আইআরসিটিসি কেলেঙ্কারি! লালুর পরিবারের বিরুদ্ধে কী কী অভিযোগ?

IRCTC Scam: বর্তমানে বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, তেজস্বী যাদব মুখ্যমন্ত্রী পদের দৌড়ে এগিয়ে আছেন। এই অবস্থায় তাঁর ও পরিবারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলায় চার্জগঠন নিঃসন্দেহে আরজেডির জন্য বড় ধাক্কা।

Tanvia Barua
৪ মিনিট
আইআরসিটিসি কেলেঙ্কারি! লালুর পরিবারের বিরুদ্ধে কী কী অভিযোগ?

দিল্লির রাউস অ্যাভেনিউ আদালতের রায় যেন বিহারের রাজনীতিতে নতুন ঝড় তুলল। বহু প্রতীক্ষিত আইআরসিটিসি দুর্নীতি মামলায় আদালত বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, রাষ্ট্রের সাবেক রেলমন্ত্রী ও আরজেডি সুপ্রিমো লালুপ্রসাদ যাদব, তাঁর স্ত্রী প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রাবড়ি দেবী এবং বর্তমান উপমুখ্যমন্ত্রী তেজস্বী যাদবের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, প্রতারণা এবং অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ প্রমাণসাপেক্ষে চার্জগঠন করা হলো। আদালতের স্পষ্ট বক্তব্য, “লালুপ্রসাদ যাদব এই ষড়যন্ত্রের মূল কাণ্ডারী ছিলেন।” সরকারি পদে থেকে ব্যক্তিস্বার্থে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন বলে মনে করছে আদালত।

কী এই আইআরসিটিসি কেলেঙ্কারি?

২০০৪ থেকে ২০০৯ সালের মধ্যে লালু প্রসাদ যাদব ছিলেন কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী। ২০০৫ সালে রেল মন্ত্রক সিদ্ধান্ত নেয়, আইআরসিটিসির রাঁচি ও পুরীর দুটি হোটেল বেসরকারি সংস্থার হাতে লিজে দেওয়া হবে। এজন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়। এই হোটেলগুলির দায়িত্ব দেওয়া হয় সুজাতা হোটেল প্রাইভেট লিমিটেড নামের বিহারের একটি সংস্থাকে। সংস্থাটির মালিক ছিলেন বিজয় কোচর ও বিনয় কোচর। কিন্তু অভিযোগ, সেই সময়ে ‘সুজাতা গ্রুপ’-এর লিজ নেওয়ার মতো ক্ষমতা ছিল না। অথচ রেলের শর্ত এমনভাবে তৈরি করা হয় যে, শেষ পর্যন্ত ওই সংস্থার হাতেই হোটেলগুলি তুলে দেওয়া হয়।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
রাহুলের যাত্রায় বিহারে কংগ্রেসের ভোটভাগ্য ফিরবে?

Voter Adhikar Yatra: এই যাত্রায় ভোট জালিয়াতির বিষয়টি প্রকাশ্যে এসেছে, মানুষের ইস্যুতে পরিণত হয়েছে। এক কংগ্রেস নেতা বলেন, "বছরের পর বছর কংগ্রেস বিহারে নিষ্ক্রিয় ছিল। রাহুল গান্ধীর যাত্রা এটিকে জাগিয়েছে।"

এই সময়েই পটনায় তিন একর জমি বিক্রি করে ‘সুজাতা হোটেল’। জমিটি কেনে ‘ডিলাইট মার্কেটিং প্রাইভেট লিমিটেড’ নামের একটি সংস্থা, যারা ওই জমির জন্য দেয় ১.৪৭ কোটি টাকা। আশ্চর্যের বিষয়, জমি বিক্রির কিছুদিন পরেই ‘সুজাতা হোটেল’ লিজে অংশ নেওয়ার যোগ্যতা অর্জন করে এবং ২০০৬ সালে তারা পেয়ে যায় ১৫ বছরের জন্য আইআরসিটিসির বিএনআর রাঁচি এবং বিএনআর পুরী দুটি হোটেল চালানোর দায়িত্ব। পরে তদন্তে জানা যায়, ‘ডিলাইট মার্কেটিং’-এর মালিক ছিলেন আরজেডি সাংসদ প্রেমচন্দ্র গুপ্ত, যিনি লালুপ্রসাদ যাদবের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত। ২০১৪ সালে প্রেমচন্দ্র তাঁর সংস্থাকে দেউলিয়া ঘোষণা করেন এবং সেই জমিটি বিক্রি করে দেন ‘লারা প্রজেক্ট এলএলপি’ নামের একটি সংস্থাকে মাত্র ৬৪ লক্ষ টাকায়।

