বাড়িতে নেই কোনো ডাস্টবিন: যেভাবে পাঁচ বছর ধরে বর্জ্যহীন জীবন কাটাচ্ছেন সোনিকা

গত পাঁচ বছর ধরে তাঁর বাড়িতে কোনো ডাস্টবিন বা আবর্জনার বালতি নেই! শুনলে অবাক লাগাই স্বাভাবিক, কিন্তু এই ব্যস্ত শহরের বুকেই এক ফোঁটা আবর্জনা না জমিয়ে সম্পূর্ণ ‘জিরো-ওয়েস্ট’ বা বর্জ্যহীন জীবন কাটানো যে সম্ভব, তা হাতেনাতে প্রমাণ করে দেখিয়েছেন এই মিডিয়া কর্মী।

inscript
৩ মিনিট
বাড়িতে নেই কোনো ডাস্টবিন: যেভাবে পাঁচ বছর ধরে বর্জ্যহীন জীবন কাটাচ্ছেন সোনিকা

কোলে একটা ছোট্ট সন্তান এসেছে সোনিকার। তাই এখন মোবাইল ফোন জুড়ে শিশু সম্বন্ধীয় সব খবর। একদিন ফোন ঘাঁটতে গিয়ে একটা অজানা কথা জেনে চক্ষু চড়কগাছ সোনিকার। তিনি ছেলের জন্য যে ডায়াপার ব্যবহার করেন, তা শত শত বছর ধরে পড়ে থাকে আবর্জনার স্তূপে, সেগুলি পচে না গিয়ে পড়ে থাকে সেখানে এবং সেখান থেকে ক্ষতিকারক রাসায়নিক নির্গত হয়। বাকি সব বাবা-মায়ের মতো সোনিকাও তাঁর ছেলেকে একটা ভালো পৃথিবীতে রাখতে চান, যেখানে দূষণ একটু কম থাকবে। কিন্তু বাকি সব বাবা-মায়ের মতো এই প্রতিবেদন পড়েও তিনি এড়িয়ে যাননি এই ভেবে যে আমি একা কী করতে পারব? তাই শুরুটা করলেন নিজে। ঘরটাকে পরিবেশ-বান্ধব করে তুলতে চাইলেন। ছেলের জন্য কাপড় দিয়ে পুনর্ব্যবহারযোগ্য ডায়াপার ব্যবহার করা শুরু করলেন।

সেই শুরু। তারপর সোনিকা দেখলেন আমাদের আশেপাশের জিনিসপত্র দিয়েই আমারা খুব সহজেই পরিবেশ-বান্ধব জীবন যাপন করতে পারি চাইলেই। তারপর থেকে এখন পর্যন্ত গত পাঁচ বছর ধরে তাঁর বাড়িতে কোনো ডাস্টবিন বা আবর্জনার বালতি নেই! শুনলে অবাক লাগাই স্বাভাবিক, কিন্তু ব্যস্ত শহরের বুকেই এক ফোঁটা আবর্জনা না জমিয়ে সম্পূর্ণ ‘জিরো-ওয়েস্ট’ বা বর্জ্যহীন জীবন কাটানো যে সম্ভব, তা হাতেনাতে প্রমাণ করে দেখিয়েছেন এই মিডিয়া কর্মী।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
এসি ছাড়াই ঠান্ডা! মুম্বইয়ের এই বাড়ি শেখাচ্ছে পরিবেশবান্ধব জীবনযাপন

House without AC cooling: চেম্বুর এলাকার একটা বাড়ি যেন এক টুকরো ম্যাজিক! বাইরের তাপমাত্রা যখন ফুটছে, এই বাড়িটি তখন কোনো এসি বা ভারী যন্ত্রপাতি ছাড়াই চারপাশের চেয়ে প্রায় ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ঠান্ডা থাকছে।

সোনিকার দিনের শুরুটা হয় ভারী সুন্দর একটা ছন্দে। রান্নাঘরে আনাজ কাটার সময় খোসাগুলি ফেলার জন্য রাখা থাকে একটা বড় পাত্র। সন্ধে হলেই সেই ভিজে বর্জ্যগুলি চলে যায় বারান্দার একটা মাটির পাত্রে বা কম্পোস্টারে। সোনিকা একে বলেন প্রকৃতির নিজস্ব জাদুবিদ্যা। সময়, অণুজীব আর ঘরের চেনা ভিজে-শুকনো আবর্জনার সঠিক ভারসাম্যেই তৈরি হয় কুচকুচে কালো উর্বর সার। সোনিকার ভাষায়, এটাই হলো প্রকৃতির ‘কালো সোনা’। এই সারে পুষ্টি পেয়েই তাঁর বারান্দার খুদে বাগানে প্রাণ ভরে হাসে তরতাজা তুলসী, পুদিনা, টমেটো, লেবু আর কারিপাতা। রান্নার জিনিস রান্নাঘরেই ফিরে আসে, প্রকৃতির সুন্দর বৃত্তটা সম্পূর্ণ হয় আর ছোট্ট আবির দু'চোখ ভরা বিস্ময় নিয়ে রোজ এই জাদুর পাঠ শেখে।

