২৪ বছর পর কংগ্রেসের হাল গান্ধী পরিবারের হাতের বাইরে! কোন পথে এগোবেন মল্লিকার্জুন খাড়্গে
Congress President Election: কেন শেষ হাসি হাসলেন মল্লিকার্জুন খাড়্গে? কেন এগিয়ে রইলেন এই প্রবীণ নেতা, কী হতে চলেছে তাঁর আগামীর পথ?

যেমন ভাবা তেমন কাজ! অবশেষে দিল্লির কংগ্রেসি লাড্ডু ছিনিয়ে নিলেন ৮০ বছরের প্রবীণ মল্লিকার্জুন খাড়্গেই। জল্পনা সত্যি করে অবশেষে ২৪ বছর পর ১৩৭ বছরের কংগ্রেস দলের সর্বেসর্বা হচ্ছেন তিনিই। দক্ষিণ ভারতের এই রাজনীতিক বুধবার জয় পেলেন কংগ্রেসের সভাপতি নির্বাচনে। ৭৮৯৭ ভোট পেলেন মল্লিকার্জুন খাড়্গে। সোমবার মোট পড়ে ৯৩৮৫টি। যার মধ্যে ৪১৬টি ভোট বাতিল হয় বলে জানা গিয়েছে। ফের বহু বছর পর অ-গান্ধী পরিবারের কেউ হাল ধরলেন নুইয়ে পড়া দলের। যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় সোমবার। দেশজুড়ে কংগ্রেসের দফতরে ভোট দেন ইলেক্টোরাল কলেজের প্রায় ৯৩০০ প্রতিনিধি। বুধবারের ফলাফলে সেই নির্বাচনেই এগিয়ে রইলেন খাড়্গে। আর শশী থারুরের তরফে অভিযোগ উঠল নির্বাচনের পদ্ধতি নিয়েই। হেরে গিয়েও হারিনি, এমন মনোভাবেই চূড়ান্ত নাটক কংগ্রেসের অন্দরে।
কিন্তু কেন শেষ হাসি হাসলেন মল্লিকার্জুন খাড়্গে? কেন এগিয়ে রইলেন এই প্রবীণ নেতা, কী হতে চলেছে তাঁর আগামীর পথ? এর বিস্তারিত ব্যাখ্যার সঙ্গেই এক নজরে দেখে নেওয়া যাক, কে এই খাড়্গে। কীভাবে উত্থান তাঁর।
জন্ম-শিক্ষা-কর্ম পারিবারিক খাড়্গে
২১ জুলাই, ১৯৪২। কর্নাটকের বিদারে জন্ম হলো মল্লিকার্জুনের। মোপান্না খাড়্গের পুত্রের স্কুল জীবন সম্পন্ন হয় নূতন বিদ্যালয় থেকে। তারপর গুলবার্গ সরকারি কলেজ ছাড়িয়ে শেঠ শংকরলাল আইন কলেজে পড়াশুনা। এরপর সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি শিবরাজ পাটিলের সঙ্গে শুরু আইনের কাজ। এরপর থেকেই আইনজীবী হিসেবে প্রতিষ্ঠা পেতে থাকেন তিনি। ৫ সন্তান এবং স্ত্রী রধাবাইকে নিয়ে তাঁর সংসার। ২০০৬ সাল নাগাদ নিজেকে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের বলে দাবি করেন। আইনজীবী হিসেবে একাধিক মামলা, কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে আদালতে কংগ্রেসের হয়ে রুখে দাঁড়ানোয় তিনিই ছিলেন অগ্রগণ্য। মামলার কাজে কলকাতা হাইকোর্টে এসেছেন একাধিকবার।
রাজনৈতিক জীবনে মল্লিকার্জুন
১৯৬৯ সালের গুলবার্গ সরকারি কলেজ থেকে ছাত্র সংগঠনে যোগ। ক্রমশ বাড়ে প্রভাব। নেতা হিসেবে সংগঠনে জায়গা পান খাড়্গে। এরপর এম কে মিলস শ্রমিক সংগঠনের আইনি পরামর্শদাতা হিসেবে নিযুক্ত হন মল্লিকার্জুন। সংযুক্ত মজদুর সংঘের নেতার জীবন ছাড়িয়ে গুলবার্গের আঞ্চলিক কংগ্রেস কমিটির নেতা হিসেবে কাজ শুরু করেন তিনি। এরপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাঁকে। এগিয়ে গিয়েছেন রাজনৈতিক কেরিয়ারে।
