'রাজছত্র ভেঙে পড়ে', 'শত শত সাম্রাজ্যের ভগ্নশেষ' জুড়ে থেকে যায় তবু ছাতা...

History of the Umbrella: বর্ষে বর্ষে যুগে যুগে এই ছাতার প্রয়োজনীয়তা হাড়ে হাড়ে বুঝেছে মানুষ। রোদ বৃষ্টিতে মাথা ঢাকা তো আছেই। তবে ছাতার কাজ কি শুধু তাতেই সীমিত নাকি!

Sohini Das
৭ মিনিট
'রাজছত্র ভেঙে পড়ে', 'শত শত সাম্রাজ্যের ভগ্নশেষ' জুড়ে থেকে যায় তবু ছাতা...

'আবার এসেছে আষাঢ়'। যক্ষপ্রিয়ার এসএমএস ঠিক সময়ে যথাস্থানে পৌঁছেছে কি! জানা নেই ঠিক। তবে দেরিতে হলেও বৃষ্টি এসেছে। রোদ্দুরে পুড়ে পুড়ে হন্যে ছাতা প্রথম বৃষ্টির জলে ঘামাচি মারতে ব্যস্ত। সেই যে 'এসো হে বৈশাখ' শুনে গরম এসেছিল বঙ্গে, তারপর থেকে ক্রমাগত যে লাল চোখ সে দেখিয়েছে, তাতে গোটা পৃথিবী থরহরি কম্পমান। গ্যালন গ্যালন ঘাম, লিটার লিটার এসি থেকে অপচয় হওয়া জল আর দু'শো চল্লিশ ভোল্টের সূ্র্য! 'রাজা বলে, "বৃষ্টি নামা— নইলে কিচ্ছু মিলছে না।' রাজার ইচ্ছায় হোক বা কালের নিয়মে আষাঢ এসেছে, হাতে করে এনেছে বৃষ্টিও। বৃষ্টিকে 'ন্যাস্টি' বলা নাকউঁচুও অবশেষে নিঃশ্বাস ফেলেছে স্বস্তির। তবে ঋতু বদলালেও যার দম ফেলার সময় নেই, তা হল ওই ছাতা। কারণ বিজ্ঞাপন বলে গিয়েছে, গ্রীষ্ম কিংবা বর্ষা, ভরসা একটাই, ওই ছাতা। কথায় বলে, বই আর বউ, অন্যের হাতে দিলে আর ফেরে না। ছাতার বেলাতেও ওই কথাটি একশো শতাংশ খাটে। একবার হাত থেকে গেলে ছাতা বস্তুটি ফিরে পাওয়া বিস্তর কঠিন। তাছাড়া জীবনে একবারও ছাতা হারাননি, এমন মনুষ্যজন্ম বৃথা। বর্ষে বর্ষে যুগে যুগে এই ছাতার প্রয়োজনীয়তা হাড়ে হাড়ে বুঝেছে মানুষ। রোদ বৃষ্টিতে মাথা ঢাকা তো আছেই। তবে ছাতার কাজ কি শুধু তাতেই সীমিত নাকি! ব্যাঁকানো ছাতার বাঁট দিয়ে ফুল পাড়া হোক বা ডিভানের অন্ধকারে হারিয়ে যাওয়া জিনিস টেনে আনা। যৌবনে ছেলে পেটানোর লাঠি থেকে বৃদ্ধ বয়সের যষ্টি, সবেধন নীলমনি ওই ছাতা। তাছাড়া উর্ধ্বতনের মাথা ঢাকতেও কাজে আসে এই ছাতাই। তাতেও অবশ্য নিজের মাথাটাই বাঁচে খানিকটা।

