পাঁচ খুনের 'বদলা'? এবার গুয়াহাটিতে এনকাউন্টার পুলিশের

Guwahati Encounter: গুয়াহাটিতে হোটেলে ঢুকে পাঁচ জনকে খুনের অভিযোগে ধৃত ঘনকান্ত গগৈ পুলিশের গুলিতে নিহত। পুলিশের দাবি, হেফাজত থেকে পালিয়ে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল সে। একই সময়ে মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস ও ভোপালে পৃথক এনকাউন্টারে তিন অভিযুক্ত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কয়েক দিন আগেই বাংলায় গাইঘাটা ও সামশেরগঞ্জে দুই অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছিল।

inscript
৪ মিনিট
পাঁচ খুনের 'বদলা'? এবার গুয়াহাটিতে এনকাউন্টার পুলিশের

পশ্চিমবঙ্গে পরপর দুটি পুলিশি এনকাউন্টারের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এ বার অসমের গুয়াহাটিতে আরও একটি এনকাউন্টারের ঘটনা সামনে এল। হোটেলে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়ে পাঁচ জনকে খুনের অভিযোগে ধৃত এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে পুলিশের গুলিতে। পুলিশের দাবি, অন্য একটি মামলার তদন্তের সূত্রে তাকে নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশি হেফাজত থেকে পালানোর চেষ্টা করে অভিযুক্ত। এমনকি এক পুলিশকর্মীর সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ারও চেষ্টা করে সে। এর পরেই পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ। অন্য দিকে, মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস ও ভোপালে পৃথক এনকাউন্টারে তিন অভিযুক্ত গুলিবিদ্ধ হয়েছে।

গুয়াহাটির হোটেলে ঢুকে পাঁচ জনকে খুনের অভিযোগ

ঘটনার সূত্রপাত গত সপ্তাহে। গুয়াহাটির বরা সার্ভিস এলাকার বিলাস ইন হোটেলে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে ঘনকান্ত গগৈয়ের বিরুদ্ধে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে উঠে আসে, হোটেলের মালিক এবং লিজ় নিয়ে হোটেলটি পরিচালনা করা ব্যক্তির মধ্যে সম্পত্তি সংক্রান্ত বিবাদ থেকেই এই হামলার সূত্রপাত। হোটেলটির লিজ় ছিল ঘনকান্তের নামে।

অভিযোগ, ওই হোটেলে গুলি চালিয়ে মালিক হেলেনা ভরালি, তাঁর ছেলে দেবর্ষি কাশ্যপ, দেবর্ষির স্ত্রী রিনিকি কাশ্যপ, পরিবারের আত্মীয় নারায়ণ দাস এবং হেলেনার ভাই ভূদেব ভরালিকে খুন করে সে। ঘটনায় আহত হন পরিবারের আরও এক আত্মীয় সত্যেন্দ্র পাঠক। ঘটনাস্থল থেকে একটি ৩২ বোরের লাইসেন্সপ্রাপ্ত পিস্তল উদ্ধার করে পুলিশ। পরে ঘনকান্তকে গ্রেফতার করা হয়।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
একদিনে জোড়া এনকাউন্টার: গাইঘাটা থেকে সামশেরগঞ্জ, কী ঘটেছিল?

Double encounter: একই দিনে গাইঘাটা ও সামশেরগঞ্জে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হলো দুই অভিযুক্তের। উত্তরপ্রদেশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কি এবার বাংলায়? অপরাধ দমনের নামে পুলিশের গুলিতে অভিযুক্তের মৃত্যু কি আইনের শাসন ও সাংবিধানিক অধিকার নিয়ে নতুন বিতর্কের জন্ম দিচ্ছে?

কীভাবে ঘটল গুয়াহাটির এনকাউন্টার?

