'দুর্গাপুজোয় আমিষ মানেই ভণ্ড': নিদান দিয়ে ভাইরাল, কে এই বাগেশ্বর বাবা?
Bageshwar Baba: দুর্গাপুজোয় আমিষ খাওয়া নিয়ে বিতর্ক উসকে দিলেন মধ্যপ্রদেশের ছতরপুরের বাগেশ্বর ধামের থেকে আসা ধীরেন্দ্র কৃষ্ণ শাস্ত্রী তথা বাগেশ্বর বাবা। জনসমক্ষে তিনি দাবি করলেন, দুর্গাপুজোর সময়ে যারা আমিষ খায়, তারা ধার্মিক না, তারা ভন্ড। তৃণমূল আমলে ধর্মীয় অনুষ্ঠান করার অনুমতি মেলেনি, আর ক্ষমতার পালাবদলের পর শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার তাঁকে সাড়ম্বরে স্বাগত জানাল। সেই বদলে যাওয়া রাজনৈতিক আবহেই পশ্চিমবঙ্গে এসে ধর্মীয় বক্তব্য রাখতে গিয়ে দুর্গাপুজোয় ননভেজ পরিত্যাগের নিদান দিয়েছেন বাগেশ্বর ধামের ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী। কে এই বাগেশ্বর বাবা? কী তাঁর পরিচয়? সত্যিই কি তিনি অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী?
দুর্গাপুজোয় কী খাবেন বাঙালি, তা নিয়ে বেড়ে চলেছে নিদান। দুর্গাপুজোয় আমিষ খাওয়া নিয়ে বিতর্ক উসকে দিলেন মধ্যপ্রদেশের ছতরপুরের বাগেশ্বর ধামের থেকে আসা ধীরেন্দ্র কৃষ্ণ শাস্ত্রী তথা বাগেশ্বর বাবা। জনসমক্ষে তিনি দাবি করলেন, দুর্গাপুজোর সময়ে যারা আমিষ খায়, তারা ধার্মিক না, তারা ভন্ড। তৃণমূল আমলে ধর্মীয় অনুষ্ঠান করার অনুমতি মেলেনি, আর ক্ষমতার পালাবদলের পর শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার তাঁকে সাড়ম্বরে স্বাগত জানাল। সেই বদলে যাওয়া রাজনৈতিক আবহেই পশ্চিমবঙ্গে এসে ধর্মীয় বক্তব্য রাখতে গিয়ে দুর্গাপুজোয় ননভেজ পরিত্যাগের নিদান দিয়েছেন বাগেশ্বর ধামের ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী। কে এই বাগেশ্বর বাবা? কী তাঁর পরিচয়? সত্যিই কি তিনি অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী?
ধীরেন্দ্র শাস্ত্রীর জনপ্রিয়তা অস্বীকার করার উপায় নেই। তাঁর ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলিতে মানুষের ভিড় হয়, তাঁর বক্তব্য লক্ষ লক্ষ মানুষ দেখেন। বাগেশ্বর ধামের সামাজিক ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডও রয়েছে। কিন্তু সেই জনপ্রিয়তার পাশাপাশি রয়েছে গুরুতর অভিযোগ ও বিতর্ক।
মায়ের ক্যানসার শেষ পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে? ১১ দিন অখণ্ড জ্যোতি জ্বালান। দেশি গরুর ৫০ গ্রাম গো-মূত্রের সঙ্গে হলুদ মিশিয়ে খাওয়ান। উপকার হবে একশো শতাংশ।
ক্যানসারে আক্রান্ত এক মহিলার পরিবারের সদস্যকে এমন পরামর্শই দিয়েছিলেন বাগেশ্বর বাবা।
মধ্যপ্রদেশের ছতরপুরের বাগেশ্বর ধামের ধীরেন্দ্র কৃষ্ণ শাস্ত্রী গত কয়েক বছরে ধর্মীয় বক্তা থেকে জাতীয় স্তরের এক প্রভাবশালী মুখ হয়ে উঠেছেন। তাঁর ‘দিব্য দরবার’-এ মানুষের ভিড়, সামাজিক মাধ্যমে বিপুল জনপ্রিয়তা এবং অলৌকিক ক্ষমতার দাবি তাঁকে পরিচিত করেছে। কিন্তু তাঁর উত্থানের সঙ্গে সঙ্গে সামনে এসেছে একের পর এক বিতর্ক—চিকিৎসা সংক্রান্ত পরামর্শ, অলৌকিক ক্ষমতার পরীক্ষা, হিন্দু রাষ্ট্রের দাবি এবং সংখ্যালঘুদের নিয়ে বিতর্কিত বক্তব্য। আর এই বিতর্কের মাঝেই এসেছে দেশের প্রধানমন্ত্রীর প্রকাশ্য প্রশংসা। নরেন্দ্র মোদী তাঁকে বলেছেন ‘ছোট ভাই’। প্রশ্ন উঠছে, যাঁর বিরুদ্ধে কুসংস্কার, ছদ্মবিজ্ঞান, সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ এবং হিন্দু রাষ্ট্রের পক্ষে প্রচারের অভিযোগ রয়েছে, তাঁকে দেশের প্রধানমন্ত্রী প্রকাশ্যে সমর্থন করলে তার সামাজিক ও রাজনৈতিক তাৎপর্য কী?
