কঠিন অসুখ নিয়ন্ত্রণে রাখবে যোগব্যায়াম, কয়েকটি নিয়ম মেনে চললেই বদলাবে জীবন

যোগের মূল মন্ত্র হলো, ভারসাম্য বজায় রাখা। যোগাভ্যাসে শরীরে ভারসাম্য তো আসেই, শরীর এবং মনের সম্পর্কও সুস্থ ও সাবলীল হয়, জগতের সঙ্গে ব্যক্তিমানুষের সম্পর্কেও সুস্থিরতা আসে।

Sindhu Som
৩ মিনিট
কঠিন অসুখ নিয়ন্ত্রণে রাখবে যোগব্যায়াম, কয়েকটি নিয়ম মেনে চললেই বদলাবে জীবন

যোগাসন আমাদের সংস্কৃতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত সেই আদ্যিকাল থেকে। শরীর ঠিক রাখতে নানা ধরনের যোগাসন করতেন মুনি-ঋষিরা। পরবর্তীতে এর স্বাস্থ্য বজায় রাখার গুণাবলির জন্য সমস্ত পৃথিবীই একে গ্রহণ করেছে। বিজ্ঞান একে ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করেছে, শরীরচর্চার একটি বিশেষ পদ্ধতি বলে চিহ্নিতও করেছে।

তবে বর্তমানে এই যোগাসনের গুরুত্ব বেড়েছে অনেকখানি। তার অন্যতম কারণ করোনা অতিমারী। পাটনার অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সেস (এইমস)-এর চিকিৎসক ড. অনিল কুমার জানিয়েছেন, কোভিড সংক্রমণে সবথেকে ক্ষতিগ্রস্ত হয় ফুসফুস। স্বাভাবিকভাবেই ফুসফুসের সবচেয়ে সংবেদনশীল অংশই ক্ষতিগ্রস্ত হয় সবথেকে বেশি। ফলে ফুসফুসের কার্যক্ষমতা কমে যায়। শরীরে অক্সিজেন গ্রহণ করে কার্বন ডাই-অক্সাইড ত্যাগ করার পরিমাণ কমে। অনিল কুমার জানান, যদি ঠিকঠাক চিকিৎসা না হয়ে থাকে, তবে যাদের হাঁফানি রয়েছে, ফুসফুসের অসুখ রয়েছে, ডায়াবেটিস রয়েছে এবং তাছাড়াও যাঁরা দীর্ঘ সময় ভেন্টিলেশনে ছিলেন করোনা-আক্রান্ত হয়ে– এঁদের প্রত্যেকে সারাজীবন শ্বাসজনিত সমস্যায় ভুগবেন।

তিনি আরও জানান, কোভিডে যারা ভুগেছেন সেসময়, প্রায় প্রত্যেকেরই ফুসফুসের ধমনিতে ব্লকেজ রয়েছে। ফলে রক্ত চলাচলের ব্যাঘাত ঘটছে ফুসফুসে। এছাড়া আরও হাজারও সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন তাঁরা। সম্ভাবনা রয়েছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ছোট্ট তুকেই সারতে পারে এইডস! দিশা দেখাচ্ছে নতুন আবিষ্কার

আর ভ্যাকসিন নয়, HIV/AIDS-এর চিকিৎসার জন্য সরাসরি জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংকে হাতিয়ার করতে চলেছেন ইজ়রায়েলের তেল আভিভ ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীরা।