সিবিআই জানিয়েছে, এই প্রক্রিয়ায় বাজার মূল্যের চেয়ে অনেক কম দামে ওই সংস্থাকে হোটেলগুলির দায়িত্ব দেওয়া হয়। বিনিময়ে লালু যাদবের পরিবারকে পটনার প্রাইম লোকেশনে একাধিক জমি ‘উপহার’ হিসেবে দেওয়া হয়েছিল। সংস্থাটির পক্ষ থেকে এই জমি হস্তান্তরের বিনিময়ে সরকারের কাছ থেকে নানা সুবিধা নেওয়া হয় বলেও অভিযোগ। তদন্তে উঠে এসেছে, লালুর স্ত্রী রাবড়ি দেবী এবং ছেলে তেজস্বী যাদবও ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন, কারণ তাঁদের নামে বা তাঁদের ঘনিষ্ঠদের নামে এই জমিগুলি রেজিস্ট্রি করা হয়েছিল। আদালত জানিয়েছে, তাঁরা 'ষড়যন্ত্রে সক্রিয় অংশগ্রহণকারী'।

আদালতের এই সিদ্ধান্তের সময়টিও তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, ৬ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে বিহার বিধানসভা নির্বাচন, এবং দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালত এই মামলার চার্জগঠন করল সেই নির্বাচনের ঠিক কয়েক সপ্তাহ আগে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই এর রাজনৈতিক অভিঘাত গভীর। নীতীশ কুমারের বিজেপি জোট এই সুযোগে আরজেডি-কে কোণঠাসা করতে চাইবে, এমনটাই মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ইতোমধ্যেই বিজেপি নেতারা অভিযোগ তুলেছেন, যাদের হাতে বিহারের ভবিষ্যৎ, তারা দুর্নীতির জালে জড়িয়ে আছে। অন্যদিকে, আরজেডি শিবিরেও ক্ষোভ ও প্রতিবাদের সুর স্পষ্ট।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কেন বিহারের ভোটার তালিকায় 'নিবিড় সংশোধন' নিয়ে বিতর্ক?

Bihar: এই জরিপে উঠে এসেছে, বিহারের ৭১% এরও বেশি দলিত ভোটার, বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR)-এ ভোটাধিকার হারানোর ভয় পাচ্ছেন।

আরজেডি নেতাদের বক্তব্য, এটা নিছকই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা, ভোটের আগে তাঁদের ভাবমূর্তি নষ্ট করতেই কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ব্যবহার করা হচ্ছে। লালুপ্রসাদ যাদব সাংবাদিকদের বলেন, “আমরা নির্দোষ। আদালতের উপর আমাদের আস্থা আছে। বিজেপি ভোটের মুখে মানুষকে বিভ্রান্ত করতে চাইছে।” তেজস্বী যাদব এক্স-এ লিখেছিলেন, “কয়েক দিন আগে প্রচারে এসে অমিত শাহ বলেছিলেন, আমাকে নির্বাচনে লড়তে দেবেন না। এখন কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে কাজে লাগিয়ে সেই হুমকি কার্যকর করছেন।”

এই আইআরসিটিসি হোটেল দুর্নীতি মামলা প্রথম উঠে আসে ২০১৭ সালে, যখন সিবিআই আনুষ্ঠানিকভাবে তদন্ত শুরু করে। ২০১৮ সালে লালু, রাবড়ি ও তেজস্বীর নামে চার্জশিট দাখিল করা হয়। তবে এতদিন আদালতের প্রাথমিক শুনানি চলছিল। এবার আদালত চার্জগঠন করে জানিয়ে দিল তাঁদের বিরুদ্ধে যথেষ্ট প্রমাণ আছে, তাই পূর্ণাঙ্গ বিচার প্রক্রিয়া শুরু হবে।

