মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

Mamata Banerjee is an Indian politician and lawyer who is currently serving as the chief minister of West Bengal since 20 May 2011; she is the first woman to hold the office.

personMamata Banerjee
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
‘নধরের ভেলা’র মতোই প্রশ্ন: ডিম ছোড়ার খেলায় লাভবান হচ্ছে কে?

West Bengal Politics: দুর্মূল্যের বাজারে ক্রেটের পর ক্রেট ডিম ছুড়ে রাজনৈতিক প্রতিবাদ দেখানো হচ্ছে। কিন্তু এই ডিমের জোগান দিচ্ছে কারা? প্রদীপ্ত ভট্টাচার্যের ‘নধরের ভেলা’র মতোই প্রশ্ন উঠছে—মঞ্চে যারা দৃশ্যমান, তারা কি শুধু পদাতিক? আর নেপথ্যের রিংমাস্টারদের স্বার্থই বা কী?

suman senguptasuman sengupta
6mins read
কংগ্রেস ভেঙে কী ভাবে বেরিয়েছিলেন মমতা?

Mamata Banerjee: কংগ্রেসের হাত ধরে রাজনৈতিক জীবনের শুরু হলেও কেন দল ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? নব্বইয়ের দশকে কংগ্রেস নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁর মতবিরোধ কতটা গভীর হয়েছিল? কী ভাবে কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে এসে ১৯৯৮ সালে তৃণমূল কংগ্রেস গড়ে তুলেছিলেন তিনি, আর সেই সিদ্ধান্তই বা কী ভাবে বদলে দিয়েছিল বাংলার রাজনীতির গতিপথ?

তিন ভাগে বিভক্ত তৃণমূল, হাজার কোটির সম্পত্তির মালিকানা কার হাতে যাবে?

Trinamool Congress: তৃণমূল কংগ্রেস তিন ভাগে বিভক্ত হওয়ার পর বড় প্রশ্ন উঠছে, দলের প্রতীক ও সম্পত্তির দাবিদার কে? কী বলে আইন? নির্বাচন কমিশন কী ভাবে ঠিক করে কোন গোষ্ঠী আসল দল? শিবসেনা ও এনসিপির মতো নজির কি তৃণমূলের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হতে পারে?

জনতার আদালতে তৃণমূল: কেন উঠছে ‘চোর চোর’ স্লোগান?

TMC corruption allegations: ২০১১ সালে ৩৪ বছরের বাম আমলের অবসান ঘটিয়ে এক ঐতিহাসিক পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। তারপর গত দেড় দশকে একের পর এক বড় বড় আর্থিক কেলেঙ্কারি আর দুর্নীতির অভিযোগে বারবার নাম জড়িয়েছে এই দলের প্রথম সারির নেতাদের।

তৃণমূলের ঋতায়ন: নৈতিকতা বর্জিত রাজনীতি আদৌ হয়?

তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠছে, যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে, যাঁর ছত্রছায়ায় থেকে তাঁর নতুন করে রাজনৈতিক পরিচিতি তৈরি হওয়া, আজ নাকি সেই দলের ভিতরে থেকে খোদ দলনেত্রীকেই একপ্রকার নিষ্ক্রিয় করে দেওয়ার খেলায় মেতেছেন তিনি!

১৯৯৮ থেকে ২০২৬: তৃণমূল কংগ্রেসের ওঠাপড়া ও ভাঙাগড়া

Trinamool Congress: ১৯৯৮ সালে শুরু হওয়া তৃণমূল কংগ্রেসের যাত্রা পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিকে পুরোপুরি বদলে দিয়েছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে দলটি সত্যিই সাফল্যের শিখরে পৌঁছেছিল। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বিতর্ক, অভিযোগ ও অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বই এর ভবিষ্যৎকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে। দেখা যাক, ২০২৬ সাল পর্যন্ত এই রাজনৈতিক পথচলার আসল চিত্রটা ঠিক কেমন।

যে ভাবে বাতিল হলো পুরনো তৃণমূল

Trinamool Congress: ৫০-এর বেশি বিধায়কের সমর্থনে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের নতুন সমীকরণ স্পষ্ট করে দিল, দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত আর সকলের কাছে শেষ কথা নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্ব, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভবিষ্যৎ এবং তৃণমূলের প্রকৃত ক্ষমতার কেন্দ্র কোথায়, সেই প্রশ্নই এখন রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে।

মন্ত্রিত্ব থেকে কেন দূরে টালিগঞ্জ?

যারা টলিউডে হওয়া সিন্ডিকেটরাজ নিয়ে এত সরব হলেন, তারা কেন মন্ত্রিসভায় জায়গা পেলেন না?

মমতা আমলের কলকাতা: বিকট মূর্তি, রাস্তার অদ্ভুত নাম আর ক্ষমতার দম্ভ

২০১১ থেকে ২০২৫—দীর্ঘ প্রায় দেড় দশকের তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনে কলকাতা শহর ও তার সংলগ্ন এলাকা একাধিক পরিবর্তনের সাক্ষী থেকেছে। তবে এই পরিবর্তনের একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে বিতর্ক। বিশেষ করে শহরের যত্রতত্র গড়ে ওঠা নানারকম মূর্তি, ভাস্কর্য এবং হুটহাট ঐতিহাসিক রাস্তার নাম বদলে অত্যন্ত লম্বা ও অদ্ভুত নাম রাখার প্রবণতা সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বুদ্ধিজীবী মহল—সর্বত্রই তীব্র সমালোচনার জন্ম দেয়।

বাংলায় পালাবদল: শিক্ষা নিয়ে নিজেদের বদলাতে পারবে বামেরা?

