খালেদা জিয়া: দলীয় রাজনীতির গণ্ডি পেরিয়ে এক জাতীয় আদর্শ
Khaleda Zia: জুলাই-অগাস্ট বিপ্লবের পর সবাই যখন প্রতিরোধের নেশায় উন্মাদ, তখন সেই জাতিকে একটা মাত্র ভাষণের মাধ্যমে শান্ত করার চেষ্টা করেছিলেন বেগম খালেদা জিয়া।
বেগম খালেদা জিয়া মৃত্যুর মধ্য দিয়ে প্রমাণ করে গেলেন সত্যিই তিনি বাংলাদেশের জাতীয় ঐক্যের প্রতীক। বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকরা তাঁদের অভিভাবক হরিয়েছেন। তাই তাঁদের শোকের বহিঃপ্রকাশ কেমন হবে তা নিয়ে বলার কিছুই নেই।
কিন্তু বিএনপির বাইরে জামাত, এনসিপি, এবি পার্টি কিংবা পলাতক আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাও যেভাবে প্রাণ খুলে তাঁর জন্য প্রার্থনা করেছেন সেটা অভাবনীয়। শেখ হাসিনা প্রচুর টাকা পয়সা খরচ করে তাঁর বাবাকে ঠিক এই জায়গায় দেখতে চেয়েছেন। কিন্তু তাঁর সেই প্রচেষ্টা পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে, তাঁর জন্যই।
জুলাই-অগাস্ট বিপ্লবের পর সবাই যখন প্রতিরোধের নেশায় উন্মাদ, তখন সেই জাতিকে একটা মাত্র ভাষণের মাধ্যমে শান্ত করার চেষ্টা করেছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। তাঁর দলের নেতাকর্মীরা তো বটেই পুরো বাংলাদেশের মানুষ তাঁর সেই বক্তব্যে শান্ত হয়েছিল। তাঁরা মেনে নিয়েছিলেন প্রতিশোধের থেকে নিজের দেশের শান্তি ও স্থিতির বেশি প্রয়োজন। আর তাই, তাঁরা সহিংসতার পথ ছেড়ে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানকেই বেছে নিয়েছিলেন।
বাংলাদেশের বর্তমান প্রজন্ম অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন যে কী বস্তু, তা কোনোদিন চোখেই দেখেনি। তারা যে দলের রাজনীতিই করুক কিংবা সমর্থক হোক না কেন, কেউ হয়তো বলতে পারবে না যে, সে তার ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরেছে। আর এই এতটা সময় জুড়ে বেগম খালেদা জিয়ার সংগ্রাম ধারাবাহিক ভাবে ছিল। এটা ঠিক যে, তিনি আজ চলে যাওয়ার আগে যা দেখে গেলেন, তাতে তিনি বুঝেছেন যে, তাঁর জীবন কানায় কানায় পূর্ণ। তাঁর আর চাওয়ার কিছু নেই জীবনে।
তাঁর স্বামীর মৃত্যুর পর রেখে যাওয়া রাজনৈতিক দলটিকে তিনি নিজ হাতে গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। এবং, তিনি এই কাজে এতটাই সফল যে, এখন অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে ভালো স্থানে রয়েছে তাঁর দল। তাঁর ছেলে বাংলাদেশের জনপ্রিয়তম নেতা এবং সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী। তিনি একজন রাজনীতিবিদ হিসেবে বুঝতে পেরেছেন যে, এটি তাঁর ছেলের রাজনৈতিক কেরিয়ারের শ্রেষ্ঠ সময়। জিয়া পরিবার তো বটেই তাঁর নাতনির পোষা বিড়াল জিবু পর্যন্ত বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি সেলিব্রেটেড। একজন নেতা হিসেবে, মা হিসেবে, মানুষ হিসেবে এবং সংগ্রামী চরিত্রের নারী হিসেবে মৃত্যুর আগে আর কী চাই?
