টাইসন থেকে ফ্যান্টম: যেভাবে জওয়ানদের পাশে থেকে সীমান্তরক্ষা করে চারপেয়ে যোদ্ধারা

Indian army dog bravery stories: ১৯৫৭ সালে সিমলায় গড়ে ওঠা ‘পুলিশ ডগ স্কোয়াড’ থেকে শুরু করে ১৯৬০ সালে মিরাটে প্রতিষ্ঠিত ‘ওয়ার ডগ ট্রেনিং স্কুল’— দীর্ঘ ছয় দশকের বেশি সময় ধরে এই চারপেয়ে সৈনিকরা যুদ্ধ ও সন্ত্রাসদমন অভিযানে অনন্য সাহসিকতার নজির গড়ে চলেছে।

inscript
৪ মিনিট
টাইসন থেকে ফ্যান্টম: যেভাবে জওয়ানদের পাশে থেকে সীমান্তরক্ষা করে চারপেয়ে যোদ্ধারা

বরফঢাকা সীমান্ত, ঘন জঙ্গল কিংবা বিস্ফোরকে পাতা শহরের অলিগলি— যেখানে এক মুহূর্তের ভুল মানেই মৃত্যুর ঝুঁকি, সেখানেই নিঃশব্দে এগিয়ে যায় তারা। হাতে অস্ত্র নেই, কাঁধে র‍্যাঙ্ক নেই, তবু দায়িত্ববোধে তারা কোনো অংশে কম নয় জওয়ানদের থেকে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর এই সারমেয় যোদ্ধারা শুধু অনুসন্ধানী বা বিস্ফোরক শনাক্তকারী নয়, বহু ক্ষেত্রে তারাই প্রথম ঢাল, প্রথম সতর্কবার্তা, কখনও বা প্রথম আত্মবলিদান। ১৯৫৭ সালে সিমলায় গড়ে ওঠা ‘পুলিশ ডগ স্কোয়াড’ থেকে শুরু করে ১৯৬০ সালে মিরাটে প্রতিষ্ঠিত ‘ওয়ার ডগ ট্রেনিং স্কুল’— দীর্ঘ ছয় দশকের বেশি সময় ধরে এই চারপেয়ে সৈনিকরা যুদ্ধ ও সন্ত্রাসদমন অভিযানে অনন্য সাহসিকতার নজির গড়ে চলেছে। ২২ ফেব্রুয়ারি জম্মু ও কাশ্মীরের কিশতওয়ারের ‘অপারেশন ট্রাশি-১’-এ টাইসন থেকে আখনুরের ফ্যান্টম, বারামুল্লার এক্সেল কিংবা তাংধারের মানসী— তাদের গল্প কেবল বীরত্বের নয়, এক নিঃস্বার্থ কর্তব্যনিষ্ঠার ইতিহাস। ১৯৫৭ সালে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে সামরিক ও কৌশলগত কাজের জন্য হিমাচল প্রদেশের সিমলাতে প্রথম 'হিরো' নামের একটি জার্মান শেফার্ডকে আয়ারল্যান্ড থেকে আনা হয়েছিল। প্রথমবারের মতো কুকুরদের অপারেশনাল কাজে লাগানো হয় ১৯৫৯ সালের মাঝামাঝি সময়ে। চারপেয়ে যোদ্ধাদের সাহস, ত্যাগ আর অমলিন আনুগত্যের আখ্যান নিয়েই এই প্রতিবেদন।

ফ্যান্টম : আখনুর সেক্টরের বীর যোদ্ধা

২০২৪ সালের ৮ অক্টোবর সকালে জম্মু ও কাশ্মীরের আখনুর সেক্টরের সুন্দরবানি এবং বাত্তাল অঞ্চলে দীপাবলি উৎসবের প্রাক্কালে পাকিস্তানি জঙ্গিরা ভারতীয় সেনাবাহিনীর একটি কনভয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। হামলার পর জঙ্গিরা দ্রুত ঘন জঙ্গলে গা ঢাকা দেয়। হোয়াইট নাইট কোরের সেনাবাহিনী তৎক্ষণাৎ একটি তল্লাশি অভিযান শুরু করে। এই অভিযানে সেনাদলের একেবারে সামনে ছিল 'ফ্যান্টম' নামের একটি চার বছর বয়সি বেলজিয়ান ম্যালিনয়স অ্যাসাল্ট কুকুর। জওয়ানরা যখন জঙ্গিদের কাছাকাছি পৌঁছায়, তখন ফ্যান্টম অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে লুকোনো বিস্ফোরক শনাক্ত করে এবং ঝোপের আড়ালে লুকিয়ে থাকা জঙ্গিদের উপস্থিতি টের পায়। সেই মুহূর্তে সেনাদলকে সতর্ক করে সে জঙ্গিদের দিকে ছুটে যায়। ফ্যান্টমের এই আকস্মিক আক্রমণের ফলে জঙ্গিরা লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়, তাদের বন্দুক থেকে ছোঁড়া গুলিতে ফ্যান্টম মারাত্মকভাবে আহত হয় ও মৃত্যুবরণ করে। এই অভিযানে তিন জন জঙ্গি সেনাদের হাতে নিহত হয়। ২০২৫ সালের সাধারণতন্ত্র দিবসের প্রাক্কালে ফ্যান্টমকে তার অসামান্য বীরত্বের জন্য মরণোত্তর 'মেনশন-ইন-ডেসপ্যাচেস' সন্মানে ভূষিত করা হয়।