মঙ্গলবার গভীর রাতে, প্রায় ৩টে ১২ মিনিট নাগাদ ঘটনাটি ঘটে। গুয়াহাটি থেকে প্রায় ৩৫০ কিলোমিটার দূরে শিবসাগরে ঘনকান্তকে নিয়ে যাচ্ছিল পুলিশের একটি দল। অন্য একটি মামলার তদন্তের সূত্রেই তাকে শিবসাগরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

শিবসাগরের এক উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিক পাপোরি চেটিয়ার দাবি, গৌরীসাগরের কাছে পৌঁছে প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়ার জন্য গাড়ি থেকে নামার অনুমতি চান ঘনকান্ত। পুলিশ তাকে গাড়ি থেকে নামায়। অভিযোগ, গাড়ি থেকে নামার পরই এক পুলিশকর্মীর সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে সে। শুরু হয় ধস্তাধস্তি। সেই সময় ঊর্ধ্বতন পুলিশ আধিকারিককে বাঁচাতে অন্য এক পুলিশকর্মী গুলি চালান। গুলিতে গুরুতর জখম হয় ঘনকান্ত। তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করে। এই সংঘর্ষে এক পুলিশকর্মীও আহত হয়েছেন। তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বারুইপুর-গাইঘাটা-সামশেরগঞ্জ: ৪ মাসে ৩ এনকাউন্টার, যে প্রশ্ন উঠছে

West Bengal police encounter: বারুইপুর, গাইঘাটা থেকে সামশেরগঞ্জ—প্রতিটি ঘটনাতেই অস্ত্র ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা এবং পুলিশের গুলিতে অভিযুক্তের মৃত্যুর একই কাহিনি। এই ঘটনাগুলি নিছক আত্মরক্ষা, নাকি বিচার এড়ানোর কোনো ছক? আদালতের বদলে পুলিশের গুলিতেই শেষ হবে ন্যায়বিচারের পথ?

মধ্যপ্রদেশেও পরপর এনকাউন্টার, গুলিতে জখম তিন অভিযুক্ত

মঙ্গলবার রাতে রাজ্যের পৃথক দুটি জায়গায় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায় দুই অভিযুক্ত। পুলিশের দাবি, দু’জনেই পুলিশকর্মীদের রিভলভার ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে এবং গুলি চালানোর চেষ্টা করে। পাল্টা গুলিতে তাদের পায়ে আঘাত লাগে।

প্রথম ঘটনাটি দেওয়াসের। গুজরাতে অবৈধ ভাবে মদ পাচারের খবর পেয়ে ইনদওর-বেতুল জাতীয় সড়কে নাকা তল্লাশি শুরু করেছিল পুলিশ। এসএইচও দিলীপ পুরীর নেতৃত্বে ওই অভিযানে ১৮০০ লিটারের বেশি মদ-সহ একটি ট্রাক আটকানো হয়। অভিযোগ, পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদ এড়াতে ট্রাক নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে চালক। সেই সময় ট্রাকটি রাস্তার পাশের ডিভাইডারে উঠে যায় এবং পিছনের চাকা দিলীপকে পিষে দেয়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই পুলিশ আধিকারিকের।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
পুলিশি এনকাউন্টার কি ন্যায়বিচার? যা বলছে সুপ্রিম কোর্ট

Justice or Execution: সুপ্রিম কোর্টের অবস্থান স্পষ্ট, এনকাউন্টার কোনো ‘বিচার’ নয়। আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে কাউকে হত্যা করা ‘বিচারবহির্ভূত হত্যা’ (এক্সট্রা-জুডিশিয়াল কিলিং), যা সরাসরি সংবিধানের ২১ নং ধারার লঙ্ঘন।

এর পর থেকে পলাতক ছিলেন ট্রাকচালক গজেন্দ্র ওরফে আক্কু রাওয়াত। মঙ্গলবার আলিরাজপুর জেলা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ। দেওয়াসে নিয়ে যাওয়ার পথে পুলিশের দাবি, এক কর্মীর রিভলভার ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন গজেন্দ্র। এমনকি পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলিও চালায় সে। পাল্টা গুলিতে তার পায়ে আঘাত লাগে। প্রথমে দেওয়াস জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও পরে অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে ইনদওরের হাসপাতালে পাঠানো হয়।

ওই ট্রাকের সহকারী ধীরজকেও গ্রেফতার করে পুলিশ। তাকে থানায় নিয়ে যাওয়ার পথে দেওয়াসের ব্যাঙ্ক নোট প্রেস থানা এলাকায় একই ধরনের ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ। পুলিশের দাবি, ধীরজও এক পুলিশকর্মীর রিভলভার ছিনিয়ে নিয়ে গুলি চালানোর চেষ্টা করে। পাল্টা গুলিতে তার ডান পায়ে আঘাত লাগে। বর্তমানে তিনি দেওয়াস জেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

