হামলার বিরাম নেই, রক্ত আর খিদে দিয়েই রমজান শুরু গাজায়

Is­rael’s war on Gaza: রমজানের প্রথম রাতেই গাজার দক্ষিণে রাফাহ শহরে নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইজরায়েলি বাহিনী। যেখানে আশ্রয় নিয়ে অসংখ্য গাজার সবহারানো মানুষ।

Sohini Das
৪ মিনিট
হামলার বিরাম নেই, রক্ত আর খিদে দিয়েই রমজান শুরু গাজায়

রমজানের আগে যুদ্ধবিরতির কথা বলেছিল ইজরায়েল। তবে আদপে তেমনটা হল না। বরং ফের রক্ত দিয়েই রমজান শুরু হল গাজাবাসীর। এবারের রমজানে প্রতিবছরের মতো কোনও কিছুই নেই। আছে তো শুধু খিদে আর চারদিকে রক্ত। প্রতিবছর এই সময়টায় উপবাসে কাটান পৃথিবীর সমস্ত মুসলিম। ভুখা পেটে দিন কাটাচ্ছেন প্যালেস্টাইনের অসংখ্য মুসলিম। অথচ তার সঙ্গে পবিত্র শব্দটার কোনও সম্পর্কই নেই। প্রায় ৬ মাস ধরে ইজরায়েলি সেনাবাহিনীর হাতে লাগাতার মরছে গাজার মানুষ। এখনও পর্যন্ত একত্রিশ হাজারেরও বেশি বাসিন্দার মৃত্যু হয়েছে ইজরায়েলের হামলায়।

পবিত্র রমজানের আগে গাজায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করার কথা বলেছিল ইজরায়েল। তবে তার বিনিময়ে এক গুচ্ছ শর্ত দেওয়া হয়েছিল হামাসকে। তিন বারের বৈঠকের পরেও কোনও রফাসূত্র বেরোয়নি। এর আগেও দিন চারেকের সংঘর্ষবিরতি ঘোষণা করেছিল ইজরায়েল। তবে সেই সময়েও অতর্কিতে হামলা চালিয়ে গিয়েছিল নেতানিয়াহু সেনা। ফলে তাদের যুদ্ধবিরতিতে তেমন ভরসা নেই প্যালেস্টাইনের। রমজান উপলক্ষে যুদ্ধবিরতির কথা হলেও শেষপর্যন্ত তা হয়নি। বরং গাজাবাসীর রমজান মাসের শুরুটাই হয়েছে ইজরায়েলি বোমায়।

প্রতি বছর রমজান উপলক্ষে সেজে উঠত প্যালেস্টাইন। ওল্ড সিটির পুরনো বাজারে রমজান উপলক্ষে মিলত দুর্দান্ত সব খাবারদাবার। টক আচার থেকে শুরু করে খেজুর, জলপাই, বিভিন্ন রকম মশলা, ফল। দোকান বসত ইতিউতি ফলের রস ও অন্যান্য খাবারের। অন্যদিকে ভিড় জমাতেন পোশাক বিক্রয়কারীরা। ইদের জন্য চলত কেনাকাটা। আলোয়, ভিড়ে, গানে সেজে উঠল গোটা শহর। এমনটাই ছিল বিগত কয়েক বছর ধরে রমজান মাসের চল। ইফতারের জন্য প্রতিবেশীদের বাড়িতে জমে উঠত ভিড়। সকলে একসঙ্গে বসে ভাঙতেন উপবাস। এই সময় কাফায়েফ নামক বিশেষ এক ধরনের মিষ্টি তৈরি করতেন ঘরে ঘরে মায়েরা। সেই সুগন্ধ ছড়িয়ে থাকত বাতাসময়। এখন গাজা-সহ প্যালেস্টাইনে অধিকাংশ এলাকার বাতাসেই বারুদের গন্ধ। যুদ্ধ যেন নিমেষে বদলে দিয়েছে সব কিছু।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
রমজান শুরুর দিনটিই কেন সিএএ ঘোষণার জন্য বেছে নিলেন মোদি?

CAA and Matua Vote:সিএএ চালুর দিন হিসেবে ১১ মার্চকেই বাছা হলো কেন? ১২ মার্চ থেকেই শুরু হয়েছে রোজা। তাছাড়া ১১ মার্চ ছিল হরিচাঁদ ঠাকুরের জন্মতিথি!

