র নেই। নিপীড়িত মানুষগুলির প্রতি বরং অবজ্ঞা, অবহেলাই স্পষ্ট। তারপরেও উপত্যকার নামের পাশে 'ভূস্বর্গ' উপমাটি সপাট থাপ্পড় বলেই বোধ হয়েছিল তাঁর। তাই কঠোর বাস্তবের ছবি তুলে ধরাকেই পেশা ও নেশা করে তুলেছিলেন। নিজের দেশে কদর না হলেও, বাইরের দুনিয়া জহুরিকে চিনে নিয়েছিল। কিন্তু বয়স ৩০ না পেরনো সানা ইরশাদ মাট্টু-র এই প্রাপ্তির পথে বাধা হয়ে দাঁড়াল তাঁর নিজের দেশই। চিত্রসাংবাদিক হিসেবে পুলিৎজার সম্মান নিতে যাওয়ার পথে আটকে দেওয়া হলো তাঁর উড়ান।

শিক্ষিত, নাগরিক সমাজে এখনও মেয়েরা ‘কুড়িতে বুড়ি’, এমন ধারণা চালু রয়েছে। সেই সমাজেই বেড়ে উঠেছেন কাশ্মীরের সানা। ২৮ বছর বয়সেই খবরের দুনিয়ায় নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন চিত্রসাংবাদিক হিসেবে। লেখালিখিতেও নাম করেছেন। করোনা-কালে দেশের অন্দরে দুর্দশার যে ছবি তুলেছিলেন, তার জন্য পুলিৎজার পুরস্কারে নির্বাচিত হন। স্থিরচিত্র বিভাগে সানার সঙ্গে পুরস্কারের দাবিদার আদনান আবিদি, অমিত দাভে এবং আফগানিস্তানে নিহত দানিশ সিদ্দিকিও। সেই পুরস্কার নিতে আমেরিকা যাওয়ার পথে দিল্লিতেই আটকে দেওয়া হয়েছে সানাকে।

ঠিক কী কারণে সানাকে আটকানো হলো, তার সদুত্তর যদিও মেলেনি। বিমানবন্দর থেকে তাঁকে ফেরত পাঠানো অভিবাসন দফতরও কারণ ব্যাখ্যা করার প্রয়োজন অনুভব করেনি বলে দাবি সানার। শুধু জানিয়েছেন, জীবনে একবারই এমন সুযোগ আসে। তাই আমেরিকার বৈধ পাসপোর্ট, ভিসা নিয়ে তৈরি ছিলেন তিনি। তারপরেও বিমানে উঠতে দেওয়া হয়নি তাঁকে। দেশের বাইরে যাওয়ার অনুমতি নেই বলে ফেরত বিমানবন্দর থেকেই ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কয়েক মাস আগে, প্যারিসে একটি বইয়ের উদ্বোধন এবং চিত্র-প্রদর্শনীতে যাওয়ার পথেও একইভাবে ফিরিয়ে দেওয়া হয় সানাকে। সেবারও দেশের বাইরে যাওয়ার অনুমতি নেই বলে ফেরানো হয় তাঁকে।

সানার মতোই সাম্প্রতিককালে বিদেশযাত্রায় বাধার মুখে পড়েছেন একাধিক সাংবাদিক। সরকার-বিরোধী খবর করা এবং দেখানোয় অভিযুক্ত তাঁরা। সেই তালিকায় নাম রয়েছে রানা আইয়ুব থেকে আকাশ হাসান, গওহর গিলানিদের। করোনা-কালে বিদেশি অনুদানে ত্রাণের ব্যবস্থা করা রানার বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপের অভিযোগ আনা হয়। দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর, নিজের যোগাযোগ, আইনি পন্থাকে কাজে লাগিয়ে শেষমেশ রানা সেই বাধা অতিক্রম করতে পারলেও, কাশ্মীরের সাংবাদিক আকাশ এবং গওহরের ক্ষেত্রে তা হয়নি।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
অনাহারে মৃত‍্যুই ভারতের গরিবের নিয়তি! মুনাফার প্রদীপের নিচে অসহ্য অন্ধকার