১৯৭২-এ কর্নাটকের গুর্মিতকাল আসন থেকে বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হলেন তিনি। জিতলেন। ১৯৭৩ সালে অক্টোই অ্যাবোলিশন কমিটির প্রধান হলেন। ১৯৭৪ নাগাদ রাজ্যের লেদার উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান। ১৯৭৬ সালে পেলেন প্রাথমিক শিক্ষা দফতরের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব। ১৯৭৮ এ ফের জিতলেন বিধানসভা নির্বাচনে। ১৯৮০ নাগাদ রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী। ১৯৮৫, ১৯৮৯ পরপর বিধানসভা নির্বাচনে জয়। ১৯৯০ সালের ফের মন্ত্রী। ১৯৯৯ সালে ফের বিধানসভা নির্বাচনে জিতলেন তিনি। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা হিসেবে শুরু করলেন কাজ।
রাজকুমার অপহরণ-সহ একাধিক কাণ্ডে, কর্নাটকের অভিজ্ঞ রাজনীতিক হিসেবে তাঁর ভূমিকা ছিল চোখে পড়ার মতো। ২০০৫ সালে গান্ধী পরিবারের ভরসায় কর্ণাটক কংগ্রেসের সভাপতি হলেন মল্লিকার্জুন। ২০০৮ এ ফের ওই রাজ্যে ভালো ফল করল তাঁর দল। কিন্তু বিরোধী আসনে বসে বিরোধী দলনেতা হলেন তিনি। ২০০৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে জিতে দিল্লির অলিন্দে পা দিলেন তিনি।
২০১৪-র লোকসভায় জয় ২০১৯ এর হার, তাঁর জীবনের লোকসভা-পর্বের পর ২০২০ সালে রাজ্যসভার সাংসদ হিসেবে ফের সংসদে প্রবেশ ঘটল খাড়্গের।
মল্লিকার্জুনের জয়ের কারণ
তাঁর সভাপতি পদে নির্বাচিত হওয়া নিয়ে প্রকাশ্যে খুশি ব্যক্ত করছেন এই রাজ্যের কংগ্রেস নেতারা। কিন্তু অন্দর বলছে অন্য কথা। প্রকাশ্যে কেউ কিছু বলতে এড়িয়ে গেলেও আমাদের প্রশ্নের উত্তরে যা ইঙ্গিত দিয়েছেন, তাঁর সারমর্ম করলে দাঁড়ায়, এই রাজ্যের একটা বড় অংশ শশী থারুরের জয় নিয়ে আশাবাদী ছিলেন। অর্থাৎ তিনি জিতুন, কংগ্রেসের হাল ধরুন। একথা ভেবেছিলেন তাঁরা। কিন্তু খানিকটা জল্পনা আগে থেকেই ছিল যে, মল্লিকার্জুন জিততে পারেন। তাই বিতর্ক যাতে বাড়ে এমন কাজ করতে চাননি এই রাজ্যের বহু নেতা। প্রতিনিধিরা। যাঁরা সভাপতি নির্বাচনে ভোট দেওয়ার অধিকারী।
অন্যদিকে রাজনীতিক কারবারিদের একাংশ কংগ্রেসের এই প্রবীণ নেতার জয়ের কারণ হিসেবে বলছেন;
- আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
Congress Election: নির্বাচনের দামামা বেজেছে ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের অন্দরে। প্রার্থী নবীন শশী থারুর আর প্রবীণ মল্লিকার্জুন খাড়্গে।
এক, গান্ধী পরিবারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা। মল্লিকার্জুনের সঙ্গে জড়িত রয়েছে সোনিয়া, রাহুলের সমর্থন। অর্থাৎ রাহুল গান্ধীর নাম নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও কংগ্রেসের চালিকা শক্তি গান্ধী পরিবারের আধিপত্যের পূর্ণ সমর্থন যে শশী থারুর ছাড়িয়ে খাড়্গের দিকে ছিল, একথা মানছেন সকলেই।
এখানেই উঠে আসছে ইতিহাস। ১৯৩৯-এর নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু থেকে শুরু করে সীতারাম কেশরী। গান্ধী পরিবারের ঘনিষ্ঠ না হয়ে সভাপতি হওয়ার পরের অবস্থা সকলেই জানেন। তাই বলা হচ্ছে, এক্ষেত্রে গান্ধী পরিবারের কাছে মানুষ মল্লিকার্জুনের জয় পাওয়া সেই জটিলতা কমাবে।
