কলম্বিয়ার কোকেন-হিপো! কেন উদ্বাস্তু জলহস্তীরা?

এই মুহূর্তে কলোম্বিয়ার ম্যাগডালেনা নদীতে বেড়েই চলেছে জলহস্তীর সংখ্যা। ২০২১ সালে বায়োলজিক্যাল কনজার্ভেশন জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণা বলছে, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কলম্বিয়ার এই জলহস্তীগুলিকে মেরে ফেলা দরকার।

Madhurima Pattanayak
৪ মিনিট
কলম্বিয়ার কোকেন-হিপো! কেন উদ্বাস্তু জলহস্তীরা?

ঠিক এই মুহূর্তে ৪০,০০০-এরও বেশি প্রাণী IUCN-এর রেড লিস্টে, ১৬,০০০-এরও বেশি প্রাণী বিলুপ্তির পথে। এদিকে বিগত দশ বছরে জলহস্তীর সংখ্যা সাত থেকে কুড়ি শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। ফলে ইতিমধ্যেই জলহস্তীকে অ-সুরক্ষিত প্রাণীদের তালিকাভুক্ত করেছে IUCN।

অথচ এই মুহূর্তে কলোম্বিয়ার ম্যাগডালেনা নদীতে বেড়েই চলেছে জলহস্তীর সংখ্যা। ২০২১ সালে বায়োলজিক্যাল কনজার্ভেশন জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণা বলছে, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কলম্বিয়ার এই জলহস্তীগুলিকে মেরে ফেলা দরকার। যেখানে IUCN-এর তালিকা বলে দিচ্ছে, জলহস্তী অসুরক্ষিত, সেখানে জলহস্তী মেরে ফেলার কথা উঠল কেন? অকারণ প্রাণীহত্যা যেমন অমানবিক একটি কাজ, পাশাপাশি পরিবেশের বর্তমান পরিস্থির কথা মাথায় রেখে এই কাজ কি পরিবেশের জন্যই ক্ষতিকর নয়?

উত্তর হল, না। গবেষকরা কলম্বিয়ার, বিশেষ করে ম্যাগডালেনা নদীর বাস্তুতন্ত্র রক্ষার স্বার্থেই এই কথা বলছেন। এবং ম্যাগডালেনা নদীর জলহস্তীগুলিকে মেরে ফেললে বাস্তুতন্ত্রেরই লাভ। কলম্বিয়ার জলহস্তীগুলি ধীরে ধীরে ইকোলজিক্যাল টাইম-বম্বে পরিণত হচ্ছে। কারণ ধীরে ধীরে এরাই বাস্তুতন্ত্রের অন্যান্য প্রাণীর নির্মূল হয়ে যাওয়ার কারণে পরিণত হচ্ছে।

এখন পাঠকের মনে প্রশ্ন আসতে পারে, প্রাণীহত্যা করে বাস্তুতন্ত্র কীভাবে রক্ষা করা যায়? এ তো উলটো কথা বলছেন গবেষকরা! দেখে নেওয়া যাক, গবেষকরা কেন অবিবেচকের মতো কথা বলছেন না।

জলহস্তীর মূল বাসস্থান কিন্তু আফ্রিকা। বিশালাকার এই প্রাণীর আদৌ কলম্বিয়াতে থাকার কথা নয়। অথচ আফ্রিকার বাইরে দক্ষিণ আমেরিকার কলম্বিয়াতেই এত বেশি সংখ্যক জলহস্তীর দেখা মেলে। ২০২১ সালের পরিসংখ্যান বলছে, প্রায় আশি থেকে একশোকুড়িটি জলহস্তী কলম্বিয়ায় আছে।

তাহলে কীভাবে এল কলম্বিয়াতে এত জলহস্তী?

আপাতত জলহস্তীর প্রসঙ্গ ছেড়ে কিছুক্ষণের জন্য ইতিহাসে ফেরা যাক। আটের দশক কেঁপে উঠেছিল যে ঘটনায়, তা হলো ড্রাগ ওয়ার। আন্তর্জাতিক ড্রাগ মাফিয়া পাবলো এসকোবার সেসময় কলম্বিয়ার ত্রাস।প্রথম পাবলো এসকোবার কুখ্যাত মেডেলিন ড্রাগস কার্টেল প্রতিষ্ঠা করেন ১৯৮০ সাল নাগাদ।আন্তর্জাতিক ড্রাগ পাচারচক্র, অপহরণ, গুমখুন, হত্যা, বোমা বিস্ফোরণ, এসবই ছিল তাঁর নখদর্পণে। সেই পাবলো এসকোবারের ইচ্ছে হল একটি ব্যক্তিগত চিড়িয়াখানা বানাবেন, যেখানে অন্যান্য প্রাণীর পাশাপাশি থাকবে জলহস্তীও।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
নারীদের গলা জিরাফের মতো! সম্মান পেতে গলায় বেড়ি পরতে হয় এই মহিলাদের

