সৃজনশীল প্রতীকদের নিজস্ব প্রতীক! প্রতীক উর অভিজিৎ হবেন নাকি কানহাইয়া?

প্রতীক উর বা সৃজন ভট্টাচার্যরা কি সহজ, গানিতিক হিসেব কষা কম ঝুঁকি এবং স্বল্প সময়ে বেশি লাভের বিনিয়োগের বাইরে বেড়িয়ে রাজনীতি করতে পারেন না?

Durjoy Barai
৫ মিনিট
সৃজনশীল প্রতীকদের নিজস্ব প্রতীক! প্রতীক উর অভিজিৎ হবেন নাকি কানহাইয়া?

২০২১-এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূল ছাড়বেন প্রায় নিশ্চিত; কিন্তু তিনি কোন পথে হাঁটবেন— তা অস্পষ্ট ছিল কিছু সময়ের জন্য। সংবাদমাধ্যম-সহ রাজনীতি সচেতন মানুষের মধ্যে জল্পনা চলছিল- শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূল ছেড়ে নতুন রাজনৈতিক দল তৈরি করবেন। অনেকেই সদর্থক ভাবে আশা করছিলেন তৃণমূল-বিজেপি এবং নিষ্প্রভ বাম-কংগ্রেসের বাইরে বাংলা একটা বিকল্প পাবে। বিভিন্ন জেলায় শুভেন্দু অধিকারীর প্রভাব-সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনাও চলছিল। সে’সময় তৃণমূলের অনেকেই বলেছিলেন, শুভেন্দুদার জন্য জায়গা পেয়েছি, ওঁ নতুন দল করলে ওঁর সঙ্গে থাকবো, কিন্তু অন্য দলে যোগ দিলে দাদার সঙ্গে থাকবো না। আজ সেই সমস্ত নেতারাই শুভেন্দুকে 'মীরজাফর' বলে গালমন্দ করেন। কিন্তু শুভেন্দু অধিকারী এই রিস্কটা নেননি। হয়তো প্রণব মুখার্জির কথা ভেবেছেন। তবে, ধরা যেতে পারে শুভেন্দু অধিকারী তাঁর রাজনৈতিক জীবনের সবথেকে বড় ঝুঁকি নিয়েই ফেলেছেন বিজেপিতে যোগদান করা এবং তার পরে কট্টর ধর্মীয় রাজনীতি করার মধ্যে দিয়ে। অথচ তিনি নতুন রাজনৈতিক দল তৈরির মত কঠিন ঝুঁকি নিতে পারেননি। তিনি একটি প্রতিষ্ঠিত কাঠামোয় ভরসা করেছেন, তিনি নিজে জমি তৈরি-বীজ রোপন ইত্যাদির মধ্যে যাওয়ার সাহস দেখাননি, হয়তো সহজ এবং কম সময়ে সফল হওয়ার পথ হিসেবে তিনি পুরোনো কাঠামোয় বিনিয়োগ করেছেন।

মাঝে আব্বাস সিদ্দিকী নতুন দল তৈরি করেছেন, কিন্তু সেটা সার্বিক ভাবে কখনোই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেনি, সংখ্যালঘু কমিউনিটির বাইরে বেড়িয়ে ওই দল গোটা রাজ্য জুড়ে প্রভাব ফেলবে, ক্ষমতায় আসবে এমন আশাও কেউ করেনি, অন্তত রাজনৈতিক ভাবে সচেতন মানুষ করেনি। এর পরে বাংলার রাজনীতিতে পুরোনো রাজনৈতিক কাঠামো ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়নি দীর্ঘ সময়। তবে ২০২৪-এর লোকসভার আগে বিচারপতি অভিজিৎ গাঙ্গুলিকে নিয়ে একটি আলোচনা দানা বেঁধেছিল। অনেকেই আশা প্রকাশ করেছিল— বিচারপতি ভগবান, তিনি মানুষের কথা ভেবে রাজনীতিতে আসুন এবং প্রয়োজনে নতুন রাজনৈতিক দল তৈরি করুন। তবে শেষ পর্যন্ত ভগবান গেরুয়া রঙই পছন্দ করলেন, এবং তাঁর প্রাক্তন বিচারপতি হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভগবান শব্দের আগেও প্রাক্তন শব্দ জুড়ে গেল। অভিজিৎ গাঙ্গুলিও পুরনো রাজনৈতিক গন্ডিতেই থেকে গেলেন, নতুন দল তৈরির মতো ঝুঁকি নিলেন না, সময়সাপেক্ষ একটি প্রক্রিয়ার মধ্যে তিনি ঢুকলেন না।

