ইসলামাবাদে মুখোমুখি আমেরিকা-ইরান: অবিশ্বাসের দেওয়াল ভাঙবে?

US-Iran Peace Talks in Islamabad: ইসলামাবাদে আমেরিকা-ইরান আলোচনা কি সত্যিই স্থায়ী শান্তির পথ দেখাবে? লেবানন ইস্যু, পারমাণবিক কর্মসূচি ও হরমুজ প্রণালী নিয়ে টানাপোড়েনের মধ্যে এই বৈঠক কতটা সফল হবে? যুদ্ধবিরতি কি টিকবে, নাকি নতুন সংঘাতের সূচনা হতে চলেছে?

inscript
৩ মিনিট
ইসলামাবাদে মুখোমুখি আমেরিকা-ইরান: অবিশ্বাসের দেওয়াল ভাঙবে?

পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যে আলোচনা হতে চলেছে, তা শুধু দুই দেশের কূটনৈতিক বৈঠক নয়, এটি আসলে সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূ-রাজনৈতিক মোড়বদলের মুহূর্ত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে টানাপোড়েন নতুন নয়, কিন্তু ২০২৬ সালের সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতি এই সংঘাতকে একেবারে নতুন স্তরে পৌঁছে দিয়েছে। সেই প্রেক্ষাপটে ইসলামাবাদের এই আলোচনা গোটা বিশ্বের নজর কেড়েছে।

ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের যৌথ হামলার পর যে সংঘাত শুরু হয়, তা দ্রুতই মধ্যপ্রাচ্যের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। ইরান পাল্টা হামলা চালায়, মার্কিন ঘাঁটি ও মিত্র দেশগুলিকে লক্ষ্য করে আঘাত হানে। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছায় যে, ইরান বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেলপথ ‘স্ট্রেইট অব হরমুজ’ আংশিকভাবে বন্ধ করে দেয়। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম হু হু করে বাড়তে থাকে এবং বিশ্ব অর্থনীতিতে চাপ তৈরি হয়।

এই উত্তেজনার মধ্যেই পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় সামনে আসে। কয়েকদিনের তৎপরতার পর একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়, যার মেয়াদ মাত্র দুই সপ্তাহ। এই যুদ্ধবিরতি একদিকে যেমন যুদ্ধ থামিয়েছে, অন্যদিকে তেমনি নতুন প্রশ্নও তুলে দিয়েছে, কতদিন এই শান্তি থাকবে? ইসলামাবাদের আলোচনা সেই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা।

ইসলামাবাদে এই আলোচনায় অংশ নিতে দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত হয়েছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স নেতৃত্ব দিচ্ছেন, সঙ্গে রয়েছেন বিশেষ দূত ও শীর্ষ উপদেষ্টারা। অন্যদিকে ইরানের প্রতিনিধিদলও উচ্চপর্যায়ের, যেখানে বিদেশমন্ত্রী-সহ গুরুত্বপূর্ণ নেতারা রয়েছেন। এই উচ্চপর্যায়ের উপস্থিতিই বুঝিয়ে দেয়, আলোচনার গুরুত্ব কতটা বেশি।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
বড় যুদ্ধের ইঙ্গিত দিচ্ছে লেবাননের পরিস্থিতি?

Lebanon crisis: লেবাননে কী ঘটছে? মধ্যপ্রাচ্যের এই উত্তেজনা কি আরও বড় যুদ্ধে রূপ নিতে চলেছে?

তবে আলোচনার শুরু থেকেই একাধিক জটিলতা সামনে এসেছে। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো, এই যুদ্ধবিরতি আদৌ কোন কোন অঞ্চলে প্রযোজ্য। ইরান দাবি করছে, লেবাননও এই চুক্তির আওতায় পড়বে। কিন্তু ইজরায়েল তা মানতে নারাজ এবং সেখানে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। ফলে যুদ্ধবিরতির বাস্তবতা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।

এই লেবানন ইস্যুই আলোচনার সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে উঠতে পারে। ইরান স্পষ্ট করে জানিয়েছে, লেবাননে হামলা বন্ধ না হলে তারা পূর্ণাঙ্গ আলোচনায় বসতে রাজি নয়। একইসঙ্গে তারা আরও কিছু শর্তও দিয়েছে, যেমন তাদের জব্দ করা অর্থ মুক্ত করতে হবে এবং আঞ্চলিক সংঘাত কমাতে হবে।

অন্যদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানও কম কঠোর নয়। ওয়াশিংটন চাইছে ইরান তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করুক, ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়ন বন্ধ করুক এবং আন্তর্জাতিক জলপথে বাধা না দিক। বিশেষ করে স্ট্রেইট অব হরমুজ খুলে দেওয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলির একটি। কারণ এই পথ দিয়েই বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবাহিত হয়।