নব্বইয়ের গণ আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে 'আপসহীন দেশনেত্রী' উপাধি পেয়েছিলেন তিনি। তবে সবার কাছে ওঁর সম্মান বহুগুণ বেড়ে গিয়েছে ২০০৭ সালের পরের ফ্যাসিবাদ বিরোধী সংগ্রামের কারণে। বাংলাদেশে যারা জুলাই গণ অভ্যুত্থান ঘটিয়েছে তাদের সবচেয়ে সম্মানিত ও আদর্শ নেতা হিসেবে কারো নাম জিজ্ঞেস করলে তারা চোখ বন্ধ করে যার নাম নেয়, তিনি বেগম খালেদা জিয়া।
সম্প্রতি একজন জুলাইয়ের বিপ্লবী ওসমান হাদি ঘাতকের বুলেটে শহিদ হয়েছেন। তিনিও তাঁর রাজনৈতিক জীবনে বেগম খালেদা জিয়ার স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের ধারণাকে আদর্শ হিসেবে মনে করতেন। যা বহুবার তিনি বলে গিয়েছেন গণমাধ্যমের সামনে। এই আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে শহিদ হওয়ার মাত্র কয়েকদিন আগে এই ছেলেটিই বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, বেগম খালেদা জিয়া এখন শুধুই বিএনপির নেত্রী নন। তিনি পুরো বাংলাদেশের মুক্তিকামী মানুষের নেত্রী, তিনি হাদির মতো লাখ লাখ তরুণের পথিকৃৎ।
- আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
Khaleda Zia: ২০০৯ থেকে ২০২৪ সালে পদে পদে খালেদা জিয়াকে অপমান করার চেষ্টা করা হয়। তাঁর নামে কুৎসা রটানো হয়। স্বামীর স্মৃতিবিজড়িত বাড়ি থেকে জোর করে বের করে দেওয়া হয়।
বর্তমান প্রজন্ম যেখানে সব নেতাকে নিজে যাচাই করছে। সেখানে বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি তাদের প্রত্যেকের সম্মান অগাধ। আমরা অনলাইনে এমন বহু বিএনপি বিদ্বেষী মানুষকে দেখি যারা বেগম খালেদা জিয়াকেই তাঁদের আদর্শ এবং নেতা মানেন। যারা বিএনপির মূল প্রতিদ্বন্দ্বী তাঁদের মধ্যেও অনেকেই বেগম খালেদা জিয়ার জন্য অশ্রু ঝরিয়েছেন। বহু মানুষ তীব্র শীত উপেক্ষা করে দুর্গম এলাকা থেকে রওনা দিয়েছে শুধু তাদের প্রিয় নেত্রীর জানাজায় অংশ নেবে বলে।
শেখ হাসিনা বাংলাদেশের নির্বাচনী ব্যবস্থা ধ্বংসের পাশাপাশি এদেশের জনগণের রাজনীতি এমনকি তাঁর রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগকেও ধ্বংস করে গেছেন। অন্যদিকে বেগম খালেদা জিয়ার দেশে এক সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্যই আজীবন সংগ্রাম করে গিয়েছেন। আর এজন্যই বর্তমান বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের রাজনীতি শেষ আশ্রয় পেয়েছিল তাঁর ছায়াতেই।
বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর মধ্য দিয়ে এক মহাদ্রোহকালের সমাপ্তি হয়েছে। তবে তিনি তাঁর দেশকে গণতন্ত্রের দিকে এগিয়ে যেতে দেখে গেলেন। আর এই কারণেই হয়তো তিনি সবসময় চেষ্টা করেছেন মানুষের মনস্তত্ব বুঝে কাজ করতে। আজ যেটাকে বিএনপির শ্লোগান হিসেবে ধরা হচ্ছে সেই সবার আগে বাংলাদেশ কথাটা পুরোপুরি বেগম খালেদা জিয়ার জীবনের প্রতিশ্রুতি। তিনি তাঁর সংগ্রামের শুরুতেই প্রতিপক্ষকে চিনিয়েছিলেন এভাবে যে—
"ওদের হাতে গোলামির জিঞ্জির, আমাদের হাতে স্বাধীনতার পতাকা"
তারপর তাঁর অনুসারীরা রাজপথে আগুন ঝরা শ্লোগানে বিদ্রোহের বারুদ উগরে দিয়েছে। হাজারো কন্ঠে তারা কন্ঠ মিলিয়েছে--
‘খালেদা জিয়ার অপর নাম, আপসহীন সংগ্রাম.... ’
- আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
