একা লড়ে ৪৪ হাজার ভোট: তাসনিম জারা কে?

Tasnim Zara Dhaka-9 election result: বাংলাদেশের নির্বাচনী সংস্কৃতিতে পোস্টার, ব্যানার, মাইকিং— এসব প্রায় অপরিহার্য। তাসনিম সেই প্রচলন ভেঙেছেন। সীমিত পোস্টার, স্বেচ্ছাসেবকনির্ভর প্রচার— এই মডেল তিনি সামনে আনেন।

inscript
৫ মিনিট
একা লড়ে ৪৪ হাজার ভোট: তাসনিম জারা কে?

বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বহু দিক থেকে তাৎপর্যপূর্ণ। ক্ষমতার পালাবদল, জোট-সমীকরণ, তরুণ ভোটারের অংশগ্রহণ এই সবকিছুর ভিড়ে ঢাকা-৯ আসনে এক তরুণ চিকিৎসকের একক লড়াই আলাদা করে নজর কেড়েছে। তিনি তাসনিম জারা। দল ছেড়ে, একক ভাবে তিনি যে ৪৪ হাজার ৬৮৪ ভোট পেয়েছেন তা নজর কাড়ছে।

তাসনিম জারা প্রথমে যুক্ত হয়েছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টিতে। ছাত্ররাজনীতির একাংশ থেকে উঠে আসা এই দলটি নিজেকে নতুন রাজনৈতিক বিকল্প হিসেবে হাজির করতে চেয়েছিল। কিন্তু নির্বাচনের আগে দলটি যখন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোটে যায়, তখন তাসনিম সেই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেন। তাঁর আপত্তি ছিল রাজনৈতিক অবস্থানগত; তিনি মনে করেছিলেন, আদর্শগত প্রশ্নে আপস করলে ‘নতুন রাজনীতি’র দাবি দুর্বল হয়ে পড়ে। ফলত তিনি দলীয় পদ ছেড়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন।

এই সিদ্ধান্ত ছিল ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ, বাংলাদেশে সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়াই মানে সাংগঠনিক শক্তি, বুথ-ম্যানেজমেন্ট, এজেন্ট নিয়োগ, প্রচার সবকিছু একা সামলানো। দলীয় প্রতীকের সুবিধা নেই, স্থানীয় নেতাকর্মী নেই, অর্থায়নের প্রতিষ্ঠিত উৎস নেই। তবু তিনি লড়াইয়ে নামেন।

ঢাকা-৯ আসনে মোট ভোট পড়েছে ২ লাখ ১৭ হাজার ৬৮৮। এর মধ্যে ২১ শতাংশের কাছাকাছি ভোট পেয়েছেন তাসনিম। বিজয়ী প্রার্থী হাবিবুর রশিদ, যিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রার্থী হিসেবে ১ লাখ ১১ হাজার ২১২ ভোট পান। দ্বিতীয় স্থানে থাকা এনসিপি প্রার্থী মোহাম্মদ জাবেদ মিয়া পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৪৬০ ভোট। এই সমীকরণে তৃতীয় স্থানে থেকেও তাসনিমের ভোটসংখ্যা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের ভাবিয়েছে।

কারণ, এই ভোট কোনো জোটের ট্রান্সফার ভোট নয়, কোনো পুরোনো সাংগঠনিক ঘাঁটির ফল নয়। এটি এমন এক প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট, যিনি ওই আসনের ভোটারই ছিলেন না, তাঁর ভোট ছিল অন্য আসনে। তবু তিনি স্থানীয় ভোটারদের একাংশকে রাজি করাতে পেরেছেন যে, দলীয় রঙের বাইরে একজন প্রার্থীকে সমর্থন করা যায়।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বাংলাদেশ নির্বাচন ২০২৬: রাজনৈতিক পরিবর্তন, ফলাফল এবং ভবিষ্যৎ