এখানেই আসল সংঘাত। ইরান এই জলপথের উপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ জোরদার করতে চাইছে, এমনকী সেখানে দিয়ে যাওয়া তেলের উপর শুল্ক বসানোর কথাও বলেছে। অন্যদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এটিকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের উপর হস্তক্ষেপ হিসেবে দেখছে। ফলে অর্থনীতি, কৌশল ও সামরিক—তিনটি স্তরেই এই বিরোধ গভীর।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
ইরান-মার্কিন যুদ্ধবিরতি ও পাকিস্তানের কূটনৈতিক প্রত্যাবর্তন: ভারতের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ

Iran US ceasefire: ইরান-আমেরিকা যুদ্ধবিরতিতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতা নতুন করে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে তার গুরুত্ব বাড়িয়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের এই পরিবর্তিত অবস্থান ভারতের জন্য কি নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে? দক্ষিণ এশিয়ার ক্ষমতার ভারসাম্য কি বদলাচ্ছে, নাকি এটি সাময়িক কূটনৈতিক সমীকরণ—এই প্রশ্নই এখন মূল আলোচনায় উঠে আসেছে।

এই আলোচনায় আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো পারস্পরিক অবিশ্বাস। দীর্ঘদিন ধরে দুই দেশের সম্পর্ক এমন জায়গায় পৌঁছেছে, যেখানে একে অপরের প্রতিশ্রুতি নিয়েও সন্দেহ রয়েছে। যুদ্ধবিরতির পরও একাধিক অভিযোগ উঠেছে, কে আগে শর্ত ভাঙছে, কে বেশি আগ্রাসী, এই বিতর্ক থামেনি।

তবে এই পরিস্থিতির মধ্যেও আলোচনায় বসা একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেয়। দুই পক্ষই বুঝতে পারছে, দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ কারও জন্যই লাভজনক নয়। যুদ্ধ চললে শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, গোটা বিশ্বের অর্থনীতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাও বিপদের মুখে পড়বে। তাই আপাতত কূটনৈতিক পথই একমাত্র ভরসা।

পাকিস্তানের ভূমিকাও এখানে উল্লেখযোগ্য। তারা শুধু আলোচনার আয়োজনই করেনি, বরং এই পুরো প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সক্রিয়ভাবে কাজ করেছে। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পাকিস্তানের কূটনৈতিক গুরুত্বও এই ঘটনায় নতুন করে সামনে এসেছে।

তবে সবকিছুর পরেও প্রশ্ন থেকে যায়, এই আলোচনা কি সত্যিই স্থায়ী শান্তির পথ দেখাতে পারবে? কারণ আলোচনার টেবিলে যে বিষয়গুলি রয়েছে, সেগুলি সহজে মেটার নয়। পারমাণবিক কর্মসূচি, আঞ্চলিক প্রভাব, সামরিক উপস্থিতি—প্রতিটি ইস্যুই জটিল।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই আলোচনা হয়তো তাৎক্ষণিকভাবে সব সমস্যার সমাধান করতে পারবে না। কিন্তু যদি অন্তত কিছু বিষয়ে সমঝোতা হয়, তাহলে তা ভবিষ্যতের জন্য একটি ভিত্তি তৈরি করতে পারে। আর যদি আলোচনা ভেঙে যায়, তাহলে আবার সংঘাত বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

ইসলামাবাদের এই বৈঠক এখন ‘মেক অর ব্রেক’ মুহূর্তে দাঁড়িয়ে। একদিকে যুদ্ধবিরতি টিকিয়ে রাখার চেষ্টা, অন্যদিকে স্থায়ী শান্তির পথ খোঁজা, এই দুইয়ের মাঝে দুলছে গোটা প্রক্রিয়া। বিশ্বের চোখ এখন এই আলোচনার দিকেই, কারণ এর ফলাফল শুধু দুই দেশের সম্পর্ক নয়, আন্তর্জাতিক রাজনীতি

র গতিপথও নির্ধারণ করতে পারে।

লিখেছেন
inscript
inscript
16 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

এসআইআর: বিশুদ্ধ ভোটার তালিকা তৈরির নামে যা পেল বাঙালি

Real Effect of SIR in bengal: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ৯১ লক্ষ ভোটার বাদ যান, যারা ছিলেন মোট ভোটারের ১২ শতাংশ। যাদের মধ্যে ৩৪% ছিলেন মুসলিম , নারীরা সংখ্যায় ছিলেন ৬১.৮%, এছাড়াও ছিলেন, মতুয়া ও রাজবংশী সম্প্রদায়ের মানুষেরা, যারা অসামঞ্জস্যপূর্ণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন। ফর্ম-৭-এর অপব্যবহার, অ্যালগরিদম-নির্ভর যাচাই, ১৯টি আপিল ট্রাইব্যুনালে ১ লক্ষ মামলা, সব মিলিয়ে ২০২৬-এর ভোটে যোগ্য নাগরিকরাও বাদ পড়েছিলেন।

‘সব নির্বাচনেই কারচুপি’, কেন এমন দাবি রাহুল গান্ধীর?

