দশ টাকার নোট, সিগারেটের প্যাকেট || গরু পাচারের কোড ল্যাঙ্গুয়েজ জানলে চোখ কপালে উঠবে

Cow Smuggling in Bengal: বীরভূমের ইলামবাজার থেকে শুরু করে মুর্শিদাবাদের একাধিক সীমান্তবর্তী গ্রাম, একটি নির্দিষ্ট রুটের মাধ্যমে চলতো এই রমরমা ব্যবসা।

Sourish Das
৪ মিনিট
দশ টাকার নোট, সিগারেটের প্যাকেট || গরু পাচারের কোড ল্যাঙ্গুয়েজ জানলে চোখ কপালে উঠবে

পশ্চিমবঙ্গের গরু পাচার মামলায় ইতিমধ্যেই হাজতবাসের নির্দেশ পেয়েছেন তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি, অনুব্রত মণ্ডল। সিবিআই হেফাজত থেকে এবার তার ঠাঁই হয়েছে আসানসোলের বিশেষ সংশোধনাগারে। মামলার শুনানির সময় সিবিআই আইনজীবী আদালতে বলেছিলেন, "এটা কোন একটা সিঙ্গেল ম্যান বিজনেস নয় বরং এটি একটি চেইন।" তদন্তে নেমে পশ্চিমবঙ্গের এই গরু পাচার মামলা নিয়ে আরো সক্রিয় হয়ে উঠেছে সিবিআই। তাদের হাতে আছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। সিবিআই গোয়েন্দাদের নজরে উঠে এসেছে বীরভূমের একাধিক পশুহাট। তাদের সন্দেহ, এই পশু হাটের আড়ালেই চলতো গরু পাচারের রমরমা ব্যবসা।

বীরভূমের ইলামবাজার থেকে শুরু করে মুর্শিদাবাদের একাধিক সীমান্তবর্তী গ্রাম, একটি নির্দিষ্ট রুটের মাধ্যমে চলতো এই রমরমা ব্যবসা। ইতিমধ্যেই গরু পাচারের অবৈধ বেঙ্গল করিডোরের কথা উঠে আসছে। আর এই করিডোর এর মধ্যে অন্যতম জেলা হয়ে উঠেছে মুর্শিদাবাদ। ভাগীরথী নদীতে একাধিক অবৈধ পাচারের ঘাট রয়েছে এবং সেখানেই একটি বিশেষ পদ্ধতি ব্যবহার করে গরুগুলির চোরাপাচার করা হতো বলে মনে করছে সিবিআই। কিন্তু কোন পদ্ধতি ব্যবহার করা হতো এই চোরা চালানোর জন্য? সূত্রের খবর, এই চালানোর জন্য ব্যবহার বিশেষ এক ধরনের ৫ টাকার নোট এবং কিছু বিশেষ সিগারেটের প্যাকেট

নোটের মাধ্যমে গরু পাচার?

ভারত থেকে বাংলাদেশে গরু একটি নির্দিষ্ট পথে পাচার করা হতো বলে জানতে পেরেছে সিবিআই। আর এই পথের অন্যতম নোডাল পয়েন্ট হিসেবে উঠে এসেছে বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদের বেশ কিছু জায়গার নাম। সিবিআই তদন্তে উঠে এসেছে, এই সমস্ত সীমান্ত থেকে গরু পাচার করার জন্য একটি বিশেষ পদ্ধতি ব্যবহার করত চোরা কারবারিরা। একটি পাঁচ টাকার নোটে পাচার সংক্রান্ত তথ্য লিখে রাখা হতো। স্থানীয় সূত্র মার পথে এমনই কিছু তথ্য উঠে এসেছে সিবিআই এর হাতে। প্রতিটি গরুর জন্য পাচারকারীরা আলাদা করে ৫ টাকার নোট তৈরি করতেন এবং তারা পেতেন প্রতি গরু পিছু এক হাজার টাকা করে। রীতিমতো জমির ফসল নষ্ট করে চলতো গরু পাচার। আর এই পাচারকারীদের ভয়ে জড়োসড়ো হয়ে বসে থাকতেন গ্রামবাসীরা। তবে এখন সিবিআই এর তৎপরতা বাড়ার পর থেকেই বন্ধ হয়েছে গরু পাচার।