বর্তমান রাজনীতিতে প্রায় সবাই দ্রুত সাফল্য পাওয়ার আশায়, ঝুঁকিহীন পথ বেছে নিচ্ছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর বাংলায় আর একজন অর্ধেক মমতাও তৈরি হলো না— এটা হতাশাজনক বিষয়। কেউ ঝুঁকি নিচ্ছেন না, প্রাপ্তির হিসেব না কষে কেউ রাস্তায় নামছেন না; রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষাও হয়তো সামান্য। নেতা অর্থাৎ সাধারণ মানুষের হয়ে, সাধারণ মানুষের ইস্যু নিয়ে যিনি লড়াই করবেন, জয় ছিনিয়ে আনবেন— এমন নেতৃত্বও দেখা যাচ্ছে না। 'বাংলা সিনেমার পাশে দাঁড়ান' আবেদনের মতো 'বাংলার রাজনীতির পাশে দাঁড়ান' বলা শুরু করতে হয়তো আর বেশি দেরি নেই। এখনও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শাসক এবং বিরোধী দুই ভূমিকায় একসঙ্গে রাজনীতির ময়দানে রয়েছেন।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
দলে কোণঠাসা হয়ে পড়ছিলেন! সিপিএম থেকে ইস্তফা কেন? যা জানালেন প্রতীক উর রহমান

Pratik-Ur Rahman resignation: সাম্প্রতিক সময়ে পার্টির বেশ কিছু ভাবনা ও কর্মপদ্ধতির সঙ্গে খাপ খাওয়াতে না পেরে, মানসিক দ্বন্দ্বের মধ্যে দিন কাটাতে হচ্ছে বলে ইস্তফাপত্রে লেখেন প্রতীক-উর।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন বিরোধী দলে ছিলেন, তখন তিনি কী করেননি! তাঁর রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা পূরণে যা যা করার প্রয়োজন, সব করেছেন। কংগ্রেসকে ভেঙে দিয়েছেন, বিজেপির সঙ্গে জোট করেছেন, জোট ছেড়ে আবার কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করেছেন, মানুষের ইস্যু নিয়ে লড়াই করেছেন— যা নিয়েই লড়েছেন সেটা আদায় করে ছেড়েছেন যে কোনো মূল্যে, টাটাকে তাড়িয়েছেন, নিজে মৃত্যুর সঙ্গে বাজি ধরেছেন। ভালো-মন্দ, যা যা দরকার, সব। তিনি ঝুঁকি নিয়েছেন, সময় বিনিয়োগ করেছেন, সহজ পথ বেছে নেননি।

মায়াবতী, লালু প্রসাদ, নিতীশকুমার, বালাসাহেব, কেজরিওয়াল, যতগুলো সফল নাম নেবেন; সব ক্ষেত্রে এই বিষয়টি লক্ষ্য করা যাবে। সবাই ঝুঁকি নিয়েছেন, তাড়াহুড়ো করেননি, সহজ পথের পিছনে ছোটেননি, এবং তাদের সকলের রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা ছিল। এই চরিত্রগুলোর অন্যতম বড় দিক হচ্ছে সদর্থক রাজনীতি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন বাংলায় বিরোধী নেত্রী এবং কেন্দ্রে রেলমন্ত্রী ছিলেন, তখন তিনি বাংলায় বিভিন্ন প্রকল্প দিয়েছেন, বাংলায় বামফ্রন্ট আছে— তাই কোনো প্রকল্প দেব না, এই চিন্তাভাবনা ছিল না। কেন্দ্রে বিজেপিকে সমর্থনের শর্ত হিসেবে বাংলার জন্য প্যাকেজ চেয়ে নিতেন। অথচ বর্তমানে বাংলার প্রধান বিরোধী দল সেই সদর্থক রাজনীতি করছে না, বাংলা থেকে বিজেপি এখন ১২টা, আগে ১৮টা সাংসদ পেয়েও পূর্ণমন্ত্রী দেয়নি, বাংলার জন্য আলাদা প্যাকেজ কখনও দেয়নি, বিশেষ কোনো প্রকল্প দেয়নি, শিল্প নিয়ে আসার চেষ্টা করেনি।

শুধু বিজেপি নয়, বাম-কংগ্রেসের ক্ষেত্রেও দেখা যায়নি বাংলার জন্য আলাদা ভাবে দরবার করছে, কেন্দ্রের কাছে দাবিদাওয়া পেশ করছে, সংসদে দাঁড়িয়ে কিছু বলছে। ফলে মানুষও তাদের চরিত্রগুলো মনে রেখেছে।