মায়ানমারের কায়ান উপজাতির এই নারীদের পরিচয় ‘লম্বা গলাবিশিষ্ট নারী’ বা ‘জিরাফ নারী’ হিসেবে।

সেই ইচ্ছে পূরণের জন্য পাবলো বাইরে থেকে জলহস্তী আমদানিও করেন। সেই থেকেই এই জলহস্তীদের 'কোকেন-হিপো' নামে ডাকা হয়।

১৯৯৩ সালে ডিইএ বা ড্রাগ এনফোর্সমেন্ট এজেন্সির হাতে ধরা পড়ার পর হত্যা করা হয় পাবলোকে। দখল করা হয় দীর্ঘ আড়াইশো কিলোমিটারজুড়ে বিস্তৃত বিলাসবহুল এস্টেট 'হেসিয়েন্ডা নেপলস', যার অবস্থান ছিল কলম্বিয়ার রাজধানী বোগোতার উত্তর-পশ্চিমে।

তখনও তাঁর ব্যক্তিগত চিড়িয়াখানায় ছিল সেই জলহস্তীরা। তাদের তখন ছেড়ে দেওয়া হয় ম্যাগডালেনা নদীতে। আর তখন থেকেই বাড়তে থাকে এদের সংখ্যা।

যেহেতু এদের মূল বাসস্থান কলম্বিয়া নয়, এবং কলম্বিয়াতে এদের জন্ম ও বেড়ে ওঠাও স্বাভাবিক ভাবে হয়নি, তাই সেই তখন থেকেই কলম্বিয়াতে জলহস্তীকে অনুপ্রবেশকারী প্রাণী বা ইনভেসিভ স্পিসিস হিসেবে ধরা হয়। শুধু তাই নয়, ম্যাগডালেনা নদীতে বেড়ে ওঠা এই জলহস্তীগুলি, এই নদীর বাস্তুতন্ত্রেরও যথেষ্ঠ ক্ষতি করছে। তাই ২০২১ সালের প্রকাশিত গবেষণাটির সাথে যুক্ত গবেষক ড. ন্যাটালি ক্যাসেলব্লাঁকোর মতে, বাস্তুতন্ত্রের অন্যান্য প্রাণীর রক্ষার এবং বাস্তুতন্ত্রের ভারসাম্য রক্ষার স্বার্থে এই অনুপ্রবেশকারী জলহস্তীগুলিকে মেরে ফেলা ছাড়া অন্য উপায় নেই।

সাধারণত একেকটি জলহস্তীর ওজন প্রায় পাঁচ টনের কাছাকাছি। এক টন মানে ৯০৭ গ্রামের থেকে সামান্য বেশি। সেখানে এক-একটি জলহস্তীকে সরিয়ে তাদের স্বাভাবিক বাসস্থানে নিয়ে যাওয়া একটি বৃহদাকার ডাইনোসরকে সরিয়ে অনত্র নিয়ে যাওয়ার সমান। শুধু তাই নয়, জলহস্তী কিন্তু প্রাণী হিসেবে বেশ আক্রমণাত্মক। যদিও ঘুম পাড়িয়ে তাদের স্থানান্তরের ব্যবস্থা করা হয়, প্রতি জলহস্তী-পিছু স্থানান্তরের খরচ পড়ে পঞ্চাশ হাজার মার্কিন ডলার বা ছত্রিশ হাজার ইউরোর কাছাকাছি।

ড: ক্যাসেলব্লাঁকো বিবিসিকে জানিয়েছেন, কলম্বিয়ার বর্তমান জলহস্তীর একাংশ এখনই হত্যা না করলে আগামী দশ বা বিশ বছরে এদের সংখ্যা নাগালের বাইরে বেরিয়ে যাবে। যেখানে ২০৩৪ সালের মধ্যেই এদের সংখ্যা প্রায় দেড়হাজারের কাছাকাছি পৌঁছবে। গবেষকদের ধারণা, বছরে অন্তত তিরিশটি জলহস্তী না মেরে ফেললে, এই সমস্যা চূড়ান্ত রূপ ধারণ করবে। কিংবা নিদেনপক্ষে তিরিশটি পুরুষ জলহস্তীর শুক্রাশয় কেটে বাদ দিতে হবে।

