ভোটের ঠিক আগেই কেন CAA? কোন চাল বিজেপির?

CAA implementation: চার বছর পর কেন কার্যকর হচ্ছে সিএএ আইন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মমতা। তাঁর সাফ কথা, "নির্বাচনের মুখেই এটা করার প্রয়োজন পড়ল তার কারণ, এটা একটা রাজনৈতিক পরিকল্পনা।"

Sohini Das
৫ মিনিট
ভোটের ঠিক আগেই কেন CAA? কোন চাল বিজেপির?

দ্বিতীয়বার শপথ নিয়েই সিএএ কার্যকর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি। বছর চারেক আগেই তৈরি হয়ে গিয়েছিল সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন। পাশও হয়ে গিয়েছিল তা লোকসভা ও রাজ্যসভায়। তবে তা কার্যকর হতে হতে সময় লেগে গেল অনেকটাই। অবশেষে সোমবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়ে দেওয়া হল, কার্যকর হচ্ছে সিএএ। লোকসভা ভোটের আর দেরি নেই। ইতিমধ্যেই একাধিক রাজ্যে বিভিন্ন দলের প্রথম বা দ্বিতীয় দফার প্রার্থী তালিকাও প্রকাশিত হয়ে গিয়েছে। ঠিক এ সময় দেশ জুড়ে কার্যকর হয়ে গেল সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন বা সিএএ। ভোটের ঠিক আগে আগে কতটা তাৎপর্যপূর্ণ মোদি সরকারের এই সিদ্ধান্ত। স্বাভাবিক ভাবে উঠেছে প্রশ্ন।

ভোট ঘোষণা হয়ে যেতে পারে যে কোনও মুহূর্তে। তবে বিজেপি সরকারের তরফে একাধিক বার জানানো হয়েছে, ভোটের আগে যে কোনও ভাবেই তারা সিএএ কার্যকর করবে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বারবার বলেছেন, শীঘ্রই সিএএ চালু হবে দেশে। দিন কয়েক আগে পর্যন্ত বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের মুখেও শোনা গিয়েছে একই কথা। বিরোধীরা সেসব কথা তেমন ভাবে কানে নেয়নি। তবে শেষপর্যন্ত মিলে গিয়েছে সেই আশঙ্কাই। দেশ জুড়ে সোমবার থেকে চালু হয়ে গিয়েছে সিএএ আইন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
নোটবন্দির স্মৃতি উস্কে দেশ জুড়ে চালু সিএএ আইন, কতটা ছাপ পড়বে ভোটবাক্সে?

CAA implemented: লোকসভা ভোটের ঠিক আগে আগে দেশ জুড়ে চালু হয়ে গেল সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিএএ)। সোমবার রাত ১০ টা থেকেই কার্যকর হতে পারে সিএএ বা নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন। শোনা যাচ্ছে তেমনটাই।

২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তান থেকে ধর্মীয় কারণে নিপীড়নের জন্য এ দেশে আসা শরণার্থীদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ওই দেশগুলি থেকে হিন্দু, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, পার্সি এবং খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের শরণার্থীদের নাগরিকত্ব প্রদানের বিষয়টি সিএএ-তে উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও এই আইনে মুসলিম সম্প্রদায়ভুক্তদের কথা বলা হয়নি। অর্থাৎ ওই ছয় সম্প্রদায় ছাড়া পাকিস্তান, বাংলাদেশ, আফগানিস্তান বা অন্য কোনও দেশ থেকে আসা অন্য কোনও সম্প্রদায়ের শরণার্থীকে ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়া হবে না। কী ভাবে সিএএ থেকে সুবিধা পাবেন পাকিস্তান, বাংলাদেশ এবং আফগানিস্তান থেকে আগত শরণার্থীরা? আইন অনুযায়ী, ভিসা বা পাসপোর্টের মতো নথি না থাকলেও ভারতীয় নাগরিকত্ব পাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন। ১৯৫৫ সালের নাগরিকত্ব আইনে বলা হয়েছিল, নাগরিকত্ব পেতে টানা এক বছর ভারতে থাকতে হবে। এ ছাড়াও বিগত ১৪ বছরের মধ্যে ১১ বছর ভারতে থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু সংশোধনী আইনে সেই ১১ বছরের সময়কাল কমিয়ে পাঁচ বছর করা হয়েছে।

