বঙ্গ বিজেপি-তে সৌমিত্র কাঁটা! পঞ্চায়েতের আগে কেন কোন্দলে জেরবার দল

Saumitra Khan: রাজনৈতিক রাতের শান্তির ঘুমের আগেই ফের আড়মোড়া ভেঙেছেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ।

Ramen Das
৬ মিনিট
বঙ্গ বিজেপি-তে সৌমিত্র কাঁটা! পঞ্চায়েতের আগে কেন কোন্দলে জেরবার দল

সংসার থাকলে তাতে অশান্তিও হবে! বঙ্গ বিজেপির অভ্যন্তরে দিলীপ-অস্বস্তি ঢাকতে বারবার এমন কথা বলছিলেন নেতারা। গেরুয়ার ঘরে প্রশ্ন উঠছিল, তাহলে কি ক্রমশ বিভেদ আর বিদ্বেষের আগুনে ভস্মীভূত হচ্ছে নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ-র সাধের বঙ্গ-দল! মিঠুন-আবহ, পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগেই ফের কাদায় মাখামাখি হচ্ছে মুরলীধর সেন লেনের দফতর!

একাধিক প্রশ্ন আর জল্পনার রাজনৈতিক রাতের শান্তির ঘুমের আগেই ফের আড়মোড়া ভেঙেছেন বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ। বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের বিজেপি সাংসদ মুখ খুলেছেন দলীয় সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের বিরুদ্ধে! অর্থাৎ, দলে থেকে সরব হয়েছেন দলের নেতার বিপক্ষে! যা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক। প্রশ্ন উঠেছে বঙ্গের বিজেপির অবস্থান নিয়েও। কেন বারবার এই অবস্থার সম্মুখীন হচ্ছে বিজেপি? কেন গড়তে গিয়েই ভাঙছে গেরুয়া শিবির? এই প্রশ্নের উত্তর আমরা খোঁজার চেষ্টা করব। কিন্তু তার আগে দেখে নেওয়া যাক, ঠিক কী কারণে আবার বিতর্কের সূত্রপাত।

কী বলেছিলেন সৌমিত্র

"যেটা ঠিক সেটা ঠিক, যেটা ভুল সেটা ভুল, এটা আমি সর্বদা বলবই। সুকান্ত মজুমদারকে আমি মানি না, আমি দিল্লির নেতাদের দেখে দল করি, তাই করব।'' বুধবার বিজেপি সাংসদ আরও বলেন, ''শুভেন্দুদা আর দিলীপদা ছাড়া বাকি সব অযোগ্য লোক মাথায় বসে আছেন, আগামী নির্বাচনে বিজেপির ফল খারাপ হতে পারে।''

সৌমিত্রের এই মন্তব্যের পরেই ফের ঢেউ ওঠে বিতর্কের। দলে থেকে দলের নেতৃত্বের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য 'হামলা' নিয়ে অস্বস্তিতে পড়ে বিজেপি। কোর কমিটিতে নিজের নাম না দেখেই সরব হন তিনি! এর সঙ্গেই রাঢ়বঙ্গের পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব থেকেও সৌমিত্রকে সরিয়ে আর এক সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়কে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এই লকেটকে নিয়েও একদা চাপে পড়েছিল বঙ্গ বিজেপি। তৃণমূলে যাচ্ছেন হুগলির সাংসদ, শুরু হয়েছিল এই জল্পনাও।

এই প্রসঙ্গে ইন্সক্রিপ্ট যোগাযোগ করেছিল সৌমিত্র খাঁয়ের সঙ্গে। তিনি আমাদের জানান, ''আমি যা বলেছি সেই অবস্থানেই অনড়। ওটাই বারবার বলব। সেটাই ঠিক বলে মনে করি। আর এতে আমার দল যদি এই কারণে আমার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়, আমাকে দল থেকে তাড়িয়ে দেয়, বহিষ্কার করে, তাহলেও আমি তৃণমূলে যাব না। এখানেই থাকব। এখানেই কাজ করব।''

বিষোদগার-ইতিহাস

সৌমিত্র বলছেন দলের প্রতি আনুগত্যের কথা। দলের প্রতি দায়বদ্ধতার কথা। কিন্তু দলে থেকেই দলের সভাপতির বিরুদ্ধে বিষোদগার কি শুধুই আজ? খতিয়ে দেখলে দেখা যায়;

