বাংলাদেশ গণঅভ্যুত্থান থেকে রাজনীতিতে আসা ওসমান হাদি কে?

Osman Hadi: ব্যক্তিগত জীবনে শরিফ ওসমান হাদি ছিলেন একজন শিক্ষক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে পড়াশোনা শেষ করে তিনি রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন।

inscript
৪ মিনিট
বাংলাদেশ গণঅভ্যুত্থান থেকে রাজনীতিতে আসা ওসমান হাদি কে?

রাজনীতির মঞ্চে উত্থান যেমন আকস্মিক ছিল, তেমনই নাটকীয়ভাবে থেমে গেল জীবন। মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে ছয় দিন ধরে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই চালিয়ে শেষ পর্যন্ত প্রাণ হারালেন শরিফ ওসমান হাদি। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনীতিতে যাঁর নাম খুব অল্প সময়েই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছিল— কখনও তীব্র সমর্থনে, কখনও প্রবল বিতর্কে। কে ছিলেন এই তরুণ নেতা? কীভাবে জুলাই অভ্যুত্থানের পর রাজনীতির দৃশ্যে দ্রুত পরিচিত মুখ হয়ে উঠলেন তিনি? আর কেন তাঁর বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড একদিকে তৈরি করেছিল অনুসারীদের শক্ত বলয়, অন্যদিকে জন্ম দিয়েছিল বিরোধিতা ও শত্রুতার?

বাংলাদেশের রাজনীতিতে হঠাৎ করেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছিলেন শরিফ ওসমান হাদি। বক্তৃতার তীক্ষ্ণতা, সামাজিক মাধ্যমে সরব উপস্থিতি এবং প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক শক্তির বিরুদ্ধে আগ্রাসী অবস্থান তাঁকে পরিচিত করে তোলে স্বল্প সময়েই। সমর্থকদের কাছে তিনি ছিলেন আপসহীন ও স্পষ্টভাষী এক কণ্ঠস্বর, আবার সমালোচকদের চোখে ছিলেন উসকানিমূলক ও বিতর্কপ্রবণ এক রাজনৈতিক চরিত্র।

১২ ডিসেম্বর দুপুর। রাজধানীর বিজয়নগরের কালভার্ট রোডে নির্বাচনী প্রচারে ব্যস্ত ছিলেন ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঘোষণাদাতা শরিফ ওসমান হাদি। ঠিক সেই সময়েই তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুর্বৃত্তরা। একটি গুলি তাঁর মাথা ভেদ করে বেরিয়ে যায়। ঘটনাস্থলেই গুরুতর আহত হন তিনি। মুহূর্তের মধ্যেই বদলে যায় পরিস্থিতি, নির্বাচনী প্রচার রূপ নেয় রক্তাক্ত সহিংসতায়।

আহত অবস্থায় তাঁকে প্রথমে নেওয়া হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। চিকিৎসকদের প্রাথমিক চেষ্টা সত্ত্বেও তাঁর অবস্থা দ্রুত অবনতি ঘটতে থাকে। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসা ও নিবিড় পর্যবেক্ষণের জন্য তাঁকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয় এবং আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের কোথায়, মাথায় গুলিবিদ্ধ হওয়ায় তাঁর অবস্থা ছিল ‘অত্যন্ত জটিল ও সংকটজনক’।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
আসিফ, মাহফুজদের পদত্যাগ: বিএনপির দিকে ঝুঁকছেন তরুণ নেতারা?

