টুইন টাওয়ারের জায়গায় এবার রামমন্দির?

Noida Twin Tower: বাসিন্দারা ওই জায়গায় স্কুল বা হাসপাতাল তৈরির কথা ভাবলেন না কেন? এর পেছনে অন্য কোনও রাজনীতি কাজ করছে না তো? যে রাজনীতির নাম মন্দির রাজনীতি।

tiasa gupta
৪ মিনিট
টুইন টাওয়ারের জায়গায় এবার রামমন্দির?

মাত্র ৯ সেকেন্ড। তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছিল নয়ডার টুইন টাওয়ার। দুপুরের খাওয়া সেরে রবিবাসরীয় দিবানিদ্রার প্রস্তুতি নয়, এদিন দুপুরটা কেটেছিল অন্যভাবে। একরাশ কৌতূহল নিয়ে জোড়া জোড়া চোখ নিবিষ্ট হয়েছিল টিভির পর্দায়। রিমোটে আঙুলের আলতো চাপ। একটা বিস্ফোরণ। চোখের নিমেষে ধুলোয় মিশে গেল ১০০ মিটারের বেশি লম্বা টুইন টাওয়ার। মাত্র ৯ সেকেন্ডে সব শেষ। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে নয়ডায় এভাবেই ভেঙে ফেলা হয়েছে বেআইনিভাবে তৈরি ৪০ তল বিশিষ্ট যমজ বহুতল। তারপর থেকেই আমজনতার মনে প্রশ্ন ছিল, তাহলে টুইন টাওয়ারের বিশাল জায়গা এবার কোন কাজে লাগানো হবে? জানা গিয়েছে, ওই বিশাল এলাকায় এবার রামমন্দির বানানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। সেই সঙ্গে মন্দির সংলগ্ন এলাকায় বাচ্চাদের খেলার জন্য পার্কও বানানো হতে পারে।

অযোধ্যার বুকে তৈরি হচ্ছে রামমন্দির। বারবার এই রাম জন্মভূমিকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনীতি আবর্তিত হয়েছে। আর তাতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে বিজেপি। একসময়ে লালকৃষ্ণ আদবানিরা যে আন্দোলন শুরু করেছিলেন তার উত্তরাধিকার নিপুণভাবে বহন করছেন আজকের মোদি, যোগীরা। ফলে অযোধ্যায় রামমন্দির হচ্ছে। এতে তো বিজেপির জয়ের আনন্দ পাওয়ার যথেষ্ট কারণ আছে। এরপরে আবার মন্দির এবং তাতে রামলালাকে স্থাপনের প্রয়োজন ছিল কি? দেশ কি তাহলে মন্দিরময় হয়ে উঠবে?

টুইন টাওয়ার ভেঙে ফেলার পরে ওই জায়াগাটি কীভাবে ব্যবহার করা হবে, তা নিয়ে সেপ্টেম্বরের গোড়াতে একটি বৈঠকে বসেন ওই হাউজিংয়ের বাসিন্দারা। সেখানেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, ফের নতুন করে আবাসন গড়ে তোলা হতে পারে। তবে তার জন্য আদালতের অনুমতির প্রয়োজন রয়েছে। সেখানেই প্রস্তাব দেওয়া হয়, বিশাল বড় একটি মন্দির গড়ে তোলা যেতে পারে। সেখানে মূলত রামলালা এবং শিবের মূর্তি রাখা হবে। তাছাড়াও অন্যান্য দেবদেবীর মূর্তিও রাখা হতে পারে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
আজীবন ঝর্না কলমের চরম বিরোধী মহাত্মা গান্ধী, যে কথা মনে রাখেনি কেউ

Mahatma Gandhi: ১৯৪৭ সালেই ছাত্রদের ঝর্না কলমের দামের প্রসঙ্গে বলছেন, প্রায় পঞ্চাশ টাকা। এখনকার মূল্যে প্রায় পনেরো হাজার টাকা।

পরিবেশ সচেতনতার বার্তা দিতে বিশাল একটি পার্ক তৈরি করারও প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সেখানে বাচ্চাদের খেলার ব্যবস্থা রাখা হবে। তাছাড়াও সাধারণ মানুষ সবুজের সমারোহে যেন কিছুটা সময় কাটাতে পারেন, সেই ব্যবস্থাও করা হবে। জানা গিয়েছে, মন্দির এবং পার্ক বানানোর প্রস্তাবে এলাকার বাসিন্দারা সকলেই সহমত পোষণ করেছেন। ওই জমির মালিকানা এখনও নির্মাণ সংস্থা সুপারটেকের হাতেই রয়েছে। হাউজিংয়ের বাসিন্দারা টাওয়ার ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে কী তৈরি হবে, তার সিদ্ধান্ত নিলেও প্রশ্ন থেকে যায়। বাসিন্দারা ওই জায়গায় স্কুল বা হাসপাতাল তৈরির কথা ভাবলেন না কেন? এর পেছনে অন্য কোনও রাজনীতি কাজ করছে না তো? যে রাজনীতির নাম মন্দির রাজনীতি।

কেন ভাঙা হয় টুইন টাওয়ার?