সভ্যতার প্রয়োজনে একদিন আগুন জ্বালাতে শিখেছিল মানুষ। তার পর প্রয়োজনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে শুরু হয় একের পর এক দরকারি জিনিস বানানোর খেলা। অন্ধকারের সঙ্গে লড়তে আগুন, পরবর্তীকালে আলো। রোদ্দুর-বৃষ্টির সঙ্গে লড়তে ছাতা। তবে একেবারে প্রথমে কিন্তু বৃষ্টির চেয়েও রোদ ছিল অনেক বেশি ভয়ঙ্কর। দিন কয়েক আগে পর্যন্ত জানলা দিয়ে তাকালে অবশ্য তেমনটাই মালুম হচ্ছিল। মনে করা হয়, আজ থেকে প্রায় চার হাজার বছর আগে তৈরি হয়েছিল প্রথম ছাতা। পশ্চিম এশিয়ার মেসোপটেমিয়া সভ্যতায় মিলেছিল প্রথম ছাতার নিদর্শন। তাল গাছের পাতা, প্যাপিরাস, ময়ূরের পালক এসব দিয়ে তৈরি হত তখনকার ছাতা। প্রাচীন মিশর ও মেসোপটেমিয়ায় সেই ছাতা ছিল কেবলমাত্র উচ্চবর্গের ব্যবহারের জিনিস। সামাজিক ভাবে নীচু বা অন্ত্যজ শ্রেণির মানুষদের ছাতা ব্যবহারের অনুমতি ছিল না। জানা যায়, যীশুখ্রিস্টের জন্মের ১২০০ বছর আগে মিশরে ‘নাট’ নামে এক দেবীকে খুব মান্যগণ্য করত সেখানকার মানুষ। ‘নাট’ ছিলেন আকাশের দেবী। পায়ের পাতা ও হাতের আঙুল দিয়ে বক্রাকারে মাটি স্পর্শ করতেন তিনি। তাঁর প্রতিকৃতির সঙ্গে ছাতার মিল ছিল খেয়াল করার মতো। আর সেই কারণে ছাতা হয়ে উঠেছিল মিশরীয়দের কাছে সেই দেবীর প্রতীক। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই সমাজের সব ধরনের মানুষ ছাতা সঙ্গে রাখতে পারতেন না। সমাজের মান্যগণ্য ব্যক্তিদের কাছেই থাকত কেবল ছাতা। আর তাঁদের সঙ্গে এক ছাতার তলায় দাঁড়ানো সাধারণ মানুষের কাছে ছিল রীতিমতো সৌভাগ্যের ব্যাপার। শুধু মিশর বা মেসোপটেমিয়াতেই নয়। চিনেও মধ্যযুগে এই ছাতা বা প্যারাসোল ব্যবহারের ধারণা ছিল। একটি বাঁশের মাথা পাতা এবং পালক দিয়ে ছেয়ে তৈরি হত সেই ছাতা।

ল্যাটিন শব্দ Umbra(আম্ব্রা) থেকে এসেছে আমব্রেলা শব্দটি। অভিধানে যার অর্থ ছায়া। অর্থাৎ প্রাথমিক ভাবে রোদ থেকে বাঁচতেই উদ্ভব হয়েছিল ছাতার। তবে সময় যত এগোল, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আরও উন্নত হতে লাগল ছাতা। বাঁশ, লাঠি আর পাতা-পালক দিয়ে ছাতা বানানোর দিন শেষ হল। তেল ও মোমের আস্তরণ দিতে শিখে ততদিনে শুধু আর রোদ নয়, বৃষ্টি রুখতেও সমান পারদর্শী হয়ে গিয়েছে আধুনিক মানুষের ছাতা। শুধু তাই নয়। স্পষ্ট দু'টি ভাগও হয়ে গিয়েছে ছাতার। রোদ থেকে মাথা বাঁচাতে প্যারাসোল এবং বৃষ্টি থেকে বাঁচাতে আমব্রেলা।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
মদে চুমুক দিতে সোনার 'স্ট্র'! সুরাপ্রেমের তাক লাগানো ইতিহাস...

