তৃণমূলে যোগ দেবেন দিলীপ ঘোষ! কেন দানা বাঁধছে জল্পনা?

একাধিক এই রাজনৈতিক জল্পনা যাঁকে নিয়ে, সেই দিলীপ ঘোষ নিজে কী বলছেন?

Ramen Das
৫ মিনিট
তৃণমূলে যোগ দেবেন দিলীপ ঘোষ! কেন দানা বাঁধছে জল্পনা?

সেপ্টেম্বর, ২০১৭! জল্পনা-কল্পনার চূড়ান্ত নাটকীয়তার পর রাজনৈতিক মঞ্চে শুরু হয়েছিল নতুন নাটক। বঙ্গের প্রথম তৃণমূল নেতা মুকুল রায় যোগ দিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বাধীন বঙ্গ বিজেপিতে। তারপর আর ফিরে তাকাতে হয়নি, মুকুল-অস্ত্রে ঘর ভেঙেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। একের পর এক তৃণমূল নেতা-কর্মী ভাঙিয়ে দিলীপদের হাত শক্ত করেছেন মুকুল।

১৯ ডিসেম্বর, ২০২০। অমিত শাহের জনসভায় আচমকা বিস্ফোরণ। ফের জল্পনা সত্যি করে মমতার হাত ছাড়লেন আর এক বৃহৎ তৃণমূল নেতা। কাঁথির 'সম্রাট' শুভেন্দু অধিকারী, বাবা সাংসদ শিশির অধিকারী আর ভাই দিব্যেন্দু অধিকারীকে তৃণমূলে রেখেই যোগ দিলেন বিজেপি-তে। বিধানসভা নির্বাচনের আগের টালমাটাল অবস্থার মধ্যেই ফের ভাঙল তৃণমূল। তবুও হারল বিজেপি। আবার মমতাকে নন্দীগ্রাম আসনে হারিয়ে দিলেন একদা তাঁরই শিষ্য।

বঙ্গের রাজনৈতিক বিবিধ টানাপড়েনের মধ্যে এই দেওয়া-নেওয়া অথবা আসা-যাওয়ার খেলা চলেছে যুগ যুগ ধরে। কংগ্রেস ছেড়ে মমতার তৃণমূল তৈরি, আবার একের পর এক কংগ্রেসের নেতা ভাঙিয়ে তৃণমূলের বাড়বাড়ন্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, দল ভাঙানোর অভিযোগ উঠেছে বারবার। মমতা-কৌশলে ভেঙেছে সিপিএম-সহ একাধিক বামমনস্ক রাজনৈতিক দলও। অর্থাৎ যে যত ভাঙার খেলায় পটু, তার কপালেই জুটেছে রাজনৈতিক লাভের লোভনীয় পদ। হাতের নাগালে এসেছে সহজে বিরোধী-কাবুর অস্ত্র।

সময় বদলেছে। একদা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরোধিতায় সরব মুকুল ফিরেছেন পুরনো ঘরে! রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে একাধিক বিজেপি-তে যোগ দেওয়া তৃণমূল নেতার ঘরে ফেরার জয়গান প্রোথিত হয়েছে নির্বাচনে গেরুয়া হারের পরেই। কিন্তু বন্ধ হয়নি এই আসা-যাওয়ার খেলা। বঙ্গের রাজনৈতিক ঐতিহ্য বজায় রেখে তা চলেছে জোরকদমে!

তবে কংগ্রেসের প্রাক্তন, বিজেপির প্রাক্তন নেতা 'কচুবনে লাথির মুখ' জয়প্রকাশ ছাড়িয়ে এবার কি ফের মুকুল বা শুভেন্দুর মতো কোনও রাজনৈতিক দামামা ঘটতে চলেছে বঙ্গে? আবার কি দল পরিবর্তনের হাওয়ার মাঝেই উঠতে চলেছে সুনামি? এই জল্পনার পাহাড়ে রং ছড়িয়েছে এই বছরের গোটা অগাস্ট মাস। কেন?

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
পুরনো বন্ধু আরএসএস-এর প্রশংসা হঠাৎ কেন করছেন মমতা?

আরএসএস প্রশংসার মাধ্যমে বঙ্গ বিজেপি এবং রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ-র চোরা অন্তর্বিবাদ খুঁচিয়ে দিলেন, পোড় খাওয়া রাজনীতিক মমতা?

