“অশ্বত্থামা হত, ইতি গজ", মহাছলনা যে ভাবে ওলটপালট করে দিয়েছিল কুরুক্ষেত্রের সব হিসেব

Mahabharat : “অশ্বত্থামা হত, ইতি কুঞ্জর”, ছলনাটুকুই কি কুরুক্ষেত্রের নিয়ন্তা?

tiasa gupta
৬ মিনিট
“অশ্বত্থামা হত, ইতি গজ", মহাছলনা যে ভাবে ওলটপালট করে দিয়েছিল কুরুক্ষেত্রের সব হিসেব

যুধিষ্ঠিরের মুখনিঃসৃত বাণী এইরকম-

अश्वत्थामा हत: इति तरो वो कुंजरो वा

(উচ্চারণ – অশ্বত্থামা হতঃ ইতি নর বা কুঞ্জর বা)

অর্থাৎ, অশ্বত্থামা আর নেই, তবে সে মানুষ নাকি হাতি তা বলতে পারব না।

মহাভারতের বহুল প্রচলিত বা প্রচারিত উক্তিগুলোর ভেতর এটি অন্যতম। সমকালের আলোয়ও এই উক্তি ঘিরে চর্চার অন্ত নেই। এর কারণ লুকিয়ে আছে মহাকাব্যের অন্দরে। আজ থেকে কয়েক হাজার বছর আগে লিখিত এই মহাকাব্য সর্বযুগেই যথেষ্ট প্রাসঙ্গিক এবং গুণে-মানে অসামান্য। মূল মহাভারত সংস্কৃতে লেখা হলেও মোটামুটি ভারতের প্রধান প্রধান আঞ্চলিক ভাষায় এর অনুবাদ করা হয়েছে। সবমিলিয়ে মহাভারত এবং এর কাহিনী সর্বভারতীয় কৃষ্টি বা লোকজ সাহিত্য উপাদানে পরিণত হয়েছে। ব্যাসমুনি মহাভারতকে অনেকগুলো পর্বে ভাগ করেছেন। পর্বগুলোর মধ্যে দ্রোণ পর্বে পূর্বোক্ত বাণী উল্লেখ করা হয়েছে। পর্বটিতে প্রধানত গুরু দ্রোণের বধের কাহিনী বিস্তারে বর্ণনা করা হয়েছে। মহাকাব্যটি ধারণ করে আছে বটে পৌরাণিক সময়, কিন্তু আজকের দিনেও তাকে মনে হয় আধুনিক। মহাভারতের আলোয় আজও বিচার করা যায় সমকালকে। এখানে ছড়িয়ে থাকা টুকরো টুকরো গল্পগাথা বিচিত্র এবং আকর্ষণীয়। সমকালের আলোয় তাকে এক নতুন সুতোয় গ্রথিত করা যায়।

শিবের তপস্যা করে তাঁর বরদানে মহা-শক্তিশালী পুত্রলাভ করেছিলেন দ্রোণাচার্য। দেবাদিদেবের বরে অশ্বত্থামার কিছু অনন্য শক্তি ছিল। অন্যদের তুলনায় বেশি ক্ষমতাশালী হওয়ার পাশাপাশি, অশ্বত্থামার কপালে একটি রত্ন ছিল। যে কারণে, তাঁর মধ্যে দৈবিক শক্তি ছিল। অশ্বত্থামা ছিলেন অজেয়। ক্ষুধা, তৃষ্ণা, ব্যথা ও শ্রান্তি তাঁকে ছুঁতে পারত না। সর্বোপরি, তিনি ছিলেন 'চিরঞ্জিবী'। এই কারণে তাঁকে কেন্দ্র করে যে গল্প শাখা মেলেছে, তা আজও এত আকর্ষণীয়। তবে এ নিছক সরল রৈখিক গল্প নয়, এখানে লুকিয়ে আছে সেই আখ্যান যেখানে ধর্মযুদ্ধে অপ্রতিরোধ্য দ্রোণকে হত্যার জন্য পাণ্ডব এবং শ্রীকৃষ্ণকে কূটনৈতিক চালের আশ্রয় নিতে হয়েছিল।

কে অশ্বত্থামা ?

