এবার বড়দিনে আক্রান্ত খ্রিস্টানরা! কতটা ভয়াবহ রাজ্যে রাজ্যে পাশ হওয়া ধর্মান্তর বিরোধী আইন?

Christian Attacked on Christmas: বিজেপি সরকার সম্প্রতি বিধানসভায় যে ধর্মান্তর বিরোধী বিলটি পেশ করেছিল তা অনুমোদিত হয়েছে এবং শনিবার রাজ্যপালের সম্মতিও মিলেছে।

Madhurima Dutta
৩ মিনিট
এবার বড়দিনে আক্রান্ত খ্রিস্টানরা! কতটা ভয়াবহ রাজ্যে রাজ্যে পাশ হওয়া ধর্মান্তর বিরোধী আইন?

সংখ্যালঘুর একটাই বিভাগ, তাঁরা সংখ্যালঘু। ধর্মনিরপেক্ষ দেশে তাই উৎসবের দিনে আক্রান্ত হওয়ার নজির বাড়ছে। ইদ বা মহরমের নয়, উদযাপনের ক্ষেত্রে এখনও সার্বিক স্তরে বড়দিনের একটা বড় গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। তবু, ধর্মান্তরণের ক্ষেত্রে সমস্তটাই 'আমরা-ওরা'র খেল। বড়দিনের উৎসবের জমকে উত্তরাখণ্ডের উত্তরকাশীর ঘটনা দেখিয়ে দিচ্ছে ভারতের অসহিষ্ণুতার খাতা এখনও ভরেনি। বড়দিনের ঠিক দিন দুই আগে, শুক্রবার লাঠিসোটা নিয়ে এখানে ৩০ জন যুবকের একটি দল ক্রিসমাসের অনুষ্ঠানে হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ। যুবকদের গোষ্ঠীর দাবি, ওই জেলায় জোর করে ধর্মান্তরণ ঘটছে! শুধু ওই যুবকরাই নন, উত্তরাখণ্ডের পুরোলা গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দারাও দাবি করছেন, একটি খ্রিস্টান সংগঠন জোর করে ধর্মান্তরিত করছে গ্রামবাসীদের। দল ভারী করার এই মোহ ধীরে ধীরে আগ্রাসনের চেহারা নিয়েছে দেশে। মুসলিম বিরোধিতার আড়ালে কিছুতেই ভোলা যাবে না, অন্যান্য ধর্মগোষ্ঠীগুলির বিতর্কিত অবস্থান।

পুলিশ জানিয়েছে, যারা হামলা চালিয়েছে তারা একটি হিন্দু সংগঠনের সদস্য। হামলাকারীদের ছয়জনকে আটকও করা হয়, তাদের মধ্যেই ছিলেন যাজক লাজারাস কর্নেলিয়াস এবং তাঁর স্ত্রী সুষমা কর্নেলিয়াস। পরে অবশ্য সবটা মিটমাট হয়ে গেলে সবাইকেই ছেড়ে দেওয়া হয়। সেদিনই দুপুরে রাজ্যের রাজধানী দেরাদুন থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দূরে গ্রামের হোপ অ্যান্ড লাইফ সেন্টারেও হামলার ঘটনা ঘটে। মুসৌরির ইউনিয়ন চার্চের পাদ্রি তখন প্রার্থনা করছিলেন। নেপালের বারো জন বাসিন্দা এবং অন্যান্য স্থানীয়রা বড়দিনের আগে এখানে জড়ো হয়েছিলেন। জোর করে ধর্মান্তরণের অভিযোগ ওঠায় গ্রামবাসী এবং অনুষ্ঠানের আয়োজকদের মধ্যে তুমুল তর্কাতর্কি হয়। স্থানীয়রা বিক্ষোভ দেখান এবং ধর্মান্তরণের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তিও দাবি করেন। এই স্থানীয়রাই বা কারা, আর শাস্তির বিধানই বা এত ঘটা করে প্রকাশ্যে আসছে কীভাবে? সেদিনের ঘটনার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে ছড়িয়ে পড়ে। ওই ভিডিওতে, বিশ্ব হিন্দু পরিষদের একজন স্থানীয় কর্মীকে অভিযোগ করতে শোনা যায়, ধর্মান্তরিত করার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা খ্রিস্ট ধর্মপ্রচারক।

নিজ ধর্ম বদলে খ্রিস্ট ধর্মে দীক্ষা নেওয়া নতুন ঘটনা নয়। ভারতের আদিবাসী গ্রামগুলি এখনও এই ধর্ম বদলের সাক্ষ্য বহন করে। কিন্তু নতুন যে ঘটনাটি ঘটেছে তা হল, ওই রাজ্যের বিজেপি সরকার সম্প্রতি বিধানসভায় যে ধর্মান্তর বিরোধী বিলটি পেশ করেছিল তা অনুমোদিত হয়েছে এবং শনিবার রাজ্যপালের সম্মতিও মিলেছে। আর এই বিলেই শাস্তির বিধান স্পষ্ট করে দাগিয়ে দেওয়া হয়েছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ধর্মনিরপেক্ষতার অর্থ বুঝতেন অটল বিহারী, বাজপেয়ীর বিজেপির থেকে কোথায় আলাদা মোদির বিজেপি?