Old Drinking Straws: একটি ধাতব পিপেয় ভরা হত মদ, সেখানে গোল করে বসে সোনার স্ট্র ডুবিয়ে চলত আদিম মানুষের সুরাপান।

তা এ হেন ছাতা সপ্তদশ শতাব্দীতে পাড়ি দিল পাশ্চাত্যের দেশগুলিতে। ইটালি, ফ্রান্স এবং ব্রিটেনের মতো দেশগুলিতে রীতিমতো ফ্যাশন স্টেটমেন্ট হয়ে দাঁড়াল সেটি। তবে মজার ব্যাপার, সে সময় ছাতা ছিল এক্কেবারে মেয়েদের জিনিস। ঘরের কাজ, রান্নাবান্না বা কান্নাকাটির মতোই এক্কেবারে 'মেয়েদের'। ফলে পুরুষ সে জিনিসে ভুলেও হাত দিত না। সম্ভ্রান্ত ঘরের মহিলারা বৃষ্টি থেকে বাঁচতে ব্যবহার করতেন ছাতা। তবে এমন একটা উপকারী জিনিস 'মেয়েদের' বলে দেগে দিয়ে যে আখেরে নিজেদেরই ক্ষতি করছেন পুরুষবর্গ, সেই ভুল বুঝতে দেরি হল না খুব বেশি। আঠেরো শতকে তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলেন জোনাস হ্যানওয়ে নামে এক ব্রিটিশ।

সমাজে বেশ ধনী বলেই পরিচিত ছিলেন হ্যানওয়ে। লোকের টিপ্পুনি বা কৌতূকের বিশেষ ধার ধারতেন না। বরং রোদে-বৃষ্টিতে ছাতা নিয়ে বেরিয়ে পড়তেন যখন-তখন। বৃষ্টিবাদলার দিনে লন্ডনের রাস্তায় যখন সবাই ভিজে ভিজে গাড়ির জন্য হন্যে হত, তখন দিব্যি ছাতা মাথায় ঘুরে বেড়াতেন হ্যানওয়ে। গায়ে একফোঁটাও জল লাগত না। মুখে না-বললেও স্বাভাবিক ভাবেই লোকজনের হিংসের কারণ হয়ে উঠেছিলেন হ্যানওয়ে। তবে যে কাজ তিনি করতে চেয়েছিলেন, সেই কাজে শেষমেশ সফল হয়েছিলেন হ্যানওয়ে। ছেলেদের ছাতা ব্যবহারে যে কোনও ভুল নেই, তা তিনি প্রমাণ করে ছেড়েছেন। হ্যানওয়ের প্রচেষ্টায় ছাতা পুরুষদের হাতে উঠে এল বটে। তবে সবার হল না। বরং ইউরোপের উচ্চবর্গের হাতেই সীমাবদ্ধ রইল ছাতার ব্যবহার। ফরাসি বিপ্লবের সময়ে আরও বেশি করে ফ্যাশনের বস্তু হয়ে উঠল ছাতা। ছাতার হ্যান্ডেল থেকে শুরু করে কাপড়, সব আরও বেশি শিল্পসম্মত হয়ে উঠল। নানা ধরনের নকশা, নানা শিল্পকর্মে সেজে উঠতে লাগত প্রাক উনিশ শতকের ছাতা।

  • আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
আজকের নয়, ইতিহাস রয়েছে ভাইব্রেটারেরও

History of Vibrator Premium : মেয়েরাও সেই যৌনতৃপ্তি নিজের মধ্যেই খুঁজে বেড়ায়। অত্যন্ত স্বাভাবিক সেই প্রবৃত্তির অস্ত্র? ভাইব্রেটর!

এই সবেতে পেরিয়ে গেল আরও একটা শতাব্দী। নকশা, শিল্পকর্মের খোলস ছেড়ে অন্য ভূমিকায় অবতীর্ণ হল ছাতা। উনিশ শতকের ছাতায় যোগ হতে লাগল নানান কাজের জিনিস। প্যাডলক, সাইরেন থেকে শুরু করে অ্যালার্ম। এমনকী লুকানো অস্ত্র রাখার জায়গা পর্যন্ত হয়ে উঠেছিল সেসময়কার ছাতা। ছাতা প্রস্তুতকারকদের কাছে কাস্টমাইজড ছাতার বরাত আসতে শুরু করল। কারওর পছন্দ আলো, কারওর ঘড়ি তো কারওর ক্ষেত্রে সুগন্ধি রাখার বিশেষ জায়গা। এ সব কিছুই জায়গা পেতে লাগল সেই সময়কার ছাতায়। এমনকী ধূমপানের জিনিসপত্র রাখারও জায়গা থাকত ছাতায়। ফলে বোঝাই যাচ্ছে, ক্রমশ দারুণ কাজের জিনিস হয়ে উঠল ছাতা ব্যাপারটি। রোদ-বৃষ্টি থেকে বাঁচার জন্য তো বটেই, পাশাপাশি কখনও অস্ত্র তো কখনও শৌখিন শখ পূরণের জায়গা হয়ে উঠল তৎকালীন আমব্রেলা।