Rahul Gandhi election rigging claim: রাহুল গান্ধী কেন দাবি করলেন, ভারতের সব নির্বাচনেই কারচুপি হচ্ছে? নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে কী প্রশ্ন তুলেছেন তিনি? সরকারবিরোধী মনোভাব বা অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি কীভাবে ভোটের রাজনীতিতে কাজ করে? তাঁর অভিযোগের পক্ষে কী কী তথ্য ও প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে?

সিজেপির তিন দাবি, জ্ঞানেশ কুমার না সরলে ফের বড় আন্দোলন

Election Commission of India: নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা, নির্বাচন পরিচালনার পদ্ধতি এবং ২০২৩ সালের আইনের বৈধতা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের কাছে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি জানিয়েছে সিজেপি। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ, নির্বাচন প্রক্রিয়া স্থগিত করা এবং ২০২৩ সালের নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত আইন প্রত্যাহার।

থানার গেটেই মারধর প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে, সাধারণ মানুষ কতটা নিরাপদ?

Humayun Kabir: ঘটনার পর এখনও পর্যন্ত তিনি কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, শারীরিক অসুস্থতার কারণে তখন অভিযোগ করা সম্ভব হয়নি। সুস্থ হয়ে তিনি লিখিত অভিযোগ করবেন।

দুই কমিশনারের আপত্তিতে ফের আলোচনায় সীমা খান্না, কমিশনে ঠিক কী দায়িত্ব তাঁর?

Seema Khanna and ECINet: ভোটার তালিকা ও ইসিআইনেট (ECINet) নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক। দুই নির্বাচন কমিশনারের আপত্তিতে সামনে এসেছে আইটি বিভাগের ভূমিকা এবং ডিরেক্টর জেনারেল (IT) সীমা খান্নার নাম। কে এই সীমা খান্না? নির্বাচন কমিশনে তাঁর দায়িত্ব কী? ভোটার তালিকা পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়েই বা কেন উঠছে প্রশ্ন?

সরকারকে ৪ দিনের সময়সীমা বেধে দিল চা-শ্রমিকরা, ঠিক কী কী দাবি?

Dooars tea workers: ২২ সেপ্টেম্বর বকেয়া মজুরি ও অন্যান্য পাওনা মেটানোর দাবিতে হাঁটাপাড়া, ধুমচিপাড়া ও গারগান্ডার চা-শ্রমিকরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পদযাত্রা শুরু করেন। একই দিনে তোর্সার প্রস্তাবিত ল্যান্ড পোর্ট প্রকল্পে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষও জমি ও অধিকার রক্ষার দাবিতে পদযাত্রা করেন। দুই পদযাত্রাই পুলিশ আটকে দেয়।

বিশাখাপত্তনমে গুগলের ডেটা সেন্টার: ডিজিটাল উন্নয়নের দাম দেবে জল ও পরিবেশ?

Digital Thirst of vizag ai data centres: গুগল-আদানি-এয়ারটেলের যৌথ উদ্যোগে বিশাখাপত্তনমে গড়ে উঠছে ১ গিগাওয়াটের এআই ডেটা সেন্টার, বিনিয়োগ ১.২৫ লক্ষ কোটি টাকা। কিন্তু শহরের জলসংকট, কাম্বালাকোন্ডা বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্যের নৈকট্য আর পরিবেশবাদীদের বিক্ষোভ এই প্রকল্পকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। 'স্টপ বিশাগ ডেটা সেন্টারস'-এর ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট পর্যন্ত নিষিদ্ধ করেছে ভারত সরকার।

এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই আপত্তি, ১০ মাসে দুই কমিশনারের ১৪ বার প্রশ্ন

Election Commission SIR: এসআইআর ঘিরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই তৈরি হয়েছে মতপার্থক্য। গত ১০ মাসে দুই নির্বাচন কমিশনার ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন বলে দাবি দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-এর এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে। ফর্ম ৬ বদল, ভোটার তথ্যভান্ডারের কেন্দ্রীয়করণ, পশ্চিমবঙ্গের আপিল এবং প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনা নিয়েও উঠেছে একাধিক প্রশ্ন। ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও আইন মেনে চলার বিষয়টি ফের আলোচনায়।