নেই ব্রেনের অপরিহার্য অংশ, তবুও বহাল তবিয়তে এই মহিলা!

মানুষের মস্তিষ্ক সম্পর্কে আরও গূঢ় রহস্যের সমাধান অদূর ভবিষ্যতে করা যাবে।

Madhurima Pattanayak
৪ মিনিট
নেই ব্রেনের অপরিহার্য অংশ, তবুও বহাল তবিয়তে এই মহিলা!

২০১৬ সালে ম্যাসাচ্যুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির একদল বিজ্ঞানী মানুষের মস্তিষ্কের ওপর সংগীতের প্রভাব নিয়ে গবেষণা করছিলেন। সেই গবেষণা বৈজ্ঞানিক জার্নালে প্রকাশিত হওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই তাঁদের কাছে একটি ই-মেল আসে। ই-মেলে লেখা, "আপনাদের গবেষণা নিয়ে পড়লাম। আমার বেশ ভালো লেগেছে। আমার ব্রেনও কিন্তু খুবই ইন্টারেস্টিং। সবার কিন্তু এরকম হয় না।"

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পঞ্চাশোর্ধ্ব এই মহিলার মস্তিষ্কের ডানদিকের একটি নির্দিষ্ট অংশ অনুপস্থিত, খুব ছোটবেলা থেকেই। এই অংশটি বাম টেম্পোরাল লোব। এটি থাকে কানের ঠিক পিছন দিকে। মস্তিষ্কের এই অংশটি মানুষের ভাষাশিক্ষা, অর্থাৎ, এক বা একাধিক ভাষায় কথা বলতে, পড়তে, বুঝতে, লিখতে বা মনের ভাব প্রকাশে সাহায্য করে। শুধু তাই নয়, বলা যেতে পারে, মস্তিষ্কে কোনও ভাষার শব্দভান্ডার গড়ে তোলার পিছনেও বা সেই শব্দগুলোর সঠিক প্রয়োগ সম্পর্কে জানার পিছনেও দায়ী বাম টেম্পোরাল লোব।

কিন্তু যেহেতু এটি ম্যাসাচ্যুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির এই গবেষকদের গবেষণার বিষয় নয়, তাই মহিলাকে পাঠানো হয় এভেলিনা ফেডোরেনকো-র ল্যাবে। তিনিও ম্যাসাচ্যুসেটস ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির গবেষিকা। এভেলিনার গবেষণার বিষয় কগনিটিভ নিউরোসায়েন্স। অর্থাৎ, ভাষাগত জ্ঞান কীভাবে মস্তিষ্কে নিয়ন্ত্রিত হয়, এভেলিনা সেই বিষয়ে গবেষণা করেন।

এভলিন জানতে পারলেন, টেম্পোরাল লোব না থাকার পরেও উক্ত মহিলা উচ্চশিক্ষা লাভ করেছেন, শুধু তাই নয়, নজর কাড়ার মতো পেশাতেও ভদ্রমহিলা নিযুক্ত ছিলেন। ইংরেজির পাশাপাশি তিনি রুশ ভাষাতেও পারদর্শী। রুশ ভাষায় তাঁর পারদর্শিতা এতটাই, যে তিনি রুশ ভাষাতেও স্বপ্ন দেখেন। কোনও ভাষাতে মানুষ তখনই স্বপ্ন দেখতে পারে, যখন সেই ভাষায় সে শুধু কথা বলতে বা লিখতে পারে এমনই নয়, সেই ভাষাতে সে ভাবতেও পারে।

সোজা কথায় ভদ্রমহিলার বাম টেম্পোরাল লোব না থাকার পরেও তিনি দু'টি ভাষাতেই অত্যন্ত পারদর্শী ছিলেন। এবং ইংরেজি ও রাশিয়ান, এই দুই ভাষাতেই তাঁর আভিধানিক জ্ঞান ছিল ঈর্ষণীয়।

১৮৮৭ সালে কোনও এক কারণে (যা তাঁর ভাষাগত এবং অন্যান্য জ্ঞানের সঙ্গে একেবারেই সম্পর্কহীন) তাঁকে মস্তিষ্ক স্ক্যান করতে হয়। তখনই সেই বৃদ্ধা প্রথম জানতে পারেন, তাঁর বাম টেম্পোরাল লোব নেই বহুদিন ধরেই। ডাক্তাররা জানান, খুব ছোটবেলায় সম্ভবত ব্রেন স্ট্রোকের কারণে এই অংশ অবলুপ্ত হয় এবং স্ট্রোকটি যে ঘটেছে, সেই বিষয়ে মহিলা জানতেন না। একজন ডাক্তার তো জানিয়েই দেন যে, ভবিষ্যতে তাঁর মস্তিষ্কে জটিল সমস্যা দেখা দেবে। কিছু না হলেও, তাঁর ভাষাশিক্ষার পথে সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে বাম টেম্পোরাল লোবের অনুপস্থিতি।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
এই বিদেশিনীর হাতের ছোঁয়ায় ভোল বদলাচ্ছে ভারতীয় স্কুল, রইল অসাধ্যসাধনের গল্প

