কোথায় কোথায় হকার উচ্ছেদ অভিযান? রাশ টানতেই বৈঠক ডাকলেন মমতা?

Evictions across Kolkata: ফুটপাত চত্বরে যে সমস্ত খাবারের দোকানগুলি ছিল সেই খাবারের দোকানগুলিও খালি করার কথা বলা হয়েছে। পুলিশ আধিকারিকরা জানিয়ে দিয়েছেন, নতুন কোনও নির্দেশিকা না আসা পর্যন্ত হকাররা বসতে পারবেন না ফুটপাথে।

Sohini Das
৪ মিনিট
কোথায় কোথায় হকার উচ্ছেদ অভিযান? রাশ টানতেই বৈঠক ডাকলেন মমতা?

রাজ্যের নিজস্ব পরিচিতি সঙ্কটে। বাঙালিদের জমি জবরদখল হয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি পুরবৈঠকে জমি জবরদখল নিয়ে খড়্গহস্ত হয়ে ওঠেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আমলা থেকে মন্ত্রী, পুরপ্রতিনিধি থেকে পুলিশ, মুখ্যমন্ত্রীর ভর্ৎসনার হাত থেকে বাঁচতে পারেনি কেউই। সোমবার জমি জবরদখল নিয়ে মমতার ক্ষোভের পর থেকেই বিভিন্ন জায়গায় উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে দেয় পুলিশ-প্রশাসন। বুধবারও দিনভর চলল সেই অভিযান।

সল্টলেক থেকে শুরু করে হাতিবাগান মার্কেট, এমনকী গড়িয়াহাটেও হকারদের জমি জবরদখল করে ব্যবসা করা নিয়ে রোষপ্রকাশ করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। জানিয়েছিলেন, কারওর পেটের ভাত মারতে চান না তিনি। হকারদের জন্য আলাদা দোকানের বন্দোবস্ত করে দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু সরকারি জমি জবরদখল করে ব্যবসা নয় বলেই সাফ জানিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী। যাদবপুরের প্রিন্স আনোয়ার শাহ রোডে সরকারি জমি জবরদখলের অভিযোগ নিয়েও বিরক্তি প্রকাশ করেন মমতা।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
জবরদখল হয়ে যাচ্ছে বাঙালিদের জমি? কেন ক্ষোভে ফুটছেন মমতা?

Mamata Banerjee: ইতিমধ্যেই এই জমি জবরদখল নিয়ে একগুচ্ছ পদক্ষেপ করা হয়েছে। জেলায় জেলায় পাঠানো হয়েছে ৬ দফা নির্দেশিকা।

আর মমতার কড়া বার্তার পরে সোমবার রাত থেকেই বিভিন্ন জায়গায় উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে দেয় পুলিশ-পুরসভা। সোমবার রাত থেকেই সল্টলেকের ওয়েবেল মোড়-সহ পাঁচ নম্বর সেক্টরের একাধিক জায়গায় ফুটপাত দখলমুক্ত করতে অভিযান শুরু করে পুলিশ। মঙ্গলবার সকাল থেকে গড়িয়াহাট, বিধাননগর, হাতিবাগান-সহ বিভিন্ন জায়গায় ফুটপাথ দখলমুক্ত করার কাজ শুরু হয়েছে। সল্টলেকে সেক্টর ৫-এ পুলিশ ইতিমধ্যেই সময় বেঁধে দিয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধে ৬টার মধ্যে ফুটপাথ খালি করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল হকারদের । মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর সক্রিয় ইলেকট্রনিক্স কমপ্লেক্স থানার পুলিশ। সেক্টর ফাইভে জবরদখল করে রাখা ফুটপাথ দখলমুক্ত করতে শুরু হয় পুলিশ এবং পুরসভার যৌথ অভিযান। হকার উচ্ছেদ অভিযান চলে নিউ মার্কেট এলাকাতেও। মঙ্গলবার বিকেল পাঁচটা নাগাদ নিউমার্কেট থানার সামনে যে সমস্ত হকাররা ফুটপাত দখল করে বসে আছে, তাঁদের উচ্ছেদ করে দেওয়া হয়। আধ ঘণ্টার মধ্যে তাঁদের জিনিসপত্র নিয়ে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেয় পুলিশ। এমনকি, বেশ কিছু অস্থায়ী বিক্রেতাদের সঙ্গে হাত লাগিয়ে পুলিশ জিনিসপত্রগুলি কাপড়ে মুড়ে নিউমার্কেট থানার গাড়িতে তুলে নিয়ে যায়।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বাঙালি বনাম অবাঙালি: বেছে বেছে সুজিতকেই কেন নিশানা করলেন মমতা?