Bangladesh Election Results 2026: বাংলাদেশের নির্বাচন ফল দক্ষিণ এশীয় ভূরাজনীতির দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভারত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চিন ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন— সবাই ফলাফল গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেছে।

বাংলাদেশের নির্বাচনী সংস্কৃতিতে পোস্টার, ব্যানার, মাইকিং— এসব প্রায় অপরিহার্য। তাসনিম সেই প্রচলন ভেঙেছেন। সীমিত পোস্টার, স্বেচ্ছাসেবকনির্ভর প্রচার— এই মডেল তিনি সামনে আনেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি ৩০ হাজার স্বেচ্ছাসেবীর আহ্বান জানিয়েছিলেন; প্রায় ১৯ হাজার ৭৩১ জন নিবন্ধনও করেন। এই মডেল কতটা কার্যকর? ভোটের অঙ্ক বলছে, অন্তত এক-পঞ্চমাংশ ভোটার এই বার্তায় সাড়া দিয়েছেন। যদিও তা জয়ের জন্য যথেষ্ট নয়, কিন্তু নগরকেন্দ্রিক আসনে ডিজিটালি প্রচার যে ফল দিতে পারে, তার ইঙ্গিত স্পষ্ট।

তাসনিমের আরেকটি বড় সম্পদ তাঁর ফেসবুক অনুসারী। ৭০ লাখের বেশি ফলোয়ার, যা অনেক প্রতিষ্ঠিত নেতাদের চেয়েও বেশি। তুলনায় তারেক রহমানের অনুসারী সংখ্যা কম। তবে প্রশ্ন হলো, অনলাইন জনপ্রিয়তা কি অফলাইন ভোটে রূপান্তরিত হয়? ঢাকা–৯-এর ফলাফল দেখায়, সামাজিক মাধ্যম প্রভাব বিস্তার করতে পারে, কিন্তু তা পুরোপুরি সাংগঠনিক শক্তির বিকল্প নয়। অনলাইন সমর্থক সারা দেশে ছড়িয়ে থাকতে পারেন; কিন্তু ভোট তো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকায়। ফলে অনলাইনে জনপ্রিয়তা থাকলেও, তা পুরোপুরি ভোটে পরিণত করা যায় না।

তবে এটাও সত্য, তরুণ ভোটারদের মধ্যে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা বেড়েছে। স্বাস্থ্যসচেতনতা নিয়ে ভিডিও, কোভিড-সময়ের ফ্রন্টলাইন অভিজ্ঞতা তাঁকে এক বিশ্বাসযোগ্য জনমুখী পেশাজীবী হিসেবে পরিচিত করেছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
তারেক রহমানকে মোদির অভিনন্দন: বাংলাদেশের রাজনীতি কোন পথে এগোচ্ছে?

Bangladesh Elections 2026: বাংলাদেশের নির্বাচন পরবর্তী সময়ে একটি বড় চমক হলো ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দ্রুততম প্রতিক্রিয়া। নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলাফল আসার আগেই তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে মোদি স্পষ্ট করে দিলেন, নয়াদিল্লি এখন আর বাংলাদেশে কোনো নির্দিষ্ট একটি দলের উপর নির্ভরশীল থাকতে চায় না।

তাসনিম পেশায় চিকিৎসক। তিনি যুক্তরাজ্যের National Health Service-এ কাজ করেছেন। পড়াশোনা করেছেন University of Oxford-এ। দেশে তাঁর শিক্ষা ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে। এই আন্তর্জাতিক ও দেশীয় অভিজ্ঞতার সমন্বয় তাঁকে এক ভিন্ন প্রোফাইল দিয়েছে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে পেশাজীবীরা আগেও এসেছেন, তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় এক তরুণী চিকিৎসক হিসেবে তাঁর আগমনটা ছিল একেবারেই ভিন্ন ও চোখে পড়ার মতো।

নির্বাচনের শুরুতে প্রস্তাবক ও সমর্থকের ভোটার তালিকায় সমস্যা থাকায় তাঁর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছিল। পরে আপিল করে তিনি আবার প্রার্থী হওয়ার সুযোগ পান। এই ঘটনাও তাঁকে আলোচনায় আনে।