সরকারের পক্ষ থেকেও মারিয়ার কাজকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে। সরকারও মারিয়ার সংস্থার সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করছেন অঙ্গনওয়াড়ি স্কুলের পরিকাঠামো উন্নতির লক্ষ্যে।

মস্তিষ্কের সেই জায়গায় এখন কেবল সেরিব্রো-স্পাইনাল ফ্লুইড আছে। সেরিব্রো-স্পাইনাল ফ্লুইড একপ্রকার তরল অংশ, যা আমাদের কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র, অর্থাৎ আমাদের মস্তিষ্ক এবং স্পাইনাল কর্ডকে ঘিরে রাখে।

এভেলিনা ফেডোরেনকো জানাচ্ছেন, ভাষার প্রক্রিয়াকরণ ঘটে মূলত মস্তিষ্কের বাম অংশ বা লেফট হেমিস্ফিয়ারে । কারও ক্ষেত্রে আবার ভাষার প্রক্রিয়াকরণের এই দায়িত্ব মস্তিষ্কের বাম ও ডান, দুই অংশই সমানভাবে নেয়।

খুব বিরল কিছু ক্ষেত্রে দেখা গেছে, ভাষা প্রক্রিয়াকরণের এই জটিল কাজ বাম হেমিস্ফিয়ারের বদলে ডান হেমিস্ফিয়ারই করছে। এই ধরনের ঘটনা কেন ঘটে, বিজ্ঞানীদের কাছে এখনও তা অজানা।

তবে যদি কোনও ব্যক্তি বাম-হাতি হয়, সেক্ষেত্রে তাঁর ভাষার প্রক্রিয়াকরণ হয় মস্তিষ্কের ডান হেমিস্ফিয়ারে, জানাচ্ছেন গ্রেটা টাকাটে, যিনি এই বৃদ্ধাকে নিয়ে গবেষণার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন।

ভাষার প্রক্রিয়াকরণ মূলত বাম হেমিস্ফিয়ারের ফ্রন্টাল এবং টেম্পোরাল অঞ্চলে হয়। ফ্রন্টাল লোব মস্তিষ্কের একদম সামনের দিকে থাকে। অন্যদিকে টেম্পোরাল লোব থাকে কানের ঠিক পিছনদিকে, যা প্রতিবেদনের শুরুতেই উল্লেখ করা হয়েছে। মানুষের ক্ষেত্রে মস্তিষ্কের গঠন যখন শুরু হয়, তখন টেম্পোরাল লোব আগে গঠিত হয়। তারপর পাঁচ বছর বয়সের কাছাকাছি সময়ে ফ্রন্টাল লোব গঠিত হয়। ধারণা করা হয়, কোনও ভাষা বুঝতে পারা ও বলার উপযোগী যে গঠন মস্তিষ্কের প্রয়োজন হয়, মানুষের ক্ষেত্রে পাঁচ বছর বয়সে সেই গঠনের কাজ সম্পূর্ণ হয়ে যায়।

আর যেহেতু এক্ষেত্রে এই মহিলার বাম টেম্পোরাল লোব অনুপস্থিত, গবেষকরা ভাবতে বসেছেন, টেম্পোরাল লোব কি আদৌ প্রয়োজনীয়, ভাষা শিক্ষার জন্য? না কি সেই কাজ ফ্রন্টাল লোব একাই করতে পারে?

তার সদুত্তরও পাওয়া গেল। দেখা গেল, টেম্পোরাল লোব ছাড়া ফ্রন্টাল লোব একা ভাষাশিক্ষার কাজ সম্পন্ন করতে পারছে না এই মহিলার ক্ষেত্রে। কিন্তু তা সত্ত্বেও মহিলার ফ্রন্টাল লোব যথেষ্ট কার্যকারিতার প্রমাণ দিল, যখন তাঁকে গাণিতিক সমাধান করতে দেওয়া হলো। আর যখন তিনি গাণিতিক সমাধান করতে ব্যস্ত, গবেষকরা ফাংশনাল ম্যাগনেটিক রেজো়নেন্স ইমেজিং বা এফ-এম.আর.আই. করে দেখলেন, মহিলার ফ্রন্টাল লোব যথেষ্ট কার্যকরী। অথচ, ভাষা ও শব্দভিত্তিক অনুশীলন করাকালীন যখন একইভাবে এফ-এম.আর.আই. করা হলো, তখন কিন্তু ফ্রন্টাল লোব কাজ করতে ব্যর্থ হল।