অশ্বত্থামার পিতার নাম গুরু দ্রোণ আর তাঁর মাতার নাম কৃপী। জন্মের সময় অশ্বত্থামা অশ্বের মতো শব্দ করেছিলেন বলে তাঁর এইরূপ নামকরণ করা হয়। অশ্বত্থামার পিতা গুরু দ্রোণ ছিলেন একজন ব্রাহ্মণ। ব্রাহ্মণ হয়েও তিনি ক্ষত্রিয়ের মতো যুদ্ধবিদ্যায় পারদর্শী ছিলেন। তিনি তাঁর যুদ্ধ শিক্ষা শেখেন তাঁর পিতা ভরদ্দাজ মুণির কাছ থেকে। তাঁর পিতার দেওয়া শিক্ষাই তিনি তাঁর ছাত্রদের শেখাতেন। যাঁরা ব্রাহ্মণ কুলে জন্মগ্রহণ করে একই সঙ্গে ব্রাহ্মণ্য এবং ক্ষাত্রধর্ম পালন করেন, তাঁদের ব্রহ্মক্ষত্রিয় বলা হয়। এজন্য পরশুরামের মতো এঁদেরকেও ব্রহ্মক্ষত্রিয় বলা হয়। একবার তাঁর বাল্যকালের মিত্র রাজা দ্রুপদের কাছে গেলে তিনি গুরু দ্রোণকে অপমান করেন। আর সেই অপমানের প্রতিশোধ নিতে তিনি হস্তিনাপুরে এসে তাঁর যোগ্য শিষ্য খুঁজতে থাকেন। সেখানে তিনি কৌরব কুমারদের সঙ্গে তাঁর একমাত্র পুত্র অশ্বত্থামাকে যুদ্ধ শিক্ষা দিতে আরম্ভ করেন। গুরু দ্রোণ দেখতে পেলেন সেখানে ধনুর্বিদ্যাতে অর্জুন বিশেষ দক্ষতা অর্জন করছেন, তাই তিনি তাঁর পুত্র অশ্বত্থামাকে সেরা ধনুর্বি‌দ হওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করতে থাকেন। অস্ত্র ব্যবহারের কলা ও রণকৌশল শেখার জন্য ছোট বয়সেই বাবা দ্রোণাচার্যের গুরুকূলে যোগ দিয়েছিলেন অশ্বত্থামা। সেই সময় কৌরব ও পাণ্ডব-- উভয় পক্ষই দ্রোণাচার্যের কাছে অস্ত্র প্রশিক্ষণ নিত। তবে, পাণ্ডবদের তুলনায় কৌরব, বিশেষ করে দুর্যোধনের বেশি কাছে ছিলেন অশ্বত্থামা। কুরুক্ষেত্র যুদ্ধে অশ্বত্থামা কৌরবদের পক্ষ অবলম্বন করেন। উপরন্তু অশ্বত্থামা বহু গুপ্ত অস্ত্র প্রয়োগের কৌশল পিতার কাছ থেকে শিখেছিলেন, যা যুদ্ধে কৌরবদের পক্ষে সাপে বর হয়ে দাঁড়ায়। এই যুদ্ধে অশ্বত্থামার বিশেষ অবদান রয়েছে। পাণ্ডবদের বহু অক্ষয়িনী সেনা তিনি হত্যা করেন।

কুরুক্ষেত্র যুদ্ধ ও অশ্বত্থামা ?

কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে দ্রোণাচার্য অপ্রতিরোধ্য হয়ে উঠলে তাঁকে বধ করার জন্য পাণ্ডবগণ শ্রীকৃষ্ণের সঙ্গে পরামর্শ করেন। শ্রীকৃষ্ণ বুঝতে পারেন কৌশল ছাড়া গতি নেই। তাই একটি বুদ্ধি আঁটেন দ্রোণকে ধরাশায়ী করার। তিনি দ্বিতীয় পাণ্ডব ভীমকে বলেন, পাণ্ডবমিত্র রাজা ইন্দ্রবর্মার হাতি অশ্বত্থামাকে বধ করে উল্লাসিত কণ্ঠে প্রচার করতে ‘অশ্বত্থামাকে আমি মেরে ফেলেছি’। এই কথা কর্ণগোচর হলে ভেঙে পড়েন দ্রোণ। আর পুত্রের মৃত্যুসংবাদ শুনে যখন দ্রোণ হতোদ্যম হয়ে অস্ত্র ত্যাগ করবেন, সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে অর্জুন যেন তাঁকে বধ করেন। কিন্তু প্রাথমিকভাবে অর্জুন এতে অপারগতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আমি ক্ষমাপ্রার্থী, হে মাধব। আমি আমার গুরুকে ছলনার আশ্রয় নিয়ে বধ করতে পারব না এবং এ ধরনের পাপের ভাগীদার হয়ে আমি যুদ্ধ জিততে চাই না”। প্রত্যুত্তরে কৃষ্ণ বলেন, “তুমি কে এই যুদ্ধ হারার বা জেতার নয়। তোমার একমাত্র লক্ষ্য ধর্ম-অধর্মের বিরুদ্ধে লড়াই করা। সেটিই করো তুমি।...’’ কৃষ্ণের পরামর্শের পরে ভীম দৌড়ে গিয়ে তাঁর গদা দিয়ে হাতি অশ্বত্থামাকে বধ করে মধ্য রণক্ষেত্রে গিয়ে গদা উঁচিয়ে চিৎকার করে বলতে থাকেন ‘অশ্বত্থামাকে আমি এই গদা দিয়ে বধ করেছি, অশ্বত্থামা আর নেই’। দ্রোণাচার্য এ সংবাদ শুনে হতভম্ব হয়ে যান। তাঁর বিশ্বাস হয় না। তিনি ভীমকে বলেন, একমাত্র ধর্মপুত্র যুধিষ্ঠিরের মুখ থেকে শুনলেই বিশ্বাস করব। কারণ যুধিষ্ঠির কখনও মিথ্যা বলেন না। দ্রোণ যুধিষ্ঠিরের সম্মুখে এসে জিজ্ঞাসা করেন, ‘পুত্র যুধিষ্ঠির, অশ্বত্থামা কি সত্যি মারা গিয়েছে?’

উত্তরে যুধিষ্ঠির বলেন সেই অমোঘ উক্তিটি, “অশ্বত্থামা হতঃ ইতি কুঞ্জর।” প্রচ্ছন্ন হলেও এই প্রথম কৌশলের আশ্রয় নিলেন সত্যের পরাকাষ্ঠা স্বয়ং যুধিষ্ঠির। 'ইতি কুঞ্জর' এ অংশটি তিনি বলেন মৃদুস্বরে যাতে দ্রোণাচার্যের কানে না পৌঁছয়। যুধিষ্ঠিরের কথায় দ্রোণাচার্যের চেতনা হারানোর উপক্রম হয়। তিনি ধনুর্বাণ ত্যাগ করে তপস্যায় উপবেশন করেন। অশ্বত্থামার আত্মাকে খুঁজতে দ্রোণের আত্মা দেহ ত্যাগ করে স্বর্গে প্রবেশ করে। নিথর দেহ, সাধনার আসনে যুদ্ধক্ষেত্রে পড়ে থাকে। সুযোগ পেয়ে পাণ্ডবসেনাদের সেনাপতি ধৃষ্টদ্যুম্ন তলোয়ার দিয়ে দ্রোণাচার্যের মুণ্ডুপাত করেন। ধৃষ্টদ্যুম্ন ছিলেন রাজা দ্রুপদের পুত্র এবং দ্রৌপদীর জেষ্ঠ্যভ্রাতা। তাঁর প্রতিজ্ঞা ছিল এভাবেই পিতৃহত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার। গোটা মহাভারত যেন এই প্রতিজ্ঞা আর প্রতিশোধের দলিল। পিতৃহত্যার খবর শুনে অশ্বত্থামা ক্রোধে ফেটে পড়েন। তিনি নারায়ণ অস্ত্রের আবাহন করেন। নারায়ণাস্ত্র বা বৈষ্ণবাস্ত্রের প্রলয়ঙ্করী রূপ পাণ্ডবসেনাদের ভেতর ত্রাসের সঞ্চার করে। ত্রাহি ত্রাহি রব উঠে পাণ্ডব শিবিরে। এবারও বৈতরণী পার করালেন ভগবান শ্রী মধুসূদন। তিনি পাণ্ডবদের নিরস্ত্র হয়ে ভক্তিভাব নিয়ে নারায়ণাস্ত্রের সামনে দাঁড়িয়ে নমস্কার করতে বললেন। সবাই তাই করলেন। নারায়ণাস্ত্রের বিশেষত্ব হলো এটি নিরস্ত্র এবং নত কাউকে আহত করে না। অশ্বত্থামার বৈষ্ণবাস্ত্র পাণ্ডবদের কোনো অনিষ্ট করতে পারে না। প্রথমবার ব্যর্থ হওয়ার পরে দুর্যোধন অশ্বত্থামাকে আরেকবার বৈষ্ণবাস্ত্র প্রয়োগের আদেশ করলে অশ্বত্থামা বলেন, মিত্র, একবার ব্যর্থ হওয়ার পরে এ অস্ত্র আর প্রয়োগ করা যায় না, করলে প্রয়োগকারীরই অনিষ্ট হয়।

