ঢাকা-১৫-তে জামায়াতের আমিরের জয়: বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশের রাজধানীর রাজনৈতিক সমীকরণ?

Dhaka-15 election results 2026: ঢাকা-১৫-এর ফলাফলকে যদি রাজধানীর মনোভাবের সূচক ধরা হয়, তবে বলা যায়, ধর্মভিত্তিক রাজনীতির গ্রহণযোগ্যতা শহুরে প্রেক্ষাপটেও নতুন করে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে।

inscript
৫ মিনিট
ঢাকা-১৫-তে জামায়াতের আমিরের জয়: বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশের রাজধানীর রাজনৈতিক সমীকরণ?

ঢাকা-১৫ আসনে ফল ঘোষণার পর থেকেই বাংলাদেশের রাজধানীর রাজনৈতিক অন্দরে নতুন করে আলোচনার ঢেউ উঠেছে। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান এই আসনে জয়ী হয়েছেন ২১ হাজার ৬১৪ ভোটের ব্যবধানে। নির্বাচন কমিশনের ফলাফল সংগ্রহ ও পরিবেশন কেন্দ্র থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি সকালে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসার পর স্পষ্ট হয়, তিনি পেয়েছেন ৮৫ হাজার ১৩১ ভোট। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী শফিকুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৬৩ হাজার ৫১৭ ভোট। ভোটের এই ব্যবধান কেবল একটি আসনের ফল নয়, বৃহত্তর রাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত বহন করছে।

ঢাকা-১৫ দীর্ঘদিন ধরেই রাজধানীর একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন। মধ্যবিত্ত, নিম্নমধ্যবিত্ত, শ্রমজীবী মানুষ এবং ধর্মভিত্তিক সংগঠনের প্রভাব— সব মিলিয়ে এই এলাকায় যে রাজনৈতিক প্রভাব থাকে, তা অনেক সময়ই জাতীয় রাজনীতির প্রবণতার সঙ্গেই মিল রেখে এগোয়। মোট ৩ লাখ ৫১ হাজার ৭১৮ জন ভোটারের এই আসনে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৭৯ হাজার ৬১৬ জন এবং নারী ভোটার ১ লাখ ৭২ হাজার ৯৮ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন চারজন। লিঙ্গভিত্তিক ভারসাম্যও তেমন নেই।

ফল ঘোষণার আগের দিন সন্ধ্যার পর থেকেই জামায়াতের পক্ষ থেকে কারসাজির অভিযোগ উঠেছিল। দাবি করা হয়, ঢাকার অন্যান্য আসনের ফল দ্রুত নির্বাচন কমিশনে পৌঁছালেও ঢাকা-১৫-এর ফল ঘোষণা অস্বাভাবিকভাবে বিলম্বিত হয়েছে। নির্বাচন-পরবর্তী উত্তেজনার এই আবহে শেষ পর্যন্ত ঘোষিত ফলাফল জামায়াতের পক্ষে যাওয়ায় অভিযোগের রাজনৈতিক তাৎপর্য নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বিরোধী শিবিরের একাংশের মতে, বিলম্বিত ঘোষণার বিষয়টি প্রশাসনিক ব্যাখ্যায় সীমাবদ্ধ থাকলেও, রাজনৈতিক অবিশ্বাসের আবহে তা সন্দেহকে উসকে দিয়েছে।

এই আসনে মোট আটজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। জামায়াতের শফিকুর রহমান দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে লড়েছেন। তাঁর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শফিকুল ইসলাম খান ছিলেন ধানের শীষ প্রতীকে। এছাড়া লাঙ্গল প্রতীকে সামসুল হক, কাস্তে প্রতীকে আহাম্মদ সাজেদুল হক, কলম প্রতীকে খান শোয়েব আমান উল্লাহ, একতারা প্রতীকে মোবারক হোসেন, মোটরগাড়ি প্রতীকে আশফাকুর রহমান এবং প্রজাপতি প্রতীকে নিলাভ পারভেজ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। বহুমাত্রিক এই প্রতিদ্বন্দ্বিতা সত্ত্বেও মূল লড়াই সীমাবদ্ধ ছিল জামায়াত ও বিএনপির মধ্যে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
তারেক রহমানকে মোদির অভিনন্দন: বাংলাদেশের রাজনীতি কোন পথে এগোচ্ছে?

Bangladesh Elections 2026: বাংলাদেশের নির্বাচন পরবর্তী সময়ে একটি বড় চমক হলো ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দ্রুততম প্রতিক্রিয়া। নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল আসার আগেই তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে মোদি স্পষ্ট করে দিলেন, নয়াদিল্লি এখন আর বাংলাদেশে কোনো নির্দিষ্ট একটি দলের উপর নির্ভরশীল থাকতে চায় না।

এই ফলাফলকে বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে দেখলে আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠে নীলফামারীর চারটি আসনের চিত্র। বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নীলফামারীর চার আসনেই জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়েছেন। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ফল ঘোষণা করেন। উত্তরাঞ্চলের এই জেলাজুড়ে জামায়াতের এমন সাফল্য রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