২০২১ সাল। সবেমাত্র শেষ হয়েছে বিধানসভা নির্বাচন। প্রবল উদ্যমে থাকা বিজেপি-র ক্ষমতা লাভের স্বপ্নে মশগুল থাকা ভেঙেছে হঠাৎ। আসন বাড়িয়েও নাস্তানাবুদ হয়েছে বঙ্গের বিজেপি। সেই শুরু। একের পর এক নেতা মুখ খুলতে শুরু করলেন। কেউ কেউ বললেন, ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমেছেন! কেউ বললেন সুযোগের সদ্ব্যবহার! কিন্তু আদতে যা দাঁড়াল, তা হল; মুখ খুললেন বিজেপি নেতারা। যেমন তথাগত রায়। বিজেপি-র প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি সরব হলেন দিলীপ ঘোষদের বিরুদ্ধে। দলের অবস্থান নিয়ে একের পর টুইটে অস্বস্তি বাড়াতে শুরু করলেন তিনি। যে সমস্যার সূত্রপাত মুকুল রায়ের দল পরিবর্তনের পরে। যে মুকুলকে ঘিরে একদা বিজেপি-র রাজনীতি, বঙ্গের রাজনৈতিক ওঠানামা বিবর্তিত হচ্ছিল, সেখানে দাঁড়িয়ে সেই মুকুলের ঘরে ফেরা প্রবল অস্বস্তি বাড়িয়েছিল গেরুয়া শিবিরের। এমনকি বিধানসভার পাবলিক অ্যাকাউন্টস্ কমিটির চেয়ারম্যান পদ নিয়েও তৈরি হয়েছিল, মুকুল তুমি কার! এই জল্পনা।

আবার সুজাতা মণ্ডল। বিজেপি নেত্রী-সৌমিত্রের প্রাক্তন স্ত্রী-র তোপে বিপর্যস্ত হয়েছিল বঙ্গের বিজেপি। যে কোন্দল, মুকুল-শুভেন্দু-রাজীব সূত্রে ভোগ করত তৃণমূল। সেই কোন্দল যেন বুমেরাং হল বিজেপি-র অন্দরে। দিল্লির নেতাদের ব্যর্থতায় পর্যবসিত হলেন একের পর এক নেতা। সুজাতা দল বদলে নিলেন। প্রবল তৃণমূল আর মমতার বিরুদ্ধে সরব হওয়া নেত্রী, মমতার পদাঙ্ক অনুসরণ করে তোপ দাগলেন বিজেপি-র বিরুদ্ধে। যদিও তখন দায়িত্বে দিলীপ ঘোষ।

এরপর একাধিক নেতার কথায় লাগাম লাগাতে পারেননি সুকান্তরা। এমনকি দিলীপ ঘোষ। তিনিও সরব হয়েছেন সুকান্তের বিরুদ্ধে। অভিজ্ঞতা নিয়ে কটাক্ষ করতেও বাঁধেনি তাঁর। শুভেন্দু আর সুকান্ত, দলের কর্মসূচি ঘোষণা নিয়েও লেগেছে দ্বন্দ্ব। এমনকি মিঠুন চক্রবর্তী প্রসঙ্গেও দুই ভাগ হয়েছে দল। এবারও তার অন্যথা হয়নি সৌমিত্রর 'দুই দাদা'র দলে বিভক্ত বঙ্গ বিজেপি।

বিরোধী প্রতিক্রিয়া

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
২৪ বছর পর কংগ্রেসের হাল গান্ধী পরিবারের হাতের বাইরে! কোন পথে এগোবেন মল্লিকার্জুন খাড়্গে

Congress President Election: কেন শেষ হাসি হাসলেন মল্লিকার্জুন খাড়্গে? কেন এগিয়ে রইলেন এই প্রবীণ নেতা, কী হতে চলেছে তাঁর আগামীর পথ?

আর এই বিভেদ মিটিয়ে ঘর গোছাতে ব্যস্ত কেন্দ্রীয় নেতারা। অমিত মালব্যরা চাইছেন মিটে যাক সব! ভোটের আগে এসব আর হবে কেন! কিন্তু মিটছে সবটা? কেন এমন হচ্ছে বারবার? বিজেপি কী বলছে তার আগে আমরা যোগাযোগ করেছিলাম একাধিক বিজেপি-বিরোধী রাজনৈতিক দলের প্রবীণ নেতাদের সঙ্গে।

তৃণমূল সাংসদ-অন্যতম প্রবীণ তৃণমূল নেতা সুখেন্দুশেখর রায় ইন্সক্রিপ্ট-কে বলেন, ''ওরা তো দলত্যাগীদের দল। দালালদের দল। সেই সমস্ত লোকগুলো আজ ওদের নেতা। বারবার এসব ঘটে। নিজেদের মধ্যে বিদ্বেষ, ঝামেলা, অশান্তি নিয়েই ঘর করে বিজেপি। সেটাই হয়েছে আবার!''