Global Hunger Index: চার সেকেন্ডে একজন না খেতে পেয়ে মরছেন এদেশে, অন্যদিকে ওই চার সেকেন্ডে সাড়ে সাত লক্ষ টাকার মুনাফা হচ্ছে আদানির

‘দ্য গার্ডিয়ান’-এর সংবাদকর্মী আকাশ এ-বছর, ২৬ জুলাই শ্রীলঙ্কা যাচ্ছিলেন। কিন্তু দিল্লি বিমানবন্দরে আটকে দেওয়া হয় তাঁকে। ২০১৯ সালে জার্মানিতে সাংবাদিকদের নিয়ে আয়োজিত সম্মেলনে যোগ দিতে যাওয়ার পথে বাধা পান গওহর। বিমানবন্দরে আটকে রেখে পরিবার, পেশা নিয়ে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ২০১৯-এর অগাস্ট মাসে জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা প্রত্যাহারের পর থেকে উপত্যকার কাশ্মীরি সাংবাদিকদের প্রায়শই এই সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। ‘দ্য ওয়্যার’ জানিয়েছে, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এবং সমাজকর্মীদের পাশাপাশি ভারত সরকারের ‘নো ফ্লাই লিস্ট’-এ নাম রয়েছে কাশ্মীরের ২২ জন সাংবাদিকের।

শুধু সাংবাদিকদের বিদেশযাত্রায় বাধা দেওয়াই নয়, তাঁদের আটকে রাখা, বাড়িতে তল্লাশি চালানো, পরিবারকে হেনস্থা করার অভিযোগও সামনে এসেছে। এমনকী, আচমকা আকাশ থেকে খসে পড়ার মতোই নামের সঙ্গে সন্ত্রাস এবং অপরাধ মামলাও জুড়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। কিন্তু রানার মতো সাংবাদিক যেখানে সরকারি নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আইনি রাস্তা ধরতে পারেন, কাশ্মীরি সাংবাদিকদের সেই সুযোগ নেই। তা করতে গেলে জন নিরাপত্তা আইনে, শুনানি ছাড়াই অনির্দিষ্টকালের জন্য তাঁদের বন্দি করা হতে পারে বলে আশঙ্কা কাশ্মীরি সাংবাদিকদের। সাজাদ গুল, ফাহাদ শাহ এবং আসিফ সুলতানের ক্ষেত্রে ঠিক তেমনটাই হয়েছে।

আন্তর্জাতিক মহলে তা নিয়ে তীব্র সমালোচনাও শোনা গিয়েছে। তারই ফলশ্রুতি হিসেবে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা সূচকে ক্রমশ নিচে নামছে ভারত। বিভিন্ন দেশে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার ওপর নজরদারি চালানো আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘রিপোর্টারস উইদাউট বর্ডার্স’-এর রিপোর্টে ২০২২ সালে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় ১৮০টি দেশের মধ্যে ১৫০তম স্থানে রয়েছে ভারত। তার আগে, ২০২১ সালে ১৪২তম স্থানে ছিল। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতায় এই মুহূর্তে পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ, নেপাল এবং মায়ানমারের থেকেও পিছিয়ে রয়েছে ভারত। সাংবাদিকদের জন্য বিপজ্জনক দেশ বলে চিহ্নিত হয়েছে ভারত।