১৮ অগাস্ট, ২০২২। একটা সময়ে কংগ্রেস ছেড়ে মমতার হাত ধরা দমদম কেন্দ্রের তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় মন্তব্য করলেন, "ওঁকে (দিলীপ ঘোষ) নিজের পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছে ওঁর দল। তারপর থেকেই যোগাযোগ করেছে তৃণমূলের সঙ্গে। অনেকের সঙ্গেই কথা হয়েছে। কিন্তু কথাবার্তা তেমন এগোয়নি।" সৌগতের এই মন্তব্যের পরই চক্ষু ছানাবড়া রাজনৈতিক মহলের! তার মানে, রাজনীতিতে কোনও কিছুই নিশ্চিত না হলেও তৃণমূলে যোগ দিচ্ছেন কট্টর তৃণমূল-বিরোধী দিলীপ ঘোষ! যোগাযোগ করেছেন তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে! তাহলে কি সত্যিই মোহভঙ্গ হয়েছে বঙ্গ বিজেপির অসময়ের এই পথপ্রদর্শকের? যদিও সৌগতের মন্তব্য এবং তা নিয়ে নানা জল্পনার মধ্যেই মুখ খোলেন দিলীপ ঘোষ নিজেই। স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতেই তৃণমূল সাংসদকে কটাক্ষ করে দিলীপের মন্তব্য, "ওঁর (সৌগত রায়) বয়স হয়েছে, বয়স হলে ঠিক থাকে না কিছু। মাঝে মাঝেই কমেডি করছেন। আমি যেখানে আছি, সেখানেই থাকব। তৃণমূলের কার সঙ্গে কথা হয়েছে নাম বলুন!"

যদিও দিলীপ ঘোষ এবং তৃণমূল-যোগ জল্পনা নিয়ে তাৎপর্যপূর্ণভাবে কোনও মন্তব্য করতে দেখা যায়নি বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্বকে। সবটাই দিলীপের ওপর চাপিয়েছেন নেতারা। যদিও বিজেপির অন্দরে কান পাতলেই এখন শোনা যায়, দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ এবং বর্তমান সভাপতি বালুরঘাটের সুকান্ত মজুমদারের মধ্যে খুব একটা ভাল সম্পর্ক নেই আর, ক্রমশ অবনমন ঘটছে সম্পর্কের! এমনকী, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা বর্তমান বিজেপি বিধায়ক, তৃণমূলের প্রাক্তন নেতা শুভেন্দু অধিকারী ও দিলীপ ঘোষের সম্পর্ক খুব একটা সহজ, এমন দাবি করেন না কেউই। এদিকে শুভেন্দু-সুকান্ত মতানৈক্যের উদাহরণ দেখা যায় মাঝে মাঝেই। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে বারবার দিলীপ নিয়ে দলীয় অস্বস্তি চাপা থাকেনি অন্দরেই। প্রকাশ্যে দিলীপের মন্তব্য নিয়েও নালিশ গিয়েছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে। দলীয় বৈঠকেও ঢুকতে পারেননি দিলীপ। অর্থাৎ যে দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতার কথায় একটা সময় দল চলত, সেই তাঁকেই করতে হচ্ছে জবাবদিহি দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে দলীয় বৈঠক-কক্ষের বাইরে!

ঠিক এই বিতর্কের মধ্যেই ফের মুখ খোলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি। এবার প্রধানমন্ত্রীর আওতাধীন সিবিআই নিয়েই অসন্তোষের সুর শোনা যায় তাঁর গলায়। ফের অস্বস্তিতে পড়েন সুকান্ত মজুমদার, অমিত মালব্যরা। ২১ অগাস্ট কলকাতায় একটি অনুষ্ঠানে দিলীপ ঘোষ প্রশ্ন তোলেন সিবিআই-এর ভূমিকা নিয়ে। দিনের পর দিন সিবিআই-এর হাতে থাকা মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া নিয়েও সমঝোতা তত্ত্ব শোনা যায় তাঁর মুখে। যদিও তীব্র বিতর্কের মধ্যেও দিলীপ থাকেন দিলীপেই। দলের তরফে এই মন্তব্যের পরেই ফের শো-কজ করা হয় দিলীপ ঘোষকে। তিনি বহাল থাকেন নিজের অবস্থানেই! ২২ অগাস্ট ফের। ২৩ অগাস্ট আরও একধাপ এগিয়ে সিবিআই নিয়ে তিনি বলেন, "কার অধীনে সিবিআই প্রয়োজন নেই, মানুষের টাকায় চলছে। আমাদের ২০০ কর্মী খুন হয়েছেন, তাঁদের জন্য বিচার চাওয়া দোষ! কাউকে খুশি করার জন্য আমরা রাজনীতি করি না! কারও দিকে তাকিয়ে রাজনীতি করি না, কর্মীদের দিকে তাকিয়ে রাজনীতি করি।"

এখানেই শুরু হয় জল্পনা। সিবিআই নিয়ে বারবার বিরোধীদের করা অভিযোগেই সিলমোহর দেন এই বিজেপি নেতা! দিলীপ-অস্ত্রে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অপব্যবহার নিয়ে সরব হয় তৃণমূল। সেই ইস্যুই লুফে নেন সবুজ-ঘরের নেতারা। বিজেপির দিলীপ-অস্বস্তি কার্যত লাভদান করে তৃণমূলকে।