Bangladesh politics: আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার পদত্যাগ পত্র জমা দেওয়ার ঘটনা শুধু প্রশাসনিক রুটিন নয়, এ যেন আসন্ন নির্বাচনের আগে তরুণ নেতৃত্বের অবস্থান পুনর্বিন্যাসের এক তাৎপর্যপূর্ণ সংকেত।

তিন দিন পর, ১৫ ডিসেম্বর, আরও উন্নত চিকিৎসার আশায় তাঁকে সিঙ্গাপুরে পাঠানো হয়। সেখানকার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা চললেও অবস্থার কোনো উন্নতি হয়নি। শেষ পর্যন্ত ছয় দিনের লড়াই থেমে যায়। বৃহস্পতিবার রাতে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

মৃত্যুর খবর প্রথম জানানো হয় তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে। সেখানে তাঁকে ‘শহিদ’ আখ্যা দিয়ে একটি আবেগঘন বার্তা পোস্ট করা হয়। একই সঙ্গে তাঁর প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক প্ল্যাটফর্ম ইনকিলাব মঞ্চের অফিসিয়াল পেজ থেকেও মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। মুহূর্তের মধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে শোক, ক্ষোভ ও নানা প্রতিক্রিয়ার ঢেউ ছড়িয়ে পড়ে।

শরীফ ওসমান হাদির রাজনৈতিক উত্থান ছিল মূলত ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানের পর। তার আগে পর্যন্ত তিনি মূলধারার কোনো রাজনৈতিক দলের সক্রিয় নেতা ছিলেন না। শিক্ষাজীবন থেকে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকলেও দলীয় রাজনীতিতে তাঁর সরাসরি সম্পৃক্ততা চোখে পড়েনি। তবে জুলাই অভ্যুত্থান তাঁকে নতুন পরিচয়ে সামনে নিয়ে আসে।

অভ্যুত্থান পরবর্তী সময়ে তিনি ‘ইনকিলাব মঞ্চ’ নামে একটি রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক প্ল্যাটফর্ম গঠন করেন। এই প্ল্যাটফর্মের মূল লক্ষ্য হিসেবে তুলে ধরা হয়— আধিপত্যবাদের বিরোধিতা, সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থার দাবি। এখান থেকেই তিনি আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের রায়, রাষ্ট্রপতির পদত্যাগসহ নানা ইস্যুতে সোচ্চার বক্তব্য রাখতে শুরু করেন।

ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরে শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়িতে ভাঙচুরের ঘটনায় তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি তাঁকে ব্যাপক আলোচনায় নিয়ে আসে। একইভাবে গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতাদের উপর হামলার পর তাঁর প্রতিক্রিয়াও নতুন বিতর্কের জন্ম দেয়। অনেক ক্ষেত্রেই তাঁর বক্তব্যে ব্যবহৃত ভাষা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। সমালোচকরা একে অশালীন ও দায়িত্বজ্ঞানহীন বললেও সমর্থকদের একাংশ তাঁকে দেখেছেন নির্ভীক ও আপসহীন হিসেবে।

সামাজিক মাধ্যম ছিল শরিফ ওসমান হাদির সবচেয়ে শক্তিশালী হাতিয়ার। ফেসবুক লাইভ, পোস্ট ও ভিডিওর মাধ্যমে তিনি নিয়মিত নিজের অবস্থান তুলে ধরতেন। নির্বাচনী প্রচারণার নানা মুহূর্ত— লিফলেট বিতরণ, ভোররাতে মসজিদের সামনে উপস্থিতি, অর্থ সংগ্রহ কিংবা সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথোপকথন; সবই তিনি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করতেন। এর অনেকগুলোই ভাইরাল হয়েছে, তৈরি করেছে সমর্থন ও ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের মিশ্র প্রতিক্রিয়া।

ঢাকা-৮ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ঘোষণা ছিল তাঁর রাজনৈতিক জীবনের একটি বড় পদক্ষেপ। মতিঝিল, পল্টন, রমনা ও শাহজাহানপুর এলাকা নিয়ে গঠিত এই আসনে তিনি প্রচলিত রাজনৈতিক শক্তির বাইরে একটি বিকল্প কণ্ঠস্বর হিসেবে নিজেকে তুলে ধরতে চেয়েছিলেন। প্রচারণার সময় বিএনপি, জামায়াত ও অন্যান্য রাজনৈতিক শক্তির সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে তাঁর মন্তব্যও আলোচনায় আসে।