বর্তমান পরিস্থিতির জন্য নরেন্দ্র মোদির সরকাকেই কাঠগড়ায় তুলেছে ‘রিপোর্টার্স উইদাউট বর্ডার্স’ সংগঠন। তাদের দাবি, বিজেপি-র সমর্থক এবং হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলি সাংবাদিকদের কাছে আতঙ্ক হয়ে উঠছে। সরকারের সমালোচনা করলেও দাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে 'দেশদ্রোহী' বলে। নরেন্দ্র মোদির নাম উল্লেখ করে বলা হয়েছে, দেশের সংবাদমাধ্যমকে মুঠোবন্দি করে রেখেছেন তিনি। সরকারের সুরে গলা মেলাতে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে সংবাদমাধ্যমের ওপর। অন্যথায় ঘৃণা এবং রোষের মুখে পড়তে হচ্ছে সাংবাদিকদের, যা কোনও গণতান্ত্রিক দেশেই কাম্য নয়।

২০১৪-র পর থেকে ভারত আদৌ গণতান্ত্রিক রয়েছে কি না, সেটাই বড় প্রশ্ন, এমনটাও মনে করছেন কেউ কেউ। গণতন্ত্র নিয়ে বাড়াবাড়ি যে একেবারেই না-পসন্দ তাদের, তা বছর দুয়েক আগেই স্পষ্ট করে দিয়েছিল সরকার। তাই নীতি আয়োগকে দিয়ে বলানো হয়ে ছিল, ‘‘ভারতে গণতন্ত্র একটু বাড়াবাড়ি পর্যায়েই রয়েছে।’’ অর্থাৎ, এই ‘বাড়াবাড়ি’-তে কাটছাঁটই যে তাদের উদ্দেশ্য, বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছিল প্রকারান্তরে। তারই ফলশ্রুতি হিসেবে উড়ানে উদ্যত সানাদের ডানা ছেঁটে ফেলার সবরকম চেষ্টা চালানো হচ্ছে। ‘অপরাধ’ হিসেবে গণ‍্য করা হচ্ছে করোনা-কালে দেশের দুর্দশার ছবি তুলে ধরাকে। জীবনের ছবি তুলে ধরতে গিয়ে আফগানিস্তানে মৃত্যু হলেও, সরকাররে কাছ থেকে শুধু নীরবতাই পেয়েছেন দানিশ।

অথচ গণতন্ত্রে এমনটা হওয়ার কথা নয়। সাধারণের মধ্যে থেকেই উঠে আসেন অসাধ্য-সাধনকারী। সরকার থেকে আমজনতা, পাশে থাকেন তাঁর। এগিয়ে যাওয়ার সাহস জোগান। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণকারী অভিভাবকের ভূমিকা পালন করেন। কিন্তু একনায়কতন্ত্রে আত্মশ্লাঘাতে ডুবে থাকে সরকারবাহাদুর। নিখাদ, নির্ভেজাল সত্য নয়, ‘অমৃতকাল’-এর কল্পকাহিনিতে মজিয়ে রাখে সকলকে। রূঢ় বাস্তবের সঙ্গে তার ফারাক বোঝাতে গিয়েই তাই বারবার বঞ্চনার শিকার হন সানা, দানিশরা।

লিখেছেন
pampii adhikari
pampii adhikari
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

মোদী জমানায় যেভাবে বেড়েছে ভাই-বেরাদারি পুঁজিবাদ

25 Years of Modi's Economic Legacy: মোদী জমানায় রাজনৈতিক ক্ষমতা ও কর্পোরেট পুঁজির ঘনিষ্ঠতায় কীভাবে বদলে যাচ্ছে ভারতের অর্থনীতির চরিত্র, বেড়েছে ভাই-বেরাদারি পুঁজিবাদ, একচেটিয়া বাজার ও মুষ্টিমেয় শিল্পগোষ্ঠীর আধিপত্য?

বছরে ৫০ দিনের ছুটি কমে ৪০! বাদ পড়তে পারে কোন কোন উৎসবের ছুটি?

West Bengal Government Holidays: পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মীদের বছরে ছুটির সংখ্যা প্রায় ৫০ দিন থেকে কমিয়ে ৪০ দিন করার পরিকল্পনা করছে শুভেন্দু সরকার। অর্থসচিবকে নতুন ছুটির তালিকা তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তৃণমূল আমলে চালু হওয়া শিবরাত্রি, ভাইফোঁটা, ছটপুজো-সহ একাধিক ছুটি কি তবে এবার বাতিল হতে চলেছে?

