মমতার বিধান: হকার বসালেই গ্রেফতার, পুনর্বাসন পাবে উচ্ছেদ হওয়ারা?

Mamata Banerjee: একই সঙ্গে হকার উচ্ছেদ যে তার প্রশাসনের উদ্দেশ্য নয় এদিন সে কথাও বুঝিয়ে বলেন মমতা। প্রয়োজনে হকার সমস্যার সমাধানে কোথাও গোডাউন বা কোথাও বিকল্প বিল্ডিং গড়ে দেওয়ার কথাও বলেন মুখ্যমন্ত্রী।

inscript
৪ মিনিট
মমতার বিধান: হকার বসালেই গ্রেফতার, পুনর্বাসন পাবে উচ্ছেদ হওয়ারা?

জমি জবরদখল রুখতে কড়া রাজ্য। সোমবার পুরবৈঠকে জমি জবরদখল নিয়ে সরব হন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মন্ত্রী থেকে আমলা, পুর-প্রতিনিধি থেকে শুরু করে পুলিশ- মুখ্যমন্ত্রীর ভর্ৎসনার মুখে পড়েন প্রায় সকলেই। মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষোভের পরেই সোমবার বিকেল থেকেই শুরু হয় শহর জুড়ে উচ্ছেদ অভিযান। ফুটপাথে বসা হকারদের অনেককেই সতর্ক করা হয়, বেঁধে দেওয়া হয় সময়ও। মঙ্গল ও বুধবার দিনভর শহর জুড়ে চলেছে হকার উচ্ছেদ অভিযান। মুখ্যমন্ত্রী সল্টলেক থেকে শুরু করে হাতিবাগান, গড়িয়াহাট, এমনকী যাদবপুরের প্রিন্স আনোয়ার শাহ রোডের উপর অবৈধ জবরদখল নিয়েও ক্ষোভপ্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই সমস্ত জায়গাতেই গত দু'দিন ধরে লাগাতার অভিযান চালিয়েছে পুরসভা ও পুলিশ। এরই মধ্যে বৃহস্পতিবার ফের নবান্নে জমি জবরদখল নিয়ে বৈঠক ডাকলেন মুখ্যমন্ত্রী।

সেই বৈঠকে কলকাতা, বিধাননগর-সহ পুর নিগম ও পুরসভার চেয়ারম্যান, সমস্ত জেলার পুলিশ সুপার ও জেলা শাসকদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়। শুধু কলকাতা নয়, হাওড়া কমিশনারেটের অধীনে সমস্ত থানার ওসি, আইসিদেরও নবান্নের বৈঠকে থাকতে বলা হয়। ছিলেন রাজ্য প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকেরাও। কী হতে চলেছে দখলদার উচ্ছেদ অভিযানের পরবর্তী পদক্ষেপ, এদিন বৈঠক থেকে তা নিয়ে সাফ বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
কোথায় কোথায় হকার উচ্ছেদ অভিযান? রাশ টানতেই বৈঠক ডাকলেন মমতা?

Evictions across Kolkata: ফুটপাত চত্বরে যে সমস্ত খাবারের দোকানগুলি ছিল সেই খাবারের দোকানগুলিও খালি করার কথা বলা হয়েছে। পুলিশ আধিকারিকরা জানিয়ে দিয়েছেন, নতুন কোনও নির্দেশিকা না আসা পর্যন্ত হকাররা বসতে পারবেন না ফুটপাথে।

মুখ্যমন্ত্রী এ দিন জানান, ‘‘এই ধরনের রাস্তা দখলের জন্য দায়ী রাজনৈতিক নেতা এবং পুলিশেরাই। কাউন্সিলরদের প্রথম থেকেই এটা দেখা উচিত। কিন্তু তাঁরা দেখেও দেখছেন না। পুলিশেরা, হকার নেতারা গরিব হকারদের কাছ থেকে টাকা আদায় করছেন। করবেন না। আমি বলব, আপনারা লোভ সংবরণ করুন। জীবনধারণের জন্য যেটুকু দরকার, সেটুকুতেই সন্তুষ্ট থাকুন। কিন্তু তা হচ্ছে না। এলাকার নেতারা প্রথমে ডালা নিয়ে বসিয়ে দিচ্ছে, তার পরে আর সরানো যাচ্ছে না। নিজেরাই বসাবেন, তার পরে বুলডোজ়ার চালাবেন, তা হবে না।’’ শুধু কাউন্সিলরই নয়, এদিন বৈঠক থেকে পুলিশদের বিরুদ্ধেও তোপ দাগেন মমতা। তিনি জানান, ‘‘পুলিশের লোভ বেড়ে গিয়েছে আজকাল। তারা গরিব হকারদের থেকে চাঁদা নিচ্ছে। মনে রাখবেন, আমার দল টাকা চায় না। আমি আগেও বলেছি। এখনও বলছি। দরকার হলে মানুষের কাছে হাত পেতে ভিক্ষে করব। তাই, যে পুলিশকে ইন্ধন দিতে দেখা যাবে, তাকে সঙ্গে সঙ্গে সরানো হবে। কাউকে ছাড়ব না।’’