নিয়ম মেনে তৈরি হয়নি নয়ডার বহুতল। আবাসন আইন লঙ্ঘন করা হয়েছে। তাই সুপ্রিম কোর্ট বহু কোটি টাকার এই টাওয়ার ভাঙার নির্দেশ দেয়। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ভাঙা হয় নয়ডার কোটি টাকার টুইন আবাসন। নয়ডার এমারেল্ড কোর্ট প্রজেক্ট এলাকায় এই বহুতল সুপারটেক বিল্ডিং নামে পরিচিত। বহুতল নির্মাণ আইন লঙ্ঘনের জেরে আগামী তিন মাসের মধ্যে এই নির্মীয়মাণ বহুতল ভাঙতে নির্দেশ দিয়েছিল শীর্ষ আদালত (সুপ্রিম কোর্ট গত বছর এই রায় দেয়)। পাশাপাশি ১২% সুদ-সহ গোটা টাকা সেই বহুতলে ফ্ল্যাট বুকিং করা গ্রাহকদের ফেরত দিতে নির্দেশ দেন বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়। বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ বলেছিল, “নয়ডা কতৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে আগামী ৩ মাসের মধ্যে এই ভাঙার কাজ শুরু করতে হবে। তাদের পরামর্শদাতা হিসেবে থাকবে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি। গোটা প্রক্রিয়ার খরচ বহন করবে সুপারটেক সংস্থা।”

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
'সংখ‍্যালঘুরা আজও শাসকের কাছে শুধুই ভোটব‍্যাঙ্ক': নৌশাদ সিদ্দিকি

Exclusive interview of Nawsad Siddiqui: ইনস্ক্রিপ্ট-এর সঙ্গে বিশেষ কথোপকথনে নৌশাদ সিদ্দিকি।

সুপ্রিম কোর্টের মন্তব্য, নয়ডা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগসাজশ করে সুপারটেক সংস্থা এই বহুতল নির্মাণ করছে। ৪০ তলার এই বহুতলে ৯১৫টি ফ্ল্যাট এবং দোকানঘর রয়েছে। কিন্তু অবৈধ এই নির্মাণ নিয়ে এলাহাবাদ হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ সঠিক। তাই হাইকোর্টের বহুতল ভাঙার রায়কেই কার্যকর রাখে সুপ্রিম কোর্ট।

চলতি বছরেই এই নির্মাণের বিরোধিতা করে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে। সেই মামলাগুলোর মধ্যে অন্যতম অভিযোগ, “বিল্ডিং প্ল্যান গ্রাহকদের হাতে তুলে না দেওয়া।” বারবার প্ল্যান চাইলেও গড়িমসি করে সেই আবেদন খারিজ করেছে সুপারটেক কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি নানাভাবে পরিবেশ এবং আবাসন আইন লঙ্ঘনের অভিযোগেও মামলা দায়ের হয়েছে হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্টে। যে অট্টালিকার গায়ে অবৈধ তকমা, যে অট্টালিকা আবাসন আইন মানেনি, সেই অট্টালিকা নয়ডার বুকে মাথা তুলে আকাশ স্পর্শ করলেও, তাকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার নির্দেশ দিতে কসুর করেনি সুপ্রিম কোর্ট।

রাম লালার সঙ্গে বিজেপির যোগ নিবিড়। তবে এখানে হাউজিংয়ের বাসিন্দাদের সঙ্গে বিজেপির প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ যোগ আছে কিনা তা জানা নেই। তাহলেও প্রশ্ন থেকে যায়, কেন এলাকায় হাসপাতাল বা স্কুলের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করলেন না হাউজিংয়ের বাসিন্দারা? তাঁদের কাছেও বড় হয়ে দাঁড়াল মন্দিরই? ধর্মের আস্তরণ নয়ডার আকাশ ছেয়ে ফেলার পেছনে আসল কারণটা কী?

বিজেপি উন্নয়নের কথা বললেও মন্দির রাজনীতি ছাড়তে পারেনি। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটের আগেই নিজেদের ইস্তেহারে রামমন্দির তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বিজেপি। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে শুরু হয়েছে সেই মন্দির নির্মাণের কাজ। সেই কাজ শেষ হতে ২০২৫। কিন্তু ২০২৪ সালে লোকসভা ভোটের আগেই পুণ্যার্থীদের জন্য মন্দিরের একাংশ খুলে দেওয়া হচ্ছে। ফলে সেখানে তাঁরা পুজার্চনা সারতে পারবেন। এমনটাই জানিয়েছেন রামমন্দির ট্রাস্টের সাধারণ সচিব চম্পত রাই। অযোধ্যার বুকে তৈরি হওয়া রামমন্দির বিজেপির তুরুপের তাস। বিজেপির রাজনীতি মানে খোল, করতাল, গোমাতা এবং অবশ্যই রামলালা। মোদি জানেন, নতুন ভারত কাজ চায়। হিন্দুত্বে এই ভারতের মন ভিজবে না। তাই বারবার উন্নয়নের কথা বলতে হয় বিজেপিকে। কিন্তু নয়ডা কেন রামলালাতে আত্মসমর্পণ করতে চলেছে?

লিখেছেন
tiasa gupta
tiasa gupta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।