কেন আগের সব আন্দোলনের চেয়ে আলাদা ইরানের বর্তমান বিক্ষোভ?

Iran protests 2025: হাসপাতালগুলিতে আহতদের ভিড় এতটাই বেড়েছে যে চিকিৎসা দিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের। কিছু প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, মরদেহ রাখার জায়গাও অনেক ক্ষেত্রে অপ্রতুল হয়ে পড়েছে। যদিও সরকারি ভাবে হতাহতের সঠিক সংখ্যা প্রকাশ করা হয়নি, তবুও বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও প্রবাসী ইরানিদের উদ্যোগে সংগৃহীত তথ্যে নিহতের সংখ্যা কয়েক হাজারে পৌঁছতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

inscript
৪ মিনিট
কেন আগের সব আন্দোলনের চেয়ে আলাদা ইরানের বর্তমান বিক্ষোভ?

ইরানে চলমান সরকারবিরোধী আন্দোলন এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে, যে দেশটির আধুনিক ইতিহাসে এই আন্দোলন এক কথায় ব্যতিক্রমী বলছেন বহু বিশ্লেষক। ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠার পর গত প্রায় পাঁচ দশকে নানা সময়ে অসন্তোষ, বিক্ষোভ ও গণআন্দোলন দেখা গেলেও এবারের পরিস্থিতিকে আলাদা করে চিহ্নিত করছে এর ব্যাপ্তি, সামাজিক বিস্তার, রাজনৈতিক ভাষা এবং আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট। শহর থেকে গ্রাম, মধ্যবিত্ত থেকে দরিদ্র— সমাজের নানা স্তরের মানুষ একসঙ্গে রাস্তায় নেমে আসায় এই আন্দোলন কেবল কোনো নির্দিষ্ট দাবি বা গোষ্ঠীর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বরং ধীরে ধীরে এটি পরিণত হচ্ছে শাসনব্যবস্থার মৌলিক পরিবর্তনের দাবিতে।

ডিসেম্বরের শেষ দিকে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ প্রথমে অর্থনৈতিক অসন্তোষকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছিল। দীর্ঘদিন ধরেই ইরান ভয়াবহ মুদ্রাস্ফীতি, কর্মসংস্থানের অভাব এবং আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার চাপে বিপর্যস্ত। ডলারের তুলনায় ইরানি মুদ্রা রিয়ালের মান দ্রুত পতন সাধারণ মানুষের জীবনকে অনেকটাই সমস্যায় ফেলে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় ক্ষোভ জমছিল বহুদিন ধরেই। সেই ক্ষোভেরই প্রকাশ ঘটে তেহরানের কেন্দ্রস্থলে ব্যবসায়ীদের ধর্মঘটের মাধ্যমে। অল্প সময়ের মধ্যেই সেই প্রতিবাদ রূপ নেয় বৃহত্তর গণবিক্ষোভে।

তেহরান থেকে শুরু হওয়া আন্দোলন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে অন্যান্য বড় শহরে। এরপর তা পৌঁছে যায় ছোট শহর ও প্রান্তিক এলাকাতেও, এমন অনেক জায়গায়ও আন্দোলন দেখা যায় যেখানে আগে বড় ধরনের রাজনৈতিক আন্দোলনের নজির ছিল না। ওয়াকিবহাল মহল বলছে, এই বিস্তারই এবারের আন্দোলনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। অতীতে দেখা গিয়েছে, ইরানের অনেক আন্দোলন নির্দিষ্ট সামাজিক শ্রেণি বা ভৌগোলিক পরিসরে সীমাবদ্ধ ছিল। ২০০৯ সালের বিতর্কিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পর যে আন্দোলন হয়েছিল, তা মূলত বড় শহরের শিক্ষিত মধ্যবিত্তদের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। আবার ২০১৭ ও ২০১৯ সালের আন্দোলনগুলো বেশি প্রভাব ফেলেছিল তুলনামূলকভাবে দরিদ্র অঞ্চলগুলোতে। কিন্তু এবারের বিক্ষোভ সেই বিভাজন ভেঙে দিয়েছে।

