কিউবায় সরকার পতনের আশঙ্কা? আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন

Trump Cuba policy: কিউবার বর্তমান সরকার কি সত্যিই বড় সংকটের মুখে? মার্কিন রিপোর্টে দাবি, সম্ভাব্য ‘সরকার পতন’ পরিস্থিতি মাথায় রেখে আগাম প্রস্তুতি শুরু করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। অর্থনৈতিক সঙ্কট, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও বাড়তে থাকা আন্তর্জাতিক চাপের মধ্যে তাহলে কি নতুন করে আমেরিকা-কিউবা সংঘাতের আশঙ্কা বাড়ছে?

inscript
৩ মিনিট
কিউবায় সরকার পতনের আশঙ্কা? আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছে ট্রাম্প প্রশাসন

দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সংকট, জ্বালানির ঘাটতি, বিদ্যুৎ বিভ্রাট এবং রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যে এবার নতুন করে আন্তর্জাতিক আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে কিউবা। মার্কিন সংবাদমাধ্যমের একাধিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন নাকি কিউবার বর্তমান সরকার 'সম্পূর্ণ ভেঙে পড়তে পারে' বলে ধরে নিয়ে প্রস্তুতি শুরু করেছে। খবর অনুযায়ী, কিউবায় অশান্তি ছড়ালে কী ভাবে পরিস্থিতি সামলানো হবে, তা নিয়ে আগাম সামরিক প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে।

এই খবর সামনে আসার পর থেকেই প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি সত্যিই কিউবায় সামরিক হস্তক্ষেপের পথে হাঁটছে আমেরিকা? নাকি এটি শুধুই চাপ তৈরির কূটনৈতিক কৌশল?

মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস (Axios)-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওয়াশিংটনের একাংশ মনে করছে, চলতি গ্রীষ্মেই কিউবার কমিউনিস্ট সরকার বড় ধরনের সংকটে পড়তে পারে। সেই আশঙ্কা থেকেই মার্কিন প্রশাসনের বিভিন্ন দফতর সম্ভাব্য পরিস্থিতি নিয়ে 'ওয়ার গেম' বা প্রস্তুতিমূলক মহড়া চালিয়েছে। সেখানে ভাবা হয়েছে, যদি কিউবায় গণঅসন্তোষ ছড়ায়, প্রশাসন ভেঙে পড়ে বা শরণার্থী সঙ্কট তৈরি হয়, তাহলে আমেরিকার প্রতিক্রিয়া কী হবে।

তবে এখনও পর্যন্ত সরাসরি সামরিক অভিযানের কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি হোয়াইট হাউস। বরং প্রশাসনের একাধিক সূত্র জানিয়েছে, তাদের লক্ষ্য সরাসরি যুদ্ধ নয়, বরং এমন অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক চাপ তৈরি করা যাতে কিউবার সরকার ভিতর থেকেই দুর্বল হয়ে পড়ে। এই কৌশলকে কেউ কেউ 'অ্যাক্সেলারেশনিজম' বলেও উল্লেখ করছেন। অর্থাৎ সংকটকে দ্রুততর করে শাসনব্যবস্থাকে অস্থিতিশীল করে তোলা।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বিদ্যুৎহীন কিউবা! কেন ফের আগ্রাসী সুর ট্রাম্পের?

Cuba Blackout Crisis: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শুধু নিজেরাই তেল সরবরাহ বন্ধ করেনি, অন্য দেশগুলিকেও কিউবাকে তেল বিক্রি করলে শাস্তির হুমকি দেয়। ফলে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে কিউবা কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ে কিউবার বিদ্যুৎ ব্যবস্থায়।