গবেষকরা তখন এই সিদ্ধান্তে উপনীত হলেন, এই মহিলার ক্ষেত্রে বাম টেম্পোরাল লোবের অনুপস্থিতির কারণে ভাষা প্রক্রিয়াকরণের পুরো কাজটি চালাচ্ছে মস্তিষ্কের ডান হেমিস্ফিয়ার।

এভেলিনা জানাচ্ছেন, মস্তিষ্ক যখন ক্ষতিগ্রস্ত হয় বা তার কিছু অংশ নষ্ট হয়ে যায়, তখন কাজ চালানোর জন্য মস্তিষ্ক নিজেই কিছু গঠনগত পরিবর্তন আনে। বিশেষ করে যদি শৈশবে মস্তিষ্ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়, সেক্ষেত্রে এই গঠনগত পরিবর্তনের সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে। তখন নার্ভকোশগুলি যেভাবে পূর্বে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন ও বার্তা পাঠানোর জন্য অন্তর্জাল বানিয়েছিল, সেই আন্তর্জালিক গঠনে আমূল পরিবর্তন আসে, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে খাপ খাইয়ে নেওয়ার জন্য।

এভেলিনার ল্যাবের পক্ষ থেকে আশা করা হচ্ছে, মানুষের মস্তিষ্ক সম্পর্কে আরও গূঢ় রহস্যের সমাধান অদূর ভবিষ্যতে তাঁরা করতে পারবে। এখানে উল্লেখ্য, এই বৃদ্ধার বোনের ডানদিকের টেম্পোরাল লোব অনুপস্থিত এবং তা সত্ত্বেও এই বৃদ্ধার মতোই তাঁরও কোনও সমস্যা কোনওদিন দেখা যায়নি। এই ঘটনা ইঙ্গিত দিচ্ছে, হয়তো জিনগত কারণেই, মস্তিষ্কের উল্লেখযোগ্য কিছু অংশ না থাকার পরেও তাঁদের কোনও সমস্যা হয়নি। মস্তিষ্কের গভীর রহস্য বোঝার জন্য, দুই বোনকেই গবেষণায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন এভেলিনা। দুই বোনও বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও উন্নতির কথা মাথায় রেখে স্বেচ্ছায় অংশগ্রহণ করেছেন।

লিখেছেন
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

AI-এর যুগে মানুষ কি নিজের বুদ্ধিটাই মেশিনের হাতে তুলে দিচ্ছে?

Artificial Intelligence: ছোটবেলায় অনেকেই ভাবত রোবট এসে মানুষের কায়িক শ্রমের কাজগুলি করে দেবে। মানুষ অবসর পেয়ে গান শুনবে, কবিতা লিখবে কিংবা বারান্দায় বসে কফি খাবে। বাস্তবে দেখা গেল ঠিক তার উল্টো চিত্র। রোবট এখন কবিতা লিখছে, ছবি আঁকছে আর কোড তৈরি করছে। অন্যদিকে মানুষ সকাল থেকে রাত ল্যাপটপের সামনে বসে শিখছে প্রম্পট ইঞ্জিনিয়ারিং।

মহাকাশে রওনা নাসার টেলিস্কোপের, বদলে দিতে পারে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি?

NASA’s Roman Space Telescope: নাসার নতুন ন্যান্সি গ্রেস রোমান স্পেস টেলিস্কোপ বদলে দেবে মহাবিশ্বকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি? হাবল ও জেমস ওয়েবের পর কেন প্রয়োজন হলো এই নতুন মহাকাশ-চোখের? ডার্ক ম্যাটার, ডার্ক এনার্জি, গ্যালাক্সি ও এক্সোপ্ল্যানেট সম্পর্কে কি নতুন তথ্য দেবে রোমান? মহাবিশ্বের প্রসারণের ইতিহাস বুঝতে কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে এই অত্যাধুনিক টেলিস্কোপ?