Khaleda Zia death: বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন অনেকে। কিন্তু সবচেয়ে ধারাবাহিকভাবে শিকার হয়েছেন খালেদা জিয়া। কারণ স্পষ্ট, তিনি এমন একজন নেত্রী যার উপস্থিতি একাই ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে দিতে পারত।
২০২৫ সালের ৩০ ডিসেম্বর, ভোরবেলায় যখন বেগম খালেদা জিয়া পৃথিবী ছেড়ে চলে যান, তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম এক ঐতিহাসিক বিজয় অর্জন করে। এই বিজয়টি এমন এক উপলক্ষ্য যে, তিনি দেশবাসীকে শোকসাগরে নিমজ্জিত রেখে গেছেন, এমনকি রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীরাও তাঁর প্রতি শ্রদ্ধার সঙ্গে শোক প্রকাশ করেছেন। তাঁর এই সংগ্রাম শুরু হয়েছিল ৩০ মে, ১৯৮১ সালে, যখন তাঁর স্বামী এবং তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হত্যা হয়। তারপর থেকে তাঁর এই সংগ্রামের শুরু।
জিয়াউর রহমান একজন বিশেষ ব্যক্তিত্ব বাংলাদেশের আপামর জনগণের কাছে। শহিদ জিয়া বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে এক মহান বীর হিসেবে পরিচিত। বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী অস্থিরতার মধ্যেও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে তাঁর বিশেষ ভূমিকা ছিল। তাঁর প্রধান অবদান ছিল বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের ধারণাকে বৈশ্বিক স্তরে প্রতিষ্ঠিত করা, যা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কারণ বাংলাদেশ একটি ছোট দেশ, তাই বৈশ্বিক রাজনীতিতে এর খুব বেশি ক্ষমতা ছিল না। তাই, জিয়াউর রহমানের হত্যার পর, দীর্ঘকাল ধরে বেগম খালেদা জিয়া একের পর এক অসম্ভব কাজের মুখোমুখি হয়েছেন। তাঁর স্বামীর অপূর্ণ কাজ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সংগ্রাম শুরু করেন।
খালেদা জিয়া স্বামীর রেখে যাওয়া কাজ চালিয়ে নিয়ে যাওয়া থেকে নিজের রাজনৈতিক জীবনের যাত্রা শুরু করেন। দুর্দান্ত সাহসিকতার সঙ্গে নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। এটি একটি অত্যন্ত কঠিন সংগ্রাম ছিল। এবং সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে বললে, একজন মহিলা হয়ে সমাজের কঠোর নিয়ম-কানুনের মধ্যে একজন নারী নেত্রী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়া সহজ ছিল না। মধ্যবয়সি বিধবা, খালেদা জিয়া দুই সন্তানকে নিয়ে তখন সমাজের প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে এক অনন্য চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হন।
প্রতিকূলতা সত্ত্বেও তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-কে একটি কার্যকর রাজনৈতিক দল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হন। তাঁর স্বামীর রেখে যাওয়া দেশপ্রমের সুমহান আদর্শকে মাথায় রেখে, তিনি দলটিকে এমনভাবে সংগঠিত করেন যে, এটি দেশটির সকল শ্রেণি, জনগণ ও মতাদর্শের প্রতিনিধিত্ব করতে সক্ষম হয়েছিল। তিনি জনগণের কাছে এক অটল, আপসহীন নেত্রী হিসেবেও পরিচিতি লাভ করেন। বিশেষ করে হুসেন মুহাম্মদ এরশাদ সরকারের বিরুদ্ধে তাঁর সংগ্রামের জন্য তিনি বিশেষ পরিচিত। ১৯৮৬ সালের বিতর্কিত বাংলাদেশ সাধারণ নির্বাচন বয়কট করার সিদ্ধান্ত তাঁকে রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অবিস্মরণীয় স্থান দিয়েছে, যা পরবর্তীতে তাঁর দৃঢ় সিদ্ধান্ত গ্রহণের পক্ষে এক গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