কয়েক দিন আগেই বাংলায় জোড়া এনকাউন্টার

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
সকালে জমা বিকেলে খরচ: আইনের শাসনের অবমাননা

Gaighata incident: গাইঘাটার ঘটনার পরমুহূর্তে শাসক দলের মন্ত্রী, নেতাদের প্রতিক্রিয়া পরিষ্কার করে দেয়, বন্দি অভিযুক্তকে হত্যার ঘটনা সরকারি নীতির ('সকালে জমা, বিকালে খরচ')—নগ্ন প্রয়োগ।

গুয়াহাটির ও মধ্যপ্রদেশের ঘটনার কয়েক দিন আগেই, ২৭ অক্টোবর, পশ্চিমবঙ্গের দুই প্রান্তে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে দুটি পুলিশি এনকাউন্টারের ঘটনা ঘটেছিল। উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটা এবং মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু হয় দুই অভিযুক্তের। দুটি ক্ষেত্রেই অপরাধের পুনর্নির্মাণ করতে গিয়ে অভিযুক্তরা পুলিশের অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে গুলি চালানোর চেষ্টা করেছিল বলে দাবি পুলিশের।

প্রথম ঘটনাটি গাইঘাটার। ১৭ বছরের একাদশ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল তার আত্মীয় প্রহ্লাদ দাসকে। পরিবারের দাবি, শনিবার রাতে বাড়ির কাছে একটি জলসা দেখতে গিয়েছিল ওই কিশোরী। রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ একটি ফোন আসার পর অনুষ্ঠান ছেড়ে বেরিয়ে যায় সে। তার পর আর বাড়ি ফেরেনি। পরদিন সকালে এক আত্মীয়ের বাড়ির পিছনে শৌচাগারের কাছ থেকে তার রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়।

তদন্তের জন্য সোমবার গভীর রাতে প্রহ্লাদকে নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিল পুলিশ। পুলিশের দাবি, ফেরার পথে এক পুলিশকর্মীর সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নিয়ে তাঁদের লক্ষ্য করে পরপর তিন রাউন্ড গুলি চালায় সে। এক পুলিশকর্মী আহত হন। প্রাণ বাঁচাতে আর এক পুলিশকর্মী রাস্তার পাশের জলাশয়ে ঝাঁপ দেন। এর পর পুলিশ পাল্টা চার রাউন্ড গুলি চালায়। একটি গুলি প্রহ্লাদের গায়ে লাগে। তাকে চাঁদপাড়া গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। কিশোরীর বাবা পুলিশের পদক্ষেপকে সমর্থন করলেও প্রহ্লাদের ভাইয়ের দাবি ছিল, ঘটনার রাতে তাঁর দাদা বাড়িতেই ঘুমোচ্ছিলেন এবং পরে পুলিশ তাকে থানায় নিয়ে যায়।

দ্বিতীয় ঘটনাটি মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জে। বিজেপি কর্মী তথা ব্যবসায়ী সুজিত মণ্ডল খুনের মামলায় মূল অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল সামাউন শেখকে। ২৮ অগস্ট নিখোঁজ হন সুজিত। পরে ২ সেপ্টেম্বর তাঁর দেহের কিছু অংশ উদ্ধার হয়। অভিযোগ, খুনের পর দেহ টুকরো করে ভাগীরথীর ফিডার ক্যানেলে ফেলে দেওয়া হয়েছিল।

তদন্তের দায়িত্ব নেয় সিআইডি। সামশেরগঞ্জের পুরনো ডাকবাংলা এলাকার ভুটু মার্কেটের একটি ভাড়াবাড়িতে সুজিতকে খুন করা হয়েছিল বলে তদন্তে উঠে আসে। ঘটনার পুনর্নির্মাণের জন্য সামাউনকে সেখানে নিয়ে যায় সিআইডির দল। তদন্তকারীরা ফিডার ক্যানেলও পরিদর্শন করেন এবং সুজিতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন। সিআইডির দাবি, সেই সময় পুলিশের অস্ত্র ছিনিয়ে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে সামাউন এবং গুলি চালায়। পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ। গুরুতর আহত সামাউনকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করে।