ঢাকা-৯-এ ১২ প্রার্থীর মধ্যে নারী ছিলেন দু’জন। অন্য নারী প্রার্থী নাজমা আক্তার পান মাত্র ১৭১ ভোট। এই ব্যবধান দেখায়, তাসনিমের ভোট কেবল ‘নারী প্রার্থী’ হওয়ার কারণে নয়; বরং ব্যক্তিগত ব্র্যান্ড, প্রচার কৌশল ও রাজনৈতিক অবস্থানের সমন্বয়ে এসেছে।

প্রসঙ্গত, উল্লেখ্য, ঢাকা মহানগরের ভোটাররা তুলনামূলকভাবে বেশি শিক্ষিত এবং তথ্যের সঙ্গে বেশি যুক্ত। এখানে ব্যক্তিকেন্দ্রিক প্রচারের সম্ভাবনা বেশি। তাসনিমের পাওয়া ২১ শতাংশ ভোট থেকে বোঝা যায়, শহরের আসনগুলিতে বিকল্প রাজনীতির প্রতি মানুষের আগ্রহ বাড়ছে। তবে সেই সমর্থন এখনও সরকার গঠনের মতো শক্তিতে পরিণত হয়নি।

বাংলাদেশের রাজনীতিতে একাধিক নেতা প্রথম নির্বাচনে পরাজিত হয়েও পরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। ব্রিটেনে ভালোভাবে প্রতিষ্ঠিত চিকিৎসকের চাকরি ছেড়ে দেশে ফিরে আসাটাই ছিল চূড়ান্ত এক রাজনৈতিক বার্তা। কিন্তু এতে একদিকে রয়েছে আদর্শবাদ, অন্যদিকে ঝুঁকি। প্রশ্ন হলো, তাসনিম কি এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারবেন?

প্রশ্ন এখন এও উঠছে, এনসিপি-জামায়াত জোটে না গেলে ফল কি ভিন্ন হতো? হয়ত তিনি দলীয় প্রতীক নিয়ে লড়লে কিছু বাড়তি ভোট পেতে পারতেন। এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট উত্তর নেই। তবে স্পষ্ট যে, দলত্যাগ তাঁর স্বতন্ত্র পরিচয়কে জোরালো করেছে।

তবে বাংলাদেশের নগর রাজনীতিতে নতুন প্রজন্মের, পেশাজীবী-নির্ভর, ডিজিটাল-সমর্থিত এক ধারার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে। সেই ধারার প্রথম বড় পরীক্ষা দিয়েছেন তাসনিম জারা। তিনি জয় পাননি। কিন্তু একা লড়ে এক-পঞ্চমাংশ ভোট অর্জন করেছেন। প্রতিষ্ঠিত দলীয় কাঠামোর বাইরে দাঁড়িয়ে এই ফলাফল ভবিষ্যতের জন্য একটি বার্তা রেখে যায়— রাজনীতিতে আস্থা, ব্যক্তিগত সততা ও বিকল্প প্রচারপদ্ধতি মিলেও সমর্থন তৈরি করা যায়। তবে সেই সমর্থনকে ক্ষমতার সমীকরণে রূপ দিতে হলে আরও দীর্ঘ পথ চলতে  হবে।

বাংলাদেশের রাজনীতি এখন রূপান্তরের সন্ধিক্ষণে। সেই সন্ধিক্ষণে তাসনিম জারার এই লড়াই হয়ত ইতিহাসের ফুটনোট, হয়ত ভবিষ্যতের অধ্যায়ের সূচনা।

লিখেছেন
inscript
inscript
17 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

আবের কাওয়াস: প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান মুসলিম মহিলা নিউ ইয়র্কের সিনেটে

