কান টানলে অভিষেক? এই কারণেই ইডির শমন থেকে রেহাই পাচ্ছেন না তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড

Abhishek Banerjee: তৃণমূল প্রতিহিংসার তত্ত্ব খাড়া করলেও কেন অভিষেককে ধরে টানাটানি করছে ইডি?

tiasa gupta
৪ মিনিট
কান টানলে অভিষেক? এই কারণেই ইডির শমন থেকে রেহাই পাচ্ছেন না তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কম্যান্ড

কান টানলে মাথা আসবে?

পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অনুব্রত গ্রেফতারের পর এই আওয়াজ তুলেছিল বিরোধী শিবির। (গর্জেছিলেন খোদ বিরোধী দলনেতা)।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভবিষ্যদ্বাণীর আগে দিল্লি সফর নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি। তৃণমূল এবং সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, বকেয়া আদায় করতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। ৪০ মিনিট ধরে তিনি শুধুই বকেয়া আদায়ের চিঠি ধরালেন? এই নিয়ে প্রশ্ন ওঠার ছিল, উঠেছে। বিরোধীদের দাবি, ওই সফর ছিল আসলে `সেটিং’। সে যাই হোক, এর আগে দেখা গেছে সিবিআই, ইডি অভিষেককে ধরে টানাটানি করতেই তিনি দিল্লি ছুটে গিয়েছেন। এমনকী বিরোধী ঐক্য তৈরির বাড়া ভাতে কার্যত ছাই দিয়েছে সেই ঘটনা। কারণ মমতাকে দমিয়ে দেওয়ার জন্য ভাইপোকে ধরে টানাটানির প্রয়োজন ছিল? এবারও কি মমতা সেই ইঙ্গিত আগে পেয়েছিলেন? ছাত্র সমাবেশের মঞ্চ থেকে সেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মেয়ো রোডের ছাত্র সমাবেশের মঞ্চ থেকে ভবিষ্যদ্বানী করেছিলেন, “এই সভায় একটু আগেই অভিষেক খুব ভালো বক্তৃতা দিয়েছে, আমার মন বলছে, ওকে কাল না নোটিস ধরায় আবার। আগে তো ওকে নোটিস ধরিয়েছে, ওর বউকেও নোটিস ধরিয়েছে। এবার বোধ হয় ২ বছরের বাচ্চাটাকেও নোটিস ধরাবে।” এটা কি নেহাতই কাকতালীয়? বোধহয় না। কারণ ২১ জুলাই এর সভার পরেপরেই ইডির জালে পার্থ এবং তারপর সিবিআইয়ের জালে অনুব্রত। সরকারকে একেবারে ল্যাজেগোবরে করে ছাড়ছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। তৃণমূল প্রতিহিংসার তত্ত্ব খাড়া করলেও কেন অভিষেককে ধরে টানাটানি করছে ইডি?

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব ইডি-র। অভিষেককে সমন পাঠাল ইডি। কলকাতার ইডি-র অফিস সিজিও কমপ্লেক্সে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে ২ সেপ্টেম্বর। কয়লা পাচার মামলায় তাঁকে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দিল্লি থেকে টিম আসছে। তদন্তকারী অফিসার-সহ একটি বিশেষ দল অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদ করবে বলে জানা গিয়েছে। মমতার ভবিষ্যদ্বাণীর ঠিক পরের দিন অর্থাৎ মঙ্গলবার সকালেই কয়লা পাচার কাণ্ডে এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করল ইডি। এর আগেও তলব করা হয়েছিল তাঁকে। একাধিকবার তাঁকে দিল্লিতে তলব করা হয়েছিল। যা নিয়ে রীতিমতো শীর্ষ আদালত পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছিলেন অভিষেক-রুজিরা। তাঁদের একটাই আবেদন ছিল, কলকাতাতেই যেন তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। সে সময় অবশ্য শীর্ষ আদালতে তাঁর সেই মামলা মেনশন হয়নি। এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কলকাতার অফিসেই ডেকে পাঠাল ইডি।

কেন তলব

ইডি সূত্রে খবর, বেশ কিছু নতুন তথ্য তদন্তে উঠে এসেছে। সেই তথ্য-ই তাঁরা যাচাই করে দেখতে চান। সেই কারণেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে তলব করা হয়েছে। এর আগে দিল্লিতে গিয়ে ইডির জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হয়েছিলেন অভিষেক। এবার তলব কলকাতাতেই। কয়লা পাচার মামলায় ইডির এই তলব নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

চলতি বছরের ২৯ মার্চ মঙ্গলবার দুপুর ১১টা নাগাদ দিল্লিতে ইডির দফতরে অভিষেককে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তাঁকে ওইদিন হাজির থাকতে হয় দিল্লির ইডির অফিসে। এদিকে তার আগে ২৪ মার্চ অভিষেককে প্রায় সাড়ে ৮ ঘণ্টা দিল্লিতে ইডির অফিসে জেরা করা হয়েছিল। এরপর তিনি ইডির অফিস থেকে বেরিয়ে জানিয়েছিলেন, কিছু কাগজপত্র চাওয়া হয়েছে। সেগুলি তিনি পাঠিয়ে দেবেন।