Mamata Banerjee-Sujit Bose: সরকারি জমি দখল, পুকুর ভরাট এই অঞ্চলে নতুন ঘটনা নয়। তাহলে এখন কেন প্রশ্ন তুলছেন মমতা?

ফুটপাত চত্বরে যে সমস্ত খাবারের দোকানগুলি ছিল সেই খাবারের দোকানগুলিও খালি করার কথা বলা হয়েছে। পুলিশ আধিকারিকরা জানিয়ে দিয়েছেন, নতুন কোনও নির্দেশিকা না আসা পর্যন্ত হকাররা বসতে পারবেন না ফুটপাথে। নিউ মার্কেটের রাস্তার ধারে থাকা হকারদের একাংশ ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন। তাঁদের দাবি, অনেকেরই ১৫ থেকে ২০ বছরের লাইসেন্স আছে। কলকাতা পুরসভা থেকে তাদেরকে এই ফুটপাতের উপরেই চিহ্নিত করে দিয়ে যাওয়া হয়েছে বসার জন্য। তারা সেই মতো প্রত্যেকটা দিন সুষ্ঠুভাবেই এই ফুটপাতের উপরে বসেন। গড়িয়াহাট, সল্টলেকের হকারদেরও উচ্ছেদ করা হয়। জানা গিয়েছে, গড়িয়াহাট, সল্টলেকে একাধিক দোকান ভেঙে ফেলা হচ্ছে। গড়িয়াহাটে ৬ জন হকারকে আটক করে এদিন পুলিশ। সল্টলেক ১৬ নাম্বার ট্যাঙ্কের কাছে অস্থায়ী দোকান ভেঙে দিয়েছে পুলিশ। সূত্রের খবর অনুযায়ী, সেখানেও একজনকে আটক করছে পুলিশ। এসএসকেএম হাসপাতালের উল্টোদিকে ফুটপাতের দোকানগুলি থেকেও প্লাস্টিক খোলার জন্য বলা হয়েছে। কলকাতা মিউনিসিপ‍্যাল কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে শুরু হয়েছে মাইকে প্রচার। এমনকী কাউন্সিলার ও প্রেসিডেন্ট ছিলেন এই প্রচারাভিযানে।