এদিকে পাণ্ডবশিবিরে দ্রোণাচার্য বধের পরে শোকাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে সবাই। যুধিষ্ঠির শোকে ও পরিতাপে মুহ্যমান হয়ে পড়েন। অর্জুন তাঁর গাণ্ডীব হাতে নিয়ে ধৃষ্টদ্যুম্নকে বধ করতে উদ্যত হলে দ্রৌপদী এসে তাঁকে এই বলে নিবৃত্ত করেন যে, ‘হস্তিনাপুরের রাজসভায় যখন আমার অপমান করা হয়েছিল তখন গুরু দ্রোণ নিশ্চুপ ছিলেন। অর্থাৎ, শুদ্ধ অন্তঃকরণে তিনিও ধর্মপালন করতে পারেননি। তাই, তাঁর বধ অনেহ্য নয়।’ কৃষ্ণ বলেন, “ধৃষ্টদ্যুম্ন পাণ্ডবশিবিরের সেনাপতি। তুমি তাঁর অধীনে যুদ্ধরত একজন মহারথী। তোমার তাঁর প্রতি অস্ত্র উত্তোলন হবে অন্যায়। যদি শিষ্য হিসেবে গুরুহত্যার প্রতিশোধ নিতে চাও সে নিও- কিন্তু সেটা যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরে।” আঠেরো দিনের যুদ্ধ শেষে পাণ্ডবদের জয় হয়। দুর্যোধনের উরুভঙ্গ করেন ভীম। মিত্র হিসেবে অশ্বত্থামা দুর্যোধনের শেষ ইচ্ছে ‘পাণ্ডবদের বধ’ পূরণ করার প্রতিজ্ঞা করে। পঞ্চপাণ্ডবের জায়গায় অন্ধকারে পঞ্চপাণ্ডবদের পাঁচ পুত্রকে বধ করেন অশ্বত্থামা। দুর্যোধন এ সংবাদ পাওয়ার পর হাসিমুখে প্রাণ ত্যাগ করে। পঞ্চপাণ্ডব পুত্রদের হত্যার প্রতিশোধ নিতে অশ্বত্থামাকে আক্রমণ করে। অর্জুন ব্রহ্মাস্ত্র প্রয়োগ করলে অশ্বত্থামাও ব্রহ্মাস্ত্রের প্রয়োগ করেন।পরিস্থিতি সামাল দিতে অবতীর্ণ হন ব্যাসমুনি, দুইজনকে শান্ত করার চেষ্টা করেন। অর্জুন ব্রহ্মাস্ত্র ফিরিয়ে নিতে জানলেও অশ্বত্থামা জানতেন না। তিনি তাঁর ব্রহ্মাস্ত্রের দিক বদলে অর্জুনের পুত্রবধূ উত্তরার গর্ভে নিক্ষেপ করেন। উত্তরার গর্ভের শিশুকে রক্ষার্থে শ্রীকৃষ্ণ তপবলে সে অস্ত্রকে প্রশমিত করেন। গর্ভের শিশুটি জন্মের আগেই মৃত্যুস্বাদ লাভ করে তাই তার নামকরণ করা হয় পরীক্ষিত, অর্থাৎ যে পরীক্ষিত। এরপর শ্রীকৃষ্ণ সুদর্শন চক্র দিয়ে অশ্বত্থামার কপালের সেই দুর্মূল্য মণিটি উপড়ে নেন এবং সেখানে সৃষ্টি হয় এক গুরুতর ঘা। ক্রোধান্বিত কৃষ্ণ তাঁকে অভিশাপ দেন– “আজ থেকে পুরো পৃথিবীর পাপের ভার মাথায় নিয়ে তুই ঘুরবি এক অশরীরী প্রেতের ন্যায়! প্রেম, তৃপ্তি, শান্তি কখনও পাবি না তুই! পুরো সমাজ তোকে পরিত্যাগ করবে! আদর, স্নেহ, মমতা তোকে স্পর্শ করবে না একদম! কীট-পতঙ্গ হবে তোর সঙ্গী! প্রতিটি ক্ষণ মৃত্যুর জন্যে আহাজারি করবি তবুও মৃত্যু তোকে স্পর্শ করবে না! কলি কালের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত এই দশায় ভুগতে হবে তোকে!” বিজ্ঞান এ নিয়ে যাই বলুক না কেন, ধর্ম আর বিশ্বাস বলে, সেই অশ্বত্থামা আজও রয়েছেন, বয়ে বেড়াচ্ছেন পাপের বোঝা।

