ঘোড়ায় চেপে জোম্যাটোর খাবার ডেলিভারি! কারণ জেনে হাঁ আম আদমি!
Zomato Horse Delivery : কী হয়েছে জানতে চাওয়া হলে ওই ঘোড়সওয়ার ডেলিভারি কর্মী জানান, "পেট্রোল না মিলা ভাই। তিন ঘণ্টা লাইন মে খাড়া রাহা।"

হায়দরাবাদে ট্রাক চালকরা ব্যাপক বিক্ষোভে সামিল হয়েছিলেন নতুন পথ আইনের বিরুদ্ধে। গাড়ির ধাক্কায় মৃত্যু বিষয়ে নয়া আইন ঘিরে ট্রাক চালকদের এই বিক্ষোভের কারণে পেট্রোল পাম্পগুলিতে গাড়ির দীর্ঘ লাইন পড়েছে স্বাভাবিকভাবেই। এই বিক্ষোভ আর ভিড়ের জাঁতাকলে পড়ে এক জোম্যাটো ডেলিভারি শ্রমিক যা করলেন তা দেখে তাজ্জব দেশ! নিমেষের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায় ওই ঘটনার ভিডিও। খাবার পৌঁছতে হবে ক্রেতার দুয়ারে। এদিকে পেট্রোল পাম্পে লম্বা লাইন। দেরি হয়ে যাচ্ছে, সময় নেই, গাড়িতে জ্বালানিও নেই! জোম্যাটোর ফুড ডেলিভারির ব্যাগ কাঁধে নিয়ে ওই কর্মী শহরের রাস্তায় দৌড়ে যাচ্ছেন, তাঁর বাহন কোনও স্কুটার নয়, বাইক নয়, সাইকেল নয়, চার চাকা নয়- একটি ঘোড়া! ঘোড়ায় সওয়ার হয়ে ক্রেতার দুয়ারে খাবার পৌঁছতে চলেছেন তিনি।
ভিডিও ক্লিপটিতে জোম্যাটোর ওই ডেলিভারি শ্রমিককে ইম্পেরিয়াল হোটেলের পাশে অবস্থিত চঞ্চলগুড়া এলাকায় ঘোড়ায় চড়ে খাবার ডেলিভারি করতে দেখে পথচলতি মানুষও হাঁ! পেট্রোল পাম্পের দীর্ঘ লাইন এবং ট্রাকচালকদের প্রতিবাদের ফলস্বরূপ পেট্রোল পাম্পে তেল শেষ হয়ে যাওয়ার দরুন এই পথ নেওয়া ছাড়া তাঁর কিছু করণীয়ও ছিল না। ঘোড়ার পিঠে চড়ে, রীতিমতো রাজকীয় ভঙ্গিতে আম জনতাকে হাত নাড়তে নাড়তে জোম্যাটোর কর্মী চলেছেন গন্তব্যে।
Visual from
where a food delivery guy was seen delivering food on a horse due to fuel shortage at the
pumps.
— shinenewshyd (@shinenewshyd)
কী হয়েছে জানতে চাওয়া হলে ওই ঘোড়সওয়ার ডেলিভারি কর্মী জানান, "পেট্রোল না মিলা ভাই। তিন ঘণ্টা লাইন মে খাড়া রাহা।" জোম্যাটোর ওই অর্ডার নিয়ে তিনি ক্রেতার ঠিকানার উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়েছিলেন ঠিকই কিন্তু পথে গাড়িতে ভরার মতো পেট্রোল তিনি পাননি। মঙ্গলবার হায়দরাবাদে পেট্রোল এবং ডিজেল পাম্পগুলিতে বিপুল সংখ্যক গাড়িচালক জড়ো হওয়ার ফলে হায়দরাবাদের মূল সড়কগুলিতে গাড়ির লাইন পড়ে যায়। বেশ দীর্ঘ সময়ের জন্য কয়েকটি জায়গায় যানজটের সৃষ্টি হয়। সন্ধ্যার পর যানজট নিয়ন্ত্রণে আসে।
Petrol stations closed. Food delivery on horse 🐴 😂😂
— Kapil pandit (@lovekapil143)
আসলে জ্বালানি ঠিকই ছিল। সাধারণ মানুষ আশঙ্কা করেন যে ট্রাক চালকদের আন্দোলনের কারণে পরে পেট্রোল নাও মিলতে পারে। তাই সকলে মিলে পেট্রোল নিতে ভিড় জমান পাম্পে। সেই কারণেই অকারণ যানজট, জ্বালানি ফুরিয়ে গিয়ে সত্যিই যাদের প্রয়োজন তাঁদের ভোগান্তি। হায়দরাবাদের একাধিক পেট্রোল পাম্পেই জ্বালানি ফুরিয়ে যায়। সেকেন্দ্রাবাদের একটি পেট্রোল পাম্পে এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে অপেক্ষা করে ফিরে যান গাড়ির মালিকরা কারণ পেট্রোল এবং ডিজেল দুই-ই শেষ হয়ে যায় সেখানে। এমন অবস্থায় ওই ডেলিভারি কর্মী একটি ঘোড়াকেই বেছে নেন খাবার ডেলিভারির জন্য।