২০২২ সালে মাহসা আমিনির মৃত্যুর পর যে আন্দোলন গড়ে উঠেছিল, তার সঙ্গে এবারের বিক্ষোভের তুলনা টানছেন অনেকেই। নৈতিকতা পুলিশের হেফাজতে এক তরুণীর মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া সেই আন্দোলন নারীর অধিকার, ব্যক্তিস্বাধীনতা এবং রাষ্ট্রীয় দমননীতির বিরুদ্ধে ক্ষোভকে একত্র করেছিল। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই তা দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে এবং সরকারকে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে। তবে বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান আন্দোলন তার চেয়েও বিস্তৃত এবং শক্তিশালী। কারণ, এটি কেবল কোনো নির্দিষ্ট সামাজিক ইস্যুতে আটকে নেই; বরং অর্থনীতি, রাজনীতি ও শাসনব্যবস্থার প্রশ্নকে একত্র করেছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কেন নোবেলজয়ী নার্গিসকে ভয় পায় ইরান?

Narges Mohammadi: জাতীয় নিরাপত্তাবিরোধী কার্যকলাপ ও রাষ্ট্রবিরোধী প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে মোট ৩১ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

এই আন্দোলনের আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো এর স্লোগান ও ভাষা। বিক্ষোভকারীদের কণ্ঠে শোনা যাচ্ছে সরাসরি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক বক্তব্য। ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’— এই ধরনের স্লোগান কেবল নীতিনির্ধারণের পরিবর্তন নয়, ক্ষমতার কেন্দ্রে থাকা ব্যক্তিদের অপসারণের দাবিকেও স্পষ্ট করছে। এমনকি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেইয়ের বিরুদ্ধেও প্রকাশ্যে স্লোগান উঠছে, যা অতীতে তুলনামূলকভাবে বিরল ছিল।

এই পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রের প্রতিক্রিয়াও কঠোর হয়েছে। নিরাপত্তা বাহিনী ও আধাসামরিক সংগঠনগুলিকে ব্যবহার করে বিক্ষোভ দমনের চেষ্টা করা হচ্ছে। বিভিন্ন শহর থেকে সংঘর্ষ, গুলিবর্ষণ ও ব্যাপক ধরপাকড়ের খবর আসছে। হাসপাতালগুলিতে আহতদের ভিড় এতটাই বেড়েছে যে চিকিৎসা দিতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের। কিছু প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, মরদেহ রাখার জায়গাও অনেক ক্ষেত্রে অপ্রতুল হয়ে পড়েছে। যদিও সরকারি ভাবে হতাহতের সঠিক সংখ্যা প্রকাশ করা হয়নি, তবুও বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন ও প্রবাসী ইরানিদের উদ্যোগে সংগৃহীত তথ্যে নিহতের সংখ্যা কয়েক হাজারে পৌঁছতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সরকারি বিবৃতিতে ইরানি কর্তৃপক্ষ এই বিক্ষোভকে বিদেশি ষড়যন্ত্রের ফল বলে দাবি করছে। ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী একাধিকবার অভিযোগ তুলেছে, নিহত বিক্ষোভকারীদের মধ্যে অনেকে নাকি বিদেশি শক্তির মদতপুষ্ট সন্ত্রাসী। তাদের কথায়, ইজরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই অস্থিরতা উসকে দিচ্ছে। ইরানের রাষ্ট্রনিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যমে এমনও সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে যে, রাস্তায় নামলে প্রাণ হারানোর ঝুঁকি রয়েছে। এই ধরনের বক্তব্য পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তুলেছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
হিজাবের আগুনে পুড়ছে ইরান! কেমন ছিল ইরানের মহিলাদের অতীত

Hijab Protest in Iran: মাহশা হিজাব না পরে রাস্তায় বেরোন। তাই তাঁকে শিক্ষা দিতেই দেশের নীতি পুলিশ আমিনিকে গ্রেফতার করে। এরপরেই রহস্যজকভাবে কোমায় চলে যায় আমিনি।

অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান এবারের আন্দোলনে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রকাশ্যেই বিক্ষোভকারীদের প্রতি সমর্থন জানিয়েছেন এবং ইরানি কর্তৃপক্ষের দমননীতির বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। এমন প্রকাশ্য অবস্থান অতীতে খুব একটা দেখা যায়নি। ২০০৯ সালের আন্দোলনের সময় তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা তুলনামূলক ভাবে সংযত ভূমিকা নিয়েছিলেন, যার জন্য পরে তিনি প্রকাশ্যে আক্ষেপও করেছিলেন।