লিখেছেন
tiasa gupta
tiasa gupta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

২০২৫ যে শব্দগুলির সঙ্গে পরিচয় করাল

Word of the year: গুগল ইন্ডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয়রা ২০২৫ সালে যেসব শব্দের অর্থ সবচেয়ে বেশি খুঁজেছে, তা তাদের মানসিক অবস্থার প্রতিফলন। যেমন—সিজফায়ার অর্থাৎ যুদ্ধবিরতি, মক ড্রিল অর্থাৎ নিরাপত্তার জন্য মহড়া।

জ্যোতির্ময় দত্ত: লেখালেখির বাইরে এক খ্যাপাটে মানবতাবাদী

Jyotirmoy Dutta: বামপন্থার সমালোচক ছিলেন জ্যোতির্ময় দত্ত। তাঁর আদর্শ ছিল রবীন্দ্রনাথ ও মহাত্মা গান্ধীর মানবতা।

ঘৃণার রাজনীতি: এখন লক্ষ্য খ্রিস্টান?

Anti-Christian violence India: মিচেলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশে খ্রিস্টান নিগ্রহের ঘটনা ঘটেছে ৮৩৪টি (গড়ে মাসে ৭০ টি)। ২০২৫ সালে নভেম্বর মাস পর্যন্ত নিগ্রহের ঘটনা ঘটেছে ৭০৬ টি।

এক বাঙালির জেদে জুড়ল দুই বাংলা: টেলিগ্রাফ ম্যান শিবচন্দ্র নন্দী

Seebchunder Nandy: ১৮৫১ সালে কলকাতা-ডায়মন্ড হারবার লাইনের প্রথম সংকেত প্রেরণের সময় শিব চন্দ্র নন্দী ডায়মন্ড হারবার থেকে বার্তা পাঠান, অন্য প্রান্তে ও'শাগনেসির সঙ্গে ছিলেন লর্ড ডালহৌসি।

অন্যের দুঃখে কেন আমাদের মিষ্টি হাসি? শ্যাডনফ্রয়ডার মনস্তত্ত্ব

Schadenfreude: বর্তমান যুগে এই অনুভূতি আগুনের মতো ছড়িয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার হাত ধরে। আমরা এখন যাকে 'ট্রোলিং' বলি, তার মূলে রয়েছে এই শ্যাডনফ্রয়ডা।

দেশে দেশে নানাবেশে আছেন সে এক সান্তা ক্লজ

Santa Claus Across Cultures: ১৮৬৯ সালে প্রকাশিত রঙিন চিত্র সংকলনে জর্জ ওয়েবস্টার লিখেছিলেন, সান্তা ক্লজের বাড়ি "নর্থ পোলের নিকটে"।

বিপন্ন ভারতের প্রাচীন পর্বতমালা‍! যেভাবে ধ্বংসের মুখে আরাবল্লী

Aravalli Hills Under Threat: পরিবেশবিদদের মতে, আরাবল্লী কেটে ফেললে দিল্লির দূষণ পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার নেবে।

শৈশবের ‘রিওয়্যারিং’: স্ক্রিনের নীল আলো গিলে খাচ্ছে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে?

Screen Addiction Destroying the Mental Health: বাস্তব জগত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ডিজিটাল জগতে ডুবে থাকায় শিশুদের মানসিক কাঠামোর এক আমূল পরিবর্তন ঘটে যাচ্ছে।