একসময় যে ছাতা ছিল কেবলমাত্র উচ্চবর্গের, তা পশ্চিমের দেশে গিয়ে হল সম্ভ্রান্তদের ব্যবহারের জিনিস। ক্রমে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা নেমে এল মাটির আরও কাছে। ব্যাপারটা অনেকটাই 'ফেলো কড়ি, মাখো তেল'-এর জায়গায় চলে এল। অর্থাৎ যাদের ক্রয়ক্ষমতা থাকত, তাদের জন্য তৈরি হল বিশেষ ধরনের ছাতা। যার সঙ্গে মিলত আরও নানান সুবিধা। তবে এবার তার পাশাপাশি মিলতে শুরু করল সাধারণের ব্যবহারের ছাতাও। কমল খরচ। ক্রমে সাধারণ মধ্যবিত্তের নাগালের মধ্যে চলে এল এই ছাতা ব্যাপারটি। প্রথম দিকে ইউরোপীয় ছাতাগুলি হত তিমির হাড়ের আকারের। যে জিনিস দিয়ে ছাতাগুলি তৈরি হত, তা তেমন টেকসই ছিল না। তাই পরবর্তীকালে কাঠামোটি তৈরির ক্ষেত্রে কাঠ, স্টিল এবং আরও পরে অ্যালুমিনিয়ামের ব্যবহার শুরু হল। তবে তাতে ছাতা বেশ ভারী হত। সেই ভার লাঘব করতেই শুরু হল ফাইবারগ্লাসের ব্যবহার। ছাতার কাপড়েও ততদিনে এসছে বদল। আগে যেখানে অয়েল ক্লথ ক্যানভাস ব্যবহার হত, এখন সেখানে ব্যবহার হয় নাইলনের মতো টেকসই কাপড়।

দাদু ছাতা থেকে হাল আমলের ফোল্ডিং ছাতা, রাজছত্র থেকে আমআদমির ছাতা। কতশত বদলের মধ্যে দিয়ে যে যেতে হয়েছে এই ছাতা ব্যপারটিকে, সেই ইতিহাস লম্বা। ফোল্ডিং তথা টেলিস্কোপিক ছাতার জন্ম হয়েছিল বিশ শতকে। ১৭০১ সালে ফ্রান্সে জিন মরিয়াস নামে এক ব্যক্তি প্রথমবার সফল ফোল্ডিং ছাতা বানিয়ে ফেলেন। তবে তা টেলিস্কোপিক ছিল না। ১৯৬৯ সালে ব্র্যাড ফিলিপ্স নামে এক ব্যক্তি প্রথম টেলিস্কোপিক আমব্রেলার পেটেন্ট পান। কিন্তু এখানেই শেষ হয় না গল্প। মানুষের সুবিধার সঙ্গে তাল মিলিয়ে আরও আধুনিক হতে লাগল ছাতা। বাজারে আসতে লাগল নানা নতুন নতুন মডেল। ট্রান্সপারেন্ট ছাতা, পকেট-সাইজ ছাতা, ইনভার্টেড আমব্রেলা, ওয়াকিং স্টিক আমব্রেলা (যাকে আমরা দাদু ছাতা বলে থাকি), এমন আরও কত রকম ছাতা যে পাওয়া যায় বাজারে, তা বলে শেষ করা কঠিন। ইদানীং তো নতুন নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার আরও ব্যবহারবান্ধব করে তুলেছে ছাতাকে। বৃষ্টির জল যাতে ছাতার কাপড়ে জমতে না পারে, তার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে টেফলন কোটিং। এমনকী ছাতার রাখার কভারগুলো এমন ভাবে তৈরি হয়, যাতে ভেজা ছাতা রাখলেও ব্যাগ ভেজে না মোটেই।