কিউবার বর্তমান পরিস্থিতিও এই আশঙ্কাকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। দেশটিতে বহু মাস ধরে বিদ্যুৎ ঘাটতি চলছে। জ্বালানি আমদানি কমে যাওয়ায় নিয়মিত ব্ল্যাকআউট হচ্ছে। খাদ্য এবং ওষুধের অভাবও তীব্র হয়েছে। বহু মানুষ দেশ ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করছেন। ২০২১ সালে কিউবায় বড় ধরনের সরকারবিরোধী বিক্ষোভ দেখা গিয়েছিল। এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনের একাংশের দাবি, পরিস্থিতি তখনকার চেয়েও খারাপ।

এই পরিস্থিতির পিছনে আমেরিকার নিষেধাজ্ঞাকেও বড় কারণ হিসেবে দেখছে হাভানা। কিউবার অভিযোগ, ওয়াশিংটন ইচ্ছে করেই অর্থনৈতিক চাপ বাড়াচ্ছে যাতে দেশটির সমাজব্যবস্থা ভেঙে পড়ে। সম্প্রতি কিউবার উপ-বিদেশমন্ত্রী জোসেফিনা ভিডাল অভিযোগ করেছেন, আমেরিকা 'সামরিক আগ্রাসনের পরিবেশ' তৈরি করছে। তাঁর মতে, নিষেধাজ্ঞা, জ্বালানি অবরোধ এবং রাজনৈতিক চাপ—সব মিলিয়ে কিউবাকে কোণঠাসা করার চেষ্টা চলছে।

এই উত্তেজনার কেন্দ্রে রয়েছেন মার্কিন বিদেশমন্ত্রী মার্কো রুবিও। কিউবান অভিবাসী পরিবারের সন্তান রুবিও বহুদিন ধরেই কিউবার কমিউনিস্ট সরকারের কড়া সমালোচক। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসনের কিউবা নীতিতে তাঁর প্রভাব অত্যন্ত বেশি। প্রশাসনের ভেতরে অনেকেই মনে করছেন, কিউবার শাসনব্যবস্থার পতন ঘটানোই রুবিওর দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক লক্ষ্য।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বিশ্বজুড়ে 'ভাইরাল' চে গেভারার এই ছবিটিই! কীভাবে তোলা হয়েছিল এই ছবি?

Che Guevara Famous Photograph: চে গেভারার এই বিখ্যাত ছবিটি তোলা হয়েছিল ১৯৬০ সালের ৫ মার্চ। উপলক্ষ্য ছিল অন্ত্যেষ্টি।

মার্কিন প্রশাসন ইতোমধ্যেই কিউবার বিরুদ্ধে একাধিক কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে। ভেনেজুয়েলা থেকে তেল সরবরাহে বাধা দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। পাশাপাশি প্রাক্তন কিউবান নেতা রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের প্রস্তুতির খবরও প্রকাশ্যে এসেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এনবিসি এবং অন্যান্য সূত্রে দাবি করা হয়েছে, ১৯৯৬ সালের একটি বিমান ভূপাতিত করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাঁর বিরুদ্ধে মামলা তৈরির চেষ্টা চলছে।

এদিকে আমেরিকার সামরিক প্রস্তুতি নিয়েও জল্পনা বাড়ছে। ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে মার্কিন নৌবাহিনীর উপস্থিতি বৃদ্ধি, নজরদারি বাড়ানো এবং দক্ষিণ কমান্ডের বিশেষ বৈঠক নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। কিছু রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, কিউবায় পরিস্থিতি খারাপ হলে আমেরিকা সামরিক পদক্ষেপ বা ত্রাণ সহায়তা পাঠানোর মতো বিভিন্ন উপায় নিয়ে ভাবছে।

