হাদি হত্যা মামলা: যেভাবে পশ্চিমবঙ্গে গ্রেফতার দুই সন্দেহভাজন

Sharif Osman Hadi: পশ্চিমবঙ্গের বনগাঁ এলাকায় দুই বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেফতার করে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স। তদন্তকারীদের মতে, তারা হাদির হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকতে পারে এবং হত্যার পর অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকেছিল।

inscript
৪ মিনিট
হাদি হত্যা মামলা: যেভাবে পশ্চিমবঙ্গে গ্রেফতার দুই সন্দেহভাজন

বাংলাদেশের আলোচিত রাজনৈতিক কর্মী ও ‘ইনকিলাব মঞ্চ’-এর সহপ্রতিষ্ঠাতা শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে নতুন মোড় এসেছে। এই মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ এবং তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে আটক করেছে পুলিশ। সীমান্তবর্তী বনগাঁ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এখন শুরু হয়েছে তাদের আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ।

বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ। জানা গিয়েছে, ৭ মার্চ গভীর রাতে বনগাঁর সীমান্ত এলাকায় একটি বিশেষ অভিযানে তাদের আটক করা হয়। পরে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয় এবং স্থানীয় আদালতে তোলা হলে আদালত তাঁদের পুলিশ হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।

হাদি হত্যাকাণ্ডের পরপরই এই দুই অভিযুক্ত বাংলাদেশ ছেড়ে পালিয়ে যায় বলে খবর করেছিল বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম। গোয়েন্দাদের ধারণা, তারা প্রথমে মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে ভারতে প্রবেশ করে। এরপর বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান পরিবর্তন করে তারা দীর্ঘদিন ধরেই আত্মগোপনে ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সীমান্তের কাছাকাছি এলাকায় ফের আশ্রয় নেওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে তারা পুলিশের নজরে পড়ে।

বাংলাদেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলির তথ্য অনুযায়ী, অভিযুক্তরা সুযোগ বুঝে আবার বাংলাদেশে ফিরে আসার পরিকল্পনা করছিল। সেই সময়ই সীমান্তবর্তী এলাকায় তাদের অবস্থানের বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে পৌঁছায়। ওই তথ্যের ভিত্তিতে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের বিশেষ দল অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।

এই ঘটনাকে ঘিরে বাংলাদেশ ও ভারতের নিরাপত্তা সহযোগিতার বিষয়টিও সামনে এসেছে। সম্প্রতি বাংলাদেশের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার মহাপরিচালক ভারত সফরে গিয়েছিলেন। সফরের সময় তিনি ভারতীয় নিরাপত্তা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠক করে হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহভাজনদের গ্রেফতার এবং বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে সহযোগিতা চান। ওই বৈঠকের পরই দুই দেশের গোয়েন্দা সংস্থার মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান আরও জোরদার হয়।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বাংলাদেশ গণঅভ্যুত্থান থেকে রাজনীতিতে আসা ওসমান হাদি কে?

Osman Hadi: ব্যক্তিগত জীবনে শরিফ ওসমান হাদি ছিলেন একজন শিক্ষক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে পড়াশোনা শেষ করে তিনি রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন।

ভারতীয় কর্তৃপক্ষও বাংলাদেশের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে সীমান্ত এলাকায় নজরদারি বাড়ায়। সেই নজরদারির মধ্যেই সন্দেহভাজনদের গতিবিধি চিহ্নিত করা সম্ভব হয় এবং শেষ পর্যন্ত বনগাঁ এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

শরিফ ওসমান হাদি ছিলেন বাংলাদেশের এক তরুণ নেতা। লেখালেখি, শিক্ষকতা এবং রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড— তিন ক্ষেত্রেই তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি ছিল। বিশেষ করে ‘ইনকিলাব মঞ্চ’-এর অন্যতম মুখপাত্র হিসেবে তিনি দ্রুত তরুণদের মধ্যে পরিচিত হয়ে ওঠেন। ছাত্র আন্দোলন এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ইস্যুতে তাঁর বক্তব্য সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচিত হতো।

১৯৯৩ সালের ৩০ জুন ঝালকাঠি জেলার নলছিটি উপজেলায় তাঁর জন্ম। একটি ধর্মীয় পরিবেশে বেড়ে ওঠা পরিবারেই তাঁর শৈশব কাটে। তাঁর বাবা ছিলেন মাদ্রাসার শিক্ষক এবং ইমাম। ছোটবেলা থেকেই পড়াশোনা ও লেখালেখির প্রতি তাঁর ঝোঁক ছিল। পরে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে এসে তিনি রাজনীতি ও সামাজিক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়েন।