দুই কক্ষেই ডেমোক্র্যাটদের জয়, ট্রাম্পের ক্ষমতায় কতটা লাগাম পড়বে?

US midterms 2026: ২০২৬ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান দুর্গে বড় ধস নামিয়ে কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ নিল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি। জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়, শুল্কনীতি এবং যুদ্ধ সংক্রান্ত অসন্তোষের জেরে ট্রাম্পের নীতি প্রত্যাখ্যান করল ভোটাররা। বদলের প্রত্যাশা কতটা পূরণ হবে?

মিডটার্ম নির্বাচনে কে কত টাকা ঢাললেন?

US midterm elections 2026: আমেরিকার নির্বাচনে প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলারের রেকর্ড ব্যয়। ইলন মাস্ক ও জর্জ সোরোসের মতো ধনকুবেরদের অনুদান, সুপার প্যাক ও ডার্ক মানি কীভাবে আমেরিকার রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করছে?

মানুষ টাকা পেয়ে গেলে ভুলে যাবে, অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে ক্ষোভ-বিক্ষোভ সম্পর্কে বললেন বিজেপি বিধায়ক সজল

Sajal Ghosh interview: ‘ভয় ছাড়া ভক্তি আসে না’— আইন-শৃঙ্খলা, দুর্গাপূজা বিতর্ক এবং তৃণমূলের দলবদল নিয়ে নিজের মতামত জানালেন বিজেপি নেতা সজল ঘোষ।

ভারতের রাজনীতি কতটা বদলে দিয়েছেন মোদী?

25 years of Narendra Modi: ২৫ বছরে মোদী কতটা বদলে দিয়েছেন ভারতের রাজনীতি? উন্নয়ন, নেতৃত্ব ও রাজনৈতিক প্রচারের ধরন থেকে শুরু করে গণতন্ত্র, ধর্মীয় মেরুকরণ এবং জাতীয় পরিচয়ের ধারণা—কীভাবে বদলেছে দেশের রাজনৈতিক চালচিত্র?

ব্রাজিল থেকে আমেরিকা যে কারণে দক্ষিণপন্থীদের শাস্তি দিচ্ছে শান্তিকামী মানুষ

The Alt - right Tide Turns: বিশ্বজুড়ে দক্ষিণপন্থী জনতুষ্টিবাদের ভিত্তি কেঁপে উঠেছে। হাঙ্গেরিতে ১৬ বছরের অরবান-শাসনের অবসান, সার্বিয়ায় ছাত্র আন্দোলনের নির্বাচনী বিজয়, ব্রাজিলে প্রথম রাউন্ডে পিছিয়ে থেকেও লুলার জয়, আমেরিকায় মিডটার্মে ডেমোক্র্যাটদের সংসদের দুই কক্ষ দখল, সব মিলিয়ে বিশ্বজুড়ে অতি-দক্ষিণপন্থী জোয়ারে ভাটার সুর। তবে ফ্রান্স, পোল্যান্ড, ইতালিতে দক্ষিণপন্থা এখনও টিকে আছে। সেগুলির বিরুদ্ধেও চলছে জেনজিদের, শ্রমজীবী অভিবাসী মানুষদের বিক্ষোভ।

ডানাছাঁটা ট্রাম্প-নেতানিয়াহু, বিশ্ব রাজনীতি কোন দিকে যাবে?

Trump midterm defeat: আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির পরাজয় এবং ইজরায়েলের নির্বাচনে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানো—দুটি ঘটনাই আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই পরাজয়ের পর ইরান যুদ্ধের ভবিষ্যৎ কী হবে? আমেরিকা-ইজরায়েল সম্পর্কের সমীকরণ কি বদলাবে? আর বিশ্ব রাজনীতিতে তার প্রভাবই বা কতটা পড়বে?