তবে সোনিকার এই লড়াই শুধু বাগানেই থমকে নেই। বর্জ্য কমানোর অভ্যাসটাকে তিনি ছড়িয়ে দিয়েছেন জীবনের প্রতিটা কোণায়। প্লাস্টিক, কাগজ, কাচ বা ইলেকট্রনিক বর্জ্যের মতো শুকনো জিনিসগুলি জমানোর জন্য তাঁর রয়েছে একটা আলাদা ব্যাগ। প্রতি দুই সপ্তাহ পর পর একটি রিসাইক্লিং সংস্থা এসে এগুলি নিয়ে যায়। কিন্তু স্যানিটারি প্যাড বা টিস্যু পেপারের মতো জিনিস, যা রিসাইকেল করা যায় না, তার কী হবে? সোনিকা খুব সহজ সমাধান খুঁজে নিয়েছেন— টিস্যুর বদলে কাপড়ের ন্যাপকিন, আর পিরিয়ডসের দিনগুলিতে মেনস্ট্রুয়াল কাপ বা পিরিয়ড প্যান্টি। ফলে বাড়ি থেকে একটাও বাতিল বর্জ্য বাইরে যাওয়ার সুযোগই পায় না।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
আপনার একটা টি-শার্ট তৈরিতে লাগে ২,৭০০ লিটার জল!

মাত্র একটা কটন টি-শার্ট তৈরি করতে জল লাগে প্রায় ২,৭০০ লিটার! খুব সহজ হিসাবে—আপনি সারাদিনে যে পরিমাণ জল পান করেন, সেই হিসাবে আপনার পুরো আড়াই থেকে তিন বছরের (প্রায় ৯০০ দিনের) খাওয়ার জল স্রেফ একটা টি-শার্টের পিছনে শেষ হয়ে যায়।

এমনকী বাজার করার চেনা অভ্যাসটাও বদলে ফেলেছেন তিনি। প্যাকেটজাত বা প্লাস্টিকে মোড়া জিনিস কেনা একেবারেই বন্ধ। পাড়ার মুদি দোকান থেকে খোলা চাল-ডাল-সদাই কেনেন তিনি, আর তার জন্য বাড়ি থেকে নিয়ে যান নিজস্ব কাপড়ের থলি আর কৌটো। ঘন ঘন জামাকাপড় কেনার পুরনো শখ বদলে এখন তাঁর আলমারি সাজে থ্রিফট স্টোর বা সেকেন্ড হ্যান্ড পোশাকে। ঘর মোছার রাসায়নিক ফ্লোর ক্লিনারের বদলে সোনিকা নিজেই ঘরে তৈরি করে নিয়েছেন ম্যাজিক তরল ‘বায়ো-এনজাইম’। ফলের ফেলে দেওয়া খোসা, গুড় আর জলের একটা সহজ অনুপাত (৩:১:১০) মিশিয়ে এক মাস রেখে দিলেই তৈরি হয়ে যায় চমৎকার সুগন্ধী ক্লিনার। কমলালেবু, আনারস বা গরমকালে আমের খোসা দিয়ে তৈরি এই তরল যেমন সস্তায় ঘর পরিষ্কার করে, তেমনই ঘর মোছার পর সেই জলটুকু গাছের গোড়ায় দিলে তা কাজ করে চমৎকার প্রাকৃতিক কীটনাশক হিসেবে! সঙ্গে এর সুবাস ঘরের কাজ করার জন্য এক অদ্ভুত ইচ্ছে জাগায় মনে।