এক্সেল: বারামুল্লার বীর যোদ্ধা

২০২২ সালের ৩০ জুলাই কাশ্মীরের বারামুল্লা জেলার ওয়ানিগাম বালা এলাকায় একটি সন্ত্রাসদমন অভিযান চলাকালীন সেনাবাহিনীর বিশেষ দল জানতে পারে, জঙ্গিরা একটি ভবনের ভেতর লুকিয়ে আছে। কিন্তু এই অভিযানে একটি বড় বাধা ছিল, ভবনটির মাত্র ১০ মিটারের মধ্যে একটি মসজিদ ছিল। সেনাবাহিনীর নীতি অনুযায়ী, ধর্মীয় স্থানে কোনো ক্ষতি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। এই সংকটময় মুহূর্তে একটি দুই বছর বয়সি জার্মান শেফার্ড ‘এক্সেল’-এর পিঠে একটি বডি ক্যামেরা লাগিয়ে তাকে ভবনের ভেতরে পাঠানো হয়। এক্সেল অত্যন্ত ক্ষিপ্রতার সঙ্গে জঙ্গির সঠিক অবস্থান সনাক্ত করে, কিন্তু সেই মুহূর্তে এক জইশ-ই-মহম্মদের জঙ্গি তাকে লক্ষ্য করে খুব কাছ থেকে গুলি চালায়। প্রথম গুলিটি বাঁ কাঁধে লাগার পরেও এক্সেল পিছু হটেনি, সে পুনরায় আক্রমণ করার চেষ্টা করে। কিন্তু অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের ফলে সে মৃত্যুবরণ করে। এক্সেলের পাঠানো তথ্যের উপর ভিত্তি করে সেনাবাহিনী মসজিদের কোনো ক্ষতি না করেই সেই জঙ্গিদমনে সক্ষম হয়। সেনাবাহিনী থেকে এক্সেলেকে সম্পূর্ণ সামরিক মর্যাদায় শেষ বিদায় জানানো হয়। বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ এক্সেলকে ২০২২ সালের স্বাধীনতা দিবসে মরণোত্তর 'মেনশন-ইন-ডেসপ্যাচেস' দ্বারা সম্মানিত করা হয়।

জুম: অন্তনাগের অকুতোভয় যোদ্ধা

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ঠিক কী কারণে ক্যারাভানকে প্রতিবেদন সরাতে হয়েছিল?

The Caravan on Kashmir Army Torture: ২০২৩ সালের ২২ ডিসেম্বর পুঞ্চ এবং রাজৌরির একাধিক গ্রাম থেকে মোট ২৫ জনকে তুলে নিয়ে যায় সেনা। সেনার তিনটি পৃথক শিবিরে নিয়ে গিয়ে অত্যাচার চালানো হয়

