জ্যোতিবা ও সাবিত্রীবাই: এক দাম্পত্য, যা বদলে দিয়েছিল ভারতের সমাজব্যবস্থা
জ্যোতিরাও ফুলে এবং সাবিত্রীবাই ফুলে ঠিক এই অন্যায়ের বিরুদ্ধেই সারা জীবন লড়েছেন। এক ১৯ বছরের কিশোরের চোখে দেখা সেই স্বপ্ন—যা শুরু হয়েছিল তার ১১ বছরের স্ত্রীকে হাতে বই নিয়ে বসে থাকতে দেখে। সেই স্বপ্নই ভেঙে চুরমার করে দিয়েছিল বছরের পর বছর ধরে চলে আসা শোষণের কালো ইতিহাস।
“আমার জীবন শুধু দলিতদের জন্য। আর আমার মৃত্যু গরিবদের কল্যাণে” : জ্যোতিরাও গোবিন্দরাও ফুলে
মহাত্মা জ্যোতিরাও ফুলে-র জন্মবার্ষিকীতে আমরা সাধারণত তাঁর জাতিভেদ বিরোধী আন্দোলন, শিক্ষা এবং সমাজ সংস্কারের বিশাল অবদানের কথাই ভাবি। কিন্তু তাঁর সেই বলিষ্ঠ বুদ্ধিদীপ্ত রাজনৈতিক পরিচয়ের আড়ালে রয়ে গিয়েছে এক শান্ত অথচ অত্যন্ত বৈপ্লবিক কাহিনি— সাবিত্রীবাই ফুলের সঙ্গে তাঁর দাম্পত্য জীবনের গল্প। তাঁদের এই সম্পর্কটা কেবল স্বামী-স্ত্রীর সাধারণ সাহচর্য ছিল না; বরং উনিশ শতকের ভারতবর্ষের প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে বিয়...
সম্পূর্ণ লেখাটি পড়তে ইনস্ক্রিপ্ট পরিবারের সদস্য হোন আজই
সাবস্ক্রাইবারদের জন্যে উন্মুক্ত ইনস্ক্রিপ্টের সমস্ত কাজ
অনুসন্ধান, মতামত, বিশ্লেষণ, পডকাস্ট: নাগরিক সাংবাদিকতা
₹১৪৯ টাকায় সবটাই আপনার হাতের নাগালে