পদ্মভূষণ স্বামী নিরজানন্দ সরস্বতী বলেন, কোভিডের ফলে জনস্বাস্থ্য প্রচণ্ড ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শুধু শারীরিক স্বাস্থ্যই নয়, অতিমারীর কুপ্রভাব পড়েছে মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরেও। পৃথিবীজুড়েই এই নিয়ে গবেষণা চলছে। আলাপ-আলোচনা চলছে। কীভাবে এই প্রভাব কাটিয়ে ওঠা সম্ভব তা নিয়ে চিন্তিত সকলেই। কিন্তু যোগব্যায়াম এই অতিমারীতে অত্যন্ত কার্যকর, প্রমাণিত হয়েছে আবারও। কোভিড-পরবর্তী পরিস্থিতির মোকাবিলায় যোগ ব্যায়াম একটি গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। করোনাকালে সারা পৃথিবীর লোকেই শরীর-স্বাস্থ্য ঠিক রাখার জন্য যোগব্যায়াম অভ্যাস করেছে। অবসাদের সঙ্গে লড়তে ব্যবহার করেছে যোগব্যায়াম। করোনায় আক্রান্ত মানুষের সাইকো-সোশ্যাল কেয়ার, অর্থাৎ মানসিক ও সামাজিক যত্ন নেওয়ায় যোগব্যায়ামের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পুনরায় জীবনের মূল স্রোতে তাদের ফিরতে সাহায্য করছে এই অভ্যাস। ভয় এবং উদ্বেগ কাটানোর এত বড় ওষুধ আর কিছু নেই।

তিনি আরও বলেন যে, যোগের মূল মন্ত্র হলো, ভারসাম্য বজায় রাখা। যোগাভ্যাসে শরীরে ভারসাম্য তো আসেই, শরীর এবং মনের সম্পর্কও সুস্থ ও সাবলীল হয়, জগতের সঙ্গে ব্যক্তিমানুষের সম্পর্কেও সুস্থিরতা আসে। যোগব্যায়ামে একাগ্রতা বাড়ে, সংযম ও ধৈর্য বাড়ে, বাড়ে সুশৃঙ্খলা, নিষ্ঠা এবং অধ্যাবসায়। বৃহত্তর সামাজিক ক্ষেত্র থেকে বিচার করলে যোগব্যায়াম জীবনকে সমৃদ্ধ করে।

১৯৬৩ সালেই স্বামী সত্যানন্দ সরস্বতী মুঙ্গেরে ‘বিহার যোগা স্কুল’ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সেই থেকে একইরকমভাবে যোগাভ্যাসকে মানবিকতার বিকাশের জন্য অত্যন্ত প্রয়োজনীয় একটি বিজ্ঞান বলে প্রচার করে আসছেন তাঁরা। নিরজানন্দ সরস্বতী সত্যানন্দের সার্থক উত্তরসূরি। তিনি মনে করেন, যোগব্যায়াম মানুষের জীবনের নিয়মিত অভ্যাসে পরিণত হওয়াটা খুব জরুরি। তিনি আরও জানান, যোগব্যায়ামে স্বাস্থ্য বজায় থাকে, ফলে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়। আবেগে নিয়ন্ত্রণ আসে, মন সুস্থির হয়। মনকে স্বচ্ছ রাখে এই অভ্যাস। আনন্দ, সাম্য, ধৈর্য, সৃষ্টিশীলতা এবং ইতিবাচক চিন্তাও বাড়িয়ে তোলে এই অভ্যাস। এই বিষয়ে একমত ড. অনিল কুমারও। তিনি জানান, অবসাদের হাত থেকে বাঁচতে, উদ্বেগ এড়াতে, করোনা-পরবর্তী নানারকম অসুবিধার হাত থেকে বাঁচতে যোগ, প্রাণায়াম, অনুলোম-বিলোমই শ্রেষ্ঠ উপায়। আর যাঁদের ফুসফুসের সমস্যা রয়েছে, তাঁদের অবশ্যই যোগ করা উচিত।

