যুদ্ধের আঁচ স্কুলের রান্নাঘরে, গ্যাস সংকটে টালমাটাল মিড-ডে মিল

LPG Shortage Hits West Bengal Schools: কলকাতা শহরের কিছু স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, হঠাৎ করেই এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। হরনাথ হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক জানান, তাঁদের হোস্টেলে ১০০-র বেশি ছাত্র থাকে, যাদের চারবেলা খাবারের দায়িত্ব স্কুলের। হঠাৎ গ্যাস শেষ হয়ে যাওয়ায় এবং বাজারে সিলিন্ডার না পাওয়ায় পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল হয়ে পড়ে।

inscript
৩ মিনিট
যুদ্ধের আঁচ স্কুলের রান্নাঘরে, গ্যাস সংকটে টালমাটাল মিড-ডে মিল

পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব এবার সরাসরি পড়তে শুরু করেছে পশ্চিমবঙ্গের স্কুলগুলির রান্নাঘরে। রান্নার গ্যাস বা এলপিজি (LPG) সরবরাহে অনিশ্চয়তার জেরে রাজ্যের বহু স্কুলে মিডডে মিল চালানো নিয়ে তৈরি হয়েছে বড়সড় সংকট। কিছু স্কুল কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছে, হাতে থাকা গ্যাস আর মাত্র এক-দু’দিন চলবে, তারপর নতুন সিলিন্ডার না পেলে রান্না বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

কলকাতা শহরের কিছু স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, হঠাৎ করেই এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। হরনাথ হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক জানান, তাঁদের হোস্টেলে ১০০-র বেশি ছাত্র থাকে, যাদের চারবেলা খাবারের দায়িত্ব স্কুলের। হঠাৎ গ্যাস শেষ হয়ে যাওয়ায় এবং বাজারে সিলিন্ডার না পাওয়ায় পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল হয়ে পড়ে। তিনি বলেন,

গ্যাস না থাকলে ছাত্রদের খাবার কী ভাবে হবে, সেই চিন্তাই সবচেয়ে বড়। আপাতত বিকল্প হিসেবে ডিজেল স্টোভ কেনার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষক ও কর্মীদের আশঙ্কা, যদি দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না হয়, তবে মিডডে মিল প্রকল্প চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে। কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম ১১ মার্চ জানান, মিডডে মিল নিয়ে ক্রাইসিসে রয়েছেন। বড় সিলিন্ডার দেওয়া হচ্ছে না। মিডডে মিল এবং মা কিচেন-এ প্রভাব পড়ছে। মেয়র জানান, ডিস্ট্রিবিউটরদের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডারের জন্য।

শহরের বহু স্কুলে মিডডে মিল রান্না করে সরবরাহ করে বেসরকারি সংস্থা বা এনজিও। শ্যামবাজার এলাকার একটি এনজিও, যারা প্রায় ৩৮টি স্কুলে খাবার সরবরাহ করে; তারা জানিয়েছে যে, বর্তমানে গ্যাসের চাহিদা অনেক বেড়ে গেছে। তাদের বক্তব্য, আগে একসঙ্গে দু’টি সিলিন্ডার চাইলে দু’টিই পাওয়া যেত, এখন অনেক ক্ষেত্রে একটি সিলিন্ডার জোগাড় করাও কঠিন হয়ে পড়ছে। ফলে রান্না ও সরবরাহের পুরো ব্যবস্থাই চাপের মুখে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে স্কুল কর্তৃপক্ষদের দাবি, সংকটের সুযোগ নিয়ে যাতে কেউ গ্যাসের কালোবাজারি করতে না পারে, সেদিকে কঠোর নজরদারি প্রয়োজন। হরনাথ হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক বলেন,

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
হরমুজে সংকট: কেন তেলের দাম সামলাতে হিমশিম খাচ্ছে ভারত?

Hormuz Strait Crisis: ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ক্ষমতায় আসার পর সরকার তেল আমদানির উপর নির্ভরতা কমানোর লক্ষ্য ঘোষণা করেছিল। তখন ভারতের তেল আমদানির নির্ভরতা ছিল প্রায় ৭৫ শতাংশ। লক্ষ্য ছিল তা কমিয়ে দুই-তৃতীয়াংশে নামানো। কিন্তু বাস্তবে ঘটেছে উল্টো।

সরকারি হাসপাতাল ও স্কুলে যাতে গ্যাসের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকে, তার জন্য কেন্দ্র ও রাজ্য— দু’পক্ষকেই দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে।

যদিও কিছু স্কুল তরফে জানানো হয়েছে, এনজিও থেকে মিডডে মিল আসার কারণে গ্যাসের সংকটের বিষয়টি এখনই কোনো চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে না তাদের কাছে। মিডডে মিলে আপাতত কোনো সমস্যা হচ্ছে না বলে জানান বাগবাজার মালটিপারপাজ স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা এবং বিদ্যবীথি প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা।