তবে এই উত্থানের সঙ্গে সঙ্গে বাড়তে থাকে হুমকির অভিযোগ। তিনি নিজেই বিভিন্ন সময় দাবি করেছিলেন, দেশি-বিদেশি নম্বর থেকে তাঁকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া একাধিক পোস্টে তিনি পরিবারের সদস্যদের ক্ষতির আশঙ্কার কথাও উল্লেখ করেন। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর তাঁর উপর এই হামলা সেই অভিযোগগুলোকে নতুন করে আলোচনায় নিয়ে আসে।

ব্যক্তিগত জীবনে শরিফ ওসমান হাদি ছিলেন একজন শিক্ষক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে পড়াশোনা শেষ করে তিনি রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করতেন। পাশাপাশি ইংরেজি শিক্ষার কোচিংয়েও ক্লাস নিতেন। বরিশালের ঝালকাঠি জেলার নলছিটি থেকে উঠে আসা এই তরুণের শিক্ষাজীবনের শুরু হয়েছিল স্থানীয় একটি কামিল মাদ্রাসায়। সেখান থেকে আলিম পাস করে তিনি ঢাকায় পাড়ি জমান।

রাজনীতিতে তাঁর উপস্থিতি যেমন নতুন আশার কথা বলেছিল, তেমনি বিতর্কও কম ছিল না। মুড়ি-বাতাসা বিতরণ থেকে শুরু করে প্রচারণার কৌশল, সবকিছুই আলোচনার জন্ম দিয়েছে। কেউ তাঁকে দেখেছেন প্রচলিত রাজনীতির বিরুদ্ধে দাঁড়ানো এক তরুণ কণ্ঠস্বর হিসেবে, আবার কেউ মনে করেছেন তাঁর বক্তব্য ও আচরণ ছিল অতিরিক্ত উসকানিমূলক ও দায়িত্বহীন।

গুলিবিদ্ধ হয়ে শরিফ ওসমান হাদির জীবন থেমে গেলেও তাঁকে ঘিরে প্রশ্ন রয়ে গিয়েছে অনেক। নিরাপত্তা, রাজনৈতিক সহিংসতা, মত প্রকাশের পরিণতি— সব মিলিয়ে তাঁর মৃত্যু বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন করে অস্বস্তিকর বাস্তবতাকেই সামনে এনে দাঁড় করিয়েছে। ছয় দিনের লড়াইয়ের শেষে থেমে যাওয়া এই জীবন রাজনৈতিক ইতিহাসে কোনভাবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে, সেই মূল্যায়নই এখন সময়ের অপেক্ষা।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

অর্ণব গোস্বামী, সুধীরদের প্রত্যাখ্যান মানুষের, অজুহাত অ্যালগরিদম?

Delhi CJP protest: অ্যালগরিই দর্শকদের প্রচলিত সংবাদমাধ্যম থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে?

‘মনমরা’ থেকে ‘ফুরফুরে’: প্রিজন ভ্যানে ‘হাম হোঙ্গে কামিয়াব’ আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক পুনরুজ্জীবনের দিন

Political return of mamata banerjee: জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ‘দিল্লি চলো’ কর্মসূচিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ও’ব্রায়েন, দোলা সেনসহ দেড় হাজারেরও বেশি বিরোধী নেতা আটক হলেন। প্রিজন ভ্যান থেকে ফেসবুক লাইভে খোশমেজাজে বিদ্রোহী মমতা গাইলেন, ‘হাম হোঙ্গে কামিয়াব’ ও ‘জাগো দুর্গা’র মতো গান। বিগত কয়েক মাসের পরাজয়, ভাঙনের মধ্যেও ‘ফ্রি বার্ড’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রত্যাবর্তন ঘটল যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের হাত ধরে।

২০১৪–২০২৬: যে যে গণআন্দোলন মোদী সরকারকে পিছু হটতে বাধ্য করেছে

Street fighting years of Modi-Raj: ২০১৯-এর সিএএ-বিরোধী আন্দোলন শাহিন বাগে ১০১ দিন স্থায়ী হয়, যার জেরে সরকার এনআরসি থেকে সরে আসে। ২০২০-২১-এর কৃষক আন্দোলন ৩৮০ দিন চলে, ৭৫০ জন কৃষকের মৃত্যু হয়, তিন কৃষি আইন প্রত্যাহার করা হয়। ২০২৬-এর সিজেপি আন্দোলন শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ আদায় করে এখন এসআইআর ও জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে যন্তর মন্তর ২.০ গড়ে তুলতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।