এদিকে দলবদলের জল্পনার মধ্যেই, সাম্প্রতিক একটি সাক্ষাৎকারে দিলীপ ঘোষ বলেন, "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লড়াইকে সম্মান করি। তিনি লড়েছেন।" একদা তীব্র তৃণমূল-বিরোধী দিলীপ ঘোষের এহেন হঠাৎ ভোলবদল, জল্পনা বাড়িয়ে দেয় রাজনৈতিক মহলের অন্দরে। তাহলে কি সৌগত রায়ের বলা তথ্যই ঠিক? অবশেষে মমতার হাত ধরতে চলেছেন দিলীপ ঘোষ? প্রসঙ্গত, শুভেন্দু বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকে যে গতিতে তৃণমূল, মমতা, অভিষেককে ব্যক্তিগত আক্রমণ করছেন, রাজনৈতিক ভাবে অলআউট খেলছেন- সেখানে দাঁড়িয়ে, দিলীপ ঘোষ সিবিআই প্রশ্ন অথবা তৃণমূলের নেতাদের দুর্নীতি নিয়ে সরব হলেও মমতা, অভিষেককে ব্যক্তিগত আক্রমণ করেননি, যে বিষয় নিয়েও তৈরি হয়েছে বিতর্ক। তাহলে কি মমতার প্রতি ক্রমশ নরম হচ্ছেন দিলীপ?

সমস্ত প্রশ্নের আবহেই 'গরুর দুধে সোনা' তত্ত্বের স্রষ্টাকে নিয়ে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেছেন তৃণমূলের 'কালারফুল বয়' মদন মিত্র। মদন বলেন, "দিলীপের জন্য যা প্রয়োজন, তা যদি ওখানে না থাকে তাঁর উচিত অন্যদের সঙ্গে কথা বলা।" মদনের যুক্তি, "আপনি যদি সামনে না এগোতে পারেন, পিছনের দিকে যেতে হবে!" তাহলে কি এবার দিলীপের সেই প্রয়োজন মেটাতে চলেছে তৃণমূল? মুচকি হেসে মদনের জবাব, আপনারাই জানেন!

মদনের এই মন্তব্যের আবহে দিলীপ নিয়ে জল্পনা বাড়িয়েছে তৃণমূল মুখপাত্র 'জাগো বাংলা'-র সম্পাদকীয়। 'খালি কলসি' শিরোনামের ওই লেখায় কার্যত দিলীপের প্রশংসা করা হয়েছে। বিজেপির বঙ্গে বেড়ে ওঠায় দিলীপের অন্যতম ভূমিকার কথা বলা হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, "দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি, বর্তমান সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি, ভোটের লড়াইয়ে সফল দিলীপ ঘোষকে কোণঠাসা করার প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। হেস্টিংস অফিসে বৈঠক চলছে তাঁর থাকার কথা, অথচ তাঁকে ডাকা হচ্ছে না। কে করছেন? অমিত মালব্য। কার প্ররোচনায় করছেন? দলের বর্তমান রাজ্য সভাপতি।" যা রাজনৈতিকভাবে যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক কারবারিরা। আপাতভাবে বিরোধী একটি রাজনৈতিক দলের মুখপাত্রের, কেন দিলীপের প্রশংসা? বিশেষজ্ঞদের একাংশের দাবি, প্রকাশ্যে কুণাল ঘোষের নানা মন্তব্যজুড়েই বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধেই আক্রমণ থাকে। সেই প্রেক্ষাপটে দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধে আক্রমণের ঝাঁঝ থাকে অনেক কম । এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে তৃণমূলে যদি বিজেপির অন্যতম স্তম্ভ দিলীপ ঘোষের আগমন ঘটে, তাহলে তা মেনে নেওয়া খুব একটা কঠিন কাজ হবে না তৃণমূলের পক্ষে। সেই বিষয়টি আরও সহজ করতেই কি দিলীপের আসার পথ স্পষ্ট করে রাখছে তৃণমূল!

একাধিক এই রাজনৈতিক জল্পনা যাঁকে নিয়ে, সেই দিলীপ ঘোষ নিজে কী বলছেন? বিজেপি নেতার দাবি, তিনি বিজেপিতে ছিলেন, সেখানেই আছেন আর সেই দলেই থাকবেন, যাঁরা জল্পনা করছেন, এর উত্তর দেওয়া তাঁদের দায়িত্ব।

লিখেছেন
Ramen Das
Ramen Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বাংলায় ভোটার যাচাইয়ের প্রভাব মুসলিম এলাকাগুলিতে ছ’গুণ বেশি, বলছে পরিসংখ্যান

Bengal Voter List Review: পশ্চিমবঙ্গের ভোটার তালিকা যাচাইয়ে বিচারাধীন ভোটারদের ক্ষেত্রে মুসলিম অধ্যুষিত এলাকাগুলিতেই প্রভাব বেশি পড়েছে। পরিসংখ্যান বলছে, এই এলাকাগুলিতে ভোটার যাচাইয়ের প্রভাব অন্যান্য এলাকার তুলনায় প্রায় ছ’গুণ বেশি। এই পার্থক্য কীভাবে তৈরি হলো, কোন এলাকার ভোটাররা বেশি প্রভাবিত হলেন এবং এর পিছনে কী কারণ রয়েছে?

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।