গবেষকরা জানাচ্ছেন, এই অনুপ্রবেশকারী জলহস্তীগুলি স্থানীয় প্রাণীদের জন্ম ও বেড়ে ওঠার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে, এমনকী, একাধিক স্থানীয় প্রাণীর ক্রমবিলুপ্তির কারণও হয়ে দাঁড়াতে পারে। পাশাপাশি, অতিরিক্ত হারে জলহস্তীর সংখ্যা বেড়ে গেলে জলে উপস্থিত রাসায়নিকের পরিমাণে অস্বাভাবিকতা দেখা যাবে। যার দরুন, মাছ-সমেত অন্যান্য জলজ প্রাণীও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

কিন্তু মুশকিল হল, কলম্বিয়াবাসী এ যুক্তি মানতে নারাজ। তারা বড়ই ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে যখনই তাদের দেশের জলহস্তীদের হত্যা করার কথা বলা হয়। এমনকি ড. ন্যাটালিও খুনের হুমকি পেতে শুরু করেছিলেন এই গবেষণা-সমেত নিজের মতামত প্রকাশ্যে আনার পর। কিন্তু যেহেতু এই নদী, কলম্বিয়াতে জলপথে যাতায়াতের জন্য প্রধানত ব্যবহার করা হয়, তাই যাতায়াতেও অসুবিধে হয়। স্থানীয় মানুষের ওপর এদের আক্রমণের আশঙ্কা থাকায় ২০০৯ সালে কলম্বিয়ার সেনারা বেশ কিছু জলহস্তীকে মেরেও ফেলে। তখনই বহু কলম্বিয়ান এই ঘটনার বিরুদ্ধে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন।

কলম্বিয়ান এনভায়রনমেন্টাল এজেন্সির জীববিদ ডেভিড এচেভেরির মতে, এখনই কলম্বিয়ার এই জলহস্তীগুলিকে মেরে ফেলা সম্ভব হচ্ছে না। যদিও আলোচনা হয়েছে বেশ কিছু জলহস্তীকে মেরে ফেলার, তবে স্থানীয় মানুষের মতামতই এখানে বাধার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। স্থানীয়দের এই আবেগের নেপথ্যে এককালের 'পাইসা রবিনহুড' ওরফে মাফিয়া পাবলো এসকোবারের প্রবল জনপ্রিয়তার রেশও কিছুটা দায়ী। এককালে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট হতে চাওয়া, আমেরিকার হাড় হিম করা মাফিয়া পাবলো এসকোবারের মৃত্যু ও তারপর ক‍্যালি কার্টেলের অবসান ঘটার পর শেষ হয়েছিল কলম্বিয়ার দীর্ঘ, রক্তক্ষয়ী ড্রাগ ওয়ার। কিন্তু সেই যুদ্ধের চিহ্ন এখনও বহন করে চলেছে এই ছিন্নমূল জলহস্তীরা।

লিখেছেন
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

কোথায় আছড়ে পড়ল ঘূর্ণিঝড় মুরাসু, কতটা ক্ষয়ক্ষতি, বাংলায় কী প্রভাব?

Cyclone Murasu: ঘূর্ণিঝড় অর্ণবের প্রভাব কাটতে না কাটতেই বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয় ঘূর্ণিঝড় মুরাসু। মঙ্গলবার ভোরে অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে আছড়ে পড়ে শক্তিশালী এই ঘূর্ণিঝড়। নেল্লোর, প্রকাশম ও বাপটলা জেলায় গাছ উপড়ে পড়েছে, নিচু এলাকা জলমগ্ন হয়েছে। তামিলনাড়ু ও ওড়িশাতেও ভারী বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার সতর্কতা জারি হয়েছে। বাংলায় কতটা প্রভাব ফেলবে মুরাসু?

ভুটানে হড়পা বানের জেরে উত্তরবঙ্গে আতঙ্ক, কী পরিস্তিতি এখন?

Bhutan Flash Flood: ভুটানের শিনতাফু হ্রদ ভেঙে হড়পা বানে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে রাস্তা ও পর্যটনকেন্দ্রের পরিকাঠামো। বন্যার আশঙ্কায় আলিপুরদুয়ারের কুমারগ্রামে ১০ হাজারেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরানোর উদ্যোগ নেয় প্রশাসন। শুক্রবার সকালে সংকোশ নদীর জলস্তর না বাড়ায় কিছুটা স্বস্তি ফেরে। পরিস্থিতি এখন কেমন?