২০২২ সালের অক্টোবরে কাশ্মীরের অনন্তনাগ জেলার তাংপাওয়া গ্রামে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ৯ অক্টোবর রাতে সেনাবাহিনী, সিআরপিএফ এবং জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের একটি যৌথ দল একটি বাড়িকে ঘিরে ফেলে। কিন্তু ভেতরে ঠিক কতজন জঙ্গি আছে তা জানা ছিল না। সারারাত ধরে দু'পক্ষের গোলাগুলি চলে। সকালে ড্রোন এবং প্রযুক্তিগত নজরদারির মাধ্যমে সেনাবাহিনী জানতে পারে একজন জঙ্গি আহত হয়েছে। এই অবস্থায় একটি দুই বছর বয়সি বেলজিয়ান ম্যালিনয়স ‘জুম’-কে নির্দেশ দেওয়া হয় জঙ্গিদের লুকিয়ে থাকা জায়গা খুঁজে অস্ত্র ছিনিয়ে আনতে। জুম অত্যন্ত সন্তর্পণে ভবনে প্রবেশ করে এবং সরাসরি জঙ্গিদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। দুই লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গি তাকে লক্ষ্য করে খুব কাছ থেকে গুলি চালায়। মুখ এবং পেছনের ডান পায়ে একাধিক গুলিবিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও জুম পিছু হটেনি। সে তার আক্রমণ চালিয়ে যায় এবং জঙ্গিদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি করে তাদের সম্পূর্ণভাবে ব্যস্ত রাখে। জুমের এই আগ্রাসী আক্রমণের বাইরে থাকা জওয়ানরা নিখুঁত নিশানায় দুই জঙ্গিকে দমন করতে সক্ষম হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় জুম কিছুদিনের মধ্যেই মৃত্যুবরণ করে। ২০২৩ সালের সাধারণতন্ত্র দিবসে জুমকে তার বীরত্বের জন্য মরণোত্তর 'মেনশন-ইন-ডেসপ্যাচেস' সম্মানে ভূষিত করা হয়।

মানসী: তাংধারের ট্র্যাকার ডগ

মানসী চার বছর বয়সি ল্যাব্রাডর, ট্র্যাকার ডগ ইউনিটে কর্মরত ছিল । ২০১৫ সালের অগাস্ট, জম্মু ও কাশ্মীরের তাংধার সেক্টরে পাকিস্তান-অধিকৃত-কাশ্মীর থেকে অনুপ্রবেশকারী জঙ্গিদের সন্ধানে মানসী এবং তার প্রশিক্ষক ১৬০ টেরিটোরিয়াল আর্মির নায়েক বশির আহমেদ ওয়ার-কে মোতায়েন করা হয়। ৮ অগাস্ট গভীর রাতে ঘন কুয়াশা এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে মানসী জঙ্গিদের গন্ধ শুঁকে তাদের পিছু ধাওয়া করে। প্রায় আধ ঘণ্টা ধরে ট্র্যাকিং করার পর মানসী ঝোপের আড়ালে জঙ্গিদের উপস্থিতি টের পেয়ে ডেকে ওঠে বশিরকে সতর্ক করে। মানসীর ডাক শুনে জঙ্গিরা তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে অতর্কিত গুলি চালায়, জঙ্গিদের গুলিতে মানসী গুলিবিদ্ধ হয়। জীবনের তোয়াক্কা না করে জঙ্গিদের উপর তীব্র গুলিবর্ষণ শুরু করেন। এই অভিযানে শেষ পর্যন্ত মানসী এবং বশির আহমেদ ওয়ার— উভয়েই শহিদ হন, কিন্তু তাদের এই সাহসিকতার কারণে একটি বড় জঙ্গি অনুপ্রবেশের চেষ্টা সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ হয়। মানসীকে মরণোত্তর 'মেনশন-ইন-ডেসপ্যাচেস' এবং তার হ্যান্ডলার বশির আহমেদ ওয়ারকে মরণোত্তর 'সেনা পদক' প্রদান করা হয়।

কেন্ট: রাজৌরির রক্ষক

ছয় বছর বয়সি ল্যাব্রাডর 'কেন্ট' অত্যন্ত অভিজ্ঞ ট্র্যাকার কুকুর, এই অভিযানের আগে নয়টি বড় কাউন্টার-টেররিজম অপারেশনে এবং একটি চুরির ঘটনার তদন্তে সফলভাবে অংশগ্রহণ করেছিল সে। ২০২৩ সালের ১২ সেপ্টেম্বর জম্মু ও কাশ্মীরের রাজৌরির নার্লা গ্রামে 'অপারেশন সুজালিগালা' অভিযান চলাকালীন একটি পলাতক জঙ্গিদের ধাওয়া করার সময় কেন্ট সেনাদলকে নেতৃত্ব দিচ্ছিল। কিন্তু জঙ্গিরা হঠাৎ করে জঙ্গলের ভেতর থেকে ভারী গুলিবর্ষণ শুরু করে। সেই মুহূর্তে কেন্ট নিজের প্রশিক্ষণ অনুযায়ী নিজের শরীর দিয়ে তার প্রশিক্ষককে আড়াল করে বাঁচানোর চেষ্টা করে এবং গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রাণ হারায়। এই এনকাউন্টারে একজন পাকিস্তানি জঙ্গি নিহত হয়, একজন সেনাসদস্য শহিদ হন। পূর্ণ সামরিক মর্যাদায় এবং জাতীয় পতাকায় মুড়ে কেন্টকে শেষ বিদায় জানানো হয়। ২০২৪ সালের স্বাধীনতা দিবসে কেন্টকে মরণোত্তর 'মেনশন-ইন-ডেসপ্যাচেস' সম্মানে ভূষিত করা হয়।