প্রেস কার্ড গলায়, তবু আটক! দিল্লিতে SIR-বিরোধী আন্দোলন কভার করতে গিয়ে পুলিশের জালে সাংবাদিকরা

Journalists detained in Delhi: নিউজলন্ড্রির বিবৃতি অনুযায়ী, তাঁদের তিন রিপোর্টার অনমোল প্রীতম, অশ্বিনী কুমার সিং এবং আস্থা সব্যসাচী ও তাঁদের এক ইন্টার্নের অফিসিয়াল ফোনগুলি পর্যন্ত কেড়ে নেওয়া হয়। সাংবাদিকরা যখন নিজেদের গণমাধ্যমের কর্মী হিসেবে পরিচয় দেন, তখন পুলিশ সরাসরি বলে ওঠে— “এখানে কোনো মিডিয়া নেই!” (কোই মিডিয়া নেহি হ্যায়)

জ্ঞানেশ বিতর্ক: সিআইএ থেকে জর্জ সোরোস, বিজেপির ন্যারেটিভ কাজ করছে না?

The Narrative structure of BJP Breaks: ২০২৬-এর অক্টোবরে, জ্ঞানেশ কুমার-বিরোধী আন্দোলনে উত্তাল ভারত। ১৩ কোটি জনতার ভোটাধিকার হরণের অভিযোগে সরব বিরোধীরা। জবাবে বিজেপির পাল্টা ন্যারেটিভে কখনও উঠে আসছেন দুবাইয়ের পাইলট, ইলন মাস্কের USAID দাবি, জর্জ সোরোস, অথবা ‘বিদেশি ফান্ডিং’ এর পুরনো গল্প। কিন্তু, একথা প্রমানিত সত্য, USAID-র ২১ মিলিয়ন ডলার বাংলাদেশে গিয়েছিল, আর এবার ভোটাধিকারের প্রশ্নে বিজেপির ন্যারেটিভ কন্ট্রোল কাজ করছে না।

সিজেপি আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ মুখ সোনম ওয়াংচুক কোথায়?

Sonam Wangchuk: সিজেপি আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ মুখ সোনম ওয়াংচুক কোথায়? দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে তাঁকে দেখা গেল না কেন?

বিশ্বমঞ্চ যেভাবে দেখছে ভারতের নির্বাচন কমিশনারকে

Global Spotlight on Gyanesh Kumar: ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে, জেন-জি আন্দোলন আন্তর্জাতিক মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে কভার হয়েছে। বিবিসি, রয়টার্স, গার্ডিয়ান, আল জাজিরা, ডিডাব্লিউ, এপি, নিউ ইয়র্ক টাইমস, আরএফআই, ফ্রান্স ২৪, ডন, সবাই জানিয়েছে, এসআইআরে ১৩ কোটি নাম বাদের কথা, ভারতের মুসলিম নাগরিকদের এসআইআরের মাধ্যমে অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে লক্ষ্যবস্তু বানানোর কথা, রাহুল গান্ধী-সহ বিরোধী সাংসদরা বারবার আটকের কথা।

সিইসি-র পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ, রাজধানীতে বিক্ষোভ শুরুর আগেই ৫০০ আটক, ৪০,০০০-এরও বেশি নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন

Delhi’s October 10 protest: যন্তর মন্তর ও কনট প্লেসের আশপাশ থেকে আন্দোলনকারীদের আটক করা হয়েছে। পুলিশের দেওয়া তথ্য উদ্ধৃত করে সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, আটক ব্যক্তির সংখ্যা প্রায় ৫০০। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন জনপ্রিয় ইউটিউবার ধ্রুব রাঠিও।