রমজানের প্রথম রাতেই গাজার দক্ষিণে রাফাহ শহরে নতুন করে হামলা চালিয়েছে ইজরায়েলি বাহিনী। যেখানে আশ্রয় নিয়ে অসংখ্য গাজার সবহারানো মানুষ। গত ২৪ ঘণ্টায় ফিলিস্তিনি হামলায় নতুন করে অন্তত ৬৭ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। রমজানের সঙ্গেই মিলতে পারে সামান্য হলেও যুদ্ধশান্তি, এমনটাই আশা করেছিল গাজার বাসিন্দারা। তবে তেমনটা হয়নি। তবু প্রার্থনাটুকু করতে ভোলেননি মানুষ। বোমায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হওয়া মসজিদে জড়ো হয়েছেন রমজানের প্রার্থনাটুকু সারতে। যেখানে সেটুকুও বেঁচে নেই, সেখানে ভরসা বলতে অস্থায়ী শরণার্থী শিবির। তা-ও যে যেকোনও মুহূর্তে গুঁড়িয়ে যাবে না ইজরায়েলি বোমায়, সেই গ্যারান্টিই বা কোথায়!

এই পবিত্র রমজান মাসে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত উপবাস করে থাকেন মুসলিমেরা। সেই জন্য সেহরি হিসেবে ও উপবাস ভাঙার সময়ে পুষ্টিকর কিছু খাবারদাবার খাওয়ার প্রয়োজন পড়ে। তবে গাজায় এসব ভাবনাই এখন যেন বিলাসিতা। দেখতে দেখতে যুদ্ধের ১৫৮ দিনে পড়েছে যুদ্ধ। যুদ্ধের অব্যবহিত পরেই যেটা আসে, সেটা দুর্ভীক্ষ। গাজাতেও তেমনটাই হয়েছে। গোটা গাজা জুড়ে এখন খাবার আর পানীয় জলের হাহাকার। সাহায্যের জন্য খাবার-জল নিয়ে ট্রাক আসে। কিন্তু সেই অযুত-নিযুত মানুষের ভিড় থেকে এক পাত্র জল বা একটুখানি আটা জোগার করা এক অন্য লড়াই। দেশ জুড়ে সবাই ক্ষুধার্ত। সেই ক্ষুধা মেটাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে সহায়তাকারী সংস্থাগুলি। তার মধ্যে খাবারের লাইনে কখনও ছুটে আসছে ইজরায়েলি বাহিনীর গুলি, কখনও আবার আকাশ থেকে নামছে বোমা। গত কয়েক মাস ধরেই অনাহারে কাটছে গাজাবাসীর। পবিত্র রমজান মাসে স্বেচ্ছায় উপবাস করেন ইচ্ছুক মুসলিমরা। তবে গাজায় ইচ্ছা-অনিচ্ছার জায়গাটুকুও বেঁচে নেই এখন। বাজারে সমস্ত জিনিসের আকাশছোঁয়া দাম। সেসব কেনার সামর্থ নেই মানুষের। নিজস্ব বাড়িঘর ছেড়ে অস্থায়ী শিবিরগুলোই এখন শেষ আশ্রয় গাজাবাসীর। এখন সেখানে কান পাতলেই শুধু কান্না আর হাহাকারের শব্দ।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
হামাস-ইজরায়েল আলোচনা বিফলে! রমজানেও শান্তি ফিরবে গাজায়?

Gaza ceasefire: ইজরায়েল ও হামাসের মধ্যে তিনদিনের বৈঠক শেষ। কিন্তু কোনও রফাসূত্র এখনও মেলেনি। ইজরায়েল সরকার বলছে, তারা হামাসের পক্ষের প্রতিক্রিয়ার জন্য অপেক্ষা করছে। আবার হামাসের দিক থেকেও শোনা যাচ্ছে একই কথা।

গাজায় যুদ্ধের যেন শেষ নেই। এর মধ্যেই লাগাতার চলছে গুলি। গাজা তো বহুদিন আগেই ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। সেখানে এখন মাটি খুঁড়লেই মিলবে লাশের পাহাড়। ইজরায়েলি বাহিনীর সাম্প্রতিকতম হামলায় দু'সপ্তাহে অন্তত চারশো জনের মৃত্যু হয়েছে গাজায়। কিছুদিন আগেই আটা বিলোতে আসা ট্রাকের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষকে নিশানা করে গুলি ছুড়তে শুরু করেছিল ইজরায়েলি সেনা। মৃত্যুর পাশাপাশি অসংখ্য লোক জখম হয়েছিল ওই হামলায়। গাজায় যথাযথ চিকিৎসার পরিকাঠামো বলতে আর কিছু বেঁচে নেই। এই পরিস্থিতিতে বহু আহতেরই মৃত্যু হয়েছে পরবর্তীতে। তার উপর অনাহারের চাবুক তো রয়েইছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, উত্তর গাজার আল শিফা হাসপাতালে কিছু সাহায্য পৌঁছে দিতে পেরেছে তারা। রয়েছে খাবারদাবার ও চিকিৎসার প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম। তবে সেসব দিয়ে কতটা অভাব মিটবে বলা কঠিন। যাঁরা চিকিৎসা করবেন, সেই সব স্বাস্থ্যকর্মীদের অবস্থাও শোচনীয়। ফলে গাজায় মানুষ যে কীভাবে বেঁচে রয়েছেন এখনও, তা-ই আসলে বিস্ময়।