এই প্রেক্ষাপটে ইরানের নেতৃত্বের জন্য আন্তর্জাতিক পরিবেশও খুব একটা অনুকূল নয়। এক সময় যেসব আঞ্চলিক মিত্রের উপর ভরসা করত তেহরান, তাদের অবস্থানও এখন দুর্বল। সিরিয়ায় বাশার আল-আসাদের পতন ইরানের প্রভাব বলয়কে বড় ধাক্কা দিয়েছে। লেবাননে হেজবুল্লাহও সাম্প্রতিক সংঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত। ফলে আঞ্চলিক রাজনীতিতে ইরানের অবস্থান আগের তুলনায় অনেকটাই নড়বড়ে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

এবারের আন্দোলনে নেতৃত্বের প্রশ্নও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। অতীতে অনেক আন্দোলন নির্দিষ্ট নেতৃত্বের অভাবে ধীরে ধীরে স্তিমিত হয়ে গিয়েছিল। ২০২২ সালের আন্দোলনেও কোনো স্পষ্ট কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব দেখা যায়নি। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে কিছু পরিচিত মুখের প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এর মধ্যে অন্যতম হলেন নির্বাসনে থাকা রেজা পাহলভি। ইরানের শেষ শাহের পুত্র পাহলভি দীর্ঘদিন ধরেই বিদেশে থেকে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের বিরোধিতা করে আসছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর আহ্বান ও বক্তব্য এবারের বিক্ষোভে অংশ নেওয়া অনেক তরুণের মধ্যে আলোড়ন তুলেছে।

ইরানের ভেতরে সুসংগঠিত, ধর্মনিরপেক্ষ বিরোধী নেতৃত্বের অভাব দীর্ঘদিনের সমস্যা। সেই শূন্যস্থানেই পাহলভির উপস্থিতি কিছু মানুষের কাছে আশার আলো হিসেবে ধরা দিচ্ছে। তবুও, আন্দোলনের ভেতরে তাঁর ভূমিকা কতটা প্রভাবশালী হবে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। এই আন্দোলনের সামাজিক ভিত্তিও বদলে যাচ্ছে। শুরুতে যারা রাস্তায় নেমেছিলেন, তাদের বড় অংশ ছিল ব্যবসায়ী ও মধ্যবিত্ত। কিন্তু সময় এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে শ্রমজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী, নারী ও তরুণদের অংশগ্রহণ বেড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একে অপরকে আন্দোলনে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন তরুণরা। ইন্টারনেট নিয়ন্ত্রণ ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা সত্ত্বেও ভিডিও ও ছবি ছড়িয়ে পড়ছে, যা আন্দোলনের বাস্তব চিত্র বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরছে।

এই সমস্ত ঘটনার মধ্যে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান দাবি করেছেন, বিক্ষোভকারীরা দেশের শত্রুদের দ্বারা পরিচালিত। কিন্তু অনেকেই বলছেন বাস্তবতা হলো, অভ্যন্তরীণ সমর্থনের ক্ষেত্রেও সরকারের অবস্থান আগের মতো শক্ত নয়। দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সংকট, রাজনৈতিক দমননীতি এবং সামাজিক বিধিনিষেধ সাধারণ মানুষের মধ্যে গভীর হতাশা তৈরি করেছে। সেই হতাশাই এখন সরকারবিরোধী আন্দোলন তৈরি করছে।

ইরানের চলমান সরকারবিরোধী আন্দোলনের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা বলা কঠিন। সরকার যদি দমননীতির পথেই এগোয়, তবে সহিংসতা আরও বাড়তে পারে। আবার আন্তর্জাতিক চাপ ও অভ্যন্তরীণ বাস্তবতা মিলিয়ে কোনো রাজনৈতিক সমাধানের পথও খুলতে পারে। তবে নিশ্চিত ভাবে বলা যায়, এই আন্দোলন ইরানের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে থাকবে, যার প্রভাব দেশটির ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ধারণে বড় ভূমিকা নিতে পারে।

লিখেছেন
inscript
inscript
17 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

ডানাছাঁটা ট্রাম্প-নেতানিয়াহু, বিশ্ব রাজনীতি কোন দিকে যাবে?