২০১৯ সালে দ্বিতীয় বার ক্ষমতায় এসেই মোদী সরকার ঘোষণা করেছিল যে, ভারতে নাগরিকত্ব আইন সংশোধন করা হবে। সেই মতোই সংশোধনী বিল আনে কেন্দ্র সরকার। লোকসভা এবং রাজ্যসভায় পাশ হয়ে যায় সেই বিল। ২০১৯ সালের ১২ ডিসেম্বর ভারতের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ নাগরিকত্ব স‌ংশোধনী আইন বিলে সই করেন। যদিও কেন্দ্রের সিএএ মানতে নারাজ বিরোধীরা। সিএএ কার্যকর করা নিয়ে দীর্ঘ দিন কেন্দ্র সরকারের মধ্যেই টালবাহানা চলছে। অন্য দিকে, করোনা পর্বের আগে থেকেই দেশের নানা প্রান্তে সিএএ বিরোধী আন্দোলন শুরু হয়। বিজেপি বিরোধী দলগুলিই এই আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিল। পশ্চিমবঙ্গের মতো বিরোধী শাসিত রাজ্যগুলি ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে সিএএ কার্যকরের বিরোধী। সিএএ নিয়ে এর আগে কম বিক্ষোভ-আন্দোলন হয়নি। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বা সিএএ (২০১৯)-কে চ্যালেঞ্জ করে একাধিক জনস্বার্থ মামলা হয়েছে দেশের বিভিন্ন আদালতে। ২০১৯ সালের ১৮ ডিসেম্বর সিএএ-র বিরুদ্ধে আর্জির প্রথম শুনানি শুরু হয়েছিল শীর্ষ আদালতে। ওই বছরেরই ১১ ডিসেম্বর সংসদে নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল পাশ হওয়ার পর দেশ জুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল। সারা দেশে সিএএ-বিরোধী আন্দোলনে প্রাণ যায় প্রায় ১০০ জনের। বিজেপি বিরোধী দলগুলিই এই আন্দোলনের নেতৃত্বে ছিল। ফলে অবিজেপি রাজ্যগুলিতেই এই সিএএ নিয়ে বিরোধিতা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এদিকে সব ঠিক থাকলে মার্চেই ভোট ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন। সেক্ষেত্রে রাজ্যগুলির আইনশৃঙ্খলা চলে যাবে কমিশনের হাতেই। ফলে এই পরিস্থিতিতে আন্দোলন বা বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় বাহিনী পৌঁছে গিয়েছে রাজ্যের একাধিক জায়গায়। সেই কারণেই ভোট ঘোষণার আগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা: বিজেপিকে সুবিধা করে দিতেই দুর্বল প্রার্থী?

TMC Candidate List 2024: এবার ১১ জন বিধায়ককে লোকসভা ভোটে দাঁড় করাতে হয়েছে তৃণমূলকে। তৃণমূলের প্রার্থীভাণ্ডারের এমন দেউলিয়া দশা কেন?

সিএএ বাতিল আন্দোলনের অন্যতম মুখ পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বরাবর সিএএ নিয়ে বিরোধিতা করে আসছেন। তাঁর কথায়, নাগরিকত্ব দেওয়াই যদি কেন্দ্র সরকারের আসল লক্ষ্য হয় তবে নতুন আইনের প্রয়োজন কেন পড়ছে? পাশাপাশি, আইনে মুসলিমদের বাদ দেওয়া নিয়েও আপত্তি তাঁর। মমতার কথায়, এ ভাবেই ‘নাগরিকত্ব’ কেড়ে নেওয়া হবে? বিরোধীদের দাবি, সিএএ ভারতীয় সংবিধানের মৌলিক নীতি বিরোধী। এই আইনের মাধ্যমে ধর্মের ভিত্তিতে ‘বৈষম্য’ সৃষ্টি করছে। নেপাল, শ্রীলঙ্কা, মায়ানমারের মতো দেশগুলিকে কেন বাদ দেওয়া হল তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল। চার বছর পর কেন কার্যকর হচ্ছে সিএএ আইন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন মমতা। তাঁর সাফ কথা, "নির্বাচনের মুখেই এটা করার প্রয়োজন পড়ল তার কারণ, এটা একটা রাজনৈতিক পরিকল্পনা। যে নিয়মটা করা হয়েছে, সেখানে কী বলা হয়েছে। এটা ভোটের আগে মানুষের সঙ্গে ছলনার চেষ্টা, কোনও বৈষম্য মানব না। যদি সিএএ নিয়ে নাগরিকত্ব বাতিল করা হয়, তাহলে তীব্র প্রতিবাদ করা হবে। সিএএ-র নাম করে ডিটেনশন ক্যাম্প রেখে দেবে, তা হবে না। এটা ছলনা। যারা বাংলায় বসবাস করেন, দেশে বসবাস করেন তাঁরা প্রত্যেকে নাগরিক। সিএএ রাজ্যে লাগু হতে দেব না।"