মঙ্গলবার মধ্যপ্রদেশের ভোপালেও আরও একটি এনকাউন্টারের ঘটনা ঘটে। অবসরপ্রাপ্ত আইএএস আধিকারিক রাকেশ অগ্রবাল খুনের মামলায় মূল অভিযুক্ত বরুণ কুমারকে উত্তরপ্রদেশের আগরা থেকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তাকে ভোপালে নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশের হেফাজত থেকে পালানোর চেষ্টা করে বলে অভিযোগ। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি এবং হামলার চেষ্টার পর পাল্টা গুলি চালায় পুলিশ। বরুণের পায়ে গুলি লাগে। রাস্তায় পড়ে যাওয়ার পর তাকে পাকড়াও করা হয়।

লিখেছেন
inscript
inscript
17 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

আবের কাওয়াস: প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান মুসলিম মহিলা নিউ ইয়র্কের সিনেটে

Aber Kawas: নিউ ইয়র্কের ১২ নম্বর সিনেট ডিস্ট্রিক্ট থেকে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়লেন আবের কাওয়াস। নিউ ইয়র্ক স্টেট আইনসভায় তিনি প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান এবং প্রথম হিজাব পরিহিত মুসলিম মহিলা প্রতিনিধি।

প্রতিবেশীর ধর্ম দেখব না! গির্জায় হামলায় যা বলছে বাসন্তী

Basanti church: গির্জার সদস্য প্রদীপ মণ্ডল ইনস্ক্রিপ্টকে জানিয়েছেন, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ চার্চ অফ নর্থ ইন্ডিয়ার (CNI) বিশপ সুব্রত চক্রবর্তী পার্শ্ববর্তী এলাকার কয়েকটি গির্জার যাজকদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রা করে নারায়ণতলার নবনির্মিত গির্জায় পৌঁছন। তাঁদের স্বাগত জানাতে গির্জার ভিতরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রার্থনা শুরুর ঠিক আগে ৩০-৩৫ জনের একটি দল জোর করে গির্জায় ঢুকে পড়ে বলে দাবি তাঁর।

আমেরিকার প্রথম মুসলিম সেনেটর, ট্রাম্পের ইসলামবিদ্বেষী প্রচারকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন আবদুল এল-সায়েদ

Abdul El-Sayed: নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর দলের একাধিক নেতা এল-সায়েদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ইসলামবিদ্বেষী প্রচার চালিয়েছিলেন। তাঁর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে তাঁকে আমেরিকার নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল।

কেন মিডটার্ম নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

US Midterm Elections 2026: মার্কিন মিডটার্ম নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধাক্কা। কেন ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

মিডটার্ম নির্বাচন: সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেতে চলেছে ট্রাম্পের বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা

US Midterm Elections 2026: ভোটের লড়াইয়ে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে শুরু করেছে বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা।

রামলীলার পর কী? কী করবেন বিরোধীরা?

INDIA bloc Unity Under strain: ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ স্লোগানে ১ নভেম্বর রামলীলা ময়দানে ২১ দল একজোট হলেও মঞ্চ শেষেই ভেতরের টানাপোড়েন স্পষ্ট। বাম নেতাদের বক্তৃতায় প্রাধান্য, ‘ফ্যাসিবাদ’ বিরোধী সুর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘জাতীয় ভূমিকা’র সতর্কবার্তা। প্রিয়াঙ্কা, সুপ্রিয়া সুলে, সঞ্জয় রাউত বক্তৃতার সুযোগ না পাওয়ায় শরিক-অসন্তোষ।

ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিতে বিপাকে ভারতীয়রা, মিডটার্ম নির্বাচনে কতটা প্রভাব পড়বে?

US Midterm Elections 2026: ২০২৬ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ভোটারদের ৬২% ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে। ট্রাম্পের এইচ-১বি ভিসা কড়াকড়ি ও অর্থনৈতিক নীতির জেরে ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানাল কার্নেগির সমীক্ষা।