ছাতার কথা মনে পড়লেই চেনা কয়েকটি বিজ্ঞাপনের জিঙ্গেল মনে পড়বেই পড়বে। পৃথিবীটা যখন থেকে ক্রমশ ছোট হতে হতে বোকাবাক্সের মধ্যে আটকা পড়ল, তুমুল ভাবে শুরু হল বিজ্ঞাপনের যুগ। কোনও কথাই চিৎকার করে না-বললে শোনানো যায় না। বিজ্ঞাপন আগেও ছিল। তবে নব্বই দশকে এসে আরও বিরাট বপু ধারণ করল বিজ্ঞাপনের জমানা। 'গ্রীষ্ম কিংবা বর্ষা, কেসি পালই ভরসা'- এমন ক্যাচলাইন ততদিনে আমবাঙালির কানের ভিতর দিয়ে মরমে পশিয়েছে ভালো মতোই। কীভাবে যেন ছাতার সমার্থক হয়ে দাঁড়িয়েছে পঙক্তিটি। আরও একটি বিজ্ঞাপনের কথা মনে পড়ছে। সেটিও সম্ভবত ছিল কেসি পালেরই। সেই গানের লাইনটি ছিল খানিক এমন- "বাঁচাব কি করে বলো মাথা? খুলে ফেলি পটাপট বৃষ্টি এনট্রি নট, কেসি পালের ছাতা।" তা বাঙালির ছাতার ইতিহাসে মহেন্দ্র লাল দত্ত-ও কিছু কম যান না। পরবর্তীকালে এসেছে আরও নানান ব্র্যান্ড। তবে বাঙালির মতো ছাতাপ্রেমী জাতি কমই আছে ভূ-ভারতে। কথায় কথায় মুদ্রাদোষে 'ছাতার মাথা' বলায় হোক বা 'কী এমন ছাতা দিয়ে মাথা ঢেকেছো' বলে তিরস্কারই হোক, বাঙালির জীবন জুড়ে ছাতা। রবিঠাকুর লিখেছিলেন, 'রাজছত্র ভেঙে পড়ে, রণডঙ্কা শব্দ নাহি তোলে..' আর এ সমস্তের পরও সত্য একটাই। 'শত শত সাম্রাজ্যের ভগ্নশেষ 'পরে ওরা কাজ করে।' এই 'ওরা'-কে ছাতা ভেবে নিলে খুব ভুল হবে কি!

ছাতার ব্যবহার বহুমাত্রিক। মাঝেমধ্যে মাথা বাঁচাতে ক্ষমতাবানের মাথায় আমরা রাজছত্র তুলে দিই বটে। সেই রাজছত্র রাজদণ্ডের আকারে প্রায়শই নেমে আসে আমাদের মাথাতেই । তার পরেও তো বৃষ্টির দিনে ঘোমটা পরা নতুন বউটি রিকশাওয়ালার দিকে তার লাল টুকটুকে ছাতাটিও এগিয়ে দেন আজও। আর বৃষ্টি এবং রোদ্দুরের সেই ভারসাম্যটাই তো আমাদের হাতে যুগ যুগ ধরে তুলে দিয়ে এসেছে ছাতা। যা নিয়ে বেঁচে থাকেন ছাতাপ্রিয় আম আদমিরা।

