CAA: নাগরিকত্বের নামে ভোট টানতে হিন্দুদের মধ্যেই বিভাজন করে ফেলছে বিজেপি?

CAA Implementation: অসমের হিন্দুরা তো একেবারেই খুশি নন। অসমে বাংলাভাষী অভিবাসীদের বিরুদ্ধে সহিংস আন্দোলনের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে।

inscript
৪ মিনিট
CAA: নাগরিকত্বের নামে ভোট টানতে হিন্দুদের মধ্যেই বিভাজন করে ফেলছে বিজেপি?

ঠিক লোকসভা ভোটের মুখে CAA অর্থাৎ নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন কার্যকর হওয়ার কথা ঘোষণা করল বিজেপি। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের আগে ঠিক এভাবেই সিএএ-এনআরসি নিয়ে উত্তপ্ত ছিল দেশ। সেবার চালু করার কথা বলা হয়েছিল, এবার চালু করে দিয়ে লোকসভা ভোটের হাওয়া নিজের দিকে ঘুরিয়ে ফেলল বিজেপি। এই সিটিজেনশিপ অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট বা সিএএ আসলে কী?

সিএএ হলো ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইনের সংশোধন। এই নতুন আইন অনুযায়ী, ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তানের মতো দেশ থেকে যে সমস্ত অমুসলিমরা অর্থাৎ হিন্দু, শিখ, খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি সম্প্রদায়ের মানুষ ধর্মীয় অত্যাচারের কারণে এ দেশে আশ্রয় নিয়েছেন, তাঁদের নির্দিষ্ট নথি ও শর্ত মিলিয়ে নাগরিকত্বের শংসাপত্র দেবে ভারত। ঠিক ১১ মার্চ দিনটিকেই সিএএ কার্যকর ঘোষণার জন্য বেছে নেওয়ার পিছনে বিজেপি সরকারের যথেষ্ট অঙ্ক কষা রয়েছে। ১১ মার্চ ছিল মতুয়া সম্প্রদায়ের গুরু হরিচাঁদ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী। মতুয়া ভোট টানতে এটিই ছিল বিজেপির মোক্ষম অস্ত্র। বনগাঁর সাংসদ শান্তনু ঠাকুরকে দিয়ে এই আসন জেতাতে মতুয়াদের দেওয়া নাগরিকত্বের প্রতিশ্রুতি পালন করতেই হতো বিজেপিকে। বাংলায় ৩৯টি বিধানসভা আসনে ২০ শতাংশের বেশি মতুয়া ভোট রয়েছে। নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং পূর্ব বর্ধমান জেলায় মতুয়ারা আছেন। অর্থাৎ লোকসভা ভোটে এই আসনগুলিতে সিএএকে সামনে রেখেই হিন্দু ভোট একত্রিত করবে বিজেপি। পাশাপাশি, ১২ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে রমজান মাস। তার ঠিক আগের দিন সিএএ ঘোষণা করা হয়েছে। সিএএ এনআরসি-র দোসর। ফলে একদিকে সিএএ দিয়ে হিন্দুদের অভয় দিচ্ছে বিজেপি অন্যদিকে মুসলিমদের মনে ভয় ধরিয়ে দেওয়া গেছে।

তিন দেশের অত্যাচারিত ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ভারত নাগরিকত্ব দেবে বলেছে। এই তিন দেশেই মুসলিমরা সংখ্যাগুরু। অথচ নিজদেশেই পরবাসী তসলিমা নাসরিন। ধর্মে তিনি মুসলিম। তাহলে এমন কেউ যদি ভারতে আশ্রয় চান, তারা ঠাঁই পাবেন না? নেপাল, মায়ানমার, শ্রীলঙ্কা থেকেও তো অনেক মানুষই ধর্মীয় কারণে অত্যাচারিত হয়ে আশ্রয় খোঁজেন? তারা ভারতের নাগরিকত্ব পাবেন না? কোনও উত্তর নেই এই সব প্রশ্নের। নাগরিকত্ব চাইতে গেলে কী কীতথ্য জমা দিতে বলা হয়েছে? প্রথম ভাগের (১এ) জন্য নিম্নলিখিত নথিগুলির মধ্যে যে কোনও একটি জমা দিতেই হবে—

১। বাংলাদেশ, পাকিস্তান বা আফগানিস্তান সরকারের ইস্যু করা পাসপোর্ট।

২। সংশ্লিষ্ট দেশের প্রশাসন কর্তৃক জারি করা জন্মের শংসাপত্র।

৩। বাংলাদেশ, পাকিস্তান বা আফগানিস্তানের স্কুল/কলেজ/বোর্ড/বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাগত যোগ্যতার শংসাপত্র।

৪। সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারের দেওয়া পরিচয়পত্র।

৫। বিদেশি আঞ্চলিক নিবন্ধন আধিকারিক বা ভারতে বিদেশি নিবন্ধন আধিকারিকের দ্বারা জারি করা আবাসিক অনুমতি পত্র।

৬। ওই তিন দেশের জারি করা যে কোনও লাইসেন্স।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
রমজান শুরুর দিনটিই কেন সিএএ ঘোষণার জন্য বেছে নিলেন মোদি?

CAA and Matua Vote:সিএএ চালুর দিন হিসেবে ১১ মার্চকেই বাছা হলো কেন? ১২ মার্চ থেকেই শুরু হয়েছে রোজা। তাছাড়া ১১ মার্চ ছিল হরিচাঁদ ঠাকুরের জন্মতিথি!

৭। বাংলাদেশ, পাকিস্তান বা আফগানিস্তানে জমি বা ভাড়াটে সংক্রান্ত রেকর্ড।

৮। আবেদনকারীর পিতা-মাতা বা দাদু-ঠাকুমা বা প্রপিতামহের মধ্যে একজন ওই দেশগুলির নাগরিক বা নাগরিক ছিলেন, এমন নথি। বস্তুত, আফগানিস্তান বা বাংলাদেশ বা পাকিস্তানের সরকারের জারি করা যে কোনও নথি, যা প্রমাণ করে যে, আবেদনকারী সংশ্লিষ্ট দেশের নাগরিক ছিলেন। সেই নথির বৈধতার সময়কাল অতিক্রান্ত হলেও তা গ্রাহ্য হবে।

দ্বিতীয় ভাগে (১বি) নথির মাধ্যমে প্রমাণ দাখিল করতে হবে যে, ওই ব্যক্তি কখন ভারতে প্রবেশ করেছেন। তার জন্য নথির তালিকার মধ্যে রয়েছে

১। ভারতে আসার ভিসার ফোটোকপি এবং অভিবাসন দফতরের স্ট্যাপ যুক্ত নথি।

২। রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট বা আবাসিক অনুমতি পত্র যা ভারতে ‘ফরেনার্স রিজিয়োনাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার’ বা ‘ফরেনার্স রেজিস্ট্রেশন অফিসার’ (FRO) দ্বারা জারি করা হয়।

৩। ভারতে জনগণনার সময়ে গণনাকারীদের দেওয়া নথি বা স্লিপ।

৪। ভারত সরকারের জারি করা লাইসেন্স বা শংসাপত্র বা পারমিট (ড্রাইভিং লাইসেন্স, আধার কার্ড ইত্যাদির মধ্যে একটি)।

৫। রেশন কার্ড।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ভোটের ঠিক আগেই কেন CAA? কোন চাল বিজেপির?

CAA implementation: চার বছর পর কেন কার্যকর হচ্ছে সিএএ আইন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মমতা। তাঁর সাফ কথা, "নির্বাচনের মুখেই এটা করার প্রয়োজন পড়ল তার কারণ, এটা একটা রাজনৈতিক পরিকল্পনা।"

৬। সরকারি স্ট্যাম্প-সহ আবেদনকারীকে সরকার বা আদালতের দেওয়া কোনও চিঠি।

৭। ভারত সরকার কর্তৃক জারি করা আবেদনকারীর জন্মের শংসাপত্র।

৮। আবেদনকারীর নামে ভারতে নিবন্ধিত জমির কাগজ বা ভাড়াটে রেকর্ড।

৯। প্যান কার্ড। কবে ইস্যু করা হয়েছে তার তারিখ থাকতে হবে।

১০। কেন্দ্র বা রাজ্য সরকার বা রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থার জারি করা কোনও নথি।