ছতরপুর জেলার গাড়া গ্রামে অবস্থিত বাগেশ্বর ধাম একটি পুরনো ধর্মীয় স্থান। ধামের নিজস্ব তথ্য অনুযায়ী, কয়েকশো বছর ধরে এখানে ধর্মীয় কর্মকাণ্ড চলে আসছে। হনুমান ও বালাজির উপাসনাকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা এই ধর্মস্থানে মানুষের সমস্যা সমাধানের জন্য ‘আর্জি’ জানানোর প্রথা রয়েছে।
ধীরেন্দ্র শাস্ত্রীর জনপ্রিয়তা মূলত তাঁর ‘দিব্য দরবার’কে ঘিরে। সেখানে তিনি দাবি করেন, সামনে আসা ব্যক্তির ব্যক্তিগত তথ্য বা সমস্যা না জেনেও তা বলে দিতে পারেন। অনেক সময় তিনি একটি কাগজে কিছু লিখে তারপর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির পারিবারিক সমস্যা, অসুস্থতা বা অন্য ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করেন।
- আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
Ramdev and BJP: হরিয়ানার একটি বনভূমির অবৈধভাবে দখল নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে রামদেব বাবার সংস্থা 'পতঞ্জলি'-র বিরুদ্ধে। তথ্য বলছে, হরিয়ানার ফরিদাবাদের আরাবল্লি অঞ্চলে ৪০০ একরের জমিতে বেনামী মালিকানা রয়েছে 'পতঞ্জলি'র।
ভক্তদের কাছে এটি অলৌকিক ক্ষমতার প্রমাণ। কিন্তু এখানেই প্রশ্ন তুলেছেন সংশয়বাদী ও কুসংস্কারবিরোধীরা। এই ক্ষমতা কি সত্যিই অলৌকিক? নাকি এর পিছনে অন্য কোনো পদ্ধতি রয়েছে?