একই প্রসঙ্গে ইন্সক্রিপ্টে দক্ষিণ ২৪ পরগনার সিপিআইএম জেলা সম্পাদক শমীক লাহিড়ীর মন্তব্য, ''এটা ওদের দলের অন্দরের বিষয়। কিছু বলব না। তবে একথা বলা যায় যে, ওঁদের দলে তো এরকম দলীয় কোন্দল দেখতে পাওয়া যায় বারবার। দলাদলি হয়। কে কার দলে যাবেন-আসবেন, এসব নিয়েই তো বিজেপি!''

আর বিজেপি? বঙ্গের একাধিক গেরুয়া নেতার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলাম আমরা। এই বিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ অনেকেই। যদিও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, বিজেপির এক নেতা আমাদের জানান, ''সৌমিত্র যেটা বলছেন বা করছেন সেটা দিলীপদা দায়িত্ব থেকে যাওয়ার পরে অনেকেরই মনের কথা। যদিও প্রকাশ্যে এটা বলা ঠিক হয়নি। এর ফলে দল ওঁর বিরুদ্ধে নিশ্চিত কোনও পদক্ষেপ করতে পারে। আর ভোটের আগে বলে নয়, একজন দলীয় কর্মী বা নেতা হিসেবে ক্ষোভ থাকতে পারে, তবে সেটা বাইরে বলে হাস্যকর, অস্বস্তির পরিস্থিতি তৈরি করা খারাপ!''

তাহলে কি সৌমিত্ররা যা বলেছেন এটাই সত্যি! সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্বে আরও অগোছালো হচ্ছে বিজেপি। মিঠুন-দুর্নীতি-নিয়োগ, জেলবন্দী তৃণমূল নেতা-মন্ত্রীর মতো তৃনমূলের বিরুদ্ধে হাতেগরম ইস্যু থাকলেও কাজে লাগাতে পারছে না এ রাজ্যের বিজেপি নেতৃত্ব! পরোক্ষে সব ছেড়ে রাজ্যে দল বাঁচিয়ে রাখতেই বেশি নজর দিতে হচ্ছে তাঁদের?

কোন্দলের সাতকাহন

এই বিষয়ে রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, ব্যাপারটা এত সহজেই ভেবে নেওয়া যাবে না। কারণ;

এক, সুকান্ত মজুমদার শিক্ষিত, অধ্যাপক। দলের সাংসদ। তিনি দিলীপ ঘোষের মতো আলপাটকা মন্তব্য করে জনপ্রিয় হননি ঠিকই, কিন্তু দলের সংগঠনে যে তাঁর হাত নেই, একথা অস্বীকার করা যাবে না।

দুই, কারা মুখ খুলছেন? তথাগত রায় ছাড়া, বাকি যাঁরা যাঁরা বলছেন এঁদের ঠিক কতটা গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে জনমানসে। অর্থাৎ, যে সৌমিত্র খাঁ বা মুকুল রায় অথবা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, কেউ দল ছেড়েছেন বা মুখ খুলেছেন দলের বিরুদ্ধে। এঁরা তো প্রত্যেকেই এসেছেন অন্য দল থেকে। বিজেপি-র অসময়ের অথবা প্রথম থেকেই বিজেপি-র লোক নন।

তিন, দিলীপ ঘোষ-পরবর্তী সময়ে সুকান্ত মজুমদার দলের নিচুতলা থেকে ওপরতলার সংগঠন সাজিয়েছেন। বলা হয়, সেখানে তাঁর কাছের বহু লোকের জায়গা হয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে মুখ খোলা কম সংখ্যক নেতারা যে অচিরেই বাদ পড়বেন একথা প্রায় নিশ্চিত।

চার, সৌমিত্রদের সরব হওয়া একটা সময় নিষ্ক্রিয় লকেটদের ফের সক্রিয় করছে, অর্থাৎ বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্ব মূলত একটা অংশের বিদায় এবং আর এক অংশের আগমন নিশ্চিত করেছে।

পাঁচ, দলের প্রয়োজনে কিছু নেতাকে সামনে নিয়ে আসছে রাজ্য বিজেপি। যাঁরা ফের দলের হয়ে এগোচ্ছেন।

ছয়, মূলত সুকান্ত বিরোধী গোষ্ঠীকে রাজনৈতিক পাত্তা না দেওয়ার কৌশলও নিতে পারে বিজেপি। যাতে জনমানসে বিরোধী গোষ্ঠীর প্রাধান্য কমে।