এদিকে, রমজান মাস শুরু হতে না হতে আতঙ্কে কাঁপছে জেরুজালেম। গোটা বিশ্ব ভেবেছিল রমজান উপলক্ষে অন্তত কিছুদিনের জন্য গাজায় যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করবে প্যালেস্টাইন। সেই চুক্তিতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করেছিল আমেরিকা, কাতার ও মিশর। তবে কাজের কাজ হয়নি। গোটা বিশ্বের প্রত্যাশাকে মাটিতে মিশিয়ে যুদ্ধ থামানোর শর্তে রাজি হয়নি কোনও পক্ষই। বিফলে গিয়েছে সমস্ত আলোচনা। ইজরায়েলের বাসিন্দারাও প্রত্যাশা করেছিলেন, অন্তত রমজান মাসে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করবে ইজরায়েল। এখন প্যালেস্টাইন জুড়ে শুধু বিষন্নতা আর হাহাকার। চেনা রমজানের সুরখানা এ বছর হারিয়েছে যুদ্ধের বাজারে। এদিকে, ইজরায়েলের রাজধানী জেরুজালেমেও যেন স্বস্তি নেই। মাস ছয়েক আগেই ইহুদিদের পবিত্র দিনে ঢুকে পড়েছিল ফিলিস্তিনি জঙ্গিগোষ্ঠী হামাস। কার্যত সন্ত্রাস চালিয়েছিল তারা ইজরায়েল জুড়ে। অসংখ্য বাসিন্দাকে খুন, ধর্ষণ, পণবন্দি বানানো- কী করেনি তারা। রমজান শুরু হতেই জেরুজালেম জুড়ে যেন ভয়ের আবহ। বহুদিন ধরেই ইজরায়েল-ফিলিস্তিনি সংঘাতের অভিকেন্দ্র ছিল জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদ।

ইতিমধ্যেই রাজধানী জুড়ে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। এমনকী পবিত্র মাসের প্রথম দিনে প্রার্থনার জন্য বহু ফিলিস্তিনিকেই ঢুকতে দেওয়া হয়নি মসজিদে। চালানো হয়েছে লাঠিও। গত ৭ অক্টোবর ইজরায়েলে হামাস হামলার পর থেকেই আল-আকসা মসজিদে ইজরায়েল ও ইজরায়েল অধিকৃত প্যালেস্টাইনে বসবাসকারী ফিলিস্তিনিদের প্রবেশ বন্ধ করে দিয়েছে প্রশাসন। গত সপ্তাহেই প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু জানিয়ে দেন, শুধুমাত্র ইজরায়েলিরাই মসজিদে ঢুকতে পারবেন। যেখানে আগে প্রথম এক সপ্তাহ অন্তত ফিলিস্তিনিরা ওই মসজিদে ঢুকতে পারতেন। কিন্তু যুদ্ধের আবহে সে সব কিছুই গিয়েছে পাল্টে। আগেও রমজান ঘিরে অশান্তির মুখে পড়ছে আল আকসা মসজিদ। এবার যুদ্ধের পরিস্থিতিতে যে কড়াকড়ি বাড়বে, তাতে আর নতুন কী!

সব মিলিয়ে রমজান কোনও আশার আলো দেখাতে পারেনি গাজাবাসীকে। তবু রমজান মাসের প্রতিটি প্রার্থনায় শান্তিটুকুই চেয়ে চলেছেন প্যালেস্টাইনের প্রতিটি মানুষ। শুধু ফিলিস্তিনিরাই নয়, এই পবিত্র মাসে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় যুদ্ধবিরতির পক্ষে সওয়াল করেছে কানাডা-সহ বহু দেশের মানুষরাই। তবে গাজাকে পুরোপুরি না ধ্বংস করে বোধহয় বিশ্রাম নেবে না ইজরায়েল। আর সেই সম্ভাবনাই আরও প্রবল হচ্ছে প্রতিমুহূর্তে।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

ডানাছাঁটা ট্রাম্প-নেতানিয়াহু, বিশ্ব রাজনীতি কোন দিকে যাবে?

Trump midterm defeat: আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির পরাজয় এবং ইজরায়েলের নির্বাচনে বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারানো—দুটি ঘটনাই আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে। এই পরাজয়ের পর ইরান যুদ্ধের ভবিষ্যৎ কী হবে? আমেরিকা-ইজরায়েল সম্পর্কের সমীকরণ কি বদলাবে? আর বিশ্ব রাজনীতিতে তার প্রভাবই বা কতটা পড়বে?

