মুখের মধ্যে ঘা! খেতে পারছেন না কোনও খাবার! অজান্তেই ছড়াচ্ছে না তো মারণ রোগ?
Oral cancer: জিভ, মাড়ি, ঠোঁট, গালের ভিতরের দিক, চোয়াল, মুখের তলা ইত্যাদি জায়গায় হতে পরে এই ধরনের ক্যান্সার।

ক্যান্সার শব্দটা শুনলেই মনের মধ্যে উঁকি দেয় ভয়। মারণ রোগের প্রকোপে দিশেহারা হয়ে পড়ে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। শরীরের বিভিন্ন অঙ্গেই হতে পারে এই রোগ। প্রতি ক্ষেত্রেই থেকে যায় ঝুঁকির দায়। সময়ের সঙ্গে চিকিৎসা বিজ্ঞানের বেশ খানিকটা উন্নতি হলেও ক্যানসার রোগীর সংখ্যা প্রতিদিন বাড়ছে। তবে গত কয়েক বছরে বাকি সব কিছুর থেকে বেশি মাত্রায় দেখা গিয়েছে মাউথ ক্যানসার বা ওরাল ক্যানসার। তবে এক্ষেত্রে যদি প্রাথমিক অবস্থায় রোগ ধরা পড়ে তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই বেঁচে জন রোগী। তাই জেনে রাখা দরকার,কোথায় কোথায় কিভাবে ছড়াতে পারে এই রোগ। কীভাবেই বা মুক্তি মিলবে তা থেকে।
ওরাল ক্যান্সার হল মূলত মুখগহ্বর সংলগ্ন কোনো অংশে কর্কট রোগের প্রতিক্রিয়া। আসলে মুখের যে কোনও জায়গায় বা বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে বললে মাউথ ক্যাভিটির কোনও স্থানে কর্কটরোগ হলে বলা যায় ওরাল ক্যানসার। কোথায় কোথায় হতে পরে ওরাল ক্যান্সার? জিভ, মাড়ি, ঠোঁট, গালের ভিতরের দিক, চোয়াল, মুখের তলা ইত্যাদি জায়গায় হতে পরে এই ধরনের ক্যান্সার।
- আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
Benzene in Dry Shampoo: বেঞ্জি়নের প্রভাবে যে যে ধরনের লিউকেমিয়া হতে পারে, তার মধ্যে অন্যতম অ্যাকিউট মায়েলয়েড লিউকেমিয়া, অ্যাকিউট লিম্ফোসাইটিক লিউকেমিয়া, ক্রনিক লিম্ফোসাইটিক লিউকেমিয়া
রোগের লক্ষণ
মেয়ো ক্লিনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, মুখের মধ্যে কোনো ঘা হওয়ার পর যদি কোনও কারণে সেই ক্ষত শুকাতে না চায় তবে বুঝতে হবে বিষ ছড়াচ্ছে। অনেকক্ষেত্রে মুখের ভিতরে লাল, সাদা দাগ দেখা যায়। ফুলেও যায় মুখের ভিতরের দেওয়াল। ব্যথার জেরে খাবার খেতে সমস্যা হয় এই রোগের ক্ষেত্রে। এই সমস্ত লক্ষণ দেখা গেলে তৎক্ষণাৎ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। রোগ বাড়তে দিলে ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পরে। ঠিক সময় চিকিৎসা শুরু না হলে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পরে ওরাল ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীদের।
অতিরিক্ত সিগারেট, জরদা, খৈনি, পানপরাগ জাতীয় তামাক সেবন বাড়তে পারে অর্লা ক্যান্সার। শুধু তাই নয় মাত্রারিক্ত মদ্যপানেও ডেকে আনতে পারেন ক্ষতি। চিকিৎসকেরা বলছেন খুব বেশিক্ষণ রোদ্দুরে থাকলে, অতিবেগুনি রশ্মির প্রকোপে ঠোঁটের ক্যান্সার হতে পারে। এইচপিভি ভাইরাস থেকেও ওরাল ক্যানসারের বাড়বাড়ন্ত লক্ষ্য করা যায়। তাই এই সমস্ত ঝুঁকি এড়ানোর পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা অন্যথায় মারণ রোগের কবলে পড়তে পারেন যেকোনো মুহূর্তে। রোগ ছড়াচ্ছে বুঝলেই পরামর্শ নেবেন চিকিৎসকের। অসুখ জমিয়ে রেখে বিপদ ডেকে আনলে আখেরে ক্ষতি আপনারই।