দুই, রাজ্যে রাজ্যে প্রচার। শশী থারুরের তুলনায় মল্লিকার্জুনের প্রচার কৌশল গুরুত্বের ছিল এই নির্বাচনের প্রেক্ষিতে। যেখানে একাধিক রাজ্যে গিয়ে নিজের কথা তুলে ধরা এবং কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা হিসেবে নিজেকে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছেন তিনি।
তিন, বলা হয়, কংগ্রেসের জি ২৩ এবং প্রবীণ অংশের সমর্থন পেয়েছেন খাড়্গে। যেখানে রাজস্থানের অশোক গেহলত থেকে শুরু করে দক্ষিণ ভারতের একাধিক রাজ্যের প্রবীণ নেতারা পূর্ণ সমর্থন জুগিয়েছেন তাঁকে।
চার, পোড়খাওয়া রাজনীতিক। তিনি জানেন কোন জায়গায় কী করতে হয়। সত্তরের দশকের জনপ্রতিনিধি তাই এই নির্বাচন যে হেলায় হারবেন না, একথা ভেবেই এগিয়েছেন তিনি।
খাড়্গের নির্বাচন-পূর্ববর্তী অবস্থান
এই নির্বাচনে তথাকথিত কংগ্রেসের নবীন নেতা শশী থারুরের বিপক্ষে ছিলেন কংগ্রেসের পুরনো মানুষ মল্লিকার্জুন খাড়্গে। একাধিক প্রবীণ নেতার অভিযোগ আর দল ছাড়ার খবরেও তিনি ছিলেন অবিচল। সোনিয়া-রাহুলের পছন্দের কোনও প্রার্থী এই নির্বাচনে না থাকলেও দাবি করা হয়েছিল, মল্লিকার্জুন খাড়্গেই আসলে গান্ধী পরিবারের কাছের। ঠিক এই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে খানিকটা এগিয়ে ছিলেন তিনিই। যেখানে ২৪ বছর পরে গান্ধীর নেতৃত্ব ছাড়িয়ে তিনিই যে হয়ে উঠছেন দলের পরের মুখ, একথা বলছিলেন অনেকেই।
খাড়্গের পথে কাঁটা
তিনি জিতেছেন। দলের হাল ধরেছেন অ-গান্ধী হিসেবে। কংগ্রেসের সভাপতি-ইতিহাসে রেকর্ড গড়েছেন ফের। ৮০ বছর বয়সে এসে দেশের কংগ্রেসী মুখ হয়েছেন তিনি। কিন্তু তাঁর জয়ের আগে বা এখন থেকেই দিল্লির অলিন্দে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে, গান্ধী পরিবার ঘনিষ্ট এবং কংগ্রেসের একটা প্রবীণ গোষ্ঠীর কাছের লোক হলেও কর্নাটক ছাড়িয়ে কংগ্রেস সমর্থকদের একটা বড় অংশের মধ্যে খুব একটা জনপ্রিয় নন তিনি। কোনও ক্রমে কলেজের অর্থাৎ নির্দিষ্ট প্রতিনিধিদের সংখ্যাগরিষ্ঠ প্রতিনিধির সমর্থন তাঁর ভাগ্যে জুটলেও, তা যে সার্বিক সমর্থন যোগ্য নয়, তা নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। আগামী লোকসভা নির্বাচনের আগে শশী থারুর অথবা একাধিক দলীয় 'কাঁটা' সরিয়ে কীভাবে, শক্তিশালী বিজেপি, মোদি-রোধে মল্লিকার্জুন এগোবেন। আদৌ দলের হাল ধরে এগিয়ে নিয়ে পারবেন নাকি রাহুলের জীবনের শশীর অস্তগামী হতে আরও কার্যকর হবে তাঁর ভূমিকা, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে এখন থেকেই।
গান্ধী ব্যতীত সভাপতি নির্বাচনের ইতিহাস
১৩৭ বছরের কংগ্রেসের দলীয় ইতিহাসে সভাপতি নির্বাচন হয়েছে ৫ বারের বেশি। যা নিয়ে বহু বিতর্ক সামনে এলেও আদতে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দলের সভাপতি বাছতে কংগ্রেস থেকেছে নির্বাচন বিমুখ।যেখানে বারবার পদ দখল করেছেন গান্ধীরাই। প্রসঙ্গত, প্রায় ২৪ বছর পর ২০২২ সালে এসে অ-গান্ধী পরিবারের কেউ কংগ্রেস সভাপতি হলেন।
১৯৩৯ এবং নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু
১৯৩৮ সালের পর আর মনোনীত নন, এবার নির্বাচনের মুখোমুখি হতে হয় সুভাষচন্দ্র বসুকে। ১৯৩৯ সালে এসে প্রথম জব্বলপুরে বসে কংগ্রেসকে মুখোমুখি হতে হয় সভাপতি নির্বাচনের। এখানেই অন্যতম ভূমিকা পালন করেন মহাত্মা গান্ধী। নেতাজির প্রিয় 'বাপু'র পছন্দের প্রার্থী হিসেবে উঠে আসে অন্য নাম। অবাক হন নেতাজি। বিপক্ষে তখন পট্টভি সীতারামাইয়া। কিন্তু লড়াইয়ে তো নেতাজি! স্বাভাবিকভাবে প্রথম সভাপতি নির্বাচনে দাঁড়িয়ে জিতলেন সুভাষ। ফের কংগ্রেসের সভাপতি হলেন তিনি। এর পর থেকে মতবিরোধ চরমে উঠল। একটা সময় কংগ্রেস ছাড়লেন নেতাজি। এই বছরের মার্চেই ফের পরিবর্তন হলেন সভাপতি। রাজেন্দ্র প্রসাদের হাতে গেল কংগ্রেসের ভার। তখনও গান্ধী-নেহেরু ছাড়িয়ে ফের গান্ধীরই হাতে আসেনি সভাপতির পদ।
১৯৫০
ফের নির্বাচন। স্বাধীনতা পরবর্তী ভারতে প্রথম সভাপতি পদে নির্বাচনের মুখোমুখি হল নেহেরুর কংগ্রেস। প্রতিদ্বন্দ্বী পুরুষোত্তম দাস ট্যান্ডন এবং আচার্য কৃপালিনি। আশর্যজনক ভাবে সেবার নেহেরুর পছন্দের প্রার্থী আচার্য কৃপালিনি হেরে যান। জয় পান সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের পছন্দের পুরুষোত্তম দাস ট্যান্ডন।
১৯৭৭
বহুবছর পর ফের সভাপতি পদে আসীন হওয়ার জন্য নির্বাচনের পথে এগোয় কংগ্রেস। ১৯৭৭ নাগাদ লোকসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পরিপ্রেক্ষিতে দলের সভাপতি পদ থেকে দেবকান্ত বড়ুয়া পদত্যাগ করেন। এরপর নির্বাচন হয়। কে ব্রহ্মানন্দ রেড্ডি ওই নির্বাচনে, সিদ্ধার্থশঙ্কর রায় এবং করণ সিংকে হারিয়ে দেন। এআইসিসি প্রধান হন রেড্ডি।
১৯৯৭
কংগ্রেসের সভাপতি পদের জন্য পরবর্তী নির্বাচন হয় ২০ বছর পরে। ১৯৯৭ সালে অনুষ্ঠিত হয় নির্বাচন। যেখানে সীতারাম কেশরী, শরদ পওয়ার, রাজেশ পাইলট; ত্রিমুখী লড়াই হয় সেবার। ওই বছর মহারাষ্ট্র এবং উত্তরপ্রদেশের কিছু অংশের সমর্থন বাদে, সমস্ত রাজ্যের কংগ্রেস প্রতিনিধিরা কেশরীকে সমর্থন করেন। তিনি প্রতিদ্বন্দ্বী পওয়ারের প্রাপ্য ৮৮২ ভোট, পাইলটের প্রাপ্য ৩৫৪ ভোটের বিপরীতে ৬,২২৪ জন প্রতিনিধির ভোট পেয়ে জেতেন।
২০০০
এবার গান্ধী পরিবার মুখোমুখি হলো নির্বাচনের। এতদিনের রেকর্ড ভেঙে এই প্রথম গান্ধী পরিবারের কোনও সদস্যকে দলের অন্দরেই নির্বাচনের মুখোমুখি হতে হয়। সভাপতি পদে প্রার্থী সোনিয়া গান্ধীর বিপক্ষে মনোনয়ন পত্র জমা দেন কংগ্রেস নেতা জিতেন্দ্র প্রসাদ। নির্বাচন হয়। ৭৪০০ প্রতিনিধির ভোট ইন্দিরা গান্ধীর পুত্রবধূ পেলেও জিতেন্দ্র পান মাত্র ৯৪টি ভোট।
রাজ্যসভার সাংসদ মল্লিকার্জুন, কংগ্রেসের তরফে ওই কক্ষের নেতাও তিনি। ইউপিএ সরকারের রেলমন্ত্রী সহ একাধিক মন্ত্রকের দায়িত্ব সামলেছেনএই নেতা। দক্ষ, কর্ণাটকের স্বল্পভাষী পরিচিত মুখ বারবার কংগ্রেসের 'ক্রাইসিস ম্যানেজার' হিসেবেও অবতীর্ণ হয়েছেন। গান্ধী পরিবারের সুখে-দুঃখে সঙ্গে থেকেছেন বারবার। কিন্তু শশী থারুরের মতো কঠিন প্রতিপক্ষের সামনে তিনি জিতলেও দলের অন্দরেই যদি তাঁর জয় এবং কাজে ফের প্রশ্ন ওঠে, তাহলে তাঁর ব্যক্তিত্বে ব্যাঘাত ঘটবে, যা গান্ধী পরিবারের জন্য খুব একটা ভালো হবে না, এ-ও বলছেন কেউ কেউ।