সাত, দিলীপের মতো নেতা শুধু নন, আজ প্রকাশ্যে কম দেখা যায় একদা বিতর্কিত নেতা সায়ন্তন বসুদের। এঁদের এই সংকটের মোচনে ফিরিয়ে আনার কৌশলে বাকিদের নিষ্ক্রিয় করতে পারেন সুকান্তরা।

শুভেন্দু এবং সুকান্ত প্রসঙ্গ

সৌমিত্র দাবি করেছেন, শুভেন্দু ভালো। কিন্তু এখানেই প্রশ্ন তুলেছেন কেউ কেউ। একই দলের দুই নেতা। একজন দলের রাজ্য সভাপতি এবং অন্যজন দলের বিধায়ক, বিরোধী দলনেতা। এই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে দলের জন্য দু'জনেরই সচেষ্ট হওয়া কার্যকরি ভূমিকা পালন করে। ঠিক সেই অবস্থানে, দু'জনের মধ্যে মতবিরোধ অন্দরে থাকলেও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব চাইবে না তা প্রকাশ্যে আসুক। সেখানে শুভেন্দু বা সুকান্ত। কেউই প্রকাশ্যে মুখ না খুলেই চেষ্টা করবেন দলকে শক্ত করতে, যাতে রাজ্যে সফলতা পায় বিজেপি। না হলে, সেই ব্যর্থতার দায় নিতে হবে এই দু'জনকেই। সেখানে দাঁড়িয়ে এই কোন্দলের প্রশ্ন উঠলেও তা অন্তত প্রকাশ্যে ধোপে টেকার সম্ভাবনা কম।

দিলীপ বনাম সুকান্ত

একাধিক মন্তব্যে দিলীপ ঘোষ বুঝিয়েছেন, তিনি অভিজ্ঞ, সুকান্ত নবীন। তাই রাজ্যের সভাপতি পদ নয়া সভাপতির জন্য উপযুক্ত নয়। প্রকাশ পেয়েছে কোন্দল। একদা দলের বৈঠকে প্রবেশ করতে পারেননি দিলীপ। এর ফলে এই কোন্দলের আবহ ছড়িয়েছে একটা সময় গ্রামগঞ্জের বিজেপির মুখ দিলীপ গোষ্ঠীর মধ্যে। দলের মধ্যেই তৈরি হচ্ছে বিভেদ। বিচ্ছেদ। আর তার প্রভাব পড়েছে সংগঠনে।

রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দিলীপ আর এই বিভেদ সৌমিত্রর বলার সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তিত হবে না। কারণ, পোড়খাওয়া রাজনীতিক দিলীপ ঘোষ এসব বললেও আসলে বিজেপি-র হয়ে লড়াইয়ে যে তিনিও সামনের সারিতে একথা বারবার বুঝিয়ে দেবেন। দলের কোর কমিটির নাম তালিকা দেখলেও সেকথা বোঝা যায়। তাই কোন্দল, মতবিরোধ থাকলেও আসলে দিলীপ-সুকান্ত দলের জন্য এক, একথা প্রমাণের দায়ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব বর্তাবে তাঁদের ওপর।

সৌমিত্রকে উপেক্ষা

চাকরি সংক্রান্ত দুর্নীতি। একের পর এক তৃণমূল নেতা, মন্ত্রীর জেল যাপন, রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে রয়েছে বহু ইস্যু। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে রাজ্যের অন্যতম বিরোধী রাজনৈতিক দল হিসেবে এই সুযোগ হাতছাড়া করবে না বিজেপি। তাই সৌমিত্রকে সুকৌশলে এড়িয়ে যাওয়ার মধ্যে এই নতুন ইস্যুকে ধামাচাপা দেওয়ার রাজনৈতিক কৌশল নিতে পারেন রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। যা না করলে আসল বিষয় থেকে দৃষ্টি ঘুরে গিয়ে দলের সংগঠনে চাপ পড়বে, এমন মনে করছেন কেউ কেউ।

সামগ্রিক পরিস্থিতির আবহে সৌমিত্র এবং সুকান্তকাণ্ডে যেমন বঙ্গ বিজেপি-র জতু গৃহের খানিকটা আভাস মিলেছে। যেমন প্রত্যেক মুহূর্তে তৃণমূলের অক্সিজেন বৃদ্ধি হয়েছে। বিজেপি-র ভাঙন চওড়া হয়েছে, অনুরূপভাবে বিজেপি-ও চেষ্টায় সরব হয়েছে সৌমিত্র এড়িয়ে যাওয়ার, যাতে বিষয়টি নিয়ে জলঘোলা হয়ে পাক তৈরি হওয়ার আগেই সেখানে কীটনাশক প্রয়োগ করা হয় সত্তর। তাই, বঙ্গের রাজনৈতিক আবহে সিঙ্গুর, টাটা আর মমতা উবাচের আধারে বারবার অনুরণিত সৌমিত্র যেন খানিকটা মলিন হয়েছেন ফের!