কিন্তু কেন আবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তলব করল ইডি? তবে কি কয়লাকাণ্ড নিয়ে ইডি যা জানতে চাইছে তা এখনও পুরোপুরি জানা যায়নি? তবে কি আরও তথ্য ইডি অভিষেকের কাছ থেকে জানতে চাইছে ? সূত্রের খবর , অভিষেক এর আগে যে বয়ান দিয়েছিলেন সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে তিনি এর আগে কথা বলার পরেও সবটা জানতে পারেননি ইডি কর্তারা। এখনও অনেক প্রশ্ন রয়েছে। কারণ গত কয়েকমাসে নানা সূত্র পেয়েছে ইডি। তার ভিত্তিতেই তাঁকে ফের জেরা করা উদ্যোগ। তবে এযাত্রা তাঁকে দিল্লি যেতে হচ্ছে না। সূত্রের খবর এমনটাই।

অন্য দিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের শ্যালিকা মেনকা গম্ভীবরকেও তলব করেছে ইডি। তাঁকেও কয়লা পাচায় মামলাতেই তলব করা হয়েছে। আগামী ৫ সেপ্টেম্বর মেনকা গম্ভীরকে দিল্লির ইডি অফিসে হাজিরা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে নোটিসে। যদিও সূত্রের খবর, এই নোটিসের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে মেনকা।

ষড়ষন্ত্রের তত্ত্ব

তৃণমূলের অভিযোগ, ২০২১ এর আগে বিজেপি মোদী-শাহর মতো হেভিওয়েট ব্যাটেলিয়ান প্রচারে নামিয়েও ভালো রেজাল্ট দূর অস্ত, এক্কেবারে ফেল করে রাজ্য থেকে পাত্তারি গুটিয়েছিল। স্বাভাবিকভাবে বাংলাকে পাখির চোখ করেও দাঁত ফোটাতে পারেননি মোদী। অভিযোগ, তিনি প্রতিহিংসার রাজনীতি করেন, করছেন। তাই এই রাজ্যকে তাক করে একে একে রাঘব বোয়ালদের জেল পাঠাচ্ছে সিবিআই, ইডি।

বিরোধীদের বারবার তাড়া করেছে সিবিআই, ইডি জুজু। এই অস্ত্রে বিরোধীদের চমকে দিতে বারবার শান দিয়েছে তারা! এখনও বিজেপি এবং কেন্দ্রের মরণ কামড়ের নাম সিবিআই ও ইডি। তার প্রয়োগ দেখা গেছে কখনও রাহুল, সোনিয়া, ফারুক আবদুল্লা, শিবকুমার, এমনকী উত্তরপ্রদেশে বুয়া-বাবুয়ার ক্ষেত্রেও।

রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত, দিল্লির আঙিনায় বিরোধী ঐক্য তৈরি করতে সলতে পাকানোর কাজ শুরু হয়েছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বড় জয়কে সামনে রেখে বিরোধীরা এক হচ্ছিল। বিজেপি যে তাতে বাধ সাধবে, এ আর কী আশ্চর্যের! মোদি-শাহরা ভালোই জানেন অভিষেকের কান টানলে মমতাকে ভালোই বিড়ম্বিত করা যাবে। অভিযোগ, নিপুণভাবে এই কাজে সিবিআই এবং ইডিকে নিয়োগ করে তারা। পার্থ, কেষ্ট গ্রেফতারের অনেক আগে থেকেই অভিষেককে ধরে টানাটানি করছে ইডি, সিবিআই।

পর্যবেক্ষকরা বলছেন, বিজেপির বহু পুরনো ও চেনা হাতিয়ার হিন্দুত্ব। দেশে প্রাচীন স্মৃতি সৌধের ইতিহাস পরিবর্তন করে গায়ে হিন্দুত্বের তকমা লটকে দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। রামমন্দির হচ্ছে। এদিকে মোদি ক্ষমতায় এসে বুঝেছিলেন, নতুন ভারতের মন হিন্দুত্বে ভিজবে না। নতুন ভারত কাজ চায়। তাই মোদিকে বারবার বলতে হয়েছে উন্নয়নের কথা। এতকিছুর পরেও সিবিআই ও ইডির মতো `ভোঁতা অস্ত্রে’ কেন বারবার শান দেওয়ার চেষ্টা করছে কেন্দ্র? একথা ঠিক যে, এই রাজ্যে দুর্নীতির পচা শামুকে সরকারের পা কেঁটে রক্তাক্ত হয়েছে। তবে কেন্দ্রের বারবার বিরোধীদের ঘায়েল করতে সিবিআই ও ইডি-র মতো অস্ত্র ব্যবহারের প্রবণতার সাক্ষী থেকেছে দেশ। এত প্রয়োগের ফলে এই দুই অস্ত্রের ব্যবহার ছিদ্রযুক্ত পাত্রে জল ভরার বৃথা চেষ্টার সামিল হবে না তো? নাকি এবারও বড়শিতে মাছ গাঁথবে? দেখা যাক।

লিখেছেন
tiasa gupta
tiasa gupta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।