তবে বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, সরাসরি কিউবা আক্রমণ করা এত সহজ নয়। কারণ কিউবার সঙ্গে আমেরিকার সংঘাতের ইতিহাস অত্যন্ত জটিল। ১৯৬১ সালের ‘বে অফ পিগস’অভিযান ব্যর্থ হওয়ার পর থেকে কিউবায় সরাসরি সামরিক হস্তক্ষেপের বিষয়টি আমেরিকার কাছে খুবই স্পর্শকাতর হয়ে রয়েছে। এছাড়া রাশিয়া ও চিনের সঙ্গে কিউবার সম্পর্কও ওয়াশিংটনের জন্য বড় কূটনৈতিক চিন্তার বিষয়। মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্টে সম্প্রতি দাবি করা হয়েছে, কিউবায় রুশ এবং চিনা নজরদারি কার্যকলাপ বেড়েছে।

এই কারণেই অনেকের মতে, ট্রাম্প প্রশাসন এখন সরাসরি পদক্ষেপ না নিয়ে চাপ বাড়িয়ে পরিস্থিতির পরিবর্তনের অপেক্ষা করছে। অর্থাৎ সরাসরি যুদ্ধ নয়, বরং নিষেধাজ্ঞা, কূটনৈতিক বিচ্ছিন্নতা এবং অভ্যন্তরীণ অসন্তোষ বাড়িয়ে সরকারকে দুর্বল করে তোলার চেষ্টা। এমনকি কিছু রিপোর্টে বলা হয়েছে, ট্রাম্প নিজে আপাতত নতুন সামরিক সংঘাতে জড়াতে চান না, বিশেষ করে ইরান পরিস্থিতির পর।

অন্যদিকে সমালোচকেরা বলছেন, এই কৌশল সাধারণ কিউবানদের জীবন আরও কঠিন করে তুলছে। অর্থনৈতিক অবরোধের ফলে খাদ্য ও ওষুধের সঙ্কট বাড়ছে। বহু আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কর্মী মনে করছেন, রাজনৈতিক পরিবর্তনের নামে সাধারণ মানুষকে চাপে ফেলা হচ্ছে।

সোশ্যাল মিডিয়াতেও এই ইস্যু নিয়ে তীব্র বিতর্ক চলছে। রেডিট (Reddit)-সহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে অনেকে অভিযোগ করছেন, আমেরিকা ইচ্ছে করেই কিউবায় অস্থিরতা বাড়াতে চাইছে। আবার কেউ কেউ মনে করছেন, যদি সত্যিই কিউবার সরকার ভেঙে পড়ে, তাহলে শরণার্থী সঙ্কট ও মানবিক বিপর্যয় ঠেকাতে আমেরিকার কোনো না কোনো হস্তক্ষেপ অনিবার্য হয়ে উঠবে।

লিখেছেন
inscript
inscript
17 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

পুলিশের গুলিতে শেষ হয়েছিল মান্যা সুর্ভে, সদিক জামাল, ইশরত জাহাঁর জীবন, কিন্তু শেষ হয়নি বিতর্ক

Police Encounter in India: পুলিশি হেফাজতে বিচারপ্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার আগেই অভিযুক্তদের এই ধারাবাহিক পরিণতি কেবল অপরাধের তদন্তকেই থামিয়ে দিচ্ছে না, বরং সংবিধানে প্রদত্ত মৌলিক অধিকার এবং বিচারব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়েও বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন এঁকে দিচ্ছে। আমাদের বিশেষ ধারাবাহিক সিরিজ ‘এনকাউন্টার’-এর প্রথম পর্বে রইল এমনই হাড়হিম করা কয়েকটি ঘটনার নেপথ্য সত্যের খতিয়ান।

মোদী জমানায় যেভাবে বেড়েছে ভাই-বেরাদারি পুঁজিবাদ

25 Years of Modi's Economic Legacy: মোদী জমানায় রাজনৈতিক ক্ষমতা ও কর্পোরেট পুঁজির ঘনিষ্ঠতায় কীভাবে বদলে যাচ্ছে ভারতের অর্থনীতির চরিত্র, বেড়েছে ভাই-বেরাদারি পুঁজিবাদ, একচেটিয়া বাজার ও মুষ্টিমেয় শিল্পগোষ্ঠীর আধিপত্য?