মঙ্গলবারই জমিজবরদখল রুখতে জেলায় জেলায় পাঠানো হয়েছিল ৬ দফা নির্দেশিকা। সেখানে একাধিক বিষয়কে উল্লেখ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট জেলার জেলাশাসক সহ প্রশাসনিক কর্তাদেরও বিষয়টি সম্পর্কে জানানো হয়েছে। সেখানে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, সরকারি জমিতে সাইনবোর্ডের ব্যবস্থা করতে হবে। অর্থাৎ যে সরকারি জমিটি রয়েছে সেটা যাতে বোঝা যায় তার ব্যবস্থা করতে হবে। সেই সাইনবোর্ডে লিখতে হবে এই জমির মালিক রাজ্য সরকার। বিলআরও ও ডিএলআরও অফিসের সামনে যাতে দালালরা ঘোরাফেরা না করে সেই ব্যবস্থাও করতে হবে। চতুর্থত, কিছুদিন অন্তর সরকারি আধিকারিকরা সরকারি জমিগুলি সম্পর্কে খোঁজখবর নেবেন, সেগুলি পরিদর্শন করে দেখবেন সেগুলি ঠিক কী অবস্থায় রয়েছে। পঞ্চমত, যখন তারা পরিদর্শন করবেন তখন সংশ্লিষ্ট জমি ও জলাশয়ের ছবি বিভিন্ন দিক থেকে তুলতে হবে। অর্থাৎ জমিটি যথাযথ রয়েছে কি না সেই সম্পর্কিত তথ্য রাখতে হবে। পাশাপাশি জেলাশাসক ও এডিএম ল্যান্ডদের কাছে এই সরকারি নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর ক্ষোভপ্রকাশের পরেই বদলি করা হয়েছে, বিধাননগরের পুলিশ কমিশনার আইপিএস গৌরব শর্মাকে। একই সঙ্গে বৈঠকের পরে পরেই বদলে ফেলা হয়েছে পুর সচিবকে। রাজ্য়ের নতুন পুর সচিবের দায়িত্ব দেওয়া হল বিনোদ কুমারকে। ভূমি দফতরের নতুন সচিব হয়েছেন বিবেক কুমার।

বৃহস্পতিবার ফের জমি জবরদখলের ব্যাপারে আলোচনা করতে নবান্নে বৈঠক ডেকেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা, বিধাননগর-সহ পুর নিগম ও পুরসভার চেয়ারম্যান, সমস্ত জেলার পুলিশ সুপার ও জেলা শাসকদের ওই বৈঠকে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। ভিডিও কনফারেন্স মারফত সমস্ত পুরসভার মেয়র, পুরনিগমের চেয়ারপার্সনরা। জেলাশাসক, মহকুমা শাসক এবং বিডিওরাও ভারচুয়ালি যোগ দেবেন বৈঠক। জেলা পুলিশ সুপার এবং কমিশনারদের ভারচুয়ালি যোগ দিতে হবে বৈঠকে। শুধু তাই নয়, কলকাতা, হাওড়া ও বিধাননগর কমিশনারেটের অধীনে সমস্ত থানার ওসি, আইসিদেরও নবান্নের বৈঠকে থাকতে বলা হয়েছে। ৭২ ঘণ্টার ব্যবধানেই ফের কেন নতুন করে বৈঠক, তা নিয়ে উদ্বেগ সব মহলে। এদিকে হঠাৎ করে রুজিরুটির উপর আঘাত নামায় যথেষ্ট চাপে রয়েছেন হকারেরাও। অনেককেই বুধবার উচ্ছেদ চলাকালীন কান্নাকাটি করতে দেখা গিয়েছে। কীভাবে সংসার চালাবেন? কোথায় গিয়ে নতুন ব্যবসা করবেন, সে নিয়ে উদ্বেগে অনেকেই। তাঁদের ব্যাপারে কি নতুন কোনও সিদ্ধান্তের কথা উঠে আসতে চলেছে মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে? তাঁদের ভবিষ্য়ৎ নিয়ে কোনও পলিসির কথা বেরিয়ে আসবে বৃহস্পতিবারের বৈঠকে? সেটাও একটা বড় প্রশ্ন।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর বির্তক: যে খবর স্বাভাবিক হওয়ার কথা, সেটাই আজ বিস্ময়

Gyanesh Kumar, SIR and Election Commission: এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে আপত্তি থাকা সত্ত্বেও কেন প্রক্রিয়া চালানো হল? জ্ঞানেশ কুমার কীভাবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার হলেন? ২০২৩ সালে আইন বদলে প্রধান বিচারপতিকে নির্বাচন কমিশনার বাছাইয়ের কমিটি থেকে সরানো হল কেন? এতদিন এই প্রশ্নগুলি গণমাধ্যম তুলল না কেন?

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।