২০২৩ সালে কুসংস্কারবিরোধী কর্মী শ্যাম মানব নাগপুরে ধীরেন্দ্র শাস্ত্রীকে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ করেন। দাবি ছিল, কোনো পূর্বপরিচয় ছাড়াই কয়েকজন নির্বাচিত মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য সঠিকভাবে বলতে পারলে তাঁকে পুরস্কার দেওয়া হবে। ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী সেই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেননি এবং নির্ধারিত সময়ের আগেই নাগপুরের অনুষ্ঠান শেষ করে চলে যান।
এই ঘটনা অবশ্য নিজে থেকে তাঁর অলৌকিক ক্ষমতা মিথ্যা প্রমাণ করে না। কিন্তু প্রকাশ্য পরীক্ষার মুখোমুখি না হওয়ার সিদ্ধান্ত তাঁর দাবিকে ঘিরে সন্দেহ আরও বাড়িয়েছিল।
ধীরেন্দ্র শাস্ত্রীকে ঘিরে সবচেয়ে গুরুতর বিতর্কগুলির একটি চিকিৎসা সংক্রান্ত। ক্যানসারে আক্রান্ত মানুষদের গো-মূত্র, হলুদ, মন্ত্রপাঠ কিংবা বিশেষ ধর্মীয় আচার পালনের পরামর্শ দেন তিনি। একটি ঘটনায় ক্যানসারে আক্রান্ত এক মহিলার পরিবারের সদস্যকে ১১ দিন অখণ্ড জ্যোতি জ্বালানোর পাশাপাশি গো-মূত্র ও হলুদ খাওয়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। অন্য একটি ঘটনায় ক্যানসারে আক্রান্ত শিশুর ক্ষেত্রেও একই ধরনের পরামর্শ দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। আরও একটি ঘটনায় গুরুতর অসুস্থ শিশুকে মাইক্রোফোনে তিনবার ফুঁ দিয়ে সুস্থ করার দাবি করা হয়েছিল।
ধর্মীয় আচার পালন একজন ব্যক্তির ব্যক্তিগত বিশ্বাসের বিষয় হতে পারে। কিন্তু সেই আচার যদি ক্যানসারের মতো প্রাণঘাতী রোগের চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে উপস্থাপিত হয়, তখন প্রশ্নটা আর শুধুই ধর্মীয় বিশ্বাসের থাকে না। তখন তা জনস্বাস্থ্যের প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায়।
তবে এই ঘটনাগুলির ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ভিডিও, বক্তব্যের প্রেক্ষাপট এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের চিকিৎসার পরবর্তী ফলাফল আলাদাভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। অভিযোগকে প্রমাণিত চিকিৎসাবিজ্ঞানবিরোধী আচরণ হিসেবে ঘোষণা করার আগে সেই যাচাই জরুরি।
যাঁর বিরুদ্ধে ক্যানসার চিকিৎসা নিয়ে অবৈজ্ঞানিক পরামর্শ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে, তাঁর উদ্যোগেই তৈরি হচ্ছে ক্যানসার হাসপাতাল। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাগেশ্বর ধামে সেই হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
- আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
Sadhguru Ashram Women: ইশা ফাউন্ডেশন সম্পর্কিত সমস্ত মামলার একটি তালিকা তৈরি করতে পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
প্রায় ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে হাসপাতালটি গড়ে ওঠার কথা জানানো হয়। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ধীরেন্দ্র শাস্ত্রীকে নিজের ‘ছোট ভাই’ বলে উল্লেখ করেন এবং হিন্দু সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করার তাঁর প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন।
প্রশ্ন ওঠে, একজন ধর্মীয় গুরু চিকিৎসা সংক্রান্ত বক্তব্য যদি বিতর্কিত হয়, তাহলে তাঁর উদ্যোগে গড়ে ওঠা আধুনিক চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সেই বক্তব্যের সম্পর্ক কী? প্রধানমন্ত্রী যখন তাঁর উদ্যোগের প্রকাশ্য প্রশংসা করেন, তখন কি সেই বিতর্কিত বক্তব্যগুলিরও কোনো রাজনৈতিক বা সামাজিক বৈধতা তৈরি হয়?
দুটিকে অবশ্য এক করে দেখা ঠিক হবে না। একটি হাসপাতাল তৈরি করা এবং চিকিৎসা সম্পর্কে কোনো ব্যক্তির বিতর্কিত পরামর্শ—দুটি আলাদা বিষয়। কিন্তু একই ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই দুই বিপরীত ছবি পাশাপাশি থাকায় প্রশ্ন উঠবেই।
ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী প্রকাশ্যে ‘হিন্দু রাষ্ট্র’-এর পক্ষে কথা বলেছেন। তাঁর বক্তব্যে হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান নিয়মিত এসেছে। তাঁর ভাষণে সনাতন ধর্মের প্রসার এবং হিন্দু সমাজকে সংগঠিত করার কথা থাকে। মুসলিম ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়কে নিয়ে তাঁর একাধিক মন্তব্যও বিতর্কের জন্ম দিয়েছে, যেগুলিকে সমালোচকেরা সাম্প্রদায়িক ও বিদ্বেষমূলক বলে আখ্যা দিয়েছেন। ‘লাভ জিহাদ’-এর মতো প্রচলিত রাজনৈতিক-সামাজিক বিতর্ককেও তিনি তাঁর বক্তব্যে ব্যবহার করেছেন।
২০২২ সালে একটি অনুষ্ঠানে রাম বা সনাতন ধর্মের বিরুদ্ধে পাথর ছোড়া হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বাড়িতে বুলডোজার চালানোর কথা বলেছিলেন তিনি। পরবর্তী সময়েও রামনবমীর মিছিল বা হিন্দুদের বাড়িতে পাথর ছোড়ার ঘটনায় পাল্টা জবাবের মতো বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। প্রশ্ন হল, একজন ধর্মীয় গুরুর মুখে ‘বুলডোজার’ বা পাল্টা আক্রমণের ভাষা কতটা স্বাভাবিক? ধর্মীয় নেতৃত্ব কি শুধুই আধ্যাত্মিক বা নৈতিক বক্তব্যের জায়গায় থাকবে, নাকি তা রাজনৈতিক প্রতিশোধের ভাষাতেও পৌঁছবে?