নীলফামারী-১ (ডোমার-ডিমলা) আসনে জামায়াত প্রার্থী মো আবদুস সাত্তার পেয়েছেন ১ লাখ ৫০ হাজার ৮২৪ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি-সমর্থিত জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের প্রার্থী মাওলানা মঞ্জুরুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ১৯ হাজার ৫৯ ভোট। এখানে গণভোটের ‘হ্যাঁ’ ভোট ১ লাখ ৮০ হাজার ৯৮৫ এবং ‘না’ ভোট ৯৫ হাজার ৭৮৫। এই ফলাফলে দেখলে বোঝা যায়, প্রার্থীভিত্তিক লড়াইয়ের পাশাপাশি গণভোটের প্রশ্নেও একটি স্পষ্ট জনমত তৈরি হয়েছে।

নীলফামারী-২ (সদর) আসনে জামায়াতের আল ফারুক আবদুল লতীফ পেয়েছেন ১ লাখ ৪৬ হাজার ৪৩০ ভোট। বিএনপি প্রার্থী শাহরিন ইসলাম চৌধুরী পেয়েছেন ১ লাখ ৩৫ হাজার ৪১৮ ভোট। এখানে ‘হ্যাঁ’ ভোট ১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৭২ এবং ‘না’ ভোট ৯০ হাজার ৭৮৭। ব্যবধান তুলনামূলক কম হলেও জামায়াতের ধারাবাহিক অগ্রগতি স্পষ্ট।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বাংলাদেশ নির্বাচন ২০২৬: রাজনৈতিক পরিবর্তন, ফলাফল এবং ভবিষ্যৎ

Bangladesh Election Results 2026: বাংলাদেশের নির্বাচন ফল দক্ষিণ এশীয় ভূরাজনীতির দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভারত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চিন ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন— সবাই ফলাফল গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেছে।

নীলফামারী-৩ (জলঢাকা) আসনে জামায়াতের মাওলানা ওবায়দুল্লাহ সালাফী পেয়েছেন ১ লাখ ৯ হাজার ৬৮৬ ভোট। বিএনপি প্রার্থী সৈয়দ আলী পেয়েছেন ৮৯ হাজার ৮০৭ ভোট। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট ১ লাখ ২৩ হাজার ৮৩০ এবং ‘না’ ভোট ৬৬ হাজার ৬৩৮। আর নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনে জামায়াতের আবদুল মুনতাকিম পেয়েছেন ১ লাখ ২৬ হাজার ২২২ ভোট, বিএনপির আবদুল গফুর সরকার পেয়েছেন ৮২ হাজার ৮৬ ভোট। এখানে ‘হ্যাঁ’ ভোট ১ লাখ ৫৬ হাজার ৪৯৪ এবং ‘না’ ভোট ৫৯ হাজার ৭৭০।

এই চারটি আসনে ফলাফল একদিকে যেমন জামায়াতের সাংগঠনিক শক্তির প্রমাণ, অন্যদিকে বিএনপির জন্য সতর্কবার্তা। কারণ অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি বা তাদের সমর্থিত প্রার্থী। অর্থাৎ বিরোধী রাজনীতির ভেতরে নেতৃত্বের প্রশ্নে নতুন প্রতিদ্বন্দ্বিতা তৈরি হচ্ছে।

ঢাকা-১৫-এর ফলাফলকে যদি রাজধানীর মনোভাবের সূচক ধরা হয়, তবে বলা যায়, ধর্মভিত্তিক রাজনীতির গ্রহণযোগ্যতা শহুরে প্রেক্ষাপটেও নতুন করে প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে। একই সঙ্গে এটি বিএনপির জন্য দু'দিক থেকে চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। একদিকে আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচনে নিজেদের অবস্থান মজবুত করতে হবে, অন্যদিকে মিত্র বা সমমনা দলগুলির সঙ্গেও প্রতিযোগিতা সামলাতে হবে।

তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশ মনে করছেন, এই ফল শুধু প্রার্থীর ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তার কারণে হয়নি; দলকে নতুনভাবে গুছিয়ে তোলা, তৃণমূল স্তরে জোর প্রচার এবং ভোট পরিচালনায় পরিকল্পিত প্রস্তুতির ফল এটি। বিশেষ করে নীলফামারীর মতো জেলায় চারটি আসনে সাফল্য।

অন্যদিকে নির্বাচন-পরবর্তী কারসাজির অভিযোগ এবং ফল ঘোষণার বিলম্ব— এই দুই ইস্যু সামনের দিনগুলিতে রাজনৈতিক বিতর্ককে উসকে দিতে পারে। পরাজিত প্রার্থীরা যদি ফলাফল নিয়ে আপত্তি তোলেন বা আবার ভোট গণনার দাবি করেন, তাহলে বিষয়টি আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় যেতে পারে। তবে আপাতত ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, জামায়াতে ইসলামীর জন্য এটি একটি তাৎপর্যপূর্ণ অগ্রগতি।

জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা-১৫-এর জয় এবং নীলফামারীর চার আসনে সাফল্য বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরবর্তী রাজনৈতিক মানচিত্রকে নতুনভাবে আঁকছে। বাংলাদেশের রাজনীতি যে নতুন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে, এই ফলাফল সেই ইঙ্গিতই দিচ্ছে।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।