জারি-র অসমের অস্ত্রভাণ্ডার উদ্ধার

২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে অসমের পানবাড়ি রিজার্ভ ফরেস্ট এলাকায় ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক ফ্রন্ট অফ বোরোল্যান্ড জঙ্গিরা বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও বিস্ফোরক মাটির নিচে লুকিয়ে রেখেছিল। ভারতীয় সেনাবাহিনী এবং অসম পুলিশের যৌথ তল্লাশি অভিযানে 'জারি' নামের একটি তিন বছর বয়সি কালো ল্যাব্রাডর ট্র্যাকার কুকুরকে মোতায়েন করা হয়। জারির তীক্ষ্ণ ঘ্রাণশক্তি দিয়ে সেই নির্দেশিত স্থানে মাটি খুঁড়ে সেনাবাহিনী ২০টি রাইফেল, ৫৬টি এ.কে. সিরিজের গুলি, ২০টি স্নাইপার, ১৭ কেজি বিস্ফোরক এবং রেডিও সেট উদ্ধার করে। জারির এই সাফল্য অসমে একটি সম্ভাব্য বড় সন্ত্রাসী হামলা বানচাল করে দেয়।

অমরনাথ যাত্রার রক্ষক: বলরাম এবং ভাবনা

জম্মু ও কাশ্মীরে অমরনাথ যাত্রার সময় জঙ্গিরা প্রায়শই তীর্থযাত্রীদের উপর হামলার ছক কষে। এই ধরনের হামলা রুখতে ২০০৬ সালে 'বলরাম' নামের একটি কুকুর অমরনাথ যাত্রার পথে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক উদ্ধার করে হাজার হাজার তীর্থযাত্রীর প্রাণ বাঁচায়। এর আগে ২০০২ সালে 'ভাবনা' নামের অপর একটি কুকুর একটি আইইডি শনাক্ত করে, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সেটি নিস্ক্রিয় করার সময় বিস্ফোরণ ঘটলে ভাবনা এবং তার প্রশিক্ষক সেনা দু'জনেই শহিদ হন। প্রধানমন্ত্রী 'মন কি বাত' অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর এই দুটি কুকুরের অবদানের কথা আলাদা‌ভাবে উল্লেখ করেন।

২০২০ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি 'মন কি বাত' অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর আরও দুটি কুকুর, সোফি এবং ভিদা-র সাহসিকতার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন। সোফি ছিল স্পেশাল ফ্রন্টিয়ার ফোর্সের গ্রেনেড ডিসপোজাল স্কোয়াডের একটি গোল্ডেন-ব্রাউন ককার স্প্যানিয়েল। সে দিল্লির প্রাণকেন্দ্রে একটি আইইডি খুঁজে বের করে জঙ্গিদের একটি বড় নাশকতা বানচাল করে দেয়। অন্যদিকে, ‘ভিদা’ ছিল নর্দান কমান্ডের একটি ব্ল্যাক ল্যাব্রাডর, যে কাশ্মীর উপত্যকায় মাটির নিচে পোঁতা পাঁচটি মাইন এবং একটি গ্রেনেড শনাক্ত করে বহু সৈনিকের জীবন রক্ষা করে। এই অসামান্য কাজের জন্য ২০২০ সালের স্বাধীনতা দিবসে এই দুই কুকুরকেই 'চিফ অফ আর্মি স্টাফ কমেন্ডেশন কার্ড' দ্বারা সম্মানিত করা হয়।

এইভাবেই টাইসনের মতো সারমেয় যোদ্ধারা বিভিন্ন অভিযানে শুধুমাত্র সম্মুখ সমরেই নয়, গোয়েন্দা বিভাগ এবং বিস্ফোরক শনাক্তকারী হিসেবেও হাজার হাজার তীর্থযাত্রী, সাধারণ মানুষ এবং সৈনিকের প্রাণ বাঁচিয়েছে। এদের প্রখর ঘ্রাণশক্তি মাটির নিচে লুকিয়ে রাখা মাইন বা কোন স্থানে লুকোনো টাইমার বোমা সহজেই খুঁজে বের করতে পারে, যা অনেক সময় মেটাল ডিটেক্টরও ধরতে পারে না। দেশের সুরক্ষায় ভারতীয় সেনাবাহিনীর সারমেয় যোদ্ধাদের এই চরম আত্মত্যাগের কাহিনী সমগ্র দেশের মানুষের কাছে অনুপ্রেরণা এবং বীরত্বের এক অমর প্রতীক।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