আন্দোলনের ক্ষেত্রেও বর্তমান বিরোধী দলগুলোর অবস্থান নড়বড়ে। আরজি কর আন্দোলনে বিজেপি সক্রিয় ভাবে ছিল না। বাম-কংগ্রেসও সাধারণ মানুষের গুরুত্বপূর্ণ দাবিদাওয়া নিয়ে লড়াই করে সেটা আদায় করে নিয়েছেন; এমনটা জোরালো ভাবে দেখা যায়নি। ছাত্র নির্বাচনের মতো গুরুতর বিষয়েও বামপন্থীরা ব্যর্থ হয়ে শীতঘুমে চলে গেছে। ছন্নছাড়া-জীর্ণ-অসুস্থ-দুর্বলের মতো ছাত্র নির্বাচনের দাবির আন্দোলন থেকে তারা সরে এসেছে। জনসংযোগের ক্ষেত্রেও বিরোধীরা ভয়ংকর খারাপ স্থানে রয়েছে। মাটিতে পা না দিয়ে চলা, সাধারণ মানুষের কন্ঠস্বর হতে না পারা, মানুষের আপন না হতে পারা— সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাদের দূরত্ব তৈরি করে দিয়েছে। সামাজিক মাধ্যম ও মিডিয়া সর্বস্ব হয়ে যাওয়ায় নেতৃত্বের জায়গায় বড় একটি শূণ্যস্থান তৈরি হয়েছ।

২০২৬-এর বিধানসভার নির্বাচন এগিয়ে এসেছে। এমন সময়ে সিপিএম ছেড়েছেন প্রতীক উর রহমান। এর পরেই জল্পনা তৈরি হয়েছে, প্রতীক উর এখন কোন প্রতীকের তলায় যাবেন? অনেকই বলছেন তৃণমূল কংগ্রেসের কথা। তবে চরিত্র দেখলে ধারণা করা যায় তিনি অন্য কোনো দলে যোগ দিলে সেটা কংগ্রেস হওয়ার সম্ভাবনা তুলনামূলক বেশি। কানহাইয়া কুমার যে পথে হেঁটেছেন; ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্খায় প্রতীক উর কংগ্রেসে যোগ দিলে তুলনামূলক ঝুঁকি কম, লাভ বেশি। তৃণমূলে যোগ দিলে জয়ের নিশ্চয়তা হয়তো থাকবে; যেমন অভিজিৎ গাঙ্গুলি সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন বিজেপিতে যোগ দিয়ে। তবে ঝুঁকি না থাকলেও এর বিনিময় মূল্য অনেক বেশি। ফলে প্রতীক উর কোন পথে হাঁটবেন তা তো সময় বলবে। প্রতীক উর রহমানের পরে সৃজন ভট্টাচার্যের নাম নিয়ে বেশ খানিকটা জলঘোলা হচ্ছে। সৃজনও দল ছেড়ে অন্য দলে যাচ্ছেন বলে রটনা রয়েছে। সেটার উত্তরও সময় স্পষ্ট করবে। তবে প্রতীক উর বা সৃজন ভট্টাচার্যরা কি সহজ, গানিতিক হিসেব কষা কম ঝুঁকি এবং স্বল্প সময়ে বেশি লাভের বিনিয়োগের বাইরে বেড়িয়ে রাজনীতি করতে পারেন না? তাদের বৃহৎ উচ্চাকাঙ্খা বাস্তবায়নের জন্য সাধারণ মানুষের কণ্ঠস্বর হয়ে; তাদের দাবিদাওয়া পূরণ করার জন্য অভিজিৎ গাঙ্গুলি বা কানহাইয়া কুমারের পথ ছাড়া অন্য পথে হাঁটতে পারেন না? নেতা হতে পারেন তো! যারা মাটিতে পা দিয়ে চলবেন, মানুষের কন্ঠস্বর হবেন, লড়াই করে ছিনিয়ে নেবেন সাধারণ মানুষের দাবিদাওয়া, যতক্ষণ না দাবিপূরণ হচ্ছে ততক্ষণ লড়াই করে যাবেন, এক্সিট রুট ছাড়াই ঝাঁপিয়ে পড়বেন! হ্যাঁ, এতে রিস্ক অনেক। কিন্তু প্রাপ্তিও অনেক বড়। সৃজনশীল প্রতীকদের নিজস্ব প্রতীক আদৌও হবে কিনা জানা নেই। তবে, তা যদি হয়! বাংলার মানুষের বিকল্পের খোঁজ শেষ হলেও হতে পারে।

লিখেছেন
Durjoy Barai
Durjoy Barai
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।