Trump midterm defeat: আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির পরাজয় এবং ইজরায়েলের নির্বাচনে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানো—দুটি ঘটনাই আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই পরাজয়ের পর ইরান যুদ্ধের ভবিষ্যৎ কী হবে? আমেরিকা-ইজরায়েল সম্পর্কের সমীকরণ কি বদলাবে? আর বিশ্ব রাজনীতিতে তার প্রভাবই বা কতটা পড়বে?

ট্রাম্পের হারের ৫ কারণ: কেন মুখ ফিরিয়ে নিলেন মার্কিন ভোটাররা?

US Midterm Elections: আমেরিকার মিডটার্ম নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেল ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি।জীবনযাত্রার খরচ বৃদ্ধি থেকে শুরু করে ট্রাম্পের নীতি—রিপাবলিকানদের ভরাডুবির পাঁচটি মূল কারণ কী কী?

পিস বন্ড কী, কেন দিতে হয়? নেহা বোরার আপত্তিতে নতুন করে প্রশ্নের মুখে ঔপনিবেশিক আমলের আইন

Peace Bond: শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করলেই কি দিতে হবে পিস বন্ড? AISA-র জাতীয় সভাপতি নেহা বোরার আপত্তিতে নতুন করে বিতর্কে ঔপনিবেশিক আমলের প্রতিরোধমূলক আইন। ব্রিটিশ আমল থেকে স্বাধীন ভারত, CrPC থেকে BNSS—কীভাবে বদলেছে এই আইনি ব্যবস্থা? কেন কাউকে ১০ হাজার টাকার মুচলেকা দিতে বলা হয়? কী বলছে আইন?

রামলীলা ময়দানের সভায় ভিড় দেখাতে এআই ছবি? কতটা সত্যি?

Ramlila Maidan AI image controversy: দিল্লির রামলীলা ময়দানে ১ নভেম্বরের ‘ইন্ডিয়া’ জোটের সমাবেশে ভিড় ও এআই ছবি ব্যবহার নিয়ে বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে বিতর্ক তুঙ্গে। ভাইরাল ছবিগুলোর সত্যতা কী?

আবের কাওয়াস: প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান মুসলিম মহিলা নিউ ইয়র্কের সিনেটে

Aber Kawas: নিউ ইয়র্কের ১২ নম্বর সিনেট ডিস্ট্রিক্ট থেকে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়লেন আবের কাওয়াস। নিউ ইয়র্ক স্টেট আইনসভায় তিনি প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান এবং প্রথম হিজাব পরিহিত মুসলিম মহিলা প্রতিনিধি।

প্রতিবেশীর ধর্ম দেখব না! গির্জায় হামলায় যা বলছে বাসন্তী

Basanti church: গির্জার সদস্য প্রদীপ মণ্ডল ইনস্ক্রিপ্টকে জানিয়েছেন, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ চার্চ অফ নর্থ ইন্ডিয়ার (CNI) বিশপ সুব্রত চক্রবর্তী পার্শ্ববর্তী এলাকার কয়েকটি গির্জার যাজকদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রা করে নারায়ণতলার নবনির্মিত গির্জায় পৌঁছন। তাঁদের স্বাগত জানাতে গির্জার ভিতরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রার্থনা শুরুর ঠিক আগে ৩০-৩৫ জনের একটি দল জোর করে গির্জায় ঢুকে পড়ে বলে দাবি তাঁর।

পাঁচ খুনের 'বদলা'? এবার গুয়াহাটিতে এনকাউন্টার পুলিশের

Guwahati Encounter: গুয়াহাটিতে হোটেলে ঢুকে পাঁচ জনকে খুনের অভিযোগে ধৃত ঘনকান্ত গগৈ পুলিশের গুলিতে নিহত। পুলিশের দাবি, হেফাজত থেকে পালিয়ে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল সে। একই সময়ে মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস ও ভোপালে পৃথক এনকাউন্টারে তিন অভিযুক্ত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কয়েক দিন আগেই বাংলায় গাইঘাটা ও সামশেরগঞ্জে দুই অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছিল।

আমেরিকার প্রথম মুসলিম সেনেটর, ট্রাম্পের ইসলামবিদ্বেষী প্রচারকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন আবদুল এল-সায়েদ

Abdul El-Sayed: নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর দলের একাধিক নেতা এল-সায়েদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ইসলামবিদ্বেষী প্রচার চালিয়েছিলেন। তাঁর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে তাঁকে আমেরিকার নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল।