ভয়াবহ! স্কুটারের পিছনে আটকে ব্যক্তি, ছেঁচড়ে নিয়েই চললেন নির্বিকার চালক!
Bengaluru Accident: স্কুটার এবং বোলেরোর মধ্যে দুর্ঘটনা আর তারপর কথা কাটাকাটি থেকেই এই ভয়াবহ ঘটনার সূত্রপাত

বছরের শুরুতেই দুর্ঘটনার খবরে কেঁপে উঠেছিল সারা দেশ। মধ্যরাত্রে তরুণীর দেহ গাড়ির তলায় আটকে ছেঁচড়ে চলে গেছিল ১৩ কিলোমিটার দূরে! মৃত অবস্থায় যখন তাঁকে পাওয়া যায়, চামড়া ছিল না দেহে, ছিল না মাথার খুলি, পাঁজর খুলে বেরিয়ে এসেছিল। সপ্তাহ খানেক গড়াতে না গড়াতেই ফের একই রকমের দুর্ঘটনার সাক্ষী দেশ। এবার গাড়ি নয়, স্কুটার। বয়স্ক ব্যক্তিকে স্কুটারের পিছনের চাকায় আটকে বহুদূর ঘষে নিয়ে যাওয়ার একটি ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই দিল্লির অঞ্জলির কথা ফের মনে করিয়ে দিচ্ছে বীভৎসতা আর নিরাপত্তাহীনতার আতঙ্ক। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, কর্ণাটকের বেঙ্গালুরুর মাগাদি রোডে একজন বয়স্ক ব্যক্তি স্কুটারের পিছনের চাকায় আটকে রয়েছেন আর স্কুটার চালক নির্বিকারভাবে গাড়িই চালিয়েই যাচ্ছেন।
স্কুটার চালক এর আগে একটি গাড়ির সঙ্গে ধাক্কা মেরেছিলেন। সেই গাড়িরই চালক ছিলেন বয়স্ক ওই ব্যক্তি। ধাক্কা মারার পরে ঝামেলা শুরু হওয়ায় স্কুটার চালক গাড়ির চালককে রাস্তায় টেনে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। চার চাকার চালক বৃদ্ধ গাড়ি থেকে নেমে স্কুটার চালকের সঙ্গে কথা বলতে গেলে সে স্কুটারে করে পালানোর চেষ্টা করে। তখন ওই বৃদ্ধ স্কুটারের পেছন চেপে ধরেন। এতে না থেমেই স্কুটার চালিয়ে যান চালক।
পুলিশ জানিয়েছে, বৃদ্ধ ওই ব্যক্তির নাম মুথাপ্পা। বয়স পঞ্চান্নর কাছাকাছি। খুব বেশি আহত হননি তিনি। স্কুটার যখন দ্রুত গতিতে যাচ্ছে তখন একটি অটোরিকশা স্কুটার চালককে আটকান এবং একটি মেট্রো স্টেশনের কাছে থামতে বাধ্য করা হয় ওই চালককে।
- আপনার জন্য আরও কিছু লেখা
Women Safety : দিল্লি, মুম্বাই,চেন্নাই, কলকাতা, ব্যাঙ্গালোরের মতো শহরে যে ছবি ধরা পড়ল সমীক্ষায়
স্কুটার চালকের নাম সাহিল। পেশায় একজন মেডিকেল সেলসপার্সন তিনি। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ হেফাজতে নেয় তাকে। গোবিন্দরাজ নগর থানায় একটি মামলাও দায়ের করা হয়েছে তাঁর নামে। টু হুইলার অর্থাৎ স্কুটার এবং বোলেরোর মধ্যে দুর্ঘটনা আর তারপর কথা কাটাকাটি থেকেই এই ভয়াবহ ঘটনার সূত্রপাত, জানিয়েছেন ডিসিপি লক্ষ্মণ নির্বার্গী৷ বৃদ্ধ আহত ব্যক্তি মুথাপ্পাকে কাছাকাছি একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
জানুয়ারির প্রথম দিনই ২০ বছরের তরুণী অঞ্জলি একটি স্কুটিতে চড়ে ফিরছিলেন। রাস্তায় একটি গাড়ি ধাক্কা মারলে পড়ে যান তিনি। গাড়ির চাকায় আটকে বহুদূর চলে যায় তিনি। তাঁর চিৎকার কানে যায়নি গাড়ির মধ্যে থাকা কোনও পুরুষেরই৷
একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিতে কর্মরত অঞ্জলি তাঁর বন্ধু নিধির সঙ্গে নিজেরই স্কুটারে চড়ে যাচ্ছিলেন। একটি গাড়ি তাঁকে ধাক্কা দেয়। ফরেনসিক রিপোর্ট বলছে, অঞ্জলির পা গাড়ির বাম দিকের সামনের চাকায় আটকে যায়। এই ঘটনাটি দেখেও সেখান থেকে পালায় বন্ধু নিধি। যখন অঞ্জলির দেহ উদ্ধার করা হয় তখন আর প্রাণের ন্যূনতম স্পন্দনও ছিল না। মোট পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে দিল্লির ওই দুর্ঘটনার মামলায়।