ট্রাম্পের হারের ৫ কারণ: কেন মুখ ফিরিয়ে নিলেন মার্কিন ভোটাররা?

US Midterm Elections: আমেরিকার মিডটার্ম নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেল ডোনাল্ড ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টি।জীবনযাত্রার খরচ বৃদ্ধি থেকে শুরু করে ট্রাম্পের নীতি—রিপাবলিকানদের ভরাডুবির পাঁচটি মূল কারণ কী কী?

পিস বন্ড কী, কেন দিতে হয়? নেহা বোরার আপত্তিতে নতুন করে প্রশ্নের মুখে ঔপনিবেশিক আমলের আইন

Peace Bond: শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করলেই কি দিতে হবে পিস বন্ড? AISA-র জাতীয় সভাপতি নেহা বোরার আপত্তিতে নতুন করে বিতর্কে ঔপনিবেশিক আমলের প্রতিরোধমূলক আইন। ব্রিটিশ আমল থেকে স্বাধীন ভারত, CrPC থেকে BNSS—কীভাবে বদলেছে এই আইনি ব্যবস্থা? কেন কাউকে ১০ হাজার টাকার মুচলেকা দিতে বলা হয়? কী বলছে আইন?

রামলীলা ময়দানের সভায় ভিড় দেখাতে এআই ছবি? কতটা সত্যি?

Ramlila Maidan AI image controversy: দিল্লির রামলীলা ময়দানে ১ নভেম্বরের ‘ইন্ডিয়া’ জোটের সমাবেশে ভিড় ও এআই ছবি ব্যবহার নিয়ে বিজেপি ও কংগ্রেসের মধ্যে বিতর্ক তুঙ্গে। ভাইরাল ছবিগুলোর সত্যতা কী?

আবের কাওয়াস: প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান মুসলিম মহিলা নিউ ইয়র্কের সিনেটে

Aber Kawas: নিউ ইয়র্কের ১২ নম্বর সিনেট ডিস্ট্রিক্ট থেকে জয়ী হয়ে ইতিহাস গড়লেন আবের কাওয়াস। নিউ ইয়র্ক স্টেট আইনসভায় তিনি প্রথম ফিলিস্তিনি-আমেরিকান এবং প্রথম হিজাব পরিহিত মুসলিম মহিলা প্রতিনিধি।

প্রতিবেশীর ধর্ম দেখব না! গির্জায় হামলায় যা বলছে বাসন্তী

Basanti church: গির্জার সদস্য প্রদীপ মণ্ডল ইনস্ক্রিপ্টকে জানিয়েছেন, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ চার্চ অফ নর্থ ইন্ডিয়ার (CNI) বিশপ সুব্রত চক্রবর্তী পার্শ্ববর্তী এলাকার কয়েকটি গির্জার যাজকদের নিয়ে শান্তিপূর্ণ শোভাযাত্রা করে নারায়ণতলার নবনির্মিত গির্জায় পৌঁছন। তাঁদের স্বাগত জানাতে গির্জার ভিতরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। প্রার্থনা শুরুর ঠিক আগে ৩০-৩৫ জনের একটি দল জোর করে গির্জায় ঢুকে পড়ে বলে দাবি তাঁর।

পাঁচ খুনের 'বদলা'? এবার গুয়াহাটিতে এনকাউন্টার পুলিশের

Guwahati Encounter: গুয়াহাটিতে হোটেলে ঢুকে পাঁচ জনকে খুনের অভিযোগে ধৃত ঘনকান্ত গগৈ পুলিশের গুলিতে নিহত। পুলিশের দাবি, হেফাজত থেকে পালিয়ে সার্ভিস রিভলভার ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল সে। একই সময়ে মধ্যপ্রদেশের দেওয়াস ও ভোপালে পৃথক এনকাউন্টারে তিন অভিযুক্ত গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। কয়েক দিন আগেই বাংলায় গাইঘাটা ও সামশেরগঞ্জে দুই অভিযুক্তের মৃত্যু হয়েছিল।

আমেরিকার প্রথম মুসলিম সেনেটর, ট্রাম্পের ইসলামবিদ্বেষী প্রচারকে হারিয়ে ইতিহাস গড়লেন আবদুল এল-সায়েদ

Abdul El-Sayed: নির্বাচনের আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তাঁর দলের একাধিক নেতা এল-সায়েদের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে ইসলামবিদ্বেষী প্রচার চালিয়েছিলেন। তাঁর ধর্মীয় পরিচয়কে সামনে এনে তাঁকে আমেরিকার নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা হয়েছিল।