গ্রিনল্যান্ড সংকটের ছায়ায় ফ্যারো! কেন আটলান্টিকের ডেনিশ দ্বীপপুঞ্জে নজর চিন-রাশিয়ার?

Faroe Islands geopolitics: ফ্যারো দ্বীপপুঞ্জ তথাকথিত 'GIUK Gap' (গ্রিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড ও যুক্তরাজ্য) এর কেন্দ্রে অবস্থিত, যা সামরিক দিক থেকে অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি নৌ ও আকাশপথ। শীতল যুদ্ধের সময় থেকে এই করিডর পশ্চিমা নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাশিয়ার আর্কটিক নৌঘাঁটি 'মুরমানস্ক' থেকে আটলান্টিকে প্রবেশের অন্যতম প্রধান রুট এটি।

inscript
৪ মিনিট
গ্রিনল্যান্ড সংকটের ছায়ায় ফ্যারো! কেন আটলান্টিকের ডেনিশ দ্বীপপুঞ্জে নজর চিন-রাশিয়ার?

গ্রিনল্যান্ডের দখলদারি নিয়ে উত্তেজনার মাঝেই আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছে উত্তর আটলান্টিক মহাসাগরের উত্তাল জলের মাঝে অবস্থিত স্বশাসিত অঞ্চল ফ্যারো দ্বীপপুঞ্জ। আনুষ্ঠানিকভাবে এটি ডেনমার্কের অংশ হলেও, ক্রমবর্ধমান স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা এবং আর্কটিক অঞ্চলে বিদেশি শক্তির আধিপত্য বিস্তারের লড়াই—সব মিলিয়ে ফ্যারো এখন এক জটিল কৌশলগত সমীকরণের নাম। গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক করিডরে এর অবস্থান পরাশক্তিগুলোর নজর কেড়েছে।

কৌশলগত অবস্থান: জিআইইউকে গ্যাপের কেন্দ্রবিন্দু

ফ্যারো দ্বীপপুঞ্জ তথাকথিত 'GIUK Gap' (গ্রিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড ও যুক্তরাজ্য) এর কেন্দ্রে অবস্থিত, যা সামরিক দিক থেকে অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি নৌ ও আকাশপথ। শীতল যুদ্ধের সময় থেকে এই করিডর পশ্চিমা নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাশিয়ার আর্কটিক নৌঘাঁটি 'মুরমানস্ক' থেকে আটলান্টিকে প্রবেশের অন্যতম প্রধান রুট এটি।

বর্তমানে ন্যাটো এই অঞ্চলে নজরদারি বাড়িয়েছে। ইউক্রেন যুদ্ধের পর উত্তর আটলান্টিকে রুশ সাবমেরিন চলাচল ও সামরিক তৎপরতা নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। একই সঙ্গে আর্কটিকের বরফ গলতে শুরু করায় নতুন বাণিজ্যপথ উন্মুক্ত হওয়ায় এই অঞ্চলের প্রাকৃতিক সম্পদ ও নিয়ন্ত্রণ নিয়ে শুরু হয়েছে ত্রিমুখী প্রতিযোগিতা।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ভারত-মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি: এপস্টিন ফাইল কি চাপে ফেলেছে মোদিকে?

Epstein documents India link: অন্তর্বর্তী বানিজ্য চুক্তি অনুযায়ী, বর্তমানে যে ২৫% সাধারণ শুল্ক ভারতীয় পণ্যের উপর ধার্য্য আছে তা কমে হবে ১৮%। ফলত বর্তমান ভারত-মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অন্তর্বর্তী বানিজ্য চুক্তি একপেশে ও ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির পরিপন্থী। এমন একটি চুক্তিকে হঠাৎ মেনে নিলেন কেন প্রধানমন্ত্রী? কী কারণে আত্মসমর্পন করলেন 'বন্ধু' ট্রাম্পের কাছে? মোদি কি ভয় পেয়েছেন?

গ্রিনল্যান্ড সংকট ও ফ্যারোর অবস্থান

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে গ্রিনল্যান্ডকে ঘিরে আন্তর্জাতিক আগ্রহ বেড়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণ সংক্রান্ত মন্তব্য ডেনিশ রাজনীতিতে আলোড়ন তোলে। এর প্রভাব পড়ে ফ্যারো দ্বীপপুঞ্জেও। ফ্যারোর স্বাধীনতা ও স্বায়ত্তশাসন নিয়ে কোপেনহেগেনের সঙ্গে আলোচনার প্রক্রিয়া সাময়িকভাবে থমকে যায়।

ফ্যারোর প্রধানমন্ত্রী আক্সেল ভি. জোহানেসেন প্রকাশ্যে বলেছেন, ডেনমার্কের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্বিবেচনা করা প্রয়োজন। যদিও বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে সরাসরি সংঘাতে যাওয়া তাদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

অর্থনৈতিক শক্তি: স্বাধীনতার ভিত্তি

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মুখে নিরাপত্তার বুলি, নজর খনিজ সম্পদে! যে কারণে গ্রিনল্যান্ড দখল করতে চান ডোনাল্ড ট্রাম্প