এই বিশেষ ৫ টাকার নোট ব্যবহার করে গরু পাচার করা হতো মুর্শিদাবাদ জেলার বেশ কিছু সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে। আর যে গরু পাচার চক্র কাজ করতো তা মূলত নিয়ন্ত্রণ করা হতো বীরভূম থেকে। গরু পাচারের করিডোর হিসেবে ব্যবহার করা হতো মুর্শিদাবাদকে। মুর্শিদাবাদের পাইকর করিডোর ছিল সবথেকে বড় করিডর। সূত্রের খবর, মুর্শিদাবাদের হাট এবং বীরভূমের হাট থেকে আসা গরু সরাসরি পাচার করা হতো মুর্শিদাবাদের এই পাইকর সীমান্ত থেকে। অন্যদিকে সাগরদিঘী হাট থেকে পাচারের জন্য নিয়ে যাওয়া হতো গরু। সাগরদিঘী এলাকার মিরপুর ঘাট, টিকলিপাড়া ঘাট, গয়েশপুর এলাকা সহ বিভিন্ন জায়গায় এই ভাবেই অবৈধ ঘাট নির্মাণ করে চালানো হতো পাচারের কাজ।

বিকল্প পদ্ধতি

পাঁচ টাকার নোট ব্যবহার করে যদি চোরাচালান করা সম্ভব না হয়ে ওঠে, তখন পাচারকারীরা ব্যবহার করতেন একটি বিশেষ সিগারেটের প্যাকেট। বীরভূম থেকে মুর্শিদাবাদের সীমান্তে সিগারেটের প্যাকেট দেখলেই ছেড়ে দেওয়া হতো গরু বোঝাই লরি। এই সিগারেটের প্যাকেটগুলি ছিল চোরাচালানকারীদের সিক্রেট বক্স। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রে খবর, এই সিগারেটের প্যাকেটের ভিতর একটি কাগজ থাকতো এবং সেই কাগজে লেখা থাকত এই চোরা চালানোর বিষয়ে কিছু গোপন তথ্য। সেই তথ্য শুধুমাত্র তারাই বুঝতে পারতেন যারা এই চোরাচালানের কাজের সঙ্গে সরাসরি ভাবে সংযুক্ত। বীরভূমের ইলামবাজারের গরু হাট থেকে গরু বোঝাই করা লরি চালকদের কাছে এই সিগারেটের প্যাকেট দিয়ে দিতেন বীরভূমের একজন প্রভাবশালী নেতার ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরা। কিন্তু এই সিগারেটের প্যাকেট খোলার অনুমতি একদম ছিল না লরিচালকদের। নির্দিষ্ট কিছু লোক ছাড়া ওই বিশেষ সিগারেটের প্যাকেটের বিষয়ে আর কেউ তেমন কিছু জানতেন না।

গোয়েন্দা সংস্থার তদন্ত থেকে উঠে আসছে, যদি রাস্তায় কেউ এই গরু বোঝাই লরি দাড় করাতো তাহলে লাইসেন্সের পরিবর্তে দেখানো হতো সেই বিশেষ সিগারেটের প্যাকেট। এই প্যাকেট চোখে পড়লেই বিএসএফ জওয়ানরা ওই লরিকে ছেড়ে দিতেন। এর ফলে বীরভূমের ইলামবাজারের গরু হাট থেকে মুর্শিদাবাদের লোহাপুর পর্যন্ত আসতে কোনো রকম কোন সমস্যা হতো না চোরাচালানকারীদের। অভিযোগ, লোহাপুর এসে কাজ শেষ হতো অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ আব্দুল লতিফের। লোহাপুর থেকে এই পুরো চোরা চালানোর বিষয়টির দায়িত্ব নিতে মুর্শিদাবাদ সিন্ডিকেট। এবার মুর্শিদাবাদ সিন্ডিকেট এর হাতে আর ৫ টাকার নোট নয়, বরং থাকতো দশ টাকার একটি বিশেষ ছাপ দেওয়া নোট। আর সেই নোট দেখালে গরুর লরি সরাসরি পৌঁছে যেত জলঙ্গি, শামশেরগঞ্জ, রঘুনাথগঞ্জ এবং লালগোলার সীমান্তবর্তী কিছু বিশেষ কাজের জন্য নির্মিত শুনশান ঘাটে।

কী লেখা থাকত ঐ সিগারেটের প্যাকেট ও ৫ টাকার নোটে?

কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা জানাচ্ছে, ওই বিষয়ে সিগারেটের প্যাকেটের ভিতরে থাকতো একটি বিশেষ ধরনের কাগজ যার উপরে গরুর ছাপ মেরে দেওয়া হতো। তার পাশাপাশি ওই সিগারেটের প্যাকেট এর উপরে থাকত একটি লরির নম্বর এবং গরুর বিশেষ নম্বর। অন্যদিকে ৫ টাকার নোটের উপরে থাকত গরুর সিরিয়াল নম্বর এবং তারিখ। এই বিশেষ নম্বর আর গরুর ছাপ ছিল ইলামবাজারের অনুব্রত ঘনিষ্ঠ গরু পাচারকারী আব্দুল লতিফের প্রতীক। তার কাজ ছিল ইলামবাজারের গরু হাট থেকে উন্নত মানের প্রাপ্তবয়স্ক বলদ কিনে লোহাপুর পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়া এবং মুর্শিদাবাদের অন্য পাচারকারীদের হাতে তুলে দেওয়া।

গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, এই ৫ টাকার নোট এবং সিগারেটের প্যাকেট দেখেই গরু বোঝাই লরি ছাড় দেওয়ার জন্য ওই এলাকার বিভিন্ন থানাতে লতিফ নিজেই গিয়ে পৌঁছে দিতেন মাসিক খাম। জানা গিয়েছে, এই খামের মধ্যে থাকতো টাকা। যদি বড় লরি সেই এলাকা দিয়ে পার হতো তাহলে ২০ হাজার টাকার কাছাকাছি দেওয়া হতো আর ছোট লরি গেলে ৫ হাজার টাকা। এই টাকা যে ঠিকানাতে পৌঁছতো, সেই ঠিকানার ব্যাপারে খোঁজ চালাতে শুরু করেছে সিবিআই। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু ঠিকানার সন্ধান পেয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। কয়েকটি বিশেষ সিগারেটের দোকানেরও খোঁজ পেয়েছেন সিবিআই কর্তারা। কেন্দ্রীয় তদন্ত থেকে উঠে আসছে, স্থানীয় বিশেষ কিছু সিগারেটের দোকান থেকে অত্যন্ত কম টাকা বিনিময়ে এই সমস্ত ফাঁকা সিগারেটের প্যাকেট কিনে আনতেন লতিফের কর্মীরা এবং তাতে বিশেষ কিছু কাগজ ভরে ছাপ দিয়ে তৈরি করা হতো ওই সিগারেটের প্যাকেট। অন্যদিকে ৫ টাকার নোটের উপরে পেন দিয়ে লেখা হতো গরুর সিরিয়াল নম্বর এবং পাচারের ব্যাপারে সম্পূর্ণ তথ্য। তাই এখনকার দিনে ৫ টাকার নোট খুব বিরল এবং সিগারেটের প্যাকেট সাধারণ মানুষের জন্য কোন কাজের না হলেও, চোরাচালানকারীদের কাছে এগুলি হীরে জহরতের থেকে কম কিছু নয়।

লিখেছেন
Sourish Das
Sourish Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

তিন দিনে তিনবার আটক রাহুল, রাজঘাটে বিরোধীদের ধর্না: SIR নিয়ে সংঘাত কোথায় গিয়ে ঠেকল?

Rahul Gandhi SIR protest: গত তিন দিন ধরে রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছে দিল্লি। মঙ্গলবার সংসদ থেকে নির্বাচন কমিশনের সদর দপ্তরের দিকে পদযাত্রা দিয়ে শুরু হয় এই প্রতিরোধ। পুলিশ বাধা দিলে রাহুল গান্ধী ব্যারিকেডে উঠে জাতীয় পতাকা নাড়ান এবং সহকর্মীদের নিয়ে ঢুকে পড়েন সংলগ্ন আকাশবাণী ভবনে।

বেঙ্গালুরুতে জনতার ট্রাইব্যুনাল, এসআইআর-এর বিরুদ্ধে সরব প্রকাশ রাজ-ধ্রুব রাঠী

Bengaluru Protest Against SIR: এসআইআর-এর বিরুদ্ধে বেঙ্গালুরুর ফ্রিডম পার্কে পথে নামলেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ দাবি করলেন প্রকাশ রাজ, ধ্রুব রাঠী-সহ প্রতিবাদীরা। ‘পিপলস ট্রাইব্যুনাল’-এ নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে কী কী অভিযোগ উঠল?