লিখেছেন
Ramen Das
Ramen Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

প্রতিবেশীর ধর্ম দেখব না! গির্জায় হামলায় যা বলছে বাসন্তী

Basanti church: গির্জার সদস্য প্রদীপ মণ্ডল ইনস্ক্রিপ্টকে জানিয়েছেন, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ চার্চ অফ নর্থ ইন্ডিয়ার (CNI) বিশপ সুব্রত চক্রবর্তী পার্শ্ববর্তী এলাকার কয়েকটি গির্জার যাজকদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রা করে নারায়ণতলার নবনির্মিত গির্জায় পৌঁছন। তাঁদের স্বাগত জানাতে গির্জার ভিতরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রার্থনা শুরুর ঠিক আগে ৩০-৩৫ জনের একটি দল জোর করে গির্জায় ঢুকে পড়ে বলে দাবি তাঁর।

পাঁচ খুনের 'বদলা'? এবার গুয়াহাটিতে এনকাউন্টার পুলিশের

Guwahati Encounter: গুয়াহাটিতে হোটেলে ঢুকে পাঁচ জনকে খুনের অভিযোগে ধৃত ঘনকান্ত গগৈ পুলিশের গুলিতে নিহত। পুলিশের দাবি, হেফাজত থেকে পালিয়ে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল সে। একই সময়ে মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস ও ভোপালে পৃথক এনকাউন্টারে তিন অভিযুক্ত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কয়েক দিন আগেই বাংলায় গাইঘাটা ও সামশেরগঞ্জে দুই অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছিল।

আমেরিকার প্রথম মুসলিম সেনেটর, ট্রাম্পের ইসলামবিদ্বেষী প্রচারকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন আবদুল এল-সায়েদ

Abdul El-Sayed: নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর দলের একাধিক নেতা এল-সায়েদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ইসলামবিদ্বেষী প্রচার চালিয়েছিলেন। তাঁর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে তাঁকে আমেরিকার নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল।

কেন মিডটার্ম নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

US Midterm Elections 2026: মার্কিন মিডটার্ম নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধাক্কা। কেন ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

মিডটার্ম নির্বাচন: সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেতে চলেছে ট্রাম্পের বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা

US Midterm Elections 2026: ভোটের লড়াইয়ে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে শুরু করেছে বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা।

রামলীলার পর কী? কী করবেন বিরোধীরা?

INDIA bloc Unity Under strain: ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ স্লোগানে ১ নভেম্বর রামলীলা ময়দানে ২১ দল একজোট হলেও মঞ্চ শেষেই ভেতরের টানাপোড়েন স্পষ্ট। বাম নেতাদের বক্তৃতায় প্রাধান্য, ‘ফ্যাসিবাদ’ বিরোধী সুর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘জাতীয় ভূমিকা’র সতর্কবার্তা। প্রিয়াঙ্কা, সুপ্রিয়া সুলে, সঞ্জয় রাউত বক্তৃতার সুযোগ না পাওয়ায় শরিক-অসন্তোষ।

ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিতে বিপাকে ভারতীয়রা, মিডটার্ম নির্বাচনে কতটা প্রভাব পড়বে?

US Midterm Elections 2026: ২০২৬ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ভোটারদের ৬২% ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে। ট্রাম্পের এইচ-১বি ভিসা কড়াকড়ি ও অর্থনৈতিক নীতির জেরে ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানাল কার্নেগির সমীক্ষা।

রামলীলার সভার জন্য ক্ষতি হয়েছে ছোট দোকানদারদের, কতটা প্রচার, কতটা সত্যি?

loss claim for Ramlila rally: রামলীলা ময়দানের সমাবেশ ঘিরে ছোট দোকানদারদের ‘২.৫ লক্ষ দোকান বন্ধ’ ও ‘১০-১১ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি’র দাবি আসলে, দিল্লির ব্যবসায়ী সংগঠন সিটিআই-এর অনুমান আসলে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের হিসাবের ভিত্তিতে করা হয়েছে। বিজেপি-কংগ্রেস পাল্টাপাল্টি অভিযোগে এই সংখ্যাগুলি এখন রাজনৈতিক হাতিয়ার।