প্রসঙ্গত, যোগের মূল তিনটি স্তম্ভ আসন, প্রাণায়াম এবং ধ্যান। এই তিনটিই মানসিক উদ্বেগ কাটাতে সাহায্য করে। এর অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি গুণাগুণ প্রাকৃতিক মারণ কোষের (এন কে) সংখ্যা কমায়, সি-রিঅ্যাকটিভ প্রোটিন (সি আর পি) ও টি-সেল সাইটোকাইন (আই এল-১২, আই এল-৬)-এর মাত্রা কমায়, অপরদিকে অ্যান্টি ইনফ্লেমেটরি সাইটোকিন (আই এল-১০)-এর মাত্রা বাড়ায়। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যোগের ফলে মেলাটোনিন, হরমোনের ভাইরাসরোধী ক্ষমতা, প্রদাহরোধী গুণ প্রভৃতি বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবন থাকে। কোভিডের ফলে শুধু যে রোগীরাই প্রচণ্ড উদ্বেগে ভোগেন— এমন নয়, সঙ্গে রোগীর পরিবার এবং স্বাস্থ্যকর্মীরাও ভুগতে থাকেন চরম উদ্বেগে। কখন কী ঘটে, কে বলতে পারে! মানসিক চাপ শরীরের রোগ বা সংক্রমণ প্রতিরোধের ক্ষমতা কমায়, এবং প্রদাহসৃষ্টিকারী নানারকম অসুবিধা বাড়িয়ে তোলে, ফলে টিস্যু নষ্ট হওয়া থেকে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটে যেতে পারে।

করোনার ফলেও আই এল-৬, সি আর পি বা ফেরিটিনের মতো ইনফ্লেমেটরি মার্কার বেড়ে যায় শরীরে। যোগাভ্যাস মানসিক চাপমুক্ত করে, উদ্বেগ কাটিয়ে উঠতে সাহায্য করে উপসর্গহীন কোভিগ রোগীদেরও। আইসোলেশনে থাকার সময় এই যোগাভ্যাস অত্যন্ত কার্যকর। এছাড়া স্বাস্থ্যকর্মীদের বার্নআউট সিনড্রোম কমাতেও যোগাভ্যাস বেশ উপকারী। উপসর্গযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রেও একে থেরাপি হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। একদম অল্প থেকে মোটামুটি মাত্রায় আক্রান্ত অ্যাকিউট রেসপিরেটরি ডিসট্রেস সিনড্রোম (এ আর ডি এস)-এর রোগী, যাঁরা কৃত্রিম অক্সিজেন নিতে বাধ্য হচ্ছেন হাইগ ফ্লো অক্সিজেন ক্যানিউলা বা নন-ইনভেসিভ মেকানিক্যাল ভেন্টিলেটরের মাধ্যমে, তাঁদের ক্ষেত্রেও কার্যকর এই থেরাপি। নানা ধরনের আসন, প্রাণায়াম- এইসব রোগীদের শেখানো সম্ভব কম্পিউটার, মোবাইল বা ট্যাবলেটের পর্দাতেই। বর্তমানে কোভিড পেরিয়ে আসা রোগীদের ক্ষেত্রেও এই যোগাভ্যাস অত্যন্ত কার্যকর- অন্তত তেমনটাই জানাচ্ছে গবেষণা।

লিখেছেন
Sindhu Som
Sindhu Som
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

চিনির বিকল্প স্টেভিয়া! ঘরের বাগানে রাখা যায় যে ‘মধু পাতা’

Stevia benefits: গাছ থেকে সদ্য তোলা কাঁচা পাতা কিংবা রোদে শুকিয়ে নেওয়া পাতা সরাসরি চা বা যেকোনো পানীয়ের সঙ্গে মিশিয়ে ব্যবহার করা যায়। এতে চিনির মতো একই রকম মিষ্টতা পাওয়া যায়। স্টিভিয়ার নির্যাস থেকে তৈরি মিষ্টান্ন ডায়াবেটিস রোগীরা খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধির ঝুঁকি থাকে না বললেই চলে।

ফুটপাথের ধারের সেই খাবার যেভাবে হয়ে উঠল কলকাতার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য

Kolkata Street food history: সুতানুটি-গোবিন্দপুর-কলিকাতার শ্রমজীবী মানুষের তৃপ্তির জন্য জন্ম হয়েছিল ফুটপাতের খাবারের। ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের 'সংবাদ প্রভাকর' থেকে হুতোম প্যাঁচার নকশা, এফএও সমীক্ষা থেকে এফএসএসএআই আইন হয়ে ২০২৫ সালে রাসেল স্ট্রিটে প্লাস্টিক-মুক্ত ফুড হাবের জন্ম। কলকাতার স্ট্রিট ফুড আজও এই শহরের প্রাণ। এই শহরের অন্যতম ঐতিহ্য।

জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি কেন আরশোলার মৃত্যুতে দুঃখ পেয়েছিলেন?