Aber Kawas: নিউ ইয়র্কের ১২ নম্বর সিনেট ডিস্ট্রিক্ট থেকে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়লেন আবের কাওয়াস। নিউ ইয়র্ক স্টেট আইনসভায় তিনি প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান এবং প্রথম হিজাব পরিহিত মুসলিম মহিলা প্রতিনিধি।

প্রতিবেশীর ধর্ম দেখব না! গির্জায় হামলায় যা বলছে বাসন্তী

Basanti church: গির্জার সদস্য প্রদীপ মণ্ডল ইনস্ক্রিপ্টকে জানিয়েছেন, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ চার্চ অফ নর্থ ইন্ডিয়ার (CNI) বিশপ সুব্রত চক্রবর্তী পার্শ্ববর্তী এলাকার কয়েকটি গির্জার যাজকদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রা করে নারায়ণতলার নবনির্মিত গির্জায় পৌঁছন। তাঁদের স্বাগত জানাতে গির্জার ভিতরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রার্থনা শুরুর ঠিক আগে ৩০-৩৫ জনের একটি দল জোর করে গির্জায় ঢুকে পড়ে বলে দাবি তাঁর।

পাঁচ খুনের 'বদলা'? এবার গুয়াহাটিতে এনকাউন্টার পুলিশের

Guwahati Encounter: গুয়াহাটিতে হোটেলে ঢুকে পাঁচ জনকে খুনের অভিযোগে ধৃত ঘনকান্ত গগৈ পুলিশের গুলিতে নিহত। পুলিশের দাবি, হেফাজত থেকে পালিয়ে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল সে। একই সময়ে মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস ও ভোপালে পৃথক এনকাউন্টারে তিন অভিযুক্ত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কয়েক দিন আগেই বাংলায় গাইঘাটা ও সামশেরগঞ্জে দুই অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছিল।

আমেরিকার প্রথম মুসলিম সেনেটর, ট্রাম্পের ইসলামবিদ্বেষী প্রচারকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন আবদুল এল-সায়েদ

Abdul El-Sayed: নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর দলের একাধিক নেতা এল-সায়েদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ইসলামবিদ্বেষী প্রচার চালিয়েছিলেন। তাঁর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে তাঁকে আমেরিকার নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল।

কেন মিডটার্ম নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

US Midterm Elections 2026: মার্কিন মিডটার্ম নির্বাচনে রিপাবলিকানদের বড় ধাক্কা। কেন ট্রাম্পের ভরাডুবি? এরপর কোন পথে ওয়াশিংটন?

মিডটার্ম নির্বাচন: সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন পেতে চলেছে ট্রাম্পের বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা

US Midterm Elections 2026: ভোটের লড়াইয়ে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে যেতে শুরু করেছে বিরোধী ডেমোক্র্যাটরা।

রামলীলার পর কী? কী করবেন বিরোধীরা?

INDIA bloc Unity Under strain: ‘ভোট বাঁচাও, দেশ বাঁচাও’ স্লোগানে ১ নভেম্বর রামলীলা ময়দানে ২১ দল একজোট হলেও মঞ্চ শেষেই ভেতরের টানাপোড়েন স্পষ্ট। বাম নেতাদের বক্তৃতায় প্রাধান্য, ‘ফ্যাসিবাদ’ বিরোধী সুর। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘জাতীয় ভূমিকা’র সতর্কবার্তা। প্রিয়াঙ্কা, সুপ্রিয়া সুলে, সঞ্জয় রাউত বক্তৃতার সুযোগ না পাওয়ায় শরিক-অসন্তোষ।

ট্রাম্পের অভিবাসন নীতিতে বিপাকে ভারতীয়রা, মিডটার্ম নির্বাচনে কতটা প্রভাব পড়বে?

US Midterm Elections 2026: ২০২৬ সালের মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ভোটারদের ৬২% ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে। ট্রাম্পের এইচ-১বি ভিসা কড়াকড়ি ও অর্থনৈতিক নীতির জেরে ক্ষোভ বাড়ছে বলে জানাল কার্নেগির সমীক্ষা।