বিশেষ করে ২০২৪ সালের ছাত্রনেতৃত্বাধীন আন্দোলনের সময় তাঁর নাম ব্যাপকভাবে আলোচনায় আসে। সেই আন্দোলনের পর বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের রাজনীতিতে নতুন নেতৃত্বের উত্থান দেখা যায়। ওসমান হাদিও সেই প্রজন্মের অন্যতম মুখ হয়ে ওঠেন।

বিভিন্ন সভা-সমাবেশে তিনি দেশের রাজনৈতিক কাঠামো, ক্ষমতার ভারসাম্য এবং পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে কঠোর সমালোচনামূলক বক্তব্য রাখতেন। তাঁর বক্তব্যে প্রায়ই প্রতিবেশী দেশগুলির প্রভাব এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার বিষয় উঠে আসত। এই কারণে তিনি অনেকের কাছে জনপ্রিয় হলেও, অন্যদিকে সমালোচনার মুখেও পড়তেন।

২০২৫ সালের ডিসেম্বরে তাঁর উপর হামলার ঘটনা বাংলাদেশের রাজনীতিতে বড় ধাক্কা দেয়। ১২ ডিসেম্বর ঢাকার পল্টন এলাকায় মোটরসাইকেলে আসা কয়েকজন হামলাকারী তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলিটি তাঁর মাথায় লাগে এবং তিনি গুরুতর আহত হন। প্রথমে তাঁকে ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হয়।

প্রায় এক সপ্তাহ মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করার পর ১৮ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরের একটি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। অনেক সমর্থক তাঁকে ‘শহিদ’ হিসেবে উল্লেখ করতে শুরু করেন এবং হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবিতে বিক্ষোভ শুরু হয়।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশের বিভিন্ন শহরে প্রতিবাদ ও সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটে। কিছু জায়গায় রাজনৈতিক উত্তেজনা সহিংসতার রূপ নেয়। এই হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই তদন্তকারীরা সন্দেহ করছিলেন, হামলাকারীরা দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে পারে। পরে জানা যায়, সন্দেহভাজন কয়েকজন সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকে পড়েছে। সেই সূত্র ধরেই তদন্ত এগোতে থাকে।

তদন্তকারীদের মতে, ফয়সাল করিম মাসুদ এবং আলমগীর হোসেন এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকতে পারেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাঁরা কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন বলেও বেশ কিছু সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে।

বর্তমানে তাদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলছে। ভারতীয় আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী পুলিশ হেফাজতে রেখে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পরবর্তী পর্যায়ে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর সম্ভাবনাও রয়েছে।

এই গ্রেফতারকে তদন্তের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকেরা। তাঁদের মতে, অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ থেকে হত্যাকাণ্ডের পেছনের পরিকল্পনা, অর্থায়ন এবং সম্ভাব্য রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট সম্পর্কে নতুন তথ্য বেরিয়ে আসতে পারে।

শরিফ ওসমান হাদির মৃত্যু বাংলাদেশের রাজনীতির একটি বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। মাত্র ৩২ বছর বয়সে তাঁর উত্থান, বিতর্ক এবং হত্যাকাণ্ড— সব মিলিয়ে তিনি সমসাময়িক রাজনীতির এক আলোচিত চরিত্রে পরিণত হয়েছেন। তাঁর সমর্থকদের মতে, তিনি ছিলেন তরুণদের কণ্ঠস্বর এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী মুখ। আবার সমালোচকদের মতে, তাঁর বক্তব্য অনেক সময় রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়িয়ে দিত।

তবে একটি বিষয় স্পষ্ট, মাত্র ৩২ বছর বয়সে তাঁর মৃত্যু বাংলাদেশের রাজনীতিতে গভীর প্রভাব ফেলেছে। তরুণ প্রজন্মের রাজনীতিতে তাঁর উত্থান, বিতর্কিত বক্তব্য, এবং শেষ পর্যন্ত হত্যাকাণ্ড, সব মিলিয়ে তিনি বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসে একটি আলোচিত ও গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হয়ে উঠেছেন। আজও তাঁর হত্যার তদন্ত চলছে, এবং অনেকেই অপেক্ষা করছেন, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনের প্রকৃত কারণ ও পরিকল্পনাকারীদের শেষ পর্যন্ত আইনের মুখোমুখি করা যায় কি না।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।