Sanae Takaichi cockroach story: ঘটনাটি আপাতদৃষ্টিতে খুব সাধারণ। সরকারি বাসভবনে গভীর রাতে একা কাজ করতে গিয়ে তিনি একটি আরশোলা দেখতে পেয়েছিলেন। সচরাচর আরশোলা দেখলে তিনি চিৎকার করে ওঠেন, কিন্তু সেদিন তিনি সেটিকে মারেননি।

স্ট্রেস কি সবসময় খারাপ? কখন স্বাভাবিক চাপ হয়ে ওঠে মানসিক স্বাস্থ্যের ঝুঁকি?

mental stress: একটি ইঁদুরের উপর পরীক্ষা করতে গিয়ে তারা দেখেছেন, একটি নির্দিষ্ট সীমা পর্যন্ত ইঁদুরটির মধ্যে স্ট্রেস বাড়ানোর সঙ্গে তার কাজকর্মের মান আরও উন্নত হয়েছে। কিন্তু নির্দিষ্ট সীমা পার করবার পর পরই তার ফলাফল করার সর্বোচ্চ সম্ভাবনা ক্রমশ কমতে কমতে শেষে সেটা প্রায় শূন্যতে নেমে গিয়েছে।

নিজের সর্বস্ব দিয়ে হাসপাতাল গড়েছিলেন রাধাগোবিন্দ কর

History of RG Kar Medical College and Hospital: আজ যে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল বারবার খবরের শিরোনামে, তার দীর্ঘ ইতিহাস কী? কে ছিলেন রাধাগোবিন্দ কর, যিনি নিজের সম্পত্তি বিক্রি করে গরিব মানুষের চিকিৎসার জন্য হাসপাতাল গড়ে তুলেছিলেন? প্লেগের সময় মানুষের পাশে দাঁড়ানো, বাংলায় চিকিৎসাবিজ্ঞান চর্চা ও সমাজসেবায় তাঁর অবদান আজ কতটা মনে রাখা হয়েছে?

হিরোশিমা-নাগাসাকির আগুন থেকে বেঁচে যাঁরা, কেমন ছিল তাঁদের পরের জীবন?

Hiroshima, Nagasaki: বিস্ফোরণের বহু বছর পর এমিকোর ঘরে মেয়ে এল, আর তারও পর জন্ম নিল এমিকোর নাতনি কাজুমি কুওয়াহারা। নবজাতক নাতনিকে দেখে চিকিৎসকেরা পরিষ্কার জানিয়ে দিলেন, "এই বাচ্চা তিন দিনের বেশি বাঁচবে না।" জিনের ভিতরে লুকিয়ে থাকা কোনো অজানা দুর্বলতা যেন জন্ম থেকেই জাপটে ধরেছিল ছোট কাজুমিকে।

কেন কম ঘুমেও কেউ সুস্থ, কেউ হারাচ্ছেন স্মৃতি? জানালেন গবেষকরা

sleep deprivation and brain health: গবেষণার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে AQP4 (Aquaporin-4) নামে একটি জিন। এই জিনকে অনেকটা মস্তিষ্কের 'সাফাই কর্মী' বলা যায়। আমরা যখন গভীর ঘুমে থাকি, তখন মস্তিষ্কে শুরু হয় এক বিশেষ পরিষ্কার করার কাজ। সারাদিনে জমে থাকা বর্জ্য এবং আলঝাইমার্স রোগের সঙ্গে যুক্ত ক্ষতিকর প্রোটিন এই সময় ধীরে ধীরে শরীর থেকে বেরিয়ে যেতে সাহায্য করে। আর সেই গুরুত্বপূর্ণ কাজে বড় ভূমিকা পালন করে AQP4 জিন।