বছরে ৫০ দিনের ছুটি কমে ৪০! বাদ পড়তে পারে কোন কোন উৎসবের ছুটি?

West Bengal Government Holidays: পশ্চিমবঙ্গের সরকারি কর্মীদের বছরে ছুটির সংখ্যা প্রায় ৫০ দিন থেকে কমিয়ে ৪০ দিন করার পরিকল্পনা করছে শুভেন্দু সরকার। অর্থসচিবকে নতুন ছুটির তালিকা তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তৃণমূল আমলে চালু হওয়া শিবরাত্রি, ভাইফোঁটা, ছটপুজো-সহ একাধিক ছুটি কি তবে এবার বাতিল হতে চলেছে?

দুই কক্ষেই ডেমোক্র্যাটদের জয়, ট্রাম্পের ক্ষমতায় কতটা লাগাম পড়বে?

US midterms 2026: ২০২৬ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান দুর্গে বড় ধস নামিয়ে কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ নিল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি। জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়, শুল্কনীতি এবং যুদ্ধ সংক্রান্ত অসন্তোষের জেরে ট্রাম্পের নীতি প্রত্যাখ্যান করল ভোটাররা। বদলের প্রত্যাশা কতটা পূরণ হবে?

মিডটার্ম নির্বাচনে কে কত টাকা ঢাললেন?

US midterm elections 2026: আমেরিকার নির্বাচনে প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলারের রেকর্ড ব্যয়। ইলন মাস্ক ও জর্জ সোরোসের মতো ধনকুবেরদের অনুদান, সুপার প্যাক ও ডার্ক মানি কীভাবে আমেরিকার রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করছে?

মানুষ টাকা পেয়ে গেলে ভুলে যাবে, অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে ক্ষোভ-বিক্ষোভ সম্পর্কে বললেন বিজেপি বিধায়ক সজল

Sajal Ghosh interview: ‘ভয় ছাড়া ভক্তি আসে না’— আইন-শৃঙ্খলা, দুর্গাপূজা বিতর্ক এবং তৃণমূলের দলবদল নিয়ে নিজের মতামত জানালেন বিজেপি নেতা সজল ঘোষ।

ভারতের রাজনীতি কতটা বদলে দিয়েছেন মোদী?

25 years of Narendra Modi: ২৫ বছরে মোদী কতটা বদলে দিয়েছেন ভারতের রাজনীতি? উন্নয়ন, নেতৃত্ব ও রাজনৈতিক প্রচারের ধরন থেকে শুরু করে গণতন্ত্র, ধর্মীয় মেরুকরণ এবং জাতীয় পরিচয়ের ধারণা—কীভাবে বদলেছে দেশের রাজনৈতিক চালচিত্র?

ব্রাজিল থেকে আমেরিকা যে কারণে দক্ষিণপন্থীদের শাস্তি দিচ্ছে শান্তিকামী মানুষ

The Alt - right Tide Turns: বিশ্বজুড়ে দক্ষিণপন্থী জনতুষ্টিবাদের ভিত্তি কেঁপে উঠেছে। হাঙ্গেরিতে ১৬ বছরের অরবান-শাসনের অবসান, সার্বিয়ায় ছাত্র আন্দোলনের নির্বাচনী বিজয়, ব্রাজিলে প্রথম রাউন্ডে পিছিয়ে থেকেও লুলার জয়, আমেরিকায় মিডটার্মে ডেমোক্র্যাটদের সংসদের দুই কক্ষ দখল, সব মিলিয়ে বিশ্বজুড়ে অতি-দক্ষিণপন্থী জোয়ারে ভাটার সুর। তবে ফ্রান্স, পোল্যান্ড, ইতালিতে দক্ষিণপন্থা এখনও টিকে আছে। সেগুলির বিরুদ্ধেও চলছে জেনজিদের, শ্রমজীবী অভিবাসী মানুষদের বিক্ষোভ।