Atal Bihari Vajpayee: নিজের প্রায় পাঁচ দশকের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে ৯০ শতাংশ সময়ই বিরোধী আসনে বসেছেন অটল বিহারী বাজপেয়ী।

শুধু উত্তরাখণ্ডে নয়, বড়দিনের আগে ছত্তিশগড়ের খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষদের বাড়িঘর লক্ষ্য করে হামলার খবর মিলেছে। গত সপ্তাহ থেকে নারায়ণপুর জেলায় শয়ে শয়ে উপজাতীয় খ্রিস্টান গ্রাম ছেড়ে পালিয়েছেন বলে খবর। ছত্তিশগড় খ্রিস্টান ফোরাম সূত্রে জানা গিয়েছে, মহিলা সহ একশো জনেরও বেশি মানুষ নারায়ণপুরের একটি স্টেডিয়ামে আশ্রয় নিয়েছেন। আরও অনেকের থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে গির্জা সহ অন্যান্য জায়গায়। রাজ্যের রাজ্যপাল আনুসুইয়া উইকির সঙ্গে দেখা করে আদিবাসী খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে অব্যাহত এই হামলার অবসান চেয়ে স্মারকলিপিও জমা দিয়েছে ছত্তিশগড় খ্রিস্টান ফোরাম।

আদিবাসী অধ্যুষিত এই জেলার ১৪ টি গ্রামের বিক্ষোভকারীদের দাবি, খ্রিস্টান ধর্মে ধর্মান্তরিত হওয়ার জন্য তাঁদের হেনস্থা করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হয়েছে। ফোরাম জানাচ্ছে, গত দুই মাসে অন্তত ৬০ টি খ্রিস্টান পরিবার হেনস্থার মুখে পড়েছে। ১২ থেকে ১৪ টি গ্রামের প্রায় ২০০ খ্রিস্টান পরিবারকে উচ্ছেদ করা হয়েছে এবং চার্চে ভাংচুর করা হয়েছে।

ছত্তিশগড়ের উপজাতিদের খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরিত হওয়া দীর্ঘদিন ধরেই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং বেশ কিছুকাল ধরেই খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরিত অনেক যাজক এবং উপজাতিই ডানপন্থী গোষ্ঠীদের আক্রমণের শিকার হয়েছে৷ যদিও ২০১১ সালের আদমশুমারির পরিসংখ্যান বলছে, ছত্তিশগড়ের জনসংখ্যার ২ শতাংশেরও কম খ্রিস্টান। তবে ডানপন্থী দলগুলোর দাবি, প্রকৃত সংখ্যা অনেক বেশি।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
অলক্ষ্যেই ম্যাজিক করছেন রাহুল! হিংসার বিরুদ্ধে মানুষকে জুড়বে ভারত জোড়ো যাত্রাই?

Bharat Jodo Yatra: হিংসা-দ্বেষের বদলে যদি ভালবাসা দিয়ে এই দেশকে অখণ্ড রাখা যায়, যদি মানুষে মানুষে ভেদাভেদকে দূর করে 'বিবিধের মাঝে মিলনকে' দেখা যায়, তাহলে ক্ষতি কী!

উল্লেখযোগ্য, ধর্মান্তর বিরোধী আইন প্রয়োগ করা হয়েছে ছত্তিশগড় রাজ্যেও। ২০২১ সালে ইউনাইটেড ক্রিশ্চিয়ান ফোরাম, অ্যাসোসিয়েশন ফর প্রোটেকশন অব সিভিল রাইটস এবং ইউনাইটেড আগেইনস্ট হেট-এর একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, ভারতে খ্রিস্টানদের উপর আক্রমণের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ছত্তিশগড়। রিপোর্ট অনুসারে, ২০২১ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভারত জুড়ে ৩০৫ টি এমন হামলার ঘটনা ঘটেছে। যার মধ্যে শীর্ষে রয়েছে উত্তরপ্রদেশে (সর্বোচ্চ ৬৬ টি হামলার ঘটনা)। এরপরেই আছে ছত্তিশগড় (৪৭টি) এবং কর্ণাটক (৩২ টি)।

কী এই ধর্মান্তর বিরোধী আইন?

উত্তরাখণ্ডের রাজ্যপাল গুরমিত সিং শনিবারই ধর্মের স্বাধীনতা (সংশোধনী) বিল, ২০২২ অনুমোদন করেছেন। এই বিল বলছে, বেআইনি ধর্মান্তরণ সে রাজ্যে একটি অ-জামিনযোগ্য অপরাধ যার ফলে ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড হতে পারে। গত ৩০ নভেম্বর উত্তরাখণ্ড বিধানসভা একটি আইন পাস করে যাতে বলা হয়, দুই বা ততোধিক মানুষের ধর্মান্তরণ আসলে 'গণ ধর্মান্তরণ'। এই আইনের ধারা ২-এর একটি নতুন ধারা অনুযায়ী, 'গণ ধর্মান্তরণ' বলতে এমন একটি ঘটনাকে বোঝায় যেখানে 'দুই বা ততোধিক ব্যক্তি ধর্মান্তরিত হন' এবং 'বেআইনি ধর্মান্তর' মানে 'যে কোনও ধর্মান্তরণ যা আইন অনুযায়ী নয়। এই ধারায় ১০ বছর পর্যন্ত জেল এবং ৫০,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রয়েছে।

সংশোধনীগুলিতে একজন মহিলা, নাবালক বা তফশিলি জাতি বা উপজাতি সম্প্রদায়ের সদস্যদের ধর্মান্তরিত করায় দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তিদের ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধানও রয়েছে। অপরাধের জন্য ২৫,০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানার কথাও বলা আছে।

লিখেছেন
Madhurima Dutta
Madhurima Dutta
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।