এই মামলা শুধু দুর্নীতির অভিযোগেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি বিহারের রাজনীতিতে লালুর পরিবারের ভাবমূর্তির পুনর্মূল্যায়নের সূচনা হতে পারে। লালুপ্রসাদ একসময় দেশের অন্যতম প্রভাবশালী রাজনীতিক ছিলেন, রেলমন্ত্রী থাকাকালীন ‘সস্তা টিকিট’ নীতিতে তিনি জনপ্রিয়তা পেয়েছিলেন। অন্যদিকে ১৯৯০-এর দশকের ‘চারা কেলেঙ্কারি’ মামলা, পরে ‘চাকরির বিনিময়ে জমি’ মামলাতেও তাঁর নাম জড়ায়। সেই সময় আরজেডি বিহারে রাজনৈতিকভাবে কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলিতে তেজস্বীর নেতৃত্বে দল আবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে, যুব ভোটারদের মধ্যে নতুন করে সমর্থনও জুটেছে। বর্তমানে বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, তেজস্বী যাদব মুখ্যমন্ত্রী পদের দৌড়ে এগিয়ে আছেন। এই অবস্থায় তাঁর ও পরিবারের বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলায় চার্জগঠন নিঃসন্দেহে আরজেডির জন্য বড় ধাক্কা।

আদালতের রায় অনুযায়ী, এখন মামলার পরবর্তী ধাপ শুরু হবে। দোষ প্রমাণিত হলে লালুপ্রসাদ যাদব এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড বা যাবজ্জীবন জেল হতে পারে। পাশাপাশি, মোটা অঙ্কের জরিমানাও দিতে হতে পারে। তবে এর আগে তাঁরা উচ্চ আদালতে আপিল করতে পারবেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই মামলার প্রভাব শুধু আদালতেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং তা বিহারের ভোটবাক্সেও প্রতিফলিত হতে পারে। একদিকে দুর্নীতির অভিযোগে আরজেডি চাপে, অন্যদিকে সহানুভূতির ঢেউও উঠতে পারে বিশেষ করে গ্রামীণ ভোটারদের মধ্যে, যারা লালু প্রসাদ যাদবকে এখনও ‘গরিবের নেতা’ হিসেবে মনে রেখেছেন।

এখন বিহার বিধানসভা ভোটের দিনগণনা শুরু। ভোট হবে দু’দফায়, আর ফল প্রকাশ ১৪ নভেম্বর।তারই মধ্যে আইআরসিটিসি কেলেঙ্কারি মামলার এই নতুন মোড় বিহারের রাজনীতিকে আবারও সরগরম করে তুলেছে। আদালতের এই সিদ্ধান্ত ভোটের ফলাফলে কতটা প্রভাব ফেলবে সেটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন। ভোটের আগে এই আইনি ধাক্কা রাজনীতির অঙ্ককে কতটা পাল্টাবে, তা জানতেই এখন তাকিয়ে আছে গোটা দেশ।

লিখেছেন
Tanvia Barua
Tanvia Barua
7 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।

হুথিরা যেভাবে স্থানীয় বিদ্রোহী থেকে মধ্যপ্রাচ্যের শক্তিতে পরিণত হলো

Houthi Expansion in Yemen: ইয়েমেনে ফের কেন যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে? হুথিরা কীভাবে স্থানীয় জায়দি আন্দোলন থেকে শক্তিশালী সামরিক-রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হল? ইরানের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক কতটা গভীর? মোখা ও হানিশ দ্বীপপুঞ্জ দখলের পর কেন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে বাব আল-মান্দাব? এই সংঘাতের প্রভাব কি শেষ পর্যন্ত বিশ্ব বাণিজ্য, জ্বালানি পরিবহণ ও মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে পড়বে?