মাত্র ১০০ বই থেকে ১০ হাজার! অসমের চা-বাগানের শিশুদের ভবিষ্যৎ গড়ছেন অনিন্দিতা

Assam Library Initiative: মাত্র ১০০টি বই নিয়ে ২০২০ সালে অসমের চা-বাগান এলাকার শিশুদের জন্য লাইব্রেরি শুরু করেছিলেন অনিন্দিতা গগৈ। আজ তিনটি লাইব্রেরিতে বইয়ের সংখ্যা প্রায় ১০ হাজার। পরিবারের ৪০ লক্ষ টাকারও বেশি বিনিয়োগে এগিয়ে চলেছে এই উদ্যোগ। কীভাবে শিশুদের পড়াশোনা ও সৃজনশীলতার সুযোগ তৈরি করছেন অনিন্দিতা?

Cyclone Arnab: কোথায় আছড়ে পড়ল অর্ণব, কতটা ক্ষয়ক্ষতি? বাংলায় কতটা প্রভাব?

Cyclone Arnab: অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূলে আছড়ে পড়েছে ঘূর্ণিঝড় অর্ণব। ঘণ্টায় ১৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া, ভারী বৃষ্টি ও জল জমার জেরে বিপর্যস্ত একাধিক এলাকা। ৮৪ হাজারেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরানো হয়েছে। বাংলার কোন কোন জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, আর কতটা প্রভাব পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড়ের?

অ্যানথ্রোপিকের মতো এআই সংস্থাগুলি যেভাবে হয়ে দাঁড়াচ্ছে জলবায়ু সংকটের কারণ

The AI Carbon Bill: অ্যানথ্রোপিকের আইপিও ফাইলিংয়ে জলবায়ু পরিবর্তনকে বড় ব্যবসায়িক ঝুঁকি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হলো। ডেটা সেন্টার ঠান্ডা করতে বিদ্যুৎ-জলের ব্যয় বাড়ছে। ২০২৫-এ ডেটা সেন্টারগুলিতে ঘণ্টা প্রতি বিদ্যুৎ ব্যবহার, ৪৪৮ টেরাওয়াটে পৌঁছবে।

লুলার জয়ের পরেও কেন স্বস্তিতে নেই 'পৃথিবীর ফুসফুস' আমাজন?

lula's amazon policy: প্রথম পর্বে পিছিয়ে থাকার পর, কুড়ি দিনে এক কোটিরও বেশি ভোট বাড়িয়ে লুলা দা সিলভা চতুর্থবার ব্রাজিলের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন। লুলার আমলে, আমাজনের জঙ্গল উজাড় হওয়া ৭১% কমেছে, তবু আইনসভায় ডানপন্থীদের শক্তিবৃদ্ধি হওয়ায়, আমাজনের সংকটজনক সীমার খুব কাছাকাছি পৌঁছে যাওয়ার আশঙ্কা রয়ে গেলই।

ঘূর্ণিঝড় অর্ণব : কোথায় রয়েছে, বাংলায় কতটা দুর্যোগের আশঙ্কা?

Cyclone Arnab: বঙ্গোপসাগরে শক্তি বাড়িয়ে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়েছে অর্ণব। বুধবার অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে এই ঝড়। সরাসরি বাংলায় আঘাত না হানলেও মঙ্গলবার থেকে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টি ও ঝোড়ো হাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টি হতে পারে। কোন কোন জেলায় দুর্যোগের আশঙ্কা সবচেয়ে বেশি?

রেকর্ড ভাঙা সমুদ্রের উষ্ণতা: কতটা বিপদের মুখে পৃথিবী?

super el nino 2026: অক্টোবরে নিনো ৩.৪ অঞ্চলে সমুদ্রপৃষ্ঠের তাপমাত্রার পার্থক্য, ২০১৫-১৬-র রেকর্ড ভেঙে ৩.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়াতে চলেছে। ডব্লিউএমও বলছে, এই এল নিনো ২০২৭ পর্যন্ত প্রভাব ফেলবে। ভারতে বর্ষায় ১৩% ঘাটতি, ৩৯.৮% কৃষিজমিতে খরা, ফসল উৎপাদন ৪% কমার আশঙ্কা রয়েছে।