এই নির্বাচন স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, দীর্ঘদিন ধরে পুঞ্জীভূত হওয়া প্রাতিষ্ঠানিক ক্ষোভ বা ‘অ্যান্টি-ইনকাম্বেন্সি’ যখন তৃণমূল স্তরের দুর্নীতি ও কর্মসংস্থানের অভাবের সঙ্গে যুক্ত হয়, তখন তা এক অলঙ্ঘনীয় পরিবর্তনের পথ প্রস্তুত করে।

অভিষেকের উত্থানই কি মমতার পতনের কারণ? তৃণমূলের অন্দরে এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন

১৭ ডিসেম্বর, ২০২০ তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। শুভেন্দু ঘনিষ্ঠরা দল ছাড়তে থাকেন। জিতেন তিওয়ারির মতো নেতাদের সেদিন নিজে ফোন করেও ধরে রাখতে পারেননি। এই পর্বে শুভেন্দু তদানীন্তন রাজ্যপালকে একটি চিঠি দিয়ে জানান, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’র বশে পুলিশ-প্রশাসনকে দিয়ে তাঁর এবং তাঁর অনুগামীদের ফৌজদারি মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা হচ্ছে।

জাহাঙ্গিরের নয়, পতন হলো অভিষেকের ডায়মন্ডহারবার মডেলের

অভিষেক চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে বলেছিলেন, "আপনাদের বাংলা-বিরোধী গুজরাটি গ্যাং আর তাদের হাতের পুতুল জ্ঞানেশ কুমার মিলে ১০ জন্ম চেষ্টা করলেও আমার 'ডায়মন্ড হারবার মডেল'-এ একটা দাগও লাগাতে পারবে না। আপনাদের যত ক্ষমতা আছে, সব নিয়ে আসুন। আমি গোটা ভারত সরকারকে চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছি—ক্ষমতা থাকলে ফলতায় আসুন। আপনাদের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রার্থীকে পাঠান, দরকার হলে দিল্লি থেকে কোনো গডফাদারকে নিয়ে এসে দাঁড় করান। যদি বুকে সাহস থাকে, তবে ফলতায় এসে লড়াই করে দেখান।"

বাংলা ইন্ডাস্ট্রির পর্বান্তরের মুখে দাঁড়িয়ে কয়েকটি জরুরি কথা

সাধারণভাবে ইন্ডাস্ট্রিতে একটা ধারণা আছে যে আমরা এই কেসটাতে হেরে যাই। এমনকী যেদিন আমাদের আপিলটি হাইকোর্টে ডিসমিসড হয় সেদিন স্বরূপের নির্দেশে নানা শুটিং ফ্লোরে মিষ্টি বিতরণ হয়, যেন তারা মামলাটা জিতে গিয়েছেন। আদপে এরকম কিচ্ছু ঘটেনি।

১৭৭৭ থেকে ২০২৬, যেভাবে বদলেছে রাইটার্স বিল্ডিং

১৮০০ সালে লর্ড ওয়েলেসলি এই ভবনে ‘ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ’ স্থাপন করেন। ব্রিটেন থেকে যে সমস্ত নতুন রাইটার্স বা ক্লার্করা ভারতে আসতেন, তাঁদের এ দেশের ভাষা (যেমন বাংলা, হিন্দি, ফার্সি ইত্যাদি) এবং সংস্কৃতি শেখানোর জন্য এই কলেজটি ব্যবহার করা শুরু হয়।

স্বাস্থ্যসাথী বনাম আয়ুষ্মান ভারত: কোন স্কিমে কারা সুবিধা পাবেন, কারা পাবেন না?

যাদের পাকা বাড়ি আছে, বাড়িতে ল্যান্ডলাইন ফোন বা ফ্রিজ আছে, কিংবা যাদের পরিবারে দুই, তিন বা চার চাকার গাড়ি রয়েছে, তারা সাধারণত এই প্রকল্পের বাইরে থাকেন। এছাড়া কিষাণ ক্রেডিট কার্ডে ৫০,০০০ টাকার বেশি সীমা থাকলেও এই সুবিধা পাওয়া যায় না।

বাম-তৃণমূল জমানার অসুখ ঝেড়ে ফেলতে পারবে নবনির্বাচিত বিজেপি সরকার?

তৃণমূল ক্ষমতায় থাকাকালীন অত্যাচার করেছে বলে আজ বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে, তাই এখন তাদেরও অত্যাচার করার অধিকার ন্যায়সঙ্গত—এমন ধারণা থেকে বেরিয়ে আসা একান্ত প্রয়োজন। জনগণ শান্তি ও উন্নয়নের পক্ষে ভোট দিয়েছে; প্রতিশোধ বা 'চোখের বদলে চোখ' উপড়ে নেওয়ার ধারণার জন্য ভোট দেয়নি।