সৌরপৃষ্ঠ আসলে কেমন? ৩৩ বছর পর মিলল উত্তর

Sun’s surface mystery: সূর্যের পৃষ্ঠকে এতদিন দূর থেকে তুলোর মতো নরম ও শান্ত দেখালেও, তা কি সত্যিই এমন? বিশ্বের বৃহত্তম সৌর টেলিস্কোপ ড্যানিয়েল কে ইনোয়ের তোলা সর্বোচ্চ-রেজোলিউশনের ছবিতে দেখা গেল ছোট ছোট হিংস্র প্লাজমার ঘূর্ণি। ৩৩ বছর আগে করা জোয়ান কার্পেনের সেই ভবিষ্যদ্বাণী কি অবশেষে সত্যি প্রমাণিত হলো? এই আবিষ্কার কি বদলে দেবে সৌরপৃষ্ঠ সম্পর্কে ধারণা?

৩ অগাস্ট থেকে বদলে যাচ্ছে শেয়ার বাজারের নিয়ম!

Stock Market India: নতুন ব্যবস্থার অধীনে শেয়ার বাজার বন্ধের সময়কে তিনটি আলাদা অংশে ভাগ করা হয়েছে। তবে নন-এফএন্ডও (Non-F&O) স্টকগুলির ক্ষেত্রে আগের মতোই বিকেল ৩:৩০টা পর্যন্ত স্বাভাবিক লেনদেন চালু থাকবে, এতে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। কিন্তু এফএন্ডও স্টকগুলির ক্যাশ মার্কেটে প্রতিদিন একটানা লেনদেন চলবে বিকেল ৩:১৫ মিনিট পর্যন্ত।

আইআইটি-র দুই প্রাক্তনীর বৈদ্যুতিক কৃষিযন্ত্রে একরপ্রতি খরচ মাত্র ৪০ টাকা

Electric Power Tiller: বাজারে যেসব ট্র্যাক্টর পাওয়া যায়, তা হয় বিশাল বড় জমির উপযোগী, না হয় কেনা ও চালানো দুটোই খুব ব্যয়বহুল। ভারতে ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ কৃষকের জমিই ছোট ও খণ্ড-বিখণ্ড, যেখানে বড় যন্ত্র ঢোকানোই সম্ভব নয়। আবার চিন থেকে আমদানি করা ছোট ছোট সস্তা মেশিনগুলিতে যন্ত্রাংশ ও সার্ভিসিংয়ের চূড়ান্ত সমস্যা তৈরি হয়। তাই বিদেশ থেকে আমদানির কথা না ভেবে, আইআইটি বোম্বের দুই প্রাক্তনী ঐশ্বর্য রামকৃষ্ণন ও কেদার গোখলে সিদ্ধান্ত নেন খাঁটি দেশীয় প্রযুক্তিতে ভারতের মাটির উপযোগী সমাধান তৈরি করার।

মাইনাস ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসেও উষ্ণ থাকে সোনাম ওয়াংচুকের বাড়ি

Sonam Wangchuk House: সোনম ওয়াংচুক মানেই পাহাড়ঘেরা লাদাখের ছবি, বরফে ঢাকা জীবন আর নতুন এক ভাবনার আলো। পেশায় তিনি একজন প্রকৌশলী, শিক্ষাবিদ এবং উদ্ভাবক। কিন্তু সাধারণ মানুষের কাছে তিনি যেন রূপকথার সেই মানুষটি, যিনি পাহাড়ের রুক্ষ জীবনের কঠিন সমস্যাগুলিকে বিজ্ঞানের সহজ ছোঁয়ায় অত্যন্ত সহজ করে তুলেছেন।

মহাকাশে মিলল চিনির সন্ধান, কেন গুরুত্বপূর্ণ এই আবিষ্কার?

natural sugar in space: ছায়াপথের কেন্দ্রের একটি আণবিক মেঘে প্রথমবারের মতো প্রকৃত মনোস্যাকারাইড ‘এরিথ্রুলোজ’-এর সন্ধান পেয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। এই আবিষ্কার জানাচ্ছে, নক্ষত্র ও গ্রহ তৈরির আগেই মহাকাশে জটিল জৈব অণু তৈরি হতে পারে। ফলে পৃথিবীতে প্রাণের উৎপত্তি এবং মহাবিশ্বে জীবনের সম্ভাবনা নিয়ে নতুন করে গবেষণার আগ্রহ বেড়েছে।

কর্মদক্ষতা মাপল এআই, চাকরি হারালেন কর্মীরা? মেটার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মামলা

Meta mass layoffs: কর্মীদের ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত কি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নেবে? মেটার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলায় অভিযোগ, এআই-নির্ভর মূল্যায়নের কারণে মাতৃত্বকালীন ও চিকিৎসাজনিত ছুটিতে থাকা কর্মীরা অন্যায্যভাবে চাকরি হারিয়েছেন।