সোনিকার এই সুন্দর জীবনযাত্রা দেখে অনুপ্রাণিত হয়েছেন তাঁর বন্ধু স্বপ্না মেলওয়ানি। সোনিকার বাড়িতে এসে বর্জ্যহীন জীবনের গল্প শুনে স্বপ্নাও এখন নিজের পরিবারে প্লাস্টিক বর্জ্য কমানো, রিসাইকেল করা আর বাচ্চাদের বেলুন ছাড়া পরিবেশ-বান্ধব জন্মদিনের পার্টি করার মতো অভ্যাস গড়ে তুলেছেন। সোনিকার সহকর্মী দিব্যা হরিহরণও এখন ব্যাগে সবসময় কাপড়ের ছোট তোয়ালে আর জলের বোতল রাখতে ভোলেন না।

শুধুমাত্র বন্ধু-বান্ধব বা সহকর্মীরা না, সমাজ মাধ্যমে তাঁর পোস্ট দেখেও অনুপ্রাণিত হচ্ছেন অনেকে। এমনই একটা ছোট পোস্ট বদলে দিয়েছে এলিনা সান্যাল ব্যানার্জির সংসার। শিশুদের জন্য তৈরি কৃত্রিম ভিজে টিস্যুর (ওয়েট ওয়াইপস) ক্ষতিকর দিক নিয়ে সোনিকার লেখা পড়ে এলিনা গত তিন বছর ধরে নিজের বাড়ির সমস্ত ভিজে আবর্জনা দিয়ে ঘরেই সার বানাচ্ছেন। এমনকী এই জীবনযাত্রার সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছে তাঁর খুদেটিও। এলিনার ছেলে একটা জন্মদিনের পার্টি থেকে ফিরে এসে তাঁকে জানায় পার্টিতে টিস্যু পেপার ব্যবহার করতে তার খুব অস্বস্তি হচ্ছিল! সেদিন একজন মা হিসেবে বুকটা গর্বে ভরে উঠেছিল, মনে হয়েছিল সোনিকার হাত ধরে অন্তত একটা ভালো শিক্ষা ছেলেকে দিতে পেরেছেন তিনি।

সোনিকার এই পাঁচ বছরের পথচলা আমাদের একটা মস্ত বড় সত্যি মনে করিয়ে দেয়। পরিবেশ বাঁচানোর জন্য আমাদের জীবনযাত্রাকে রাতারাতি ওলটপালট করে দেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। আমরা যদি শুধু প্রতিদিনের কেনাকাটায় একটু সচেতন হই, প্লাস্টিকের প্যাকেট বা একবার ব্যবহারযোগ্য জিনিস বর্জন করি, আর রান্নাঘরের আবর্জনাটুকু মাটিতে ফিরিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব নিই— তবে এই ছোট ছোট পদক্ষেপেই একটু ভালো পৃথিবী তৈরি হবে।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

সিভিল সার্ভিস ছেড়ে বাঘের টানে রণথম্ভোরে, ৩৫ একর জমিতে তৈরি করলেন বন

Ranthambore tiger conservation: তাঁরা কেবল চেয়েছিলেন সংরক্ষিত বনের বাইরে বাঘেদের জন্য একটি নিরাপদ আশ্রয় গড়ে তুলতে। তারপর কুড়ি বছর পর্যটন লজ থেকে যেটুকু আয় হতো, তার প্রায় সবটাই তাঁরা সঞ্চয় করতেন ভাদলাভে কৃষকদের কাছ থেকে এক এক করে জমি কেনার জন্য। প্রায় দুই দশক ধরে একটু একটু করে ৩৫ একরেরও বেশি জমি তাঁরা কিনে নেন, যার মোট খরচ ছিল সে সময়ের হিসাবে এক কোটি টাকারও বেশি।

জলবায়ু বদল শুধু প্রকৃতির বিপদ নয়, ভারতের অর্থনীতির ভিতও নড়বড়ে করে দিচ্ছে

climate change and economy: ১৯৯০ থেকে ২০১৮ সালের মধ্যে ২১টি উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতি খতিয়ে দেখে একটি সমীক্ষায় উঠে এসেছে এক চমকে দেওয়ার মতো তথ্য। দেখা যাচ্ছে, বার্ষিক গড় তাপমাত্রা যদি মাত্র ১ ডিগ্রি সেলসিয়াসও বাড়ে, তবে দীর্ঘমেয়াদে সামগ্রিক উৎপাদন দক্ষতা কমে যায় প্রায় ৩.২২ শতাংশ।

নেপাল বিপর্যয়ের ক্ষতিপূরণ দেবে কে?