দিন কয়েক ধরেই বিভিন্ন জায়গায় হকার উচ্ছেদে নেমেছে পুলিশ প্রশাসন। বাদ যায়নি নিউমার্কেট এলাকাও। বৃহস্পতিবার বৈঠকে মমতা উদ্বেগ প্রকাশ করেন গ্র্যান্ড হোটেলের সামনে হকার বসা নিয়েও। নিউ মার্কেট এলাকার বহু হকারই ওই চত্বর জুড়ে ব্যবসা করেন। মমতা এদিন জানান, ‘‘গ্র্যান্ডের নিরাপত্তা ব্যবস্থা অনেক কড়া। সেখানে দেশ-বিদেশের তারকা, অভিনেতারা এসে থাকেন। নিরাপত্তা রাখতে হয়। হঠাৎ করে সেখানে কিছু একটা গন্ডগোল হলে কী হবে? সঙ্গে সঙ্গে তো এনআইএ পাঠিয়ে দেবে। তাই সেই ঝুঁকি আমরা নেব না। আর যাঁরা বলছেন, গ্র্যান্ডের সামনেই বসতে দিতে হবে, তাঁদের বিষয়টা বুঝতে হবে।’’

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বাঙালি বনাম অবাঙালি: বেছে বেছে সুজিতকেই কেন নিশানা করলেন মমতা?

Mamata Banerjee-Sujit Bose: সরকারি জমি দখল, পুকুর ভরাট এই অঞ্চলে নতুন ঘটনা নয়। তাহলে এখন কেন প্রশ্ন তুলছেন মমতা?

পরের পর উচ্ছেদ অভিযানে মাথায় আকাশ ভেঙেছে অধিকাংশ হকারেরই। রুটি-রুজির প্রশ্নে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন অনেকেই। অনেককেই পুলিশের হাতে-পায়ে ধরে কান্নাকাটি করতে দেখা যায়। তাঁদের আশ্বস্ত করে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এক মাস আপাতত উচ্ছেদ হচ্ছে না। তার মধ্যে রাজ্য সরকারেরর সার্ভের কাজ চলবে বলে জানিয়ে দিয়েছেন মমতা। এবং তার মধ্যে সব ঠিক করতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি। একই সঙ্গে হকারদের প্রশংসাতেও এদিন পঞ্চমুখ হতে দেখা গিয়েছে মুখ্যমন্ত্রীকে। মমতা জানান, ‘‘হকারদের আমি ভালবাসি কেন জানেন? তার কারণ, রাস্তায় একটা দুর্ঘটনা ঘটলে আর সবাই মুখ ফিরিয়ে চলে গেলেও হকারেরা ছুটে আসেন। ওঁরা হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। কোনও মেয়ের সঙ্গে দুর্ব্যবহার হলে প্রতিবাদ করেন। কিন্তু আমি যেটা করছি, সেটা ওঁদের বিরুদ্ধে নয়। কলকাতাকে সুন্দর করতে হবে। আপনারা সহযোগিতা করুন, সরকার আপনাদের সঙ্গে থাকবেন।’’ একই সঙ্গে হকার উচ্ছেদ যে তার প্রশাসনের উদ্দেশ্য নয় এদিন সে কথাও বুঝিয়ে বলেন মমতা। প্রয়োজনে হকার সমস্যার সমাধানে কোথাও গোডাউন বা কোথাও বিকল্প বিল্ডিং গড়ে দেওয়ার কথাও বলেন তিনি।

শুধু হকারদের জবরদখল নয়, সোমবার পুরবৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী সরব হয়েছিলেন প্রোমোটারি রাজ, পুকুর বোজাইয়ের মতো বিষয়গুলি নিয়ে। এমনকী কথায় কথায় উঠে আসে বিপজ্জনক বাড়ির প্রসঙ্গও। এদিন বৈঠক থেকে মমতা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, বিপজ্জনক বাড়ি ঠিক না করা হলে বাড়ি অধিগ্রহণ করা হবে। এখানেই শেষ নয়, রাস্তা বানানোর পর পাঁচ বছরও না চললে সেই ঠিকাদারকে ব্ল্যাক লিস্ট করার নির্দেশ দিয়েছেন মমতা। এদিন মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, “কারও চাকরি খাওয়ার অধিকার আমার নেই। কাউকে বেকার করার অধিকার নেই। লক্ষ লক্ষ মানুষ হকারি করে খায়।” তবে একই সঙ্গে তাঁর সাফ হুঁশিয়ারি, “নতুন করে হকার বসালে গ্রেপ্তার হতে হবে।” সেক্ষেত্রে নেতা-পুলিশরাও বাদ যাবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি এ দিন বৈঠকে রাজ্যের বেআইনি পার্কিং নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রীকে। বিজেপির নাম করেই কার্যত এদিন মমতার সরাসরি তোপ, বেআইনি পার্কিংয়ের টাকা বিজেপিতে যায়।

রাজ্য সরকারের এই নতুন পদক্ষেপে জবরদখলমুক্ত করা সম্ভব হবে আদৌ শহর? এবার লোকসভা ভোটে শহরের অধিকাংশ ওয়ার্ডেই ভালো ফল করতে পারেনি তৃণমূল। তার পরেই শহরাঞ্চলগুলিতে কাজের জন্য উঠেপড়ে লেগেছে মমতা সরকার। যার সূচনাই তিনি করেছেন, শহর জবরদখলমুক্ত করার চেষ্টা দিয়ে। রাজ্যের নিজস্ব পরিচিতি নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বলেও তোপ দাগেন তিনি। আশঙ্কা প্রকাশ করেন বাঙালিদের অস্তিত্ব সঙ্কট নিয়েও। কতটা কাজে আসবে তৃণমূল সরকারের এই উদ্যোগ? আপাতত সেটাই সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।