বাস্তুচ্যুত ৩ হাজার ৫০০টি পরিবার! অসমের মুসলিমদের সঙ্গে কী ঘটছে?

Assam: ৭০ বছর বয়সি এই বাংলাভাষী দু'মাস  বাংলাদেশে ছিলেন। পরে বাংলাদেশের কুড়িগাম জেলার একটি বাড়িতে আশ্রয় পেয়েছিলেন তিনি।

inscript
৪ মিনিট
বাস্তুচ্যুত ৩ হাজার ৫০০টি পরিবার! অসমের মুসলিমদের সঙ্গে কী ঘটছে?

হাজার হাজার মুসলিম পরিবারকে “অবৈধ অনুপ্রবেশকারী” দাগিয়ে উচ্ছেদের অভিযোগ উঠছে অসমে। অসমের মুখ্যমন্ত্রীর ঘৃণা ও মেরুকরণের রাজনীতি করে একটি গোষ্ঠীকে বিপদের মুখে ফেলছেন, মনে করছে নাগরিক সমাজের বড় অংশই। টার্গেট গ্রুপকে ঘাড়ধাক্কা দেওয়ার পাশাপাশি, অসমের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেছেন, অসমের হিন্দু-মুসলিম জনসংখ্যার অনুপাত ২০৪১ সালের মধ্যে সমান সমান হয়ে যাবে। অর্থাৎ ৫০ শতাংশ হিন্দু এবং ৫০ শতাংশ মুসলিম। তাঁর এই বক্তব্য দেশ জুড়ে শোরগোল ফেলে দিয়েছে। সংবাদমাধ্যমেও জলঘোলা শুরু হয়েছে। 'অবৈধ অনুপ্রবেশ' ও মুসলিমসমাজের 'দ্রুত গতিতে বংশবিস্তার' তত্ত্বে ধুয়ো দিতে চাইছেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা, মত রাজনৈতিক মহলের। সেইসঙ্গে চাইছেন অন্য বিজেপিশাসিত রাজ্যের মতোই 'পুশব্যাক' রাজনীতিতে চালিয়ে খেলতে।

৩০ জুলাই আউটলুক-এর একটি প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে, চলতি বছরের ২৭ মে সীমান্তরক্ষী বাহিনী অসমের বরপেটা জেলার জানিয়া গ্রামের বাসিন্দা করিম আলীকে অসমের দক্ষিণ সালমারা-মানকাচর জেলার সীমান্তবর্তী উত্তর বাংলাদেশের রৌমারি-তে ঘাড়ধাক্কা দিয়ে পাঠিয়েছে। ৭০ বছর বয়সি এই বাংলাভাষী দু'মাস বাংলাদেশে ছিলেন। পরে বাংলাদেশের কুড়িগাম জেলার একটি বাড়িতে আশ্রয় পেয়েছিলেন তিনি। আশ্রয়দাতারাই তাঁকে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে সাহায্য করেন। পরে অনেক কষ্টে তিনি ভারতে ফিরে আসেন।

অউটলুকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কয়েক সপ্তাহে অসম থেকে ৩০০ জনেরও বেশি বাংলাভাষী মুসলিমকে বাংলাদেশে ‘পুশব্যাক’ করা হয়েছে। অসমে তাদের ‘অবৈধ অভিবাসী’ বলে দাবি করা হয়েছিল।

ওয়াশিংটন পোস্ট লিখেছে, বাংলাদেশ সরকারের দেওয়া তথ্য থেকে জানা গিয়েছে, অপরেশন সিঁদুর শুরু হওয়ার পর ১,৮৮০ জনকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে ১১০ জনকে বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষীরা ভারতীয় হিসেবে চিহ্নিত করে, এদের ‘পুশব্যাক’ করা হয়েছিল বাংলাদেশে। তাদের অনেকেই আসলে অসমের বাসিন্দা।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বাঙালির রক্তে স্বাধীন হওয়া ভারতে, আমরাই গণহত্যার দ্বারপ্রান্তে

West Bengal : ১৯৭১-এর পরে সারা বিশ্বে মুসলমান বাঙালির উপর ঘটা সবচেয়ে বড় গণহত্যাও ঘটেছে এই ভারতবর্ষে। এবং সেটা কিন্তু হিন্দু বাঙালির দ্বারা নয়, সেটাও ঘটেছে অন্য জাতির দ্বারা। 

১২ জুলাই থেকে অসমের গোলপাড়া জেলার পাইকান সংরক্ষিত বন এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। অসম পুলিশ ও বন বিভাগ একসঙ্গে এই এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালাচ্ছে। সেখানে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটে। কুতুব-উদ্দিন শেখ পুলিশের গুলিতে নিহত হন বলে জানা যায়। একজন গুরুতর আহতও হয়েছেন। আহত ব্যক্তিকে গৌহাটির হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের অভিযোগ, "অবৈধ বাসিন্দাদের" সরিয়ে দিতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

বলে রাখা ভালো, যাঁদের উচ্ছেদ করা হচ্ছে, তাঁরা সিংহভাগই বাংলাভাষী মুসলিম এবং তাঁরা বহু বছর ধরেই ওই অঞ্চলের বাসিন্দা।