তবে, গ্যাসের সংকট শুধু স্কুলেই সীমাবদ্ধ নয়। সাধারণ মানুষের রান্নাঘরেও তার প্রভাব স্পষ্ট। বহু অভিভাবক জানিয়েছেন, বাড়ির রান্নার জন্য সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। কেউ কেউ বাধ্য হয়ে কাঠ বা উনুনে রান্না করছেন। তাঁদের অভিযোগ, গ্যাস বুকিং করার পরও বারবার অর্ডার বাতিল হয়ে যাচ্ছে। এমনকী ডেলিভারি ম্যানরা ফোন ধরছেন না বলেও অভিযোগ উঠেছে। ফলে উদ্বেগ বাড়ছে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলির মধ্যে।

প্রসঙ্গত, পশ্চিম এশিয়ায় চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সরবরাহে এই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুট হরমুজ প্রণালী ঘিরে উত্তেজনা বাড়ায় আন্তর্জাতিক বাজারেও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
যুদ্ধের আবহে জ্বালানি দুশ্চিন্তা, কেন ৭ বছর ধরে থমকে ভারতের ‘তেল সুরক্ষা’ ভাণ্ডার?

ওড়িশার জাজপুর জেলার চণ্ডিখোলের কাছে দানকারি পাহাড়ে প্রস্তাবিত ‘স্ট্র্যাটেজিক পেট্রোলিয়াম রিজার্ভ’ প্রকল্পটি অনুমোদন পেয়েছিল ২০১৮ সালে।

ভারত তার জ্বালানি চাহিদার বড় অংশই বিদেশ থেকে আমদানি করা তেলের উপর নির্ভর করে। বর্তমানে দেশের মোট অপরিশোধিত তেলের প্রয়োজনের প্রায় ৮৫ শতাংশেরও বেশি আমদানির মাধ্যমে মেটানো হয়। এই আমদানির ক্ষেত্রে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলি; বিশেষ করে ইরাক, সৌদি আরব, UAE এবং কুয়েত ভারতের অন্যতম প্রধান সরবরাহকারী।

ভারতে আসা এই আমদানিকৃত অপরিশোধিত তেলের একটি বড় অংশ পরিবাহিত হয় হরমুজ প্রণালী দিয়ে। পরিসংখ্যান বলছে, ভারতের মোট তেল আমদানির ৪০ শতাংশেরও বেশি এই গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক প্রণালী দিয়ে আসে। এই কারণেই হরমুজ প্রণালীকে ভারতের জ্বালানি নিরাপত্তার ক্ষেত্রে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ফলে ওই অঞ্চলে যুদ্ধ, কূটনৈতিক সংঘাত বা সামুদ্রিক পরিবহণে বিঘ্ন ঘটলে তার সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে ভারতের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায়। এমন পরিস্থিতিতে দেশের তেল ও গ্যাসের সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যায়।

ভারতে এই অনিশ্চয়তার প্রভাব ইতোমধ্যেই স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। রাষ্ট্রায়ত্ত তেল সংস্থা Indian Oil Corporation ৭ মার্চ রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডারের দাম ৬০ টাকা এবং বাণিজ্যিক সিলিন্ডারের দাম ১১৪ টাকা ৫০ পয়সা বাড়ানোর ঘোষণা করেছে।

এদিকে ৯ মার্চ Ministry of Petroleum and Natural Gas এক বিবৃতি জারি করে জানিয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশের জ্বালানি সরবরাহের উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে,

বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা এবং এলপিজি সরবরাহের উপর চাপ বাড়ায় দেশের তেল শোধনাগারগুলিকে এলপিজি উৎপাদন বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই অতিরিক্ত উৎপাদন মূলত গৃহস্থালির ব্যবহারের জন্য এলপিজি সরবরাহ নিশ্চিত করতে ব্যবহার করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

সরকার জানিয়েছে, এই পরিস্থিতিতে গৃহস্থ বাড়িতে রান্নার গ্যাস সরবরাহকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি মজুতদারি ও কালোবাজারি রোধ করতে নতুন নিয়মও চালু করা হয়েছে—একবার গ্যাস বুকিং করার পর ২৫ দিনের আগে দ্বিতীয়বার সিলিন্ডার বুক করা যাবে না। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, আমদানি করা এলপিজি থেকে হাসপাতাল, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ গুরুত্বপূর্ণ পরিষেবাগুলিতে সরবরাহকেও অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে রেস্তোরাঁ ও হোটেলের মতো বাণিজ্যিক ক্ষেত্রে রান্নার গ্যাসের চাহিদা পর্যালোচনা করতে তেল বিপণন সংস্থাগুলোর তিনজন নির্বাহী পরিচালকের সমন্বয়ে একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে।

যুদ্ধের অভিঘাত যে কত দ্রুত সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে এসে পড়তে পারে, পশ্চিমবঙ্গের স্কুলের রান্নাঘরের এই সংকট তারই একটি স্পষ্ট উদাহরণ। এখন দেখার, পরিস্থিতি কত দ্রুত স্বাভাবিক হয় এবং দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা কবে সুরক্ষিত জায়গায় আসে।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।