তবে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের অনেকে মনে করছেন, ইলেক্টোরাল বন্ড কেলেঙ্কারি মামলা নিয়ে বেশ বিপাকে মোদি সরকার। ইতিমধ্যেই ওই প্রকল্পকে বেআইনি বলে ঘোষণা করেছে সুপ্রিম কোর্ট। এসবিআইয়ের কাছ থেকে ওই ইলেক্টোরাল বন্ডের মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলির অনুদানের হিসেবও জানাতে বলেছে শীর্ষ আদালত। ভোটের পরে সেই ফলাফল সামনে আনার জন্য কৌশলে আবেদন জানিয়েছিল এসবিআই। তবে লাভ হয়নি। ক্রমেই পরিস্থিতি হাতের বাইরে বেরিয়ে যাচ্ছে দেখেই জনগণের মন অন্য দিকে ঘোরাতে চাইছে বিজেপি সরকার, তেমনটাই মনে করছেন অনেকে।

বাংলায় বসবাসকারী মতুয়া সম্প্রদায় দীর্ঘদিন ধরেই সিএএ-র দাবিতে সরব। মোদি সরকারের এই সিদ্ধান্ত বাংলায় মতুয়াদের ভোটবাক্সে প্রভাব ফেলবে বলেও মনে করছে কেউ কেউ। কেন্দ্রীয় সরকারের ঘোষণার পরে পরেই শুভেন্দু অধিকারী টুইটারে মতুয়াদের কথা উল্লেখ করে জানিয়েছেন, "মোদির প্রতিশ্রুতি মানে প্রতিশ্রুতি পূরণের গ্যারান্টি"। তাঁর কথায়, "১৯৪৫ সাল থেকে ধর্মীয় কারণে উৎপীড়িত জনগোষ্ঠী; মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রত্যেক ব্যক্তি সমনাগরিকত্বের দাবি তে সোচ্চার হয়েছেন। আজ অপেক্ষার অবসান হল।" ইতিমধ্য়েই তার আঁচ মিলেছে বিভিন্ন জায়গায়। মোদির ঘোষণার পর থেকেই শিলিগুড়ি-সহ একাধিক জায়গায় আনন্দে মেতেছেন মতিুয়া-মানুষজন। শিলিগুড়িতে ইস্টার্ন বাইপাস সংলগ্ন ঠাকুরনগর এলাকায় সন্ধে থেকে মতুয়াদের মধ্যে উৎসবের মেজাজ। নতুন আইন কার্যকর হতেই আনন্দে রাস্তায় নেমে পড়েছেন মতুয়া সমাজের মানুষজন। কেউ ঢাক-ঢোল বাজাচ্ছেন, কেউ কাঁসর বাজাচ্ছেন, কেউ আবার উলুধ্বনি দিয়ে এই আনন্দ-মুহূর্তে সামিল হয়েছেন। অনেকেই জানিয়েছেন, তাঁরা মোদি সরকারের এই সিদ্ধান্ত খুশি। আর এই খুশির ছাপ লোকসভার ভোটবাক্সেও পড়তে চলেছে বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

মাঝখানে রাজ্যের বেশ কয়েকটি জায়গার বাসিন্দাদের আধার কার্ড নষ্ট হয়ে যায়। সেই ঘটনায় অনেকেই আঁচ করেছিলেন সিএএ চালু হওয়ার আশঙ্কা। আর সেই আশঙ্কাই শেষমেশ মিলে গেল অক্ষরে অক্ষরে। বিতর্কিত সিএএ দিয়ে শেষপর্যন্ত ইলেক্টোরাল বন্ড-কলঙ্ক ধামাচাপা দিতে পারবে বিজেপি সরকার? উল্টে মোদিকে বিপাকে ফেলবে না তো এই সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন? গোড়া থেকেই লোকসভা ভোট নিয়ে বেশ আত্মবিশ্বাসী বিজেপি। তবে ভোটের ঠিক আগে আগে মোদি সরকারের এই সিদ্ধান্ত কি কোনওভাবে বিজেপির অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসকেই জোরালো করে তুলল? একগুচ্ছ প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।