২০২৩ সালে দেরাদুনের একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে মুসলিম ও খ্রিস্টানদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। মসজিদ নির্মাণের বিরোধিতা এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায় সম্পর্কে বিতর্কিত তুলনাও করেছেন।
২০২৩ সালের একটি ‘সনাতন ধর্ম সংসদ’-এর অনুষ্ঠানে মুসলিম ও খ্রিস্টানদের বিরুদ্ধে হিংসাত্মক বক্তব্য শোনা গিয়েছিল। অস্ত্র রাখার পরামর্শ এবং মানুষ হত্যার মতো বক্তব্যও সেখানে উঠে আসে।
তবে কোনোঅনুষ্ঠানে উপস্থিত অন্য বক্তার বক্তব্যের দায় সরাসরি ধীরেন্দ্র শাস্ত্রীর উপর চাপানো যায় না, যদি না তাঁর সঙ্গে সেই বক্তব্যের প্রত্যক্ষ সম্পর্কের প্রমাণ থাকে। কিন্তু তাঁর মঞ্চ বা তাঁর সঙ্গে যুক্ত কোনো সমাবেশে এমন বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি হলে সেই পরিবেশ নিয়েও প্রশ্ন তোলা স্বাভাবিক।
ধীরেন্দ্র শাস্ত্রীর পরিবারের সদস্যদের নিয়েও বিভিন্ন সময়ে বিতর্ক হয়েছে। তাঁর ভাই শালিগ্রাম গর্গের বিরুদ্ধে একটি দলিত পরিবারের বিয়ের অনুষ্ঠানে অস্ত্র দেখানোর অভিযোগ এবং মামলা হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে বাগেশ্বর ধামের এক পরিচর্যাকারীর বাড়িতে হামলা এবং মহিলাদের মারধরের অভিযোগেও তাঁর নাম উঠে আসে।
ধীরেন্দ্র শাস্ত্রীর রাজনৈতিক যোগাযোগ শুধু একটি দলের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগের ঘটনা সামনে এসেছে। কংগ্রেসের নেতারাও তাঁর অনুষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে তাঁর রাজনৈতিক গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি বেড়েছে বিজেপি এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে দৃশ্যমান ঘনিষ্ঠতার কারণে।
২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাগেশ্বর ধামে উপস্থিতি সেই সম্পর্ককে জাতীয় রাজনীতির আলোচনায় নিয়ে আসে। প্রধানমন্ত্রী তাঁকে ‘ছোট ভাই’ বলে সম্বোধন করেন এবং তাঁর কাজের প্রশংসা করেন।
‘হিন্দু রাষ্ট্র’-এর পক্ষে তাঁর প্রকাশ্য সওয়াল, হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান এবং সনাতন ধর্মের প্রসারের বার্তা তাঁকে এক বিশেষ রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিসরে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। সেই প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তাঁর কাজের প্রশংসাও যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। প্রশ্ন উঠছে, ধর্মীয় মঞ্চ থেকে উঠে আসা এই প্রভাব আগামী দিনে ভারতের রাজনীতি ও সমাজে কতটা প্রভাব ফেলবে?