১৯৯১ সালে, হুসেন মুহাম্মদ এরশাদ সরকারের পতনের পর, খালেদা জিয়া বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। তাঁর প্রথম মেয়াদকালে বাংলাদেশের শাসন ব্যবস্থা সংসদীয় পদ্ধতির দিকে এগিয়ে যায়, যা দেশের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ছিল। তাঁর সরকার অনেক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করে। এই সময়ে শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নতি, বিশেষত নারীশিক্ষায় প্রসারের জন্য বিভিন্ন প্রচেষ্টা করা হয়। তাঁর শাসনকালে রেডিমেড গার্মেন্টস (RMG) খাতের সূচনা হয়, যা বাংলাদেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হয়ে ওঠে।
বাংলাদেশের বিভিন্ন জাতি ও ধর্মীয় গোষ্ঠীকে একত্রিত করার লক্ষ্যে খালেদা জিয়া বহুত্ববাদী বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ প্রচার করেন, যাতে দেশের সার্বভৌমত্ব সর্বাধিক গুরুত্ব পায়। তিনি ভারতের সঙ্গে সম্পর্কেও একটি পরিমাপিত, সমতাভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করেন। ১৯৭২ সালের বন্ধুত্ব-চুক্তিকে তিনি অসম্পূর্ণ এবং অব্যক্ত স্বার্থপূর্ণ বলে মনে করেন এবং তার জায়গায় একটি সমান ভিত্তিতে সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করেন।
এছাড়া, খালেদা জিয়া যুক্তরাষ্ট্র এবং জার্মানির সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করেন, যা বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন পথ খুলে দেয়। তাঁর নেতৃত্বে, বাংলাদেশ চিনের সঙ্গে কৌশলগত সম্পর্ক স্থাপন করে, যা তাঁর দেশের প্রতিরক্ষা খাতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে।
তাঁর রাজনৈতিক জীবন দীর্ঘ সময় ধরে নানা প্রতিকূলতার সম্মুখীন হয়েছে, এবং ২০১০-এর দশকে তিনি বারবার কারাগারে গিয়েছেন। এরপরেও, তিনি নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। তাঁর রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম দৃষ্টান্ত হলো, তিনি কখনও বিতর্কিত ক্ষমতা গ্রহণ বা এতটুকু আপস করেননি।
২০২৫ সালের ৫ অগাস্টের পর গণতান্ত্রিক আন্দোলনে খালেদা জিয়া আবার বাংলাদেশের রাজনীতিতে বিশাল ভূমিকা নেন এবং দেশের সার্বভৌমত্বের প্রতীক হিসেবে পুনরায় আবির্ভূত হন। তাঁর দল আবার শক্তিশালী হয়ে উঠেছে, এবং তাঁর পুত্র তারেক রহমান দলের নেতৃত্ব নিতে প্রস্তুত।
খালেদা জিয়া বাংলাদেশের ইতিহাসে একমাত্র রাজনৈতিক নেতা, যিনি পাঁচটি সাধারণ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেন এবং সবকটাতেই সংসদের আসন জিতেছেন, যা তাঁর ব্যক্তিত্ব এবং জনসমর্থনের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা এবং ভালোবাসার প্রতিফলন। বর্তমান প্রজন্ম যারা কোনোদিন ভোট দিতে পারেনি কিংবা যাদের ভোটের দরকারই হয়নি তারা জানে না প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বেগম খালেদা জিয়া কেমন ছিলেন। তখনকার আওয়ামী লীগ সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকা পোষ্য বুদ্ধিজীবী, তাদের গল্পে ভরা টিভি-সংবাদপত্র থেকে যা জানা যায় সেটা পুরোদস্তুর মিথ্যাচার এবং বিতর্কিত বিষয়। এর বাইরে থেকে বাস্তবের বেগম খালেদা জিয়া কতটা শক্তিশালী আজকে ফেসবুকের হোমপইজ স্ক্রল করলেই বোঝা যাচ্ছে। আর তাঁর মৃত্যুর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয় ঐক্যের শেষ প্রতীকটি হারিয়ে ফেলল।
(মতামত লেখকের ব্যক্তিগত)