Climate Justice for nepal: ২৬ অগাস্ট লাংটাং লিরুং-এর হিমবাহ ধসে নেপালের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় বিপর্যয়—নিহত ১,৩৪৪, নিখোঁজ ৪,৮৮৭। পুনর্গঠনে প্রয়োজন ৪-৫ বিলিয়ন ডলার। কিন্তু লস অ্যান্ড ড্যামেজ ফান্ডে আছে মাত্র ৮২২ মিলিয়ন ডলার।নেপালের দাবি, চিন-ভারত-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহাসিক দায় আছে। জলবায়ু ন্যায়বিচারের প্রশ্ন এখন আন্তর্জাতিক কাঠগড়ায়।

নেপালের হড়পা বান থেকে বেঁচে ফিরলেন যাঁরা, তাঁদের চোখে ২৬ অগাস্ট

Nepal flash floods 2026: ২৬ অগাস্ট, ২০২৬-এ নেপালের হড়পা বানে ধ্বংসস্তূপের মাঝেও কিছু মানুষ বেঁচে ফিরেছেন। কেউ এক কাপ চায়ের বিরতির জন্য, কেউ গাড়ির একটা রিভার্স গিয়ারের কারণে, কেউ ডালপালা ছড়ানো একটা আমগাছ আঁকড়ে ধরে, আবার কেউ কেবল ১৫ সেকেন্ডের দৌড়ে ছিনিয়ে এনেছেন নিজের শ্বাস। মৃত্যু খুব কাছ থেকে অনুভব করে ফেরা সেই মানুষগুলির অভিজ্ঞতায় রইল রাসুয়া আর নুয়াকোটের সেই সকালের কথা।

হিমালয়ের বরফ গলছে দ্বিগুণ হারে, নেপালের বিপর্যয়ের বিজ্ঞান কী বলছে?

Nepal Flood 2026: বিজ্ঞানীরা সতর্ক করে দিয়েছিলেন, ৪৫০০ থেকে ৬০০০ মিটার উচ্চতার মধ্যে থাকা হিমবাহ অঞ্চলের অন্তত ৭৮ শতাংশ উচ্চতা-নির্ভর উষ্ণায়নের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। পাঁচ মাস পর সেই সতর্কবাণীই যেন সত্যি হয়ে উঠল নেপালের উপত্যকায়।

ছয় দশকে কতটা সফল ভারত-নেপাল গান্ডাকচুক্তি?

Gandak dam history: নেপালের হিমবাহ থেকে পাথর ধসের পর জল নেমেছে ত্রিশূলী-কালীগণ্ডক হয়ে বিহারে। বাল্মীকিনগর বাঁধের ৩৬টি গেট খুলে প্রাণ বাঁচল বহু মানুষের। কিন্তু, ১৯৫৯ সালের গান্ডাক চুক্তি কি সত্যিই নেপাল ভারত দুই দেশের ‘সমন্বিত স্বার্থ’ রক্ষা করল? নেপালের তরাইয়ে জল মেলে না, ক্ষতিপূরণ মেলে না কৃষকদের। ৬০ বছরের পুরনো বাঁধ প্রকল্পকে নিয়েও নতুন করে ভাবার সময় এসেছে।

নেপালের বন্যায় সবচেয়ে বেশি বিপন্ন মহিলারাই, ঝুঁকিতে ১.৬ লক্ষ নারীর জীবন

Nepal Flash Floods: নেপালের ভয়াবহ হড়পা বানে প্রায় ১.৬ লক্ষ নারীর জীবন ঝুঁকিতে। বন্যার পর তাঁদের সামনে কী কী স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, খাদ্য ও জীবিকার সংকট তৈরি হয়েছে? রাষ্ট্রপুঞ্জের সতর্কবার্তা অনুযায়ী, নারীদের সুরক্ষায় কী পদক্ষেপ জরুরি?

নেপালের হড়পা বান: হিমালয়ে কেন বাড়ছে হিমবাহধস ও আকস্মিক বন্যা?

Nepal glacier disaster: নেপাল-তিব্বত সীমান্তের লাংতাং উপত্যকায় হিমবাহ ধসে প্রাণহানি ৩৮৯ জনের, নিখোঁজ ১,৪০০-র বেশি। ইউএসজিএস জানিয়েছে, ভূমিকম্প নয়, বরফের স্তূপ ভেঙেই বিপর্যয়। আইসিআইএমওডির তথ্য বলছে, প্রতি ৩০ মিনিটে নদীর জল ৯ মিটার বেড়ে গিয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের এই প্রত্যক্ষ ফল আজ হিমালয় থেকে সারা বিশ্বকে সতর্ক করছে।