১১। গ্রাম বা শহরের স্থানীয় প্রশাসনে অথবা কোনও সংস্থায় নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির জারি করা শংসাপত্র।

১২। আবেদনকারীর ব্যাঙ্ক বা পোস্ট অফিসের অ্যাকাউন্টের প্রমাণ এবং ব্যাঙ্ক/পোস্ট অফিস কর্তৃপক্ষের জারি করা ওই অ্যাকাউন্টের বিবরণ।

১৩। আবেদনকারীর নামে ভারতে থাকা বিমা সংস্থার পলিসির কাগজ।

১৪। আবেদনকারীর নামে থাকা বিদ্যুৎ বিল।

১৫। আবেদনকারীর নামে যদি আদালত বা ট্রাইবুন্যালে কোনও রেকর্ড থাকে, তার নথি।

১৬। কর্মচারী ভবিষ্য তহবিল/ সাধারণ ভবিষ্য তহবিল/ পেনশন/ এমপ্লয়িজ স্টেট ইনসিয়োরেন্স কর্পোরেশন দ্বারা অনুমোদিত ভারতে কর্মসংস্থানের নথি।

১৭। আবেদনকারীর কাছে এ দেশের স্কুল পাস সার্টিফিকেট থাকলে, সেটি।

১৮। এ দেশে স্কুল/কলেজ/ বিশ্ববিদ্যালয়/ সরকারি প্রতিষ্ঠানের দেওয়া শিক্ষাগত যোগ্যতার শংসাপত্র।

১৯। পুরসভার দেওয়া ট্রেড লাইসেন্স।

২০। বিয়ের শংসাপত্র

এবার বাস্তব সত্য হচ্ছে, এমন বহু বহু মানুষ আছেন যাদের কাছে এই নথি নেই। বাংলাদেশের বাড়ির রেকর্ড, সে দেশের স্কুলের শংসাপত্র তাঁদের নেই, জোগাড়ের সম্ভাবনাও নেই। তাহলে ভারতের নাগরিকত্ব পাবেন না তারা? সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, সিএএ অনুযায়ী আগে এই মানুষদের নিজেদের অনাগরিক প্রমাণ করতে হবে। এতদিন ভারতেই রইলেন, তাঁরাই ভোট দেন, তাঁদের আধার কার্ডও আছে। সেসব নথিও ভারত সরকারেরই দেওয়া। তাহলে এই মানুষরা রাতারাতি অনাগরিক হতে যাবেন কেন? এই দেশের নাগরিকই যদি না হন এতদিন ভোট দিলেন কীভাবে তারা? এই প্রশ্নের উত্তর কোথাও গুছিয়ে দেওয়া নেই। অন্যদিকে সিএএ ঘোষণার পরেই অসমে ফের বিক্ষোভ শুরু হয়ে গেছে। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেছেন, কেউ যদি এনআরসি-তে অন্তর্ভুক্তির জন্য আবেদন না করে নাগরিকত্ব (সংশোধনী) আইনের মাধ্যমে নাগরিকত্ব পান তবে তিনি পদত্যাগ করবেন। অসমের হিন্দুরা তো একেবারেই খুশি নন। অসমে বাংলাভাষী অভিবাসীদের বিরুদ্ধে সহিংস আন্দোলনের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। তাহলে একদিকে মতুয়া ভোট টানতে গিয়ে হিন্দুদের মধ্যেও কি বিভেদ তৈরি করে দিল সিএএ?

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

নিষিদ্ধ নয়, বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা, কী আছে ফিলিস্তিনপন্থী স্যালি রুনির বইয়ে

Sally Rooney: ফিলিস্তিনপন্থী সংগঠন প্যালেস্টাইন অ্যাকশনকে রয়্যালটি দেওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশের পর ব্রিটেনে স্যালি রুনির বই সরবরাহ বন্ধ করেছে ফ্যাবার।

সিজেপির কর্মসূচির আগে ৬ হাজার পুলিশ, দুর্ভেদ্য দুর্গ কনট প্লেস

Connaught Place protest: সিজেপির কর্মসূচির আগে কনট প্লেস এবং তার আশপাশের এলাকায় ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে দিল্লি পুলিশ। কনট প্লেসের আশপাশে ৬ হাজারেরও বেশি পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?