Trump's interest in Greenland: ২০২৩ সালে ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের জিওলজিক্যাল সার্ভে জানিয়েছে, ইউরোপীয় কমিশন যে ৩৪টি খনিজকে ‘Critical Raw Materials’ হিসেবে চিহ্নিত করেছে, তার মধ্যে ২৫টিই গ্রিনল্যান্ডে পাওয়া যায়।

গ্রিনল্যান্ডের তুলনায় ফ্যারো দ্বীপপুঞ্জ অর্থনৈতিকভাবে অনেক বেশি স্বনির্ভর। স্যামন মাছ চাষ ও মাছ রপ্তানি তাদের অর্থনীতির মূল ভিত্তি, যা বছরে প্রায় এক বিলিয়ন ডলার আয় করে। ইউরোপ, এশিয়া ও উত্তর আমেরিকার বাজারে ফ্যারোর স্যামন উচ্চমূল্যে বিক্রি হয়। ফ্যারোর নিজস্ব বাণিজ্য চুক্তি রয়েছে আইসল্যান্ড ও অন্যান্য নর্ডিক দেশের সঙ্গে। তবে প্রতিরক্ষা ও আনুষ্ঠানিক বৈদেশিক নীতি এখনও ডেনমার্কের হাতে। এই বৈপরীত্যই দ্বীপপুঞ্জটির পূর্ণ স্বাধীনতার পথে প্রধান অন্তরায়।

চিন ও রাশিয়ার আগ্রহ

২০১৯ সালে চিনা প্রযুক্তি সংস্থা হুয়াওয়েই (Huawei) টেলিকম খাতের উন্নয়নের প্রস্তাব দিলে যুক্তরাষ্ট্র নিরাপত্তার অজুহাতে তীব্র বাধা দেয়। শেষ পর্যন্ত ফ্যারো সরকার এই কাজের জন্য ইউরোপীয় সংস্থাকে বেছে নেয়।

অন্যদিকে, রাশিয়ার মাছধরা ট্রলার দীর্ঘদিন ধরেই ফ্যারো বন্দরে ভিড় করছে। ইউক্রেন যুদ্ধের পর ইউরোপের অনেক দেশ রুশ জাহাজ বর্জন করলেও ফ্যারো সেই সম্পর্ক পুরোপুরি ছিন্ন করেনি। স্থানীয় রাজনীতিতেও প্রশ্ন উঠেছে—এই বেসামরিক জাহাজগুলো কি প্রকৃতপক্ষে রাশিয়ার গোপন নজরদারির হাতিয়ার?

১৯৪৬ সালে ফ্যারো দ্বীপপুঞ্জে স্বাধীনতা নিয়ে গণভোট হয়েছিল, যেখানে অল্প ব্যবধানে স্বাধীনতার পক্ষে রায় এলেও ডেনিশ রাজা তা কার্যকর করেননি। এরপর ধাপে ধাপে স্বায়ত্তশাসন বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে জনমত স্বায়ত্তশাসনের পক্ষেই বেশি, যদিও পূর্ণ স্বাধীনতা নিয়ে মতভেদ রয়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে এক ধরনের জাতীয় চেতনা প্রবল। কঠিন আবহাওয়া, প্রবল বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার মাঝেও তারা নিজেদের টিকে থাকার জাতি হিসেবে দেখে।

একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন থেকেই যায়— ফ্যারো দ্বীপপুঞ্জ কি তার কৌশলগত অবস্থানকে ব্যবহার করে পূর্ণ সার্বভৌমত্বের পথে এগোতে পারবে, নাকি পরাশক্তিগুলোর আধিপত্য বিস্তারের দাবার ঘুঁটি হয়েই থেকে যাবে?

ফ্যারো দ্বীপপুঞ্জ এখন এক সূক্ষ্ম ভারসাম্যের মধ্যে দাঁড়িয়ে। একদিকে স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা, অন্যদিকে বৈশ্বিক শক্তির প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা। জিআইইউকে গ্যাপের কেন্দ্রস্থলে অবস্থান, আর্কটিকের পরিবর্তিত বাস্তবতা এবং পরাশক্তির কৌশলগত আগ্রহ— সব মিলিয়ে ছোট এই দ্বীপপুঞ্জ আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা রাজনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলে পরিণত হয়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ভবিষ্যতে আর্কটিক অঞ্চলে প্রতিযোগিতা আরও বাড়লে ফ্যারো দ্বীপপুঞ্জের গুরুত্বও বাড়বে। প্রশ্ন এখন একটাই, এই ছোট দ্বীপপুঞ্জ কি নিজেদের কৌশলগত অবস্থান কাজে লাগিয়ে ধীরে ধীরে পূর্ণ সার্বভৌমত্বের পথে এগোবে, নাকি ডেনিশ রাজ্যের ভিতরেই নতুন এক সমঝোতার কাঠামো গড়ে তুলবে?

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।