সরকারি হিসেব অনুযায়ী, ওই সংরক্ষিত বনভূমির ১৪০ হেক্টর জমি খালি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় অন্তত ১০৮০টি পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা নিজের এক্স অ্যাকাউন্টে লিখেছেন, “উচ্ছেদ চলতে থাকবে। আমাদের বনভূমি ও ভূমির উপর স্থানীয় অধিকার রক্ষার কাজ চলবে। অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়াও চলবে।”

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
রোহিঙ্গা সমস্যার মধ্যেই উপ্ত ছিল বাঙালি নিপীড়নের বীজ

Bangladeshis : এর আগেও বাঙালিকে তাড়ানোর রব উঠেছে অসমে। ১৯৬০ সালে তা চরমে পৌঁছয়। অসমে 'বংগাল খেদা' নামে বাঙালি তাড়াও হয়েছিল।

এখন বাস্তুচ্যুত বহু পরিবারই রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ শুরু করেছে। সংবাদমাধ্যম স্ক্রল.ইন-এর তথ্য অনুযায়ী, গত এক মাসে অসমের চারটি জেলায় পাঁচটি বড় বড় উচ্ছেদের ঘটনা ঘটেছে। এর ফলে ৩ হাজার ৫০০ পরিবার ঘরছাড়া হয়েছে। মল্লিকার্জুন খড়্গে ও রাহুল গান্ধীর মতো কংগ্রেস নেতারাও এই নিয়ে মুখ খুলেছেন। প্রশ্ন উঠছে, হিমন্ত বিশ্বশর্মার ৫০-৫০ তত্ত্ব নিয়েও।

২০১১ সালের অসমের আদমশুমারি অনুযায়ী, মুসলিম জনসংখ্যা ছিল ৩৪ শতাংশ, তার মধ্যে ৩১ শতাংশই ‘বহিরাগত’। এই তথ্য সামনে রেখে আগামী পনেরো বছরের ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্ব শর্মা। তাঁর এই কথা আদৌ যৌক্তিক? বলে রাখা ভালো, ২০১১ সালের জনশুমারিতে নাগরিক সমীক্ষা হয়নি। প্রশ্ন হল, ৩১ শতাংশ বহিরাগতই যে মুসলিম তার তো কোনো তথ্য প্রমাণ নেই। তাহলে তিনি এ কথা জোর দিয়ে বলছেন কীভাবে? দেশভাগের পর থেকে বাংলাদেশ থেকে অসমে মানুষজন এসেছেন ঠিকই তবে তাঁদের কত শতাংশ মুসলিম সে বিষয়ে কোনো তথ্য এখনও নেই।

অন্যদিকে, ১৯৪৭ সালের আগেও অসমে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছিল। তখন রাজ্যটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বলেই পরিচিত ছিল। কিন্তু দেশভাগের আগে কত শতাংশ মুসলিম এই দেশে ছিল আর কারা পরবর্তী সময় এসেছে তার কোনো রেকর্ড নেই। তাহলে রাজ্যটির কত শতাংশ বহিরাগত, আর কারা আগে থেকেই এই দেশে ছিলেন তা স্পষ্ট না জানার আগেই কেন এত বড় দাবি করে বসলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী?

গৌহাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক আউটলুক-কে বলেছেন, ২০২৬ সালের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠ অসমিয়া ভোটারদের সমর্থন পেতে, বাঙালি মুসলিমদের টার্গেট করা হচ্ছে। বিশিষ্ট অসমিয়া বুদ্ধিজীবী হীরেন গোহাঁই বলছেন, হেমন্ত বিশ্ব শর্মা বাংলাভাষী মুসলিমদের উপর আক্রমণ বাড়িয়ে, অসমীয়া মিডিয়ার সাহায্যে অসমীয়া হিন্দু ও আদিবাসীদের মধ্যে বাঙালি মুসলিমদের রাষ্ট্রের শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করছেন। যাতে তাঁর প্রতি বৃহত্তর সমর্থন তৈরি হয়। বিশ্লেষকদের একাংশ বলছেন, বিজেপি বরাবর ঘৃণা ও মেরুকরণের রাজনীতি করে এসেছে। তাঁদের দাবি অসমের এই পরিস্থিতি বিজেপিকে সাহায্য করলেও করতে পারে।

প্রসঙ্গত, অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার বিরুদ্ধে আগে থেকেই মুসলিমদের প্রতি বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগ রয়েছে। তিনি বরাবর দাবি করে এসেছেন, বাঙালি মুসলিমরা “বাংলাদেশ থেকে আসা অনুপ্রবেশকারী”। ২০২৩ সালের অগাস্টে তিনি বলেন , “আমি পক্ষ নেব। এটাই আমার আদর্শ।” শুধু তাই নয়, মূল্যবৃদ্ধি ও রাজ্যে বন্যার জন্যও মুসলিমদের দায়ী করেছিলেন তিনি।

এ সবের পরও কি হেমন্ত বিশ্ব শর্মা ভোটে জয়ী হবেন, সংখ্যার জোরে। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ হল, এই পুশব্যাক থামবে কবে? অপরায়নের শেষ কোথায়?

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।