সরবোন থেকে যন্তরমন্তর: যে আগুন বারবার বদলে দেয় পৃথিবীকে

May 1968 France student protests: এই যে ছেলেমেয়েরা যন্তরমন্তরের রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছে, ধারাশ্রাবণের ভয় পিছনে ফেলে পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে এগিয়ে গেল, দক্ষিণী এক বৃদ্ধ তার ধুতি সামলাতে সামলাতে ছুটছেন তাদের সঙ্গে—কী মনোরম এই বারিপাত! কেমন যেন একটা দুর্দান্ত ফ্ল্যাশব্যাকে ঘুরে গেল সময়।

অঙ্কিতা ভাণ্ডারী মামলা: তিন অভিযুক্তের সাজা হয়েও মেটেনি ‘ভিআইপি’ রহস্য

Ankita Bhandari case highlights :অঙ্কিতার বাবা-মা অভিযোগ করেছেন, গৌতমই সেই ভিআইপি, যিনি তাঁদের মেয়েকে হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন। তাঁরা রাষ্ট্রপতির কাছে গৌতমের রাজ্যপাল নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করে আদালতে গিয়েছেন, এই যুক্তিতে যে এই ‘ভিআইপি’কে কোনো পদে বহাল থাকার অনুমতি দেওয়ার আগে সিবিআই তদন্ত শেষ হওয়া উচিত।

জিডিপির বাইরে উন্নয়নের হিসাব, ভারতের অর্থনীতিকে অন্য চোখে দেখতে শিখিয়েছেন জঁ দ্রেজ

Economist Jean Drèze: দিল্লিতে সিজেপি বিক্ষোভের সময় পুলিশ আটক করল অর্থনীতিবিদ জঁ দ্রেজকে। অমর্ত্য সেনের সহযোগী এই অর্থনীতিবিদ MGNREGA ও জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ২০২৬- এ পেয়েছেন গ্লোবাল ইনইকুয়ালিটি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড।

জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলন: তারুণ্য যা শেখালো ইন্ডিয়া জোটকে

Youth Protests and Opposition Unity: সংসদীয় রাজনীতিতে যেখানে প্রবীণ নেতারা ঐক্যের পথ খুঁজতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন, সেখানেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ভোটার তালিকা ও বিভিন্ন অনিয়ম সংক্রান্ত ক্ষোভকে কেন্দ্র করে রাজপথে নামা তরুণ প্রজন্ম বিরোধীদের নতুন করে এক ছাতার তলায় আসার পথ তৈরি করছে।

কেন তুলে দিতে হচ্ছে মাদ্রাসা কমিশন? প্রশ্ন শিক্ষামহলের

West Bengal decides to merge Madrasah Service Commission: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ৫ অক্টোবরের মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৯৯৭ সালের পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের সঙ্গে মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশনকে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার।

আমার উৎসব, ওঁদের আরও একটা দীর্ঘ কাজের দিন

Durga Puja for Gig Workers: গিগ কর্মীদের দুর্গাপুজোর চার দিন কীভাবে কাটে? বাড়তি উপার্জনের আশায় ব্যক্তিগত আনন্দ, উৎসবের আমেজ আর প্রিয়জনদের সঙ্গে কাটানোর সময় থেকে কতটা বিসর্জন দিতে হয় তাঁদের?

বাংলাদেশে রবীন্দ্র-বিরোধিতা নিয়ে কী বলছেন বুদ্ধিজীবীরা?

Tagore graffiti vandalism Bangladesh: বাংলাদেশে কেন টার্গেট রবীন্দ্রনাথ? বুদ্ধিজীবীরা কী বলছেন?

রবীন্দ্রনাথ সত্যিই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

The Tagore Myth: ঢাকার শিল্পকলা একাডেমির সামনে রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতিতে চুনকালি দেওয়ার ঘটনায় জামায়াতে ইসলামীর দাবি, 'রবীন্দ্রনাথ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চাননি।' ফ্যাক্ট-ওয়াচ ও প্রয়াত অধ্যাপক আনিসুজ্জামানের মতে, দাবিটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। ইতিহাসের তথ্য ও তর্কের পরিপ্রেক্ষিতে, দেখে নেওয়া যাক, এই দাবিগুলি কতটা মিথ, কতটা মিথ্যা।