মাত্র ৬০০০ টাকায় নিজের সাধারণ সাইকেলকে করে ফেলুন ইলেকট্রিক! কী করে সম্ভব, জানুন বিস্তারিত
Convert Old Cycle into New E-cycle at home : দাম মাত্র ৬০০০ টাকা! বাজারের নামী ই-সাইকেলের থেকে অনেকটাই কম দাম। কিন্তু কীভাবে?

আমাদের চারপাশে খুব দ্রুত বদলে যাচ্ছে প্রযুক্তি। পাড়ার রিক্সা স্ট্যান্ডে এখন জায়গা দখল করে আছে টোটো। কিংবা রিক্সায় বসে গিয়েছে মোটর। এখন অফিসে যাওয়ার বাসটারও আর সাধারণ লরঝরে চেহারা নেই। বরং ঝাঁ চকচকে ইলেকট্রিক বাস হয়ে গিয়েছে সেটি। ইলেকট্রিক ট্রেনও চলে এসেছে। তারপ বাড়ি ফিরে নিজের পুরনো সাইকেলটির দিকে তাকান। একটা সময় এই সাইকেলটি ছিল সবকিছুর সঙ্গী। পড়তে যাওয়া থেকে প্রথম প্রেম সবকিছুর সাক্ষী। এখন তার দৈন্যদশা দেখে আপনারও হয়তো খারাপ লাগে। এখন সবকিছুই ইলেকট্রিক হয়ে গিয়েছে। সাইকেলটিও যদি ই-সাইকেল হয়ে যেত!
অবশ্য বাজারে যে ই-সাইকেল পাওয়া যায় না, তা নয়। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এই যুগে সেই ই-সাইকেলও এখন দোকানে দোকানে চলে এসেছে। প্যাডেল করার প্রয়োজনই নেই। সাইকেলে থাকা সুইচ টিপলেই শুরু হবে পথচলা। কিন্তু কিনতে গেলেই মাথায় হাত পড়ে যাচ্ছে মধ্যবিত্তের। একেকটা সাইকেলের দাম নাকি অন্তত ৩০ হাজার টাকা! তার ওপর চার্জ দেওয়ার ব্যাপার আছে… কী করে এত টাকা আসবে? আর সাইকেল কিনতে গিয়ে ৩০-৪০ হাজার টাকা খরচ! অনেকেই মেনে নিতে পারছেন না।
অবশ্য এখন সেই চিন্তা নেই। ইলেকট্রিক সাইকেল দেখলেই কিনতে ইচ্ছে করছে; কিন্তু পকেট পুরো গড়ের মাঠ? সমস্যা নেই। বাড়িতে থাকা সাধারণ সাইকেলটিকেই নতুন রূপ দিন। তৈরি করে ফেলুন ঝকঝকে ইলেকট্রিক সাইকেল বা ই-সাইকেল। দাম? মাত্র ৬০০০ টাকা! বাজারের নামী ই-সাইকেলের থেকে অনেকটাই কম দাম। কিন্তু কীভাবে?
- আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
এই গাড়িটি আদতে একটি বাবল কার। পশ্চিম বিশ্বে এই মুহূর্তে বাবল কার কনসেপ্ট অত্যন্ত জনপ্রিয় হলেও ভারতের ক্ষেত্রে এই বিষয়টি খুব একটা প্রচলিত নয়। আদতে এই ধরনের গাড়ি হলো অত্যন্ত ক্ষুদ্র একটি গাড়ি, যা শুধুমাত্র শহরের রাস্তার মধ্যেই চলতে পারে।
অনলাইন শপিং অ্যাপগুলিতে একটু খানাতল্লাশ করলেই পাওয়া যাচ্ছে একটি বিশেষ কিট। যার নাম ইলেকট্রিক সাইকেল কিট। দাম মাত্র ৬০০০ টাকা। কিন্তু এই টাকাতেই তৈরি হয়ে যাচ্ছে আস্ত একটা ই-সাইকেল। কী করে, জেনে নেওয়া যাক...
কী থাকছে এই ইলেকট্রিক কিটে?
মোটামুটি সাড়ে চার থেকে পাঁচ কেজি ওজনের এই ই-সাইকেল কিটের মূল জিনিসই হল একটি মোটর। যেটি আসলে ২৫০ ওয়াটের ডিসি মোটর। ওয়াটারপ্রুফ থাকার কারণে চট করে নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা কম। মূলত এটিই সাইকেলে প্রাণ ফিরিয়ে আনবে।
- আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
Angel Di Maria journey : কেন এমন চোখের জল? এত কষ্ট? অ্যাঞ্জেল দি মারিয়াকে এই প্রশ্ন করলে হয়তো একটু হাসবেন। ফিরে যাবেন ছোট্টবেলার রোজারিওর বুকে।
সেইসঙ্গে থাকছে এলইডি হেডলাইট, ব্যাটারি চার্জার, হর্ন, থ্রটল সেট, ই-সাইকেল মোটর কন্ট্রোলার, ব্রেক লিভার, লং অ্যাক্সেল। পুরোটাই একসঙ্গে আপনার কাছে হাজির হয়ে যাবে।
কীভাবে লাগাবেন?
কিটের সঙ্গেই থাকবে ম্যানুয়েল। সেখান থেকে দেখে দেখে আপনি নিজেই বাড়িতে ছুটির দিনে বসে সাধারণ সাইকেলে লাগিয়ে নিতে পারবেন এই কিট। একান্ত অসুবিধা হলে কোনও বন্ধু, বা সাইকেলের দোকানে গেলেই হবে। তবে এতটাই সহজ, দোকানে যাওয়ার কোনও প্রয়োজনই পড়বে না।
তবে এই কিটের সঙ্গে কোনও ব্যাটারি থাকছে না। সেটিও অনলাইন শপিং অ্যাপগুলিতেই পেয়ে যাবেন। ব্যস, আপনার সাধারণ সাইকেল এখন হয়ে গেল ই-সাইকেল!