মোদির ২৫ বছর: গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থেকে ভারতের দীর্ঘতম সরকারপ্রধান

Modi's Quarter Century in Power: ৭ অক্টোবর ২০২৬, গুজরাটের ভূমিকম্পোত্তর পুনর্গঠন থেকে ক্ষমতার শীর্ষে, টানা ২৫ বছর সরকারপ্রধানের পদে রেকর্ড গড়লেন নরেন্দ্র মোদি। গত ১০ জুন, তিনি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নেহরুর ৪,৩৯৮ দিনের রেকর্ড ছাড়িয়ে গিয়েছেন। তাঁর আমলে ভারতের জিডিপি হয়েছে তিনগুণ, বৈদেশিক রফতানি পৌঁছেছে বিলিয়ন ডলারের হিসাবে, কিন্তু শিক্ষিত যুবদের বেকারত্বও হয়েছে আকাশছোঁয়া, তাঁর করা নোটবাতিলে দরিদ্রতমরা হয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত, একাডেমিক ফ্রিডমের প্রশ্নে দেশের নাম ডুবেছে বারবার। এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, মোদিযুগের অর্জন, ব্যর্থতা ও গণতান্ত্রিক অবক্ষয়ের হিসাব।

গাজা ধ্বংসের তিন বছর: স্কুল নেই, শিক্ষক নেই, হারিয়ে যাচ্ছে একটি প্রজন্ম

Gaza education crisis: ইউনিসেফের হিসেব অনুযায়ী, গাজার ৪ থেকে ১৭ বছর বয়সি প্রায় ৭ লক্ষ শিশু টানা তিন শিক্ষাবর্ষ ধরে নিয়মিত স্কুলশিক্ষা থেকে বঞ্চিত হয়েছে। ২০২৬ সালের মাঝামাঝি সময়েও গাজার প্রায় ৪ লক্ষ ২০ হাজার শিশু সরাসরি স্কুলে গিয়ে পড়াশোনার সুযোগ থেকে বঞ্চিত ছিল।

এসআইআর: সর্বোচ্চ আদালতের ভূমিকা নিয়েও কথা হোক

SIR controversy: নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে যখন একের পর এক অভিযোগ উঠছে, তখন সুপ্রিম কোর্টের নিষ্ক্রিয়তা নিয়েও কি প্রশ্ন উঠবে না? ফর্ম ৬, ভোটার তালিকা থেকে বাদ এবং ট্রাইবুনালে দীর্ঘসূত্রিতার মতো ঘটনায় সর্বোচ্চ আদালত কি তার সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছে?

নেহা বোরার সভার পরেই যাদবপুরে কমিটি ভাঙল! রাজনৈতিক অনুষ্ঠান ঘিরে কেন তুঙ্গে বিতর্ক?

Neha Bora Jadavpur University: আয়োজক ছাত্র সংগঠন আইসার যাদবপুর ইউনিট দাবি করেছে যে তারা যথাযথ নিয়ম মেনে ২০ সেপ্টেম্বরই আবেদনপত্র জমা দিয়েছিল এবং ২৫ সেপ্টেম্বর সংশ্লিষ্ট কমিটি থেকে অনুষ্ঠানটির অনুমোদনও পেয়েছিল। অন্যদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার দেবজিৎ দত্ত দাবি করেন, এই ধরনের কোনো ফাইল বা অনুমতির চিঠি তাঁর দপ্তরে পৌঁছয়নি।

এসআইআর ফর্ম ৭ বিতর্ক, ৩০ জন মুসলিম ভোটারের নাম বাদের অভিযোগে এফআইআর

SIR Form 7 Controversy: হায়দরাবাদে এসআইআর-এ ফর্ম ৭ নিয়ে বিতর্ক। ৩০ জন মুসলিম ভোটারের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার আবেদন করার অভিযোগে বিজেপির এক বুথ এজেন্টের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের হয়েছে। নির্বাচন আধিকারিকদের যাচাইয়ে ওই ভোটারদের ঠিকানায় থাকার প্রমাণ মেলে। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনায় ভোটার তালিকার স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

বামের যে ভোট রামে গিয়েছে, তার অধিকাংশই ফেরানো যাবে বলে মনে করি: দীপ্সিতা

Dipsita Dhar Interview: ৮০ শতাংশ মানুষ মমতার বিরুদ্ধে ক্রোধ এবং ঘৃণায় বিজেপিকে ভোট দিয়েছিলেন। বাকি ২০ শতাংশ দিয়েছিলেন ‘হিন্দুত্বের’ কারণে। সিপিএমের নেত্রী মনে করেন, সেই ৮০ শতাংশ মানুষকে বুঝিয়ে ফেরানো সম্ভব।