লিখেছেন
Sohini Das
Sohini Das
0 Followers
column image
রৌদ্রছায়ার ফুটবল|এদোয়ার্দো গালেয়ানো: সকার ইন সান অ্যান্ড শ্যাডো-র অনুবাদ
Srikumar Chattopadhyay
Srikumar Chattopadhyay
column image
আমার মণিদাLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
দু'দশ কদম Rahul Arunodoy BanerjeeRahul Arunodoy Banerjee
column image
আশমানদারি
Aveek Majumdar
Aveek Majumdar
column image
শিখে লিখুন লিখতে শিখুন বাংলাBiswajit RayBiswajit Ray
column image
আমার সাংবাদিক জীবনRanjan BandyopadhayRanjan Bandyopadhay
column image
হাওয়াগাড়ির রূপকথাTarun GoswamiTarun Goswami
column image
তাহাদের শান্তিনিকেতনLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
পাগলের সঙ্গে যাবিLadly MukhopadhayaLadly Mukhopadhaya
column image
ঋতুপর্ণ নির্জন সিনে-মনAbhirup MukhopadhyayAbhirup Mukhopadhyay

আরও পড়ুন

২০২৫ যে শব্দগুলির সঙ্গে পরিচয় করাল

Word of the year: গুগল ইন্ডিয়ার তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয়রা ২০২৫ সালে যেসব শব্দের অর্থ সবচেয়ে বেশি খুঁজেছে, তা তাদের মানসিক অবস্থার প্রতিফলন। যেমন—সিজফায়ার অর্থাৎ যুদ্ধবিরতি, মক ড্রিল অর্থাৎ নিরাপত্তার জন্য মহড়া।

জ্যোতির্ময় দত্ত: লেখালেখির বাইরে এক খ্যাপাটে মানবতাবাদী

Jyotirmoy Dutta: বামপন্থার সমালোচক ছিলেন জ্যোতির্ময় দত্ত। তাঁর আদর্শ ছিল রবীন্দ্রনাথ ও মহাত্মা গান্ধীর মানবতা।

ঘৃণার রাজনীতি: এখন লক্ষ্য খ্রিস্টান?

Anti-Christian violence India: মিচেলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশে খ্রিস্টান নিগ্রহের ঘটনা ঘটেছে ৮৩৪টি (গড়ে মাসে ৭০ টি)। ২০২৫ সালে নভেম্বর মাস পর্যন্ত নিগ্রহের ঘটনা ঘটেছে ৭০৬ টি।

এক বাঙালির জেদে জুড়ল দুই বাংলা: টেলিগ্রাফ ম্যান শিবচন্দ্র নন্দী

Seebchunder Nandy: ১৮৫১ সালে কলকাতা-ডায়মন্ড হারবার লাইনের প্রথম সংকেত প্রেরণের সময় শিব চন্দ্র নন্দী ডায়মন্ড হারবার থেকে বার্তা পাঠান, অন্য প্রান্তে ও'শাগনেসির সঙ্গে ছিলেন লর্ড ডালহৌসি।

অন্যের দুঃখে কেন আমাদের মিষ্টি হাসি? শ্যাডনফ্রয়ডার মনস্তত্ত্ব

Schadenfreude: বর্তমান যুগে এই অনুভূতি আগুনের মতো ছড়িয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার হাত ধরে। আমরা এখন যাকে 'ট্রোলিং' বলি, তার মূলে রয়েছে এই শ্যাডনফ্রয়ডা।

দেশে দেশে নানাবেশে আছেন সে এক সান্তা ক্লজ

Santa Claus Across Cultures: ১৮৬৯ সালে প্রকাশিত রঙিন চিত্র সংকলনে জর্জ ওয়েবস্টার লিখেছিলেন, সান্তা ক্লজের বাড়ি "নর্থ পোলের নিকটে"।

বিপন্ন ভারতের প্রাচীন পর্বতমালা‍! যেভাবে ধ্বংসের মুখে আরাবল্লী

Aravalli Hills Under Threat: পরিবেশবিদদের মতে, আরাবল্লী কেটে ফেললে দিল্লির দূষণ পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার নেবে।

শৈশবের ‘রিওয়্যারিং’: স্ক্রিনের নীল আলো গিলে খাচ্ছে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে?

Screen Addiction Destroying the Mental Health: বাস্তব জগত থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ডিজিটাল জগতে ডুবে থাকায় শিশুদের মানসিক কাঠামোর এক